জহর সরকার এখন সাংসদ, অপেক্ষা ঘোষণার

বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল । বিকেল ৫ টা অবধি বিজেপি বা অন্য কোনও দলের কেউ মনোনয়ন জমা না দেওয়ার ফলে জহর সরকারের কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী রইলো না । ফলে দীনেশ ত্রিবেদীর ছেড়ে যাওয়া আসনে তৃণমূলের জহরবাবু মনোনীত হলেন এখন শুধু অপেক্ষার কখন নির্বাচন কমিশনের নির্বাচিত শংসাপত্র পান ।
আজ সকালেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর একটি টুইট নজর কাড়ে । তিনি লিখেছেন যে অসম লড়াইয়ে লাভ নেই সুতরাং তাঁরা প্রার্থী দিচ্ছেন না । এখন নাকি তাঁদের লড়াই সরকারের বিরুদ্ধে মাত্র । বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে । শোনা গেলো সংবাদটি তাঁর কানে গিয়েছে । ৯ অগাস্ট সরকারিভাবে জহর সরকারের জয় ঘোষণা করা হবে ।

রাজ্যসভায় তৃণমূলের জহর সরকার

অবশেষে দীনেশ ত্রিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন প্রসার ভারতীয় প্রাক্তন প্রধান, জহর সরকার ( আইএএস) । আজই নাকি জহরবাবুকে ফোন করে মুখ্যমন্ত্রী নিজেই কথা বলেন । জহরবাবুকে রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার অনুরোধ করলে তিনি রাজি হয়ে যান । কিন্তু কয়েকদিন ধরে নানান নাম থাকা সত্বেও জহর সরকার কেন ? জানা গিয়েছে দীর্ঘদিন নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি এবং প্রসার ভারতীর প্রধান হওয়ার কারণে সমস্ত রাজ্যের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল সর্বোপরি উচ্চ শিক্ষিত এই ব্যক্তিত্বর ইমেজ সচ্ছ ।

বর্তমানে তৃণমূল দল যে সচ্ছতা চাইছে দলের নেতাদের তার অন্যতম উদাহরণ অরাজনৈতিক জহরবাবুকে রাজ্যসভায় পাঠানো । অবশ্য এক সময়ে কংগ্রেসের গুডবুকে থাকা জহরবাবু সম্প্রতি আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বদলি নিয়ে তুলোধোনা করেছিলেন মোদী সরকারকে । তিনি জানিয়েছিলেন, মোদী অমিত শাহ পাগল হয়ে গিয়েছেন । কার্যত মোদী বিরোধী সোজাসাপ্টা কথা বলা জহরবাবুর দায়িত্ব থাকবে আগামীদিনে প্রশাসনিক দিকে কেন্দ্রর নীতিকে সমালোচনা করা ।