প্রয়াত গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর

করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবার প্রয়াত হলেন গোসাবার রাজ্যের আরেক তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর। শনিবার রাত ৮.২০ নাগাদ এক বেসরকারি হাসপাতালে এই ৭৫ বছর বয়সি বিধায়ক শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। যদিও রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল মে মাসে প্রকাশ হওয়ার পর তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করকে নামি এক বেসরকারি হাসপাতালও ভর্তি করানো হয়। যদিও তাঁর অন্যান্য শারীরিক সমস্যা ছিল ।

তবে বেশকিছুদিন মহামারীর সাথে লড়াই করে আজ প্রাণ হারালেন গোসাবার এই বিধায়ক। ২০১১ সাল থেকে তৃণমূলের হয়ে লড়াই করে বিধায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন জয়ন্ত নস্কর। গোসাবার চুনাখালিতে বাড়ি তাঁর। তিনবারের বিধায়ক  ছিলেন তিনি। তবে রাজনীতিবিদের প্রয়ানে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহলে।

অভাবী বিধায়ক! চন্দনাকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাই বাজার করে দিচ্ছেন

তাঁর স্বামী রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। তাঁকেও অভাবের তাড়নায় মাঝেমধ্যেই দিনমজুরির কাজ করতে হয়। তবে করোনা পরিস্থিতির জেরে রাজ্যে চলছে কার্যত লকডাউন। এই জন্য এখন রোজ কাজও পাচ্ছেন না রাজমিস্ত্রি শ্রাবণ বাউরি। আর দিনমজুরের কাজ করা তাঁর স্ত্রীই কিনা এখন বিধায়ক। চন্দনা বাউরি, একুশের বিধানসভা ভোটে বিজেপির টিকিটে জয়ী হয়েছেন বাঁকুড়ার শালতোড়া থেকে। বিধায়কের টালির ঘরের চালে অবলিলায় ঢুকে পড়ে রোদের ছটা বা বৃষ্টির ফোঁটা। অভাব অনটন নিয়েই চলছিল চন্দনা বাউরির ছোট্ট সংসার। এহেন বিধায়কের সামনে এখন নতুন বিড়াম্বনা। বাঁকুড়ার কেলাই গ্রামের একটুকরো ফুটিফাটা বাড়িতে স্বামী, শাশুড়ি ও এক ছেলেকে নিয়েই কোনও রকমে চলছিল সংসার।