করোনা আপডেট: দেশে সামান্য কমল দৈনিক সংক্রমণ

প্রতিনিয়ত সংক্রমণ ওঠা-নামা করছে। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলেও,তৃতীয় ঢেউ আসার আতঙ্ক বেড়েই চলেছে। এদিকে শপথের প্রথম দিনেও কিন্তু কোনরকম পরিবর্তন দেখা গেলোনা। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সোমবার পরিসংখ্যান অনুযায়ী,  দৈনিক করোনা সংক্রমণে তেমন পরিবর্তন নেই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করোনা ভাইরাসে  আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৬১ জন, রবিবারের তুলনায় কিছুটা কম।

তবে দৈনিক মৃত্যুর হারে খানিক স্বস্তি। রবিবার করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৪৩৫ জনের। আর সোমবার তা নেমে দাঁড়াল ৪১৬এ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩৫ হাজার ৯৬৮ জন। ইতিমধ্যে দেশে শুরু হয়েছে টিকাকরণ। এদিকেতৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। তবে বেশকিছু জায়গায় কিন্তু তৃতীয় ঢেউ আসতে শুরু করেছে। মানুষের ওপর প্রভাব পড়ছে। করোনার নয়া প্রজাতি ডেল্টা আরও ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে।মানুষ কিন্তু এই নয়া সংক্রমণের কবলে পড়ছে। তবে সাধারণ মানুষের সামাজিক সচেতনতার অভাবে কারণ কিন্তু আরও বিপদ আনতে পারে,বিশেষজ্ঞমহল তাই মনে করছেন। ইতমধ্যে কেন্দ্রের তরফে তৃতীয় ঢেউয়ের  জন্য যাবতীয় প্রস্তুত নেওয়া হচ্ছে।

ফের স্বস্তি মিলল দৈনিক সংক্রমণে

করোনার দ্বিতীয় সংক্রমণে কিছুটা স্বস্তি হলেও তৃতীয় ঢেউ আস্তে আর বেশি দেরি নেই । স্কিন্তু প্রতিনিয়ত কমছে ও বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের করোনা সংক্রমণের গ্রাফ কমবেশি একই থাকল। আগের দিনের মতোই দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা থাকল ৪০ হাজারের সামান্য নিচে। তবে আগের দিনের তুলনায় বেশ খানিকটা বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা। যা স্বস্তি দেবে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। মৃতের সংখ্যাটা কমবেশি আগের দিনের মতোই।

তবে, এদিন টিকাকরণ নিয়ে বড়সড় দাবি করেছে কেন্দ্র। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে ৪৫ কোটি ৩৭ লাখের বেশি টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। যার মধ্যে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ টিকা এখনও ব্যবহার হয়নি। আরও ১১ লাখের বেশি ভ্যাকসিন রাজ্যগুলির কাছে পাঠানো হচ্ছে।রবিবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের  পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৯ হাজার ৭৪২ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে সামান্য হলেও বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১৩ লাখ ৭৩ হাজারের বেশি। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ২০ হাজার ৫৫১ জন। যদিও সংক্রমণের ওঠানামা হলেও, তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যে প্রস্তুত নিচ্ছে কেন্দ্র। 

পুজোর আগেই শিশুদের জন্য টিকা !

নয়াদিল্লিঃ পুজোর আগেই টিকা পেতে পারে শিশুরা। সেপ্টেম্বর মাস থেকেই শিশুদের টিকাকরণ শুরু হতে পারে। এমনটাই জানালেন AIIMS-এর ডিরেক্টর রণদীপ গুলেরিয়া।

শনিবার তিনি জানান, "ডাইডাস ক্যাডিলা ইতিম্যেই ট্রায়াল শেষ করেছে এবং তারা জরুরিভিত্তিতে ছাড়পত্রের জন্য অপেক্ষা করছে। ইতিমধ্যেই শিশুদের উপর ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। আশা করছি এই ট্রায়াল অগাস্ট এবং সেপ্টেম্বরে শেষ হয়ে যাবে। এদিকে শিশুদের উপর প্রয়োগের জন্য ইতিমধ্যেই FDA-র অনুমতি পেয়েছে ফাইজার। আশাকরা যায়, সেপ্টেম্বর মাসেই শিশুদের টিকাকরণ শুরু করা যাবে।"

আরও পড়ুনঃ https://calcuttanews.tv/news-details.php?PostUrl=The-daily-infection-increased-again-in-24-hours&CategoryId=9

দ্য ল্যানসেটে গবেষণায় জানা গিয়েছিল, ১১ থেকে ১৭ বছর বয়সীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে ১৮ থেকে ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে কলকাতার একদল চিকিত্সকদের মতে,করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই ভাইরাস কাবু করার ‘প্রোটিন কোষ’ অর্জন করে ফেলেছে অনেক খুদে। 

কলকাতার পার্ক সার্কাসের ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড হেলথ-এ ১৮ বছরের নিচের শিশুদের জন্য শুরু হয়েছিল ট্রায়াল। সেখানে অনেক শিশু মধ্যে করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গিয়েছে। অর্থাত্ ‘প্রোটিন কোষ’ তৈরি হয়েছে তাদের শরীরে।  ফলে তাদেরকে করোনা টিকা দিতে হয়নি। 

একজন চিকিত্সক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, যাদের শরীরে করোনার অ্যান্টিবডি (প্রোটিন কোষ) তৈরি হয়েছে, ওই শিশুরা করোনা আক্রান্ত হয়েছিল। উপসর্গ না থাকায় পরিবারের লোকেরা টের পাননি। তাদের এজান্তেই শিশুরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অর্জন করে নিয়েছে। এই অ্যান্টিবডি যতদিন থাকবে করোনা তাদের কিচ্ছু করতে পারবে না।


করোনা আপডেট : ফের চিন্তা বাড়াল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউতে সংক্রমণ কমলেও তৃতীয় ঢেউ কি একেবারে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে? কয়েকদিন আগেই দেশের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪০ হাজারের বেশ নিচেই ঘোরাফেরা করছিল। গতকাল তা একলাফে অনেকটা বাড়ে। আজও দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা ৪১ হাজারের উপরেই। উপরন্তু, পরপর দ্বিতীয় দিন বাড়ল করোনার অ্যাকটিভ কেস। যা বেশ চিন্তায় ফেলছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে।

বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যদফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ৩৮৩ জন করোনায়  আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে সামান্য কম হলেও গত কয়েকদিনের তুলনায় বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১২ লাখ  ৫৭ হাজার ৭২০ জন । এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের। তবে সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। চিন্তিত গোটা দেশ।

ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিঃ দেশে দৈনিক মৃত্যু একলাফে দশগুণ বেশি

তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আগেই বিপদ বাড়ল দেশে। একদিনে দশগুণ বাড়ল মৃত্যু। ফলে  নতুন করে চিন্তা বাড়ল স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।  

আজ বুধবারের স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪২ হাজার ১৫ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা গতকালের তুলনায় অনেকটাই বেশি। সব মিলিয়ে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ১২ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৩৭। পজিটিভ রেট ২.২৭ শতাংশ। 

এছাড়া ফের চিন্তা বাড়াল মৃত্যু সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৩৯৯৮ জনের। যা গতকালের তুলনায় ১০ গুন বেশি। গতকাল সংখ্যাটা ছিল মাত্র ৩৭৪ জনে। 

বিস্তারিত আসছে 


আজ রাহুলের পরীক্ষা

মঙ্গলবার ভারত শ্রীলংকার দ্বিতীয় এক দিবসীয় ক্রিকেট। আজকের ম্যাচ জেতা দরকার ভারতের । এমনিতেই দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে শ্রীলংকা সফরে গিয়েছে ভারতীয় দল, কেননা প্রথম সারির দল ইংল্যান্ড সফরে ব্যস্ত । শিখর ধাওয়ানের নেতৃত্বে প্রথম ম্যাচ যথেষ্ট ভালো ভাবে জিতেছে তারা এবং আজও জিততে বদ্ধপরিকর । এটা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়েরও কাছেও চ্যালেঞ্জের কারণ সৌরভ রবি শাস্ত্রীর জায়গায় রাহুলকে ভারতীয় দলের  কোচ করতে চান বলে ক্রিকেট মহলের গুঞ্জন ।

রবি শাস্ত্রী , সৌরভের প্রিয়পাত্র নন । চিরকাল কোমেট্রি বক্সে বসে রবি সৌরভের সমালোচনা করেছেন । রবি অবশ্য অমিত শাহ পুত্র জয়ের ঘনিষ্ঠ বলে শোনা যায় । আজকের ম্যাচ জিতলে সৌরভের চেষ্টাই থাকবে রাহুল দ্রাবিড়কে সামনে নিয়ে আসা ।


ফের স্বস্তি মিলল দৈনিক সংক্রমণে

করোনা পরিসংখ্যানে বড়সড় স্বস্তি। একদিনে দেশে দৈনিক আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যা, দুটোই অনেকটা কমল। একদিকে যেমন দীর্ঘদিন বাদে দৈনিক আক্রান্ত নামল ৩০ হাজারে। যা কিনা গত ১২৫ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে তেমনই মৃতের সংখ্যা নেমে এল চারশোরও নিচে। যা কিনা কয়েক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে, গত কয়েকদিন ধরেই করোনার পরিসংখ্যান ওঠানামা করছে।

মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩০ হাজার ৯৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় আট হাজার কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ১১ লাখ ৭৪ হাজার ৩২২ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭৪ জনের। এদিকে কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণের ওঠানামা চলছে। তবে দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কিছুটা কমলেও সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। ইতিমধ্যেই দেশের অধিকাংশ জায়গাতে তার প্রভাব পড়ছে।

বাজারে আসতে চলেছে ম্যাক্সি স্কুটার

ভারতে এবার নয়া স্কুটার লঞ্চ করতে চলেছে জার্মান সংস্থা বিএমডাব্লু। কোন স্কুটার ভারতীয় বাজারে ছাড়া হবে, তা জানা না গেলেও মনে করা হচ্ছে বিশ্ব বাজারে সংস্থার তরফে লঞ্চ করা দু’টি ম্যাক্সি স্কুটারের একটি এদেশে লঞ্চ করা হতে পারে। এই সংক্রান্ত একটি টিজার ছবি নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছে বিএমডাব্লু।কয়েকদিন আগে বিশ্ব বাজারে লঞ্চ করা হয়েছিল বিএমডব্লু সি ৪০০ এক্স এবং বিএমডব্লু সি ৪০০ জিটি।এই দুটির মধ্যে ৪০০ জিটি মডেলটা ভারতে লঞ্চ করা হতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের অনুমান। উল্লেখ্য, এই দুই ম্যাক্সি স্কুটারে রয়েছে ৩৫০ সিসি প্ল্যাটফর্ম। গতবছরই এই স্কুটারের জিটি মডেলে '০ গ্যাস' সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত হয়। তাছাড়া স্কুটারের ইঞ্জিন এবং এগজস্ট সিস্টেমও আপগ্রেড করা হয়েছিল। এই স্কুটারে যুক্ত হয়েছিল নতুন ক্যাটালিটিক কনভার্টার, একটি মডিফায়েড সিলিন্ডার হেড এবং অক্সিজেন সেন্সর। স্কুটারের জিটি মডেলের ইঞ্জিনটিতে ৩৫০ সিসি সিঙ্গল সিলিন্ডার লিকুইড কুল ফিচার রয়েছে। এছাড়া ট্রান্সমিশনে এরকটি সিভিটি গিয়ারবক্স রয়েছে এই স্কুটারের। এই বছরই স্কুটারটিতে রিভাইজড অটোম্যাটিক স্টেবিলিটি কন্ট্রোল যুক্ত করে আপগ্রেড করা হয়েছে। সুরক্ষা বজায় রাখতেই যোগ করা হয়েছে এই ফিচারটিকে। লঞ্চের সময় এই ম্যাক্সি স্কুটারের দাম ৬ লাখ  টাকার বেশি হবে বলেই মনে করা হয়েছে।





দেশের করোনা আপডেট একনজরে

 করোনার তৃতীয় ঢেউ আসতে চলেছে। তার আগে দেশের করোনার  গ্রাফে ওঠানামার খেলা চলছেই। রবিবার দেশের দৈনিক সংক্রমণ ছিল ৪১ হাজারের বেশি। আর সোমবার তা নেমে এল ৩৮ হাজারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের  পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ হাজার ১৬৪ জন। তবে মৃত্যুর হারে স্বস্তি। মহামারীতে দৈনিক মৃত্যু নেমে এল পাঁচশোর নিচে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪৯৯ জন। একদিনে সুস্থ হয়ে ফিরেছেন ৩৮ হাজার ৬৬০ জন।দেশে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ১১ লক্ষ ৪৪ হাজার ২২৯। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩ লক্ষ ৮ হাজার ৪৫৬। দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলেও তবে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে তৃতীয় ঢেউয়ের।



ফের চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কিছুটা স্থিতিশীল হলে ও চিন্তা বাড়াচ্ছে তৃতীয় ঢেউ। এদিকে প্রতিনিয়ত সংক্রমণের সংখ্যা কখনও বাড়ছে কিংবা কমছে। তবে আগামী মাসের মধ্যেই কিন্তু আসতে চলেছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। আইসিএমআর গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই সংক্রমণ ১ লাখের গন্ডি পেরোবে। যার একমাত্র কারণ হল মানুষের সামাজিক সচেতনতার অভাবের কারণ।

শনিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩৮ হাজার ৭৯ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৬০ জন। তবে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হয়ে গেছে। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১ জন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৯১৬ জন। তবে এর মধ্যে আবার দেশে মাথাচাড়া দিয়েছে করোনার  একাধিক ভ্যারিয়েন্ট। দিনে দিনে চিন্তা বাড়াচ্ছে এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট।

দেশে ফের কমল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউযে সংক্রমণ খানিকটা কমলেও,তবে তৃতীয় ঢেউ আসার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু তার আগেই দেশে করোনা প্রায় ওঠানামা করছে। শুক্রবার ফের খানিকটা নামল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, ও মৃত্যু। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে নতুন করে আক্রান্ত ৩৮ হাজার ৯৪৯। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যা ছিল ৪১ হাজারের বেশি। তুলনায় বেশ খানিকটা কমল শুক্রবার।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের করোনার বলি ৫৪২ জন। যা বৃহস্পতিবারের চেয়ে অনেকটা কম। একদিনের মারণ ভাইরাসের কবলমুক্ত হয়েছেন ৪০ হাজারেরও বেশি রোগী। কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা। দেশে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ১০ লাখ ২৬ হাজার ৮২৯। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ১ লাখ  ৮৩ হাজার ৮৭৬ জন. ধীরে ধীরে কমছে সংক্রমণ।তবে এই সংক্রমণের ওঠানামার জেরে খানিকটা চিন্তএর বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

ফের ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা

দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তের  সংখ্যাটা  অনেকটা নেমে এসেছিল মাত্র ৩১ হাজার। যা কিনা চার মাসের মধ্যে ছিল সর্বনিম্ন। বৃহস্পতিবার ফের বাড়ল । দেশের দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজারের উপরে। নতুন করে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। যা চিন্তা বাড়াচ্ছে স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। তবে, এদিন বড়সড় স্বস্তি মিলেছে করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যায়। দীর্ঘদিন পর দেশের দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা নেমে এসেছে ছ’শোর নিচে।

এদিকে বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৪১ হাজার ৮০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে হাজার দশেক বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৯ লাখ  ৮৭ হাজার ৮৮০ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ ১১ হাজার ৯৮৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৫৮১ জনের।  ইতিমধ্যে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে টিকাকরন। টিকাকরণের আওতায় রয়েছে বহু মানুষ।তবে তৃতীয় ঢেউ আসার জের একটা চিন্তার কারণ থেকেই যাচ্ছে।

তৃতীয় ঢেউয়ের আগেই দেশে ফের বাড়ল বিপদ

নয়াদিল্লি: দেশে করোনায় দৈনিক মৃত্যু কমলেও,বাড়ল আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, ৩৮ হাজার ৭৯২ জন।


কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুধবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৬২৪ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৪০৮ জন। মৃত্যু হার ১.৩৩ শতাংশ। এছাড়া মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৯ লক্ষ ৪৬ হাজার ৭৪। মোট অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ৪ লক্ষ ২৯ হাজার ৯৪৬। একদিনে কমেছে ২,৮৩২ জন।


তবে করোনাকে জয় করে সুস্থ হয়েছে উঠেছেন মোট ৩ কোটি ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭২০ জন। একদিনে সুস্থতার সংখ্যা ৪১ হাজার।দেশে সুস্থতার হার ৯৭.২৮ শতাংশ। মোট ভ্যাকসিন পেযেছেন ৩৮ কোটি ৭৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৯৩৫ জন। গত ২৪ ঘন্টায় পেয়েছেন ৩৭ লক্ষ ১৪ হাজার ৪৪১ জন।


আগামী সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দেশে আচড়ে পড়তে পারে করোনার তৃতীয় ঢেউ। তার আগে করোনার দৈনিক সংক্রমণ বাড়ায় উদ্বেগ বাড়ছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

ফের কমল দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা

এবার দেশে দৈনিক করোনা আক্রান্তে বড়সড় স্বস্তি এল। বেশ কয়েকদিন ধরে ৪০ হাজারের ঘরে ঘোরাফেরা করার পর গতকাল তা নেমে এসেছে ৩০ হাজারের নীচে। আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার আরও কমল দৈনিক আক্রান্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার কবলে পড়েছেন মাত্র ৩১ হাজার ৪৪৩ জন। যা কিনা গত ১১৮ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন। সেই সঙ্গে দেশের সক্রিয় রোগীর সংখ্যাও একলাফে অনেকটা কমে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩১ হাজার ৩১৫ জন। যা কিনা ১০৯ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন।

দেশের সুস্থতার হার ৯৭.২৮ শতাংশ।  এদিকে মঙ্গলবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযাযী,  গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩১ হাজার ৪৪৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ৪ লাখ  ১০ হাজার ৭৮৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৪৯ হাজার ৭ জন। । এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩ কোটি ৬৩ হাজার ৭২০ জন।  দেশে কমছে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই।



ফের দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের নীচে, কমল মৃত্যু

ফের দেশে খানিকটা স্বস্তি মিলল করোনায়। সোমবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী,দেশে দৈনিক সংক্রমণ নামল ৪০ হাজারের নিচে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায়  আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ হাজার ১৫৪ জন। রবিবারও এই সংখ্যা ছিল ৪১ হাজারের বেশি। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৭২৪ জনের। কমেছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। এই মুহূর্তে দেশে অ্যাকটিভ করোনা রোগী ৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৯৯ জন।

এদিকে দ্বিতীয় সংক্রমণ খানিকটা কমলেও, নয়া স্ট্রেনগুলি চোখ রাঙাচ্ছে প্রতিনিয়ত। তৃতীয় ঢেউ আসতে বেশি দেরি নয়.তবে এই প্রজাতিগুলি ইতিমধেও বেশকয়েকটি দেশে হানা দিয়েছে। তবে এখন ভাইরাস রোধ করতে একটায় উপায় যা হল,টিকাকরণ। ইতিমধ্যে দেশগুলিতে চলছে প্রতিনিয়ত টিকাকরন।