করোনার ওষুধে কমল জিএসটি,ছাড় ব্ল্যাক ফাঙ্গাস ওষুধে

নয়াদিল্লি: করোনা চিকিৎসায় এবার প্রয়োজনীয় ওষুধ এছাড়া আনুষাঙ্গিক  জিনিসের ওপর কমল  জিএসটি। শনিবার ৪৪ তম  জিএসটি কাউন্সিল বৈঠকে ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। পাশাপাশি ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের ওষুধের ওপর জিএসটি প্রত্যাহার করা হয়েছে। তবে পুরোপুরি জিএসটি ছাড়ের দিকে নয়।  সেক্ষেত্রে করোনার ভ্যাকসিনের উপরে ৫ শতাংশ হারে জিএসটি নেওয়া হবে। 

করোনা চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় হেপারিন, রেমডেসিভিরের মতো ওষুধের ক্ষেত্রে জিএসটি-র হার ১২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে ৷ মেডিক্যাল গ্রেড অক্সিজেন, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর, ভেন্টিলেটর, বাইপ্যাপ মেশিনের উপরেও জিএসটি-র হার কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে৷ ১২ শতাংশ থেকে জিএসটি-র হার কমিয়ে ৫ শতাংশ করায় সস্তা হচ্ছে ভেন্টিলেটর, পাল্স অক্সিমিটার, মাস্ক, স্যানিটাইজার৷ আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই নির্দেশিকা বহাল থাকবে। 

অবিলম্বে ডাকুন জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক, নির্মলাকে চিঠি অমিত মিত্রর

ছয় মাসের বেশি সময় হয়ে গিয়েছে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক হয়নি। তৃতীয় তৃণমূল মন্ত্রীসভায় অর্থমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক নিয়ে তোপ দাগলেন অমিত মিত্র। তিনি এই বিষয়ে সরাসরি চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রকে। চিঠিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, যেখানে নিয়মমাফিক তিন মাস অন্তর জিএসটি কাউন্সিলের একটি করে বৈঠক হওয়ার কথা। কিন্তু, গত বছর থেকে এখনও পর্যন্ত দু’বার এই নিয়ম লঙ্ঘিত হয়েছে। তিনি আরও লিখেছেন, ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে শেষবার বৈঠক হয়েছিল জিএসটি কাউন্সিলের। এরপর থেকে আজ পর্যন্ত কোনও বৈঠক হয়নি। যা যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী বলেই উল্লেখ করেছেন বাংলার অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। সেই সঙ্গে তিনি অবিলম্বে ভার্চুয়াল মাধ্যমেই বৈঠক ডাকার দাবি তুলেছেন। এমনিতেই করোনা আবহে দেশজুড়ে চলা লকডাউনের জেরে দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড অনেকটা ভেঙে পড়েছে। এর ওপর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে আশঙ্কার কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। রাজ্য সরকারগুলোও অর্থনৈতিক সমস্যার মধ্যে দিয়ে চলছে। এই পরিস্থিতিতে সংবিধানের ২৭৯এ এবং ২৭৯এ (৮) অনুচ্ছেদ মেনেই এই বৈঠক ডাকা উচিত বলেই অমিত মিত্র কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণকে চিঠিতে জানিয়েছেন।