জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধিতে অভিনব প্রতিবাদ মদন মিত্রের

একদিকে দেশে করোনা অতিমারি। অন্যদিকে প্রতিনিয়ত বাড়ছে পেট্রোল -ডিজেলের দাম। শনিবার ফের বাড়ল জ্বালানির দাম। এদিকে জ্বালানির আকাশছোঁয়া দামবৃদ্ধির জেরে এবার অভিনব প্রতিবাদে নামলেন প্রাক্তন পরিবহণ মন্ত্রী মদন মিত্র। মন্ত্রী হলেন এবার রিকশাওয়ালা। ভিড় রাস্তাতেই রিকশাওয়ালাকে সিটে বসিয়ে টানলেন রিকশা। শনিবার কলকাতায়  লিটারপ্রতি পেট্রলের দাম বেড়ে হয়েছে ৯৭.৯৭ টাকা।

একলিটার ডিজেলের দাম ৯১.৫০ টাকা। করোনা আবহে নাজেহাল রাজ্যবাসী। এদিকে শনিবার জ্বালানির দাম ফের বাড়ায়। স্বভাবতই এদিন মদন মিত্র ফেসবুকে প্রতিবাদের ঝড় তোলে। এরপর রাস্তায় মেনে প্রতিবাদ জানালেন কামারহাট তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র।

মদন মিত্রের বাড়িতে আগুন

কলকাতাঃ কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে আগুন। ঘটনাস্থলে দমকলের তিনটি ইঞ্জিন।


বিস্তারিত আসছে --

সুস্থ হয়ে বাড়ির পথে মদন মিত্র,খোশমেজাজে গান গাইলেন হাসপাতালে

রবিবাসরীয় দিনে অবশেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পথে মদন মিত্র। বেলা ১২ টা  নাগাদ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন কামারহাটির  বিধায়ক মদন মিত্র। সকালে এসএসকেএম হাসপাতালে পুজো দিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে  বাড়ির দিকে রওনা দিলেন তিনি। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে খোশ মেজাজেই দেখা যায় মদন মিত্রকে। বলে দেন, “আমার নাকে লাম্প, ফুসফুসে প্যাচ দেখা দিয়েছিল। মুখ থেকে রক্ত বেরচ্ছিল। করোনা পরবর্তী সমস্যাও দেখা দিয়েছিল শরীরে। কিন্তু এসএসকেএমের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আমায় সুস্থ করে তুলেছেন। এছাড়া আমার কোনও অভিযোগ নেই। এদিকে বাড়ি ফেরার আনন্দে হাসপাতাল চত্বরে গান গেয়ে ফেললেন তিনি।

ফের গান গাইলেন মদন

আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ হয়ে উঠছেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র। সিবিআইয়ের হাতে বন্দি হওয়ার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার উচ্চ শর্করা রোগ এবং শাসকষ্টের সমস্যা আগেই ছিল।  ফলে অক্সিজেনের সাহায্যে এসএসকেমে তার চিকিৎসা শুরু হয়। এর মধ্যে গঙ্গা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে। অন্তর্বর্তী জামিন পেয়েছেন চ্যার নেতাই। আগেই বাড়ি ফিরে  গিয়েছিলেন ফিরহাদ হেকিম,সুব্রত মুখোপাধ্যায়, এবং শোভন চট্ট্যোপাধ্যায়। কিন্তু হাসপাতাল কতৃপক্ষ তথা চিকিৎসকরা মুক্তি দেন নি মদন বাবুকে। কিন্তু কোথাও স্বাভাবিক জীবন যাত্রাতে এসে ফেসবুক প্রেমী মদন মিত্র তার নিজে পেযে ফের গেলেন গান। তবে এই গান খুবই অর্থপূর্ণ।    
                                       

অন্তর্বর্তী জামিন ববিদের

অবশেষে কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে জামিন মঞ্জুর হলো ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়ের | শুক্রবার সকাল থেকেই উৎকণ্ঠার মধ্যে ছিল তৃণমূলের লক্ষ লক্ষ কর্মী সমর্থক, সেই সাথে নেতাদের পরিবারবর্গও | এই কয়েকদিন গৃহবন্দী ছিলেন ব্যস্ততম মন্ত্রী ববি হাকিম, যাঁর উপর কলকাতার দায়িত্বও রয়েছে এবং একই সাথে সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের দায়িত্বও কম নয়, ইয়াস উত্তর পর্বে পঞ্চায়েতের কাজ অনেক | বিশেষজ্ঞদের মতে সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কার পর আশাই করা গিয়েছিলো যে এই মামলায় জামিন হবেই | তবে কয়েকটি শর্ত আরোপ করা হয়েছে যথা ১) মিডিয়ার কাছে নারদ মামলা নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে পারবে না এই চার জন  ২) সিবিআই যখনই ডাকবে তাদের সঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে অবশ্য এই সময়ে ভার্চুয়াল মাধ্যমে কথা চলবে  ৩) ২ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ড জমা দিতে হবে | এই সমস্ত বিষয় ছাড়া বাকি এঁরা স্বাভাবিক কাজকর্ম ও জীবনযাত্রায় যেতে পারবেন | তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ জানান ,মোটের উপর এটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে সম্পূর্ণ ঘটনাটাই প্রতিহিংসা পরায়ণ হয়ে করা হয়েছে | এখনও একটি বিষয় থেকে গেলো তা, এই মামলা অন্য রাজ্য নিয়ে যাওয়া যাবে কিনা | বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই করোনা আবহে তার সমর্থনও পাবে না সিবিআই |

জেলে অসুস্থ মদন, শোভন

শেষ পর্যন্ত জেলেই যেতে হলো ববি হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায়, মদন মিত্র এবং শোভন চট্টোপাধ্যায়দের | জেলে গিয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েন মদন, শোভন | তাঁদের দ্রুত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয় | তখন বাজে ভোর ৪ টা | পরে বর্ষীয়ান সুব্রত মুখোপাধ্যায় অসুস্থ বোধ করেন, তাঁকে ডাক্তারি পরীক্ষা করে ফের জেলে ফেরত পাঠানো হয় | সম্পূর্ণ ঘটনায় স্তম্ভিত রাজ্যের মানুষ | আগামী বুধবার এঁদের মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টে | জানা গিয়েছে সূত্র মারফত সেখানেও সিবিআই এর মামলা তাদের বিরুদ্ধে গেলে সুপ্রিম করতে যাবে |


সকালে গ্রেফতার, সন্ধ্যায় জামিন, স্বস্তি তৃণমূলে

দিনভর নাটক ও টানাপোড়েনের পর অবশেষে জামিন পেলেন সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়া দুই মন্ত্রী সহ চারজন। ব্যাংকশাল কোর্টের বিশেষ সিবিআই আদালতে হল ভার্চুয়াল শুনানি। সোমবার বিকেলে শুরু হয় ভার্চুয়াল শুনানি।  পরে ধৃত ৪ জনেরই অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করেছে বিশেষ সিবিআই আদালত। ব্যক্তিগত ৫০ হাজার টাকার বন্ডে তাঁদের জামিন দেওয়া হয়েছে। যদিও এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্ট যেতে পারে সিবিআই। তবে স্বস্তি ফিরে এসেছে তৃণমূল শিবিরে। প্রসঙ্গত নারদ কাণ্ডের তদন্তে সোমবার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছিল রাজ্যের মন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার পুরপ্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান ফিরহাদ হাকিম এবং মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে। একই সঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র ও কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও গ্রেফতার করেছিল সিবিআই। দিনভর নাটকের পর অবশেষে জামিন পেলেন চারজনই।

সুরার কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে মদন মিত্র

শনিবার অবধি স্বাভাবিক ছিল জীবনযাত্রা কিন্তু রবিবার থেকে কড়া অনুশাসনের সাথে রাজ্য চলেছে | শনিবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র একটি সেফ হোম উদ্বোধন করেন | তিনি মনে করেন এই লকডাউনের মতো আটকে দেওয়া প্রক্রিয়ার সমর্থন করেন তিনি | কিন্তু মদের দোকান বন্ধ এবং "দিশি" মদের কালোবাজারির বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন তিনি | মদন বলেন, সমস্ত আটকে দেওয়ার ঘোষণার পর মদের দোকানে লম্বা লাইন দেখে স্তম্বিত তিনি | জানালেন, মানুষ খায় বলেই ভিড় | তিনি প্রায়ই ফেসবুক লাইভ করেন, সেখানেই ব্যাক্ত করেন তাঁর বক্তব্য | তিনি জানান যে, এরপর দিশি ব্ল্যাক হবে ১০০ টাকার মাল ১০০০ টাকায় বিক্রি হবেই " বাস্তব কথাই বলেছেন মদন মিত্র | গতবছর লকডাউন কালে চরম কালোবাজারি হয়েছে দেশি বিদেশী মদ | বহু মানুষ এই কান্ড করে লক্ষ লক্ষ টাকা রোজগার করেছে কিন্তু ধরা যায় নি তাদের | শনিবার তারাই পেটি পেটি মাল তুলে রবিবার থেকেই ব্ল্যাক করা শুরু করবে | সরকারি প্রশাসনকে বোধহয় এই বার্তাই দিয়েছেন মদন মিত্র |

মমতার মন্ত্রীসভায় ঠাঁই হল না যাদের

সোমবার সকাল ১০টা বেজে ৪৫ মিনিট থেকে একে একে শপথ নেবেন তৃতীয় তৃণমূল মন্ত্রীসভার সদস্যরা। কিন্তু গত মন্ত্রীসভার অনেকের নামই নেই একুশের তালিকায়। কেউ এবার টিকিট পাননি, কেউ আবার ভোটেই হেরেছেন আবার কেউ কেউ জিতে এলেও মন্ত্রীসভায় স্থান পেলেন না। ফলে বাদ পড়া তালিকাটা নেহাত মন্দ নয়। অপরদিকে, ভোটে না দাঁড়িয়েও মন্ত্রী হতে চলেছেন অমিত মিত্র। সবমিলিয়ে এবারের মন্ত্রীদের নামের তালিকায় চমক কম নেই।


রবিবার রাজভবনে পাঠানো নতুন মন্ত্রীদের তালিকা অনুযায়ী এবারের মন্ত্রীসভায় বাদ পড়েছেন তাপস রায়, নির্মল মাজি, মন্টুরাম পাখিরা, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, জাকির হোসেন, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, তপন দাশগুপ্ত ও  অসীমা পাত্র। এদের মধ্যে তাপস রায় এবং নির্মল মাঝি এবার জিতলেও ঠাঁই পেলেন না মন্ত্রীসভায়। জাকির হোসেনের কেন্দ্র জঙ্গিপুরে আরএসপি প্রার্থীর মৃত্যুর জেরে ভোটই হয়নি এখনও। অপরদিকে গত মন্ত্রীসভার পূর্ণমন্ত্রী পূর্ণেন্দু বসুকে এবার প্রার্থী করেনি তৃণমূল। আবার গত মন্ত্রীসভার প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে বাচ্চু হাঁসদা, রেজ্জাক মোল্লা, রত্না কর ঘোষও এবার টিকিট পাননি। তাই স্বাভাবিকভাবেই একুশের মন্ত্রীসভায় স্থান হল না তাঁদের। আবার ভোটে হেরেও মন্ত্রী হতে পারলেন না গৌতম দেব, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, বিনয়কৃষ্ণ বর্মন, শান্তিরাম মাহাতো ও শ্যামল সাঁতরা। অনেকেই আশা করেছিলেন মমতার প্রথম মন্ত্রীসভার অন্যতম সদস্য তথা রাজ্যের প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্রকে এবার মন্ত্রীসভায় জায়গা পেতে চলেছেন। কিন্তু তালিকায় তাঁর নাম না দেখে কার্যত হতাশ মদনের অনুরাগীরা।