লজ্জার হার ভারতের

ভারত-পাকিস্তানের যে কোনও খেলাই হাইভোল্টেজ ম্যাচ| দু দেশের ক্রীড়াপ্রেমীদের একটাই চাহিদা, দেশ যেন জেতে| রবিবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি| সকাল থেকে তেরঙ্গা পতাকায় দেওয়াল ঢেকে দেওয়া হয়েছিল ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের মতো বাংলা তথা কলকাতায়| উত্তেজনায় ভরপুর ছিল আম বাঙালিও, ভুলে গিয়েছিল রাজনীতির রেষারেষি| খেলা তো ভারতে নয়, সুদূর দুবাইতে, যেখানে কিছুদিন আগেই শেষ হয়েছে আইপিএল টুর্নামেন্ট। কাজেই ভারতীয় ক্রিকেটাররা অনেকটাই অভ্যস্ত ছিলেন স্থানীয় আবহাওয়া এবং উইকেটের অবস্থান নিয়ে| 

ঘড়ির কাঁটায় সাড়ে ৭ টা বাজতেই শুরু খেলা| টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামল ভারত| শুরুতেই বিপর্যয়| পরপর আউট হলেন রোহিত শর্মা এবং কে রাহুল| পাক বোলার আফ্রিদি কামাল করলেন দুটি মূল্যবান উইকেট নিয়ে| আসলেন অধিনায়ক কোহলি | ধরে খেলতে শুরু করলেন, কিন্তু তারপরই তৃতীয় উইকেটের পতন| এবারে এলেন ঋষভ পন্থ| কোহলি-পন্থ জুটি ধরে খেলে ১০ ওভারে ৬০ রান অর্থাৎ ৬ এর অ্যাভারেজ | ফের পরপর পন্থ সহ আরও উইকেট পতন | শেষ পর্যন্ত ভারতকে ১৫১ রানে থামতে হল| এই মাঠে যা খুব খারাপ নয়, আবার খুব ভালোও নয়| কোহলি অনেকদিন বাদে ভালো ব্যাট করে ৫০এর বেশি রান তুললেন| 

কিন্তু তারপরই চমক পাক অধিনায়ক বাবর আজম এবং রিজোয়ান। ধীরেসুস্থে ১৭ ওভারেই রান তুলে দিলেন| দেখা গেল, প্রতি ওভারে একটি বড় হিট এবং বাকি খুচরো রানেই ভারতের ইতি | রবিবার সম্পূর্ণ ব্যর্থ বোলাররা | ব্যাটসম্যানদের মধ্যে কোহলি এবং পন্থ ছাড়া কারও ব্যাটেই রান আসেনি|

এরপর শুরু কাটাছেঁড়া| দোষ কার ? প্রথমত এই পাক দল সম্বন্ধে ভারতের কোনও ধারণাই নেই| বহুদিন ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হয়নি এবং কোনও এক অজানা কারণে পাক দলের কাউকে ভারতের আইপিএলে নেওয়া হয়নি| দলটি আগের স্ট্র্যাটেজি ঝেড়ে ফেলে নতুন তারুণ্যদের দল গঠন করেছে| পাকিস্তানের ফিল্ডিং বরাবরই খারাপ ছিল। কিন্তু এই নতুন দলটিতে ১১ জন খেলোয়াড়ই প্রভূত উন্নতি করেছে| ভারতের প্রায় ১৫ রান আটকেছে ফিল্ডিংয়ে| স্পিনিং ট্রাক হওয়া সত্ত্বেও অশ্বিনকে দলের বাইরে রাখা হয়েছে| কোহলির পছন্দের ব্যাটসম্যান-বোলাররা সম্পূর্ণ ব্যর্থ| এবার ভাবার পালা।  


দেশে করোনা সংক্রমণ কমল

বেশ কয়েকদিন ধরে করোনার গ্রাফ অনেকটাই ওঠা-নামা করছিল। এদিকে এখনও উৎসবের মরশুম চলছে। তার মধ্যেই শীতের আমেজ শুরু। এইরকম একটা পরিস্থিতিতে যদি করোনাবিধি মেনে না চলা হয়, তবে তৃতীয় ঢেউ নিশ্চিত, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে কিছুটা স্বস্তির খবর, চলতি সপ্তাহের শুরুতে দেশে খানিকটা কমল করোনা সংক্রমণ। 

সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত ১৪ হাজার ৩৬ জন, মৃত্যু হয়েছে ৪৪৩ জনের। রবিবার আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা এর চেয়ে বেশি ছিল। দেশে কমেছে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও। এদিকে কেন্দ্র থেকে ইতিমধ্যেই রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। কারণ সামনেই দীপাবলি।

সেইমত উৎসবে নিয়মবিধি বাঁধতেই নির্দেশ কেন্দ্রের। যদিও বাঙালির বড় উৎসব দুর্গাপুজোতে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। কিন্তু তা সেভাবে কেউ মানেনি। তবে এখনও উৎসব কাটেনি। সেক্ষেত্রে বিধিনিষেধ মানুষ কতটা মানে, সেটাই এখন দেখার।  

এদিকে কেন্দ্র নাইট কার্ফুর কথাও জানিয়েছে। ইতিমধ্যে নাইট কার্ফুর কথা জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীও। দেশজুড়ে জোরকদমে চলছে টিকাকরণ। ভারতে ১০০ কোটির টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে টিকাকরণের আওতায় আনতে উদ্যোগী কেন্দ্র।

পাশাপাশি কন্টেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করার উদ্যোগও শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে যেখানে সংক্রমণ বাড়ছে, সেখানে কন্টেইনমেন্ট জোনের কথা বলা হয়েছে। তবে সামনেই দীপাবলি। পুজোর মতো এখানেও নিয়মাবলী মানুষ কতটা মানে, সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।  

এদিকে কেরল, মহারাষ্ট্রে এখনও যেন আতঙ্ক কাটেনি। এই আতঙ্কের মাঝেই দেওয়ালি উৎসবের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ফলে দুশ্চিন্তা একটা থেকেই যাচ্ছে। 


করোনায় দেশে মৃত ৫৬১

উৎসব শেষ হতে না হতেই ফের বাড়ছে সংক্রমণ। এর পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। তবে দেওয়ালি সামনেই। সেই উৎসবে করোনা সংক্রমণে রাশ টানতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে সতর্কবার্তা প্রধামন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর। যদিও পুজোর সময় একাধিক  বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও কেউ সেভাবে সেসব মানেনি। যার ফলে বেড়েছে সংক্রমণ। এই সংক্রমণে ফের লাগাম দিতেই কেন্দ্রের কড়া বার্তা।

রবিবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ৯০৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও কেরল, মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত সংক্রমণ ঠেকানো যাচ্ছে না। সেখানকার পরিস্থিতি ক্রমশই জটিল হচ্ছে। মূলত উৎসবের মরশুমে বেড়েছে এই সংক্রমণ। এদিকে মৃতের সংখ্যাও ৫০০র গণ্ডি পেরিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা প্রাণ কেড়েছে ৫৬১ জনের। এখনও পর্যন্ত করোনার বলি হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫৪ হাজার ২৬৯ জন । যদিও আগে থেকেই বলে আসা হচ্ছে, তৃতীয় ঢেউ আসন্ন। যার প্রভাব পড়তে পারে বাচ্চাদের ওপর। কিন্তু শুধু তো বাচ্চারা নয়। সকলের জন্যই এটা রীতিমতো চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

তবে পুজোর উৎসবে যেভাবে মানুষের ঢল নেমেছিল, তাতে সামগ্রিক পরিস্থিতি যে মোটেই নিরাপদ নয়, স্পষ্ট বোঝাই যাচ্ছে। এদিকে দেশজুড়ে টিকাকরণ চলছে। দেশে ১০০ কোটির টিকাকরণের সাফল্যের কথা আগেই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্র কন্টেইনমেন্ট জোনের কথাও জানিয়েছে। মূলত যেখানে সংক্রমণ বাড়ছে, সেই জায়গাগুলি কন্টেইনমেন্ট করার ব্যাপারে চিন্তাভাবনা চলছে। শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদীও জানিয়েছেন ফের নাইট কার্ফু করার কথা। এছাড়া বেশ কিছু কন্টেনমেইন্ট জোনের কথাও বলা হয়েছে।

ফলে সংক্রমণ কমার যেমন লক্ষণ নেই, তেমনি তাকে বাগে আনতে চেষ্টারও কসুর করছে না কেন্দ্র, রাজ্য উভয় সরকারই। কিন্তু সকলেই যেটা জোর দিচ্ছেন, তা হল মানুষের সচেতনতা। সব মিলিয়ে সংক্রমণে লাগাম টানা না গেলে ভয়ের আশঙ্কা একটা থেকেই যাচ্ছে। 


করোনায় দেশে মৃত্যু বাড়ল, উদ্বেগ

একদিনে দেশে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৬৬৬ জন। শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের এই পরিসংখ্যান নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কারণ দেশে সক্রিয় আক্রান্ত কমলেও বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। 

দেশে প্রতিনিয়ত করোনা সংক্রমণ ওঠা-নামা করছে। একদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের রেশ এখনও চলছে। অন্যদিকে আগেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অক্টোবরের মধ্যেই আসতে পারে তৃতীয় ঢেউ। তবে এর প্রভাব যে শিশুদের ওপর পড়বে, এও জানানো হয়। এই ধরনের অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়াটা রীতিমতো দুশ্চিন্তার বলেই অনেকে মনে করছেন। 

দেশে ১০০ কোটির টিকাকরণ সম্পন্ন হয়েছে। শুক্রবার দেশবাসীর উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বার্তা দিয়ে করোনা থেকে সতর্ক থাকার কথা জানান। তৃতীয় ঢেউ রুখতে টিকাকরণ ও টেস্টের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কিন্তু উৎসবের মরশুমে একদিনে মৃত্যুর সংখ্যাটা নতুন করে চিন্তা বাড়ানোর পক্ষে যথেষ্ট। 

দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ৭০৮ জন। যদিও বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগী ১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৭২৮ জন। আশার কথা, প্রতিদিনই একটু একটু করে কমছে সংখ্যাটা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৩৫ লক্ষ ৩২ হাজার ১২৬ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৬৭৭ জন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, এবছরও উৎসবের ক্ষেত্রে অনেকটাই নিয়মবিধি বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও একাধিক মানুষের ভিড় জমতে দেখা গেছে মণ্ডপে মণ্ডপে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যেও নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪৬ জন। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ৮৩৩ জন। পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। বৃহস্পতিবার এই সংখ্যাটা ছিল ১৪ জন। অন্যদিকে চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। যেখানে বরাবর বলা হচ্ছে করোনাবিধি না মানলেই বাড়বে সংক্রমণ, সেখানে অসাবধানতার ছবিও বারবার ধরা পড়েছে।  

তাই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে, এতকিছুর পরেও মানুষ কি আদৌ সচেতন ?  


By-Election: রাজ্যে ৪ কেন্দ্রের ভোটে ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

নয়াদিল্লি ও কলকাতাঃ আগামী ৩০ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গে চারটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন। আর তার জন্য ৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। যে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন হবে তা হল-খড়দহ, গোসাবা, শান্তিপুর ও দিনহাটা বিধানসভা। পাশাপাশি ওই দিন দেশের আরও ১৩ রাজ্যের ২৬টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। একই দিনে দেশে তিন লোকসভা আসনেও উপনির্বাচন হবে। ভোট গণনা হবে নভেম্বরের ২ তারিখ। 

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গে ২৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে। আরও ৫৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসবে। যার মধ্যে বিএসএফ ৩৪, সিআরপিএফ ১৮, সিআইএসএফ ১০, এসএসবি ১০ এবং আইটিবিপি ৮ কোম্পানি থাকছে। উপনির্বাচনে প্রতিটি কেন্দ্রে প্রায় ২০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। 

এবার বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশের আগেই খড়দহে তৃণমূলের কাজল সিনহার মৃত্যু হয়েছিল কোভিডে। এবার উপনির্বাচনে এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন রাজ্যের কৃষি মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তিনি ২০২১ বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতেছিলেন,কিন্তু পরে ওই কেন্দ্রের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। 

এছাড়া গোসাবার তৃণমূল বিধায়ক জয়ন্ত নস্করেরও মৃত্যু হওয়ায় সেখানে উপনির্বাচন হবে।  আর দিনহাটা ও শান্তিপুর–দুই কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক এবং জগন্নাথ সরকার সাংসদ। তাঁরা সেই পদ ছেড়ে বিধায়ক হিসেবে শপথ নেননি। তাই ওই দুই কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের পথে হাঁটতে হয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে।

খড়দহে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে বর্ষীয়ান নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে। সেখানে বিজেপি প্রার্থী করেছে জয় সাহা–কে। সিপিআইএম প্রার্থী দেবজ্যোতি দাস।দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি অশোক মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী উদয়ন গুহ আর বামফ্রন্ট মনোনীত ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী আব্দুর রউফ। উপনির্বাচনে শান্তিপুরের বিজেপির প্রার্থী নিরঞ্জন বিশ্বাস। তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। সিপিআই(এম) প্রার্থী সৌমেন মাহাতো। এবং গোসাবায় বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন পলাশ রানা। তৃণমূলের প্রার্থী সুব্রত মণ্ডল। আরএসপির অনিলচন্দ্র মণ্ডল।

আগামী ৩০ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের চার আসন সহ দেশের ১৪ রাজ্যের ৩০টি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে। ওইদিনই তিন লোকসভা আসনেও উপনির্বাচন হবে। ভোট গণনা হবে নভেম্বরের ২ তারিখ। 

যে বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে উপনির্বাচন হবে, তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের চারটি আসন রয়েছে। বাকি ২৬টি’র মধ্যে পাঁচটি আসামে, মধ্য প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, মেঘালয়ে তিনটি করে আসনে, বিহার, কর্ণাটক, রাজস্থানে দু’টি করে আসনে এবং অন্ধ্র প্রদেশ, হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও তেলেঙ্গানার একটি করে আসনে উপনির্বাচন হবে। 

যে তিনটি লোকসভা আসনে উপনির্বাচন হবে তা হল, হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি, মধ্য প্রদেশের খান্ডোয়া এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দাদরা ও নগর হাভেলি। 


Corona: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৪,৬২৩, মৃত ১৯৭

নয়াদিল্লিঃ দেশে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। যদিও জোর দেওয়া হয়েছে টিকাকরনে।   

আজ বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৪ হাজার ৬২৩ জন। এর ফলে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ কোটি ৪১ লক্ষ ৮ হাজার ৯৯৬ জন। মৃত্যুহার ১.৩৩ শতাংশ। 

একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৯৭ জনের। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ৪ লক্ষ ৯২ হাজার ৬৫১ জন। মৃতের হার ১.৩৩ শতাংশ।  তবে কমেছে অ্যাক্টিভ (চিকিৎসাধীন) আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে হয়েছে ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৯৮। একদিনে কমেছে ৫ হাজার ২০ জন। 

পাশাপাশি দেশে গত ২৪ ঘন্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯ হাজার ৪৪৬ জন। মোট সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৩৪ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৪৭। সুস্থতার হার ৯৮.১৫ শতাংশ। 

এই পর্যন্ত দেশে মোট ভ্যাকসিন পেয়েছেন ৯৯ কোটি ১২ লক্ষ ৮২ হাজার ২৮৩ জন। একদিনে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে ৪১ লক্ষ ৩৬ হাজার ১৪২ জন। 

এদিকে পশ্চিমবঙ্গে আরও বাড়ল করোনা সংক্রমণ। বেড়েছে অ্যাক্টিভ আক্রান্তের সংখ্যাও। মঙ্গলবার রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭২৬ জন। এই সময় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। 

সব মিলিয়ে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লক্ষ ৮১ হাজার ৯৪৬ জন। মোট মৃতের সংখ্যা ১৮ হাজার ৯৯৮ জন। তবে একদিনে রাজ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭০৫ জন। মোট সংখ্যাটা ১৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৫২০ জন। 


Covid Update: তৃতীয় ঢেউ রুখতে চলছে দেশজুড়ে টিকাকরণ, সামান্য বাড়ল করোনা আক্রান্ত

 উৎসবের মরশুম কাটতে না কাটতেই দেশে ফের করোনা  সংক্রমণ আরও নিম্নমুখী। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে মহামারীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৫৮। প্রাণ হারিয়েছেন ১৬৪ জন। মারণ ভাইরাসের সঙ্গে লড়াই করে একদিনে সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তির সংখ্যা ১৯ হাজার ৪৭০। কমেছে অ্যাকটিভ কেসও। বিগত ২২৭ দিনের মধ্যে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা সর্বনিম্ন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী,দেশে অ্যাকটিভ  করোনা রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষের নিচে নেমে এসেছে।

এই মুহূর্তে তা ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ১১৮। গত ২২৭ দিনের মধ্যে সবচেয়ে কম। করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩৭৩। সুস্থ হয়েছেন ৩ কোটি ৩৪ লক্ষ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। সুস্থতার এই ঊর্ধ্বমুখী গ্রাফেই স্পষ্ট, ভারত করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধে ক্রমশই এগোচ্ছে।

আর মারণ ভাইরাসের ছোবলে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের মোট ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৪৫৪। তবে পুজোর মধ্যে তৃতীয় ঢেউয়ের কথা বল হয়েছিল। সেইমত তৃতীয় ঢেউ রুখতে তৎপর কেন্দ্র। ইতিমধ্যে দেশজুড়ে টিকাকরণ চলছে জোরকদমে। 

Covid update : উৎসবের মরশুমে দেশের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে, কমল অ্যাকটিভ কেস

উৎসবের মরশুমে অর্থাৎ অক্টবর মাসেই যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আসার কথা তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন, বিশেষজ্ঞরা। এদিকে পুজোতে অনেকটাই ভিড় বেড়েছে। সংক্রমণ বের থাকার একটা সম্ভাবনা থেকেই যাচ্ছে। তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে অন্য কথা। যত দিন যাচ্ছে করোনা মোকাবিলায় ততই শক্তিশালী হচ্ছে দেশ। বাড়ছে সুস্থতার হার। আর স্বস্তি দিচ্ছে নিম্নমুখী অ্যাকটিভ। শনিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৫ হাজার ৯৮১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন।

যা গতকালের থেকে সামান্য বেশি হলেও সার্বিক পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে। এই মুহূর্তে দেশের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৭৩। ২৪ ঘণ্টায় একলাফে অনেকখানি কমল মৃতের সংখ্যা। একদিনে মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ১৬৬ জন। যা গতকাল ছিল ৩৭৯। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৮০ জন।

সংক্রমণ সামান্য বাড়লেও গত ২৪ ঘণ্টায় স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ১ হাজার ৬৩২ জন। যা গতকালের থেকে বেশ খানিকটা কম। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৯৬১ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১৭ হাজার ৮৬১ জন।

Coronavirus: ফের ঊর্ধ্বমুখী কলকাতা সহ দেশের করোনা গ্রাফ, বাড়ছে উদ্বেগ

নয়াদিল্লিঃ এখনও দুর্গাপুজো,নবরাত্রি শেষ হয়নি। সামনেই ছটপুজো। এরই মধ্যে ফের ঊর্ধ্বমুখী কলকাতা সহ দেশের করোনা গ্রাফ। তারফলে উৎসবের মরশুম বাড়ছে উদ্বেগ। 

বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত ১৮ হাজার ৯৮৭ জন। যা বুধবারের তুলনায় বেশ খানিকটা বেশি। সব মিলিয়ে দেশের মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৩ কোটি ৪০ লক্ষ ২০ হাজার ৭৩০ জন। 

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৪৬ জনের। গতকাল এই সংখ্যাটা কিছুটা কম ছিল। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ লক্ষ ৫১ হাজার ৪৩৫ জনের।

তবে স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ৫৮৬ জন। তাছাড়া দেশে ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ ৬২ হাজার ৭০৯ জন করোনামুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ১৯ হাজার ৮০৮ জন।

দেশে মোট ৯৬ কোটি ৮২ লক্ষ ২০ হাজার ৯৯৭ জন করোনার টিকা পেয়েছেন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনার টিকা পেয়েছেন ৩৫ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩৪৭ জন। 

রাজ্যে সবচেয়ে বেশি চিন্তা বাড়াচ্ছে কলকাতা এবং উত্তর ২৪ পরগনা। কলকাতায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২০৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। আর উত্তর ২৪ পরগনায় এই সংখ্যা ১২৮ জন। কলকাতা করোনায় প্রাণ গিয়েছে ৩ জনের। উত্তর ২৪ পরগনায় মৃত্যু হয়েছে ৪ জনের। 

Covid Update: দেশে ফের স্বস্তি সংক্রমণে

দেশের করোনা  গ্রাফে ফের বড়সড় পতন। উৎসবের মরশুমে স্বস্তিতে দেশবাসী থেকে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ – সকলেই। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ৩১৩ জন। গত ২২৪ দিন অর্থাৎ প্রায় সাড়ে সাত মাসের মধ্যে এই সংক্রমণ সর্বনিম্ন বলে জানাচ্ছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই পরিসংখ্যান থেকে আরও স্পষ্ট, কোভিডের তৃতীয় ধাক্কা সামলে বেশ এগিয়ে চলেছে ভারত ।

মঙ্গলবার অর্থাৎ নবরাত্রির সপ্তম দিনে দেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রকের পরিসংখ্যান ভালভাবে দেখলে বোঝা যাচ্ছে, গত মার্চ মাসে দেশে একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ছিল ১৪ হাজারের কাছাকাছি। আর তারপর মঙ্গলবার সংখ্যা এর কাছাকাছি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ১৮১ জন। আর একদিনে করোনার কবল থেকে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ২৬ হাজার ৫৭৯।

এ নিয়ে দেশে মহামারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সুস্থতার সংখ্যা ৩ কোটি ৩৩ লক্ষ ২০ হাজার ৫৭। আর মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৯ লক্ষ ৮৫ হাজার ৯২০। করোনার ছোবলে প্রাণ হারিয়েছেন মোট ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৯৬৩জন।

Covid Update: উৎসবের মাঝে স্বস্তি, কমছে সংক্রমণ

উৎসবের মাঝে ফের স্বস্তি।  করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে দ্রুত এগিয়ে চলেছে ভারত । উৎসবের মরশুমে দেশের কোভিড গ্রাফে বড়সড় স্বস্তি। রবিবার তুলনায় গত ২৪ ঘণ্টায় আরও কমল করোনা সংক্রমণ। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮ হাজার ১৩২ জন, মৃত্যু হয়েছে ১৯৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২১ হাজার ৫৬৩জন। এ নিয়ে সুস্থতার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯৮ শতাংশের বেশি।তবে কেরলের করোনা পরিস্থিতিতে জারি থাকছেই উদ্বেগ। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সিংহভাগই দক্ষিণের এই রাজ্যের।

গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ১০ হাজার ৬৯১ জন, মৃত্যু হয়েছে ৮৫ জনের। দেশে কমছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও।  এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ২৭ লক্ষ ৩৪৭।  মহামারীর কবলে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের মোট সাড়ে চার লক্ষেরও বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪৭৮ জন।দেশে কমছে অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যাও। 

এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ২৭ লক্ষ ৩৪৭।  মহামারীর কবলে প্রাণ হারিয়েছেন দেশের মোট সাড়ে চার লক্ষেরও বেশি মানুষ। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৯৩ হাজার ৪৭৮ জন।তবে তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। সেই নিয়ে আতংক কিছুটা রয়েছে। 

Covid Update: উৎসবের শুরুতে দেশের সংক্রমণে ফের স্বস্তি

উৎসবের মরশুমে দেশের দৈনিক করোনা পরিসংখ্যানে বড়সড় স্বস্তি। পরপর দু’দিন দেশের করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের নিচে। লাগাতার আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও সুস্থতার হারে তেমন পরিবর্তন হচ্ছে না। যার ফলে প্রায় প্রতিদিনই কমছে অ্যাকটিভ কেস। যা আরও স্বস্তি দিচ্ছে স্বাস্থ্যমন্ত্রককে। তবে, এসবের মধ্যে সামান্য অস্বস্তির কারণ হিসাবে উঠে আসছে মৃত্যুর সংখ্যাটা। এদিকে রবিবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৮ হাজার ১৬৬ জন করোনা  আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই কম। এদিকে দেশে একদিনে কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন ২১৪ জন। যা নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৫৮৯ জন। একেই উৎসব শুরু হয়ে গেছে। তবে তৃতীয় ঢেউ আসার একটা আশঙ্কা রয়েছে তা আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এদিকে দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। যদিও কেন্দ্রের টার্গেট এবছরের শেষেই সম্পূর্ণ করতে চায় টিকাকরণের। দৈনিক সংক্রমণের পাশাপাশি গত ২৪ ঘণ্টায় স্বস্তি দিয়েছে করোনার অ্যাকটিভ কেসও।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনায় চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ৩০ হাজার ৯৭১ জন। যা গত কয়েক মাসে সর্বনিম্ন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত দেশে ৩ কোটি ৩২ লক্ষ ৭১ হাজার ৯১৫ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। যার মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়েছেন ২৩ হাজার ৬২৪ জন।


Covid Update: পুজো শুরু হতেই ফের বাড়ছে সংক্রমণ

উৎসব প্রায় শুরু হয়ে গেছে। মেতে উঠেছে আমজনতা। তবে পিছু ছাড়ছেনা সংক্রমণ। গত দুদিন সংক্রমণ কম থাকলেও ফের বৃহস্পতিবার একলাফে বেড়ে উঠল. পরপর দু’দিন দৈনিক সংক্রমণ ২০ হাজারের নিচে থাকলেও এদিন তা ফের ২২ হাজারের গণ্ডি পেরিয়েছে।যদিও বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পুজোর মুখেই তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। শিশুদের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে।


বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের  দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২২ হাজার ৪৩১ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। এই মুহূর্তে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ কোটি ৩৮ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩১২। এদিকে দেশে একদিনে কোভিড-১৯-এ প্রাণ হারিয়েছেন ৩১৮ জন।


দীর্ঘদিন বাদে একদিনের মৃতের সংখ্যাটা তিনশোর গণ্ডি পেরল। যা নতুন করে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। এদিকে দেশজুড়ে চলছে টিকাকরণ। তবে তৃতীয় ঢেউ আসার একটা থেকেই যাচ্ছে। এখন দেখার সেটা কতটা প্রভাব ফেলে। 


Network Down: ফেসবুকের পর Reliance Jio নেটওয়ার্ক অকেজো,সমস্যায় গ্রাহকরা

আজ বুধবার সকাল থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে Reliance Jio নেটওয়ার্ক ডাউন। ইন্টারনেট-ফোন কল কিস্সু হচ্ছে না। ফলে সমস্য়ায় পড়েছেন গ্রাহকরা। টুইটারে একাধিক গ্রাহক এই বিষয়ে সরব হয়েছে। 

বিস্তারিত আসছে --


COVID-19: উৎসবে স্বস্তি, ৬ মাসে সর্বনিম্ন দেশের অ্যাকটিভ কেস

নয়াদিল্লিঃ উৎসবের মাসেই দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু তার আগেই স্বস্তির খবর শোনাল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। 

আজ বুধবার স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১৮ হাজার ৮৩৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। একদিনে করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২৭৮ জন। 

বিস্তারিত আসছে --