Politics: ভবানীপুরে উত্তেজনা, জোড়া পিস্তলে হুঁশিয়ারি দিলীপের সিকিউরিটির

সোমবার দিল্লিতে যাওয়ার আগে হাঠৎই ভবানীপুরে জনা ২৫ সমর্থক নিয়ে হাজির হন দিলীপ ঘোষ। যার পূর্ব ঘোষণা ছিল না  বলে দাবি তৃণমূলের। শোনা যায় শেষ বেলার প্রচারে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার অঞ্চলে তখন ব্যস্ত ছিল তৃণমূল কর্মীরা । হঠাৎই দুই দলের মধ্যে বাকবিতন্ডা শুরু হয় । তারপরই হাতাহাতি এবং বিজেপির এক কর্মীর মাথা ফাটে  তৃণমূলের বক্তব্য দিলীপবাবু প্রথম থেকে  উত্তেজনা ছড়ায় তার থেকেই গন্ডগোল । দিলীপবাবু অবশ্য দাবি করেন, তারা কি প্রচার করবেন না? প্রচার করতে গেলে রক্তাত্ব হতে হবে ।

এরই মধ্যে দিলীপবাবুর সিকিউরিটিদ্বয় পিস্তল উঁচিয়ে হুমকি দেয় । সেই ছবি নিমেষে ভাইরাল হয়ে যায় । ইদানিং সভাপতির পদ যাওয়ার পর দিলীপবাবু আর ভবানীপুর মুখো হন নি । শেষ বেলায় তিনি হঠাৎ নির্বাচন ক্ষেত্রে গেলেন কেন এবং তাও পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন । দিলীপবাবু শেষ বেলায় গেলেন অথচ সঙ্গে প্রার্থী নেই কেন এমন প্রশ্নও উঠেছে । দিলীপবাবুরা অবশ্য জানালেন তাদের কর্মীদের আঘাত করার জন্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে নালিশ জানাতে যাবেন ।

ByElection: ভবানীপুর নির্বাচনী প্রচার থেকে কি সরলেন দিলীপ ?

কলকাতাঃ সদ্য খোয়া গিয়েছে রাজ্য সভাপতির পদ । এখন দিলীপ ঘোষ সর্বভারতীয় সহ সভাপতি, যা নিয়ে বাজারে রটনা রয়েছে " ছেলে ভোলানো পদ" । এই পদ একসময় পেয়েছিলেন রাহুল সিংহ, মুকুল রায় । বাস্তবিকই তাঁদের করার কিছু ছিল, রয়েছে প্রশ্ন ? বিজেপি দলে মূল চালিকা শক্তি থাকে সভাপতি , তারপর সাংগঠনিক সম্পাদক। এদের কাছেএ জানা যায় যদিও দলের কথা। তবে কাজ করতে হবে, পদ বড় কথা নয় । কিন্তু বাস্তব যেটি তা দিলীপ ঘোষের সাংগঠনিক কর্মকান্ডেই,  ৩ থেকে রাজ্য বিজেপি ৭৭ ( যা এখন ৭১ ) আসন পেয়েছে বলে দাবি পুরাতন বিজেপি কর্মীদের । মাঝে মধ্যে কটূক্তি করলেও দলের আদর্শচ্যুত হন নি কখনও দিলীপবাবু । নির্লোভ, জনগণের কাজে অভিজ্ঞ দিলীপ ঘোষের ভাবনা ছিল, তাঁকে আচমকা পদ থেকে বাতিল করা হবে না । যদিও অনেকের মতে, নতুন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দিলীপ ঘনিষ্ট কিন্তু বাস্তব সত্য ক্ষমতার শিখরে গেলে কেউ কারুর অনুগত থাকে না ।

দিলীপ ঘোষের এই বিদায় লগ্নে দলের অনেকেই দুঃখিত । দিলীপবাবু দলীয় কর্মীদের পাশে থাকতেন সর্বদাই । পুরাতনদের ধারণা, ভোটের ফলের জন্য তাঁর দায়িত্ব গিয়েছে কিন্তু বাস্তব বলে এবারের বাংলার ভোট থেকে প্রার্থী নির্বাচন সবই করেছে কেন্দ্র । তৃণমূল থেকে আসা প্রায় সবাই দিল্লি গিয়ে দল বদল করেছে এবং তাদের সিংহভাগই ভোটে নির্মম ভাবে হেরেছে, তবে দিলীপবাবুর দায় আসছে কি করে ?  বাবুল দলত্যাগ করে মূলত দুষেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে । গুঞ্জনে যা উঠে এসেছে , শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষমতা বাড়াতেই নাকি এই ভাবনা । অন্য দিকে দিলীপবাবু যাচ্ছেন দক্ষিণবঙ্গে, জানালেন প্রচারে । কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে তো কোনও ভোট নেই, তবে প্রচার কিসের ? অন্যদিকে  দিলীপবাবু যে ভবানীপুরে  যাচ্ছেন না, তাও পরোক্ষে জানিয়ে দিলেন । 


Politics: দিল্লির উপর দায় চাপালেন দিলীপ !

বাবুল বিদায়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সেভাবে প্রতিক্রিয়া দেখা যায় নি । অবশ্য প্রতিক্রিয়া দেবেই বা কি, কারণ এতদিন বিভিন্ন দল ভাঙিয়ে নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করেছে তারা বলেই ধারণা রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের । এই মুহূর্তে বাংলা বিজেপির অন্যতম মুখ শুভেন্দু অধিকারীও বিশেষ কিছু মন্তব্য করতে চান নি বাবুল সুপ্রিয় নিয়ে । তিনি কেবল জানিয়েছেন, এটি কাম্য ছিল না । শুভেন্দু জানান, তাঁর এবং বাবুলের বয়স একদম এক । দুজনেই ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭০ এ জন্মেছেন । 

অন্যদিকে প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াতে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন যে, যাঁরা তাঁর সম্পর্কে দিল্লিতে গিয়ে ক্ষোভ উগরে দিতেন , ফলে অনেককেই দল থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল । তাঁকেও নাকি প্রায় তাড়িয়ে দেওয়া হয় আর কি আজ কি বলা হবে, জানালেন দিলীপ । তিনি নাকি সতর্ক করেছিলেন কেন্দ্রীয় বিজেপিকে, জানিয়েছিলেন, যারা এসে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন তারা কোথায় ? দিলীপ আরও একবার পুরাতন এবং নব্য বিজেপির অবস্থানকে উস্কে দিলেন ।

Politics: দিলীপ কুনালের রসেবসে কটাক্ষ

কলকাতাঃ ভবানীপুরের ভোট যত এগিয়ে আসছে উত্তপ্ত হচ্ছে তৃণমূল বিজেপির বাকযুদ্ধ । এই বিষয়ে সবথেকে সক্রিয় বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী । তিনি তাঁর আস্তিনের সমস্ত তীর বের করে বাক্যে আক্রমণ হানছেন । অনেক সময়ে অসম্মানসূচক মন্তব্য করে সরাসরি আক্রমণ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে । তেড়েফুঁড়ে প্রচার করছেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিব্রিউয়াল । তিনিও বাক্য অসংযমের পরিচয় দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের নোটিশের বিরুদ্ধে মন্তব্য করে । নির্বাচনের সময় অবশ্য এসব নতুন কোনও ঘটনা নয় । বিজেপি রাজ্য সভাপতি রসিক মানুষ । প্রায় প্রতিদিন প্রেসের সামনে মুখ খোলেন এবং সেগুলি বেশ রসেবসে উপভোগ করে দর্শক বা পাঠক । 

শনিবার ভোট নিয়ে দিলীপ জানালেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সুপারষ্টার দিয়ে প্রচার করছেন । এতে একেবারেই উত্তপ্ত না হয়ে তৃণমূলের প্রধান মুখপাত্র কুনাল ঘোষ জানালেন, সুপারস্টার আবার কি  ববি ওই অঞ্চলের ভোটার, অভিষেকও তাই এবং সুব্রত মুখোপাধ্যায় ওই অঞ্চলেই চিরকাল রাজনীতি করেছেন । কুনাল বলেন, এসব দিলীপবাবুর মনের কথা নয় । তিনি মনেপ্রাণে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই বিধানসভায় যান ।    


দিলীপেই ভরসা রাজ্য বিজেপির

বিজেপির অন্দরের কথার অনেকটাই প্রকাশ পেলো । সংগঠন বাড়াবার ভাবনা রয়েছে রাজ্য বিজেপির । আদি বনাম নব্যদের মধ্যে নানান সঙ্কট ছিলই, বিধানসভার নির্বাচনের পর তা আরও প্রকট হয়েছে । দীর্ঘদিনের কর্মী নেতাদের বক্তব্যে শুরু হতে চলেছে সংগঠন । পুরাতনরা রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের উপরেই আস্থা রাখছে । দলের অভ্যন্তর মনে করে দল ভাঙিয়ে নির্বাচনে লড়তে যাওয়া মস্ত ভুল হয়েছে । তৃণমূল বা অন্যদল থেকে আগত নেতারা যে সুবিধা নিতে এসেছিলো তা আজকে পরিষ্কার বলেই ধারণা প্রাচীনদের । বিজেপি ভাবনায় যারা যুক্ত বা দলের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে কাজ করতে ইচ্ছুক তাদেরই এবারে দলে মর্যাদা দেওয়া হবে ।


কার্যত বিধানসভার বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর থেকে দিলীপ ঘোষকেই সর্বোচ্চ নেতা মানতে চায় দলের আদি কর্মীরা । অন্যদিকে বিজেপিতে নিজের স্থান পোক্ত করতে শুভেন্দু নিয়মিত ভাবে কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে যোগাযোগ রাখছে এবং এই বার্তা দিলীপবাবুর কাছে থাকছে না, এই বিষয়েও বিরক্ত আদি বিজেপি । আসলে এই দলে আসলাম আর নেতা হয়ে গেলাম, এই পদ্ধতি কোনও দিনও ছিল না কিন্তু বাংলা দখলের নেশায় দল ভাঙিয়ে স্কি বৃদ্ধি করা যে ভুল হয়েছিল তা আজ হাড়েহাড়ে বুঝেছে তারা ফলে নতুন ভাবে ভাবতে চাইছে তারা ।


মমতার দিল্লি সফর, কটাক্ষ দিলীপের

আজই দিল্লি সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে মমতার সফর নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। 

মমতাকে কটাক্ষ করে দিলীপ বলেছেন, ২০২৮-র ভোটে লড়তে পারবেন কিনা সন্দেহ। মোদীর কাছে হাতজোড় করতে যাচ্ছেন মমত ২০১৯-র ভোটের আগেও দিল্লি গিয়েছিলেন তিনি। ব্রিগেডে র্য়ালিও করেছিলেন। তারপরেও কিছু করতে পারেনি তৃণমূল কংগ্রেস।

আরও পড়ুনঃ ট্রাক্টর চালিয়ে সংসদে রাহুল গাঁধী

তিনি আরও বলেন, "বাংলায় আইনশৃঙ্খলার যা অবস্থা, যে ভাবে হিংসা চলছে, বেকারত্ব বাড়ছে, টিকা নিয়ে দুরবস্থা দেখা দিয়েছে, এই হাহাকার থেকে নজর ঘোরাতেই দিল্লি সফর। আমি বলি কী, আপনাকে দিল্লি দেখতে হবে না। আপনি বরং বাংলা দেখুন। মোদীজি দিল্লি দেখে নেবেন।"

প্রসঙ্গত, প্রায় ২ বছর পর দিল্লি যাচ্ছেন মমতা। সেখানে বৈঠক করবেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করার কথা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। 

হিরো নাকি ফটোগ্রফার দিলীপ !

চিরকাল সংগঠনের হয়ে কাজ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । প্রথমে সঙ্ঘ প্রচারক থেকে দলে এসে রাজ্য সভাপতি । ভোটে  দাঁড়ালেন ২০১৬র বিধানসভায় এবং জিতে বিধায়ক । এরপর ২০১৯ এ নিজ কেন্দ্র খড়গপুর থেকে সাংসদ । নিৰ্ভেজাল মানুষ । মধ্যে ৫০ এ পৌঁছেছেন । বিয়ে থা করেন নি ।একা মানুষ, যতটুকু জীবনধারণের জন্য দরকার তার বেশি চান না কিছুই । ছুটিছাটা বলে কিছু নেই তবে ইদানিং দল নিয়ে চিন্তা ছিল । দ্রুত বেড়ে ওঠা প্রাক্তন তৃণমূলী এবং বর্তমান বিজেপির বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সম্পর্ক নাকি অম্লমধুর বলে শোনা যায় ।
সাংসদ হওয়ার পর কেন্দ্রে ক্যাবিনেট মন্ত্রী হওয়ার অনুরোধ অনায়াসেই বাতিল করেছেন । সম্প্রতি দিল্লি গিয়ে বাংলা বিজেপি দলের বেচাল অবস্থার বিবরণ দিয়ে ক্ষমতা আরও বাড়িয়েছেন । জীবনে বেড়াতে যাওয়ার সময় না পেলেও একবার রাষ্ট্রপতির সফর সঙ্গী হয়ে আফ্রিকাতে গিয়েছিলেন । কিন্তু এবারে সত্যি ছুটি নিয়েছেন । গিয়েছেন কাশ্মীর, লাদাখ ইত্যাদি স্থানে । এবারে দিলীপ ঘোষ কিন্তু অন্য মুডে । পোশাকে হিরো ভাব । পটাপট ছবি তুলে পোস্টও করছেন । ছবি তোলায় তাঁর যে এই দক্ষতা ছিল কে জানতো ।

দিলিপের ছুটি

কলকাতা ছাড়লেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ফের দিল্লি উড়ে গেলেন তিনি।

আজ বুধার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সকাল ৬টার ফ্লাইটে দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, 'লম্বা ছুটি কাটাতে যাচ্ছি।' এই মন্তব্য কিসের  ইঙ্গিত দিচ্ছে,তা সময়ই বলবে।

বিস্তারিক আসছে —

ডোবাবে শুভেন্দু বাঁচাবে দিলীপ ?

সোশ্যাল নেটওয়ার্কে এখন দিলীপ ঘোষ বনাম শুভেন্দু অধিকারীকে লড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে । সম্প্রতি দিলীপ ঘোষ দিল্লি গিয়ে দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার সাথে দীর্ঘ বৈঠক করেন । সূত্র মারফত জানা যাচ্ছে দিলীপবাবু রাজ্যদলের নানান জটিলতা নিয়ে কথা বলেছেন । এমনও কথা হয়েছে যে অনেক বিষয়ে রাজ্য সভাপতিকে অন্ধকারে রেখে যে যা পারছে করছে । ইঙ্গিতটি কি শুভেন্দুর দিকে ?  মঙ্গলবার নাকি বিজেপি বিধানসভা সদস্যরা তাঁদের প্রাপ্ত ৯ টি চেয়ারম্যানের পদ থেকে পদত্যাগ করবেন । এই ঘটনায় আদি বিজেপি কর্মীরা ক্ষুব্দ । তাদের ক্রোধ গিয়ে পড়েছে বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপর ।

প্রশ উঠেছে বলে সূত্র মারফত খবর যে প্রাপ্ত চেয়ারম্যান পদগুলি ছেড়ে পরোক্ষে সেগুলো তৃণমূলের হাতে তুলে দেওয়ার যুক্তি কোথায় ? এই ভাবে কি দল কে ডোবাচ্ছেন শুভেন্দু,, সোশ্যাল নেটে এমনই প্রশ্ন উঠেছে  । অন্যদিকে আদি বিজেপির কর্মী সমর্থকরা দিলীপ ঘোষের উপর কেন্দ্রের ভরসা দেখে বেজায় খুশি । তাঁকে যে কেন্দ্রের মন্ত্রী না করে ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে তাতেও পরম তৃপ্তি বিজেপি কর্মীদের । একটি বিষয়ে পরিষ্কার রাজনৈতিক মহল মনে করে দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে ৩ থেকে ৭৪ আসনে দাঁড়িয়ে রাজ্য বিজেপি ।

দিল্লিতে দিলীপ

বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ গতকাল রাতেই দিল্লি পৌছিয়ে গিয়েছেন । মূলত সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সাথে তাঁর বৈঠক । কেন্দ্র মন্ত্রীসভায় বড়সড়ো পরিবর্তনের সময়ে শোনা গিয়েছিলো দিলীপকে হয়তো কেন্দ্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী করা হতে পারে কিন্তু দিলীপবাবু বাংলার সংগঠন নিয়েই থাকতে চান । এরপর শুভেন্দু দিল্লি সফর করেন এবং দলের সর্বস্তরের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন । শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর উপর নাকি মোদি শাহরা এখন অনেকটাই নির্ভর করছেন । এই ঘটনাক্রমে দিলীপ ঘনিষ্ঠরা বেশ অখুশি বলেই শোনা গেলো । এবারে রাজ্য সংগঠনকে আরও নিজের হাতে নিতে চাইছেন দিলীপ বলে খবর ।
দলের অভ্যন্তরে অনেক নেতা বর্তমানে বাঁকা সুরে কথাবার্তা বলছেন যথা বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র খান প্রমুখ । নিজের হাতে রাশ নিয়ে কড়া বার্তা দিতে চান বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলে । দিলীপ নিশ্চই চাইবেন দল বিরোধী কাজ বা মন্তব্য বন্ধ হোক । সুতরাং দিলীপের দিল্লি সফরে হয়তো চেইপ পড়বেন বাংলার অনেক নেতা ।

কড়া হচ্ছেন দিলীপ ঘোষ

বিজেপির রাজ্য সভাপতি কি জানতেন না যে কেন্দ্রে কে কে মন্ত্রী হচ্ছেন ? ইদানিং সাংবাদিক বৈঠকে তারই প্রতিচ্ছবি পাচ্ছেন সাংবাদিককুল । তবে বাস্তবে বিজেপির যে কোনও সভাপতির দলে বা রাজ্যে যথেষ্ট গুরুত্ব থাকে তা বলাই বাহুল্য । নিশীথ প্রামানিক বা জন বার্লা মন্ত্রী হলেও তাঁরা যে ভাবে বাংলা ভাগ নিয়ে সরব হয়েছেন তা নিয়ে বিরক্ত রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । জন মন্ত্রী হওয়ার পরেও সওয়াল করছেন বাংলা ভাগের । দিলীপবাবু এতেই ক্রূদ্ধ এবং ক্ষুব্দ ।

দিলীপ ঘোষ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন, বাংলা ভাগ হবে না এবং এই নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে কেন্দ্রকে জানানো হবে । বর্তমানের এই বিজেপি দলের মুখে লাগাম পড়ানোর কথা বলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি । এবারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের পর বৃহস্পতিবারই দলের নেতাদের মুখে লাগাম লাগানোর কথা বলেছেন মোদি । 

শৃঙ্খলা রাখায় নজর বিজেপির

রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে গোষ্ঠে দন্দ বিস্তর | কিছুদিন আগেও লাগাম ছাড়া মন্তব্য করেছেন দলের তাবড় নেতারা | সম্প্রতি তাদের কার্যকারিনী বৈঠকে এই নিয়ে শোরগোল হওয়ার কথা ছিল কিন্তু কেন্দ্রের চাপে সেই প্রসঙ্গ আর ওঠেনি বলে খবর | একসময় দিলীপ বা মুকুল পন্থী ইত্যাদি চালু কথা ছিল | বর্তমানে দিল্লির আশীর্বাদে শুভেন্দু অধিকারী অনেকটা ক্ষমতাবান | এবারে মাঠে নেমে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দলের রাশ হাতে নিলেন বলে সংবাদ |

শৃখলা রক্ষায় দিলীপবাবু বহিষ্কারের আদেশ দিলেন মালদহের সঞ্জিত মিশ্র এবং অন্য এক নেতা নিতাই মণ্ডলকে | এরা সাম্প্রতিক ভোটে দলবিরোধী কাজ করেছেন | সতর্ক করা হয়েছে হুগলির বিভিন্ন নেতাদের | বর্তমানে এই শৃঙ্খলা দেখতে তিন নেতাকে নিয়ে একটি কমিটি করা হয়েছে | কমিটিতে রয়েছেন সাংসদ সুভাষ সরকার, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরী এবং রথীন বসু | এরা তিন জনই প্রাক্তন সংঘ পরিবারের তথা দিলীপ ঘনিষ্ঠ বলে শোনা যায় |

কর্মীদের মনোবল বাড়াতে জেলা সফরে দিলীপ

মেদিনীপুরঃ জেলা সফরে  বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে ও ভবিষ্যতে কাজের পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করতে এই সফর। দলীয় নেতা কর্মীদের সঙ্গে করলেন বৈঠক। পাশাপাশি একাধিক ইসুতে রাজ্যকে আক্রমণ দিলীপের।

দুই মেদিনীপুর জেলা সফরে দিলীপ ঘোষ। বৃহস্পতিবার ডেবরায় ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।কার্যালয়ে এসে তিনি প্রথম একটি গাছ লাগান।কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, আমাদের বহু কর্মী এখনও বাড়ি ছাড়া। তাছাড়া ত্রাণ নিয়ে রাজনীতি চলছে।

পাশাপাশি রাজ্যের  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, নন্দীগ্রাম মামলার বিচারপ্রতির বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রকাশ করা এবং সরে যাওয়ার আবেদনের নিয়ে কটাক্ষ করেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

ভ্যাকসিন সিন্ডিকেট চলছে বাংলায়, বিস্ফোরক দিলীপ

কলকাতাঃ ভুয়ো ভ্যাকসিনকাণ্ডে তোলপাড় বাংলা। এরই মধ্যে শাসক দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

এদিন ফেসবুকে দিলীপ ঘোষ লিখেছেন, ‘এত দিন অন্য সব বিষয়ে সিন্ডিকেট চলছিল। এখন ভ্যাকসিন সিন্ডিকেট চলছে। এখানে এসএসসি, টেট, সিভিক পুলিশের চাকরির জন্য পয়সা নেওয়া হয়। ভ্যাকসিন পড়ে থাকছে, দেওয়া হচ্ছে না। তার উদ্দেশ্য ক্রাইসিস তৈরি করা। হাতবদল হয়ে চড়া দামে ভ্যাকসিন বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। ভুয়ো ভ্যাকসিন পুরো সাজানো। এতে তৃণমূলের লোক যুক্ত আছে।’



যদিও ভুয়ো ভ্যাকসিনকাণ্ডের সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই বলে জানিয়েছে শাসক দলের। যদিও তৃণমবলের নেতা মন্ত্রীদের সঙ্গে অভিযুক্তের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। এ ক্ষেত্রে তাদের দাবি,কোনও অনুষ্ঠানে এসে কেউ পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুললে, তাঁর পরিচয় বা উদ্দেশ্য জানা সবসময় সম্ভব নয়। এক্ষেত্রেও সেরকমই ঘটেছে।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল, আসতে পারেন দিলীপ ঘোষ?

কৃষি আন্দোলন, করোনার প্রভাব এবং পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতা দখল করতে না পারার কারণে মোদি সরকারের উপর প্রবল চাপ তৈরী হয়েছে | কেন্দ্রীয় সূত্রে জানা যাচ্ছে এ মাসেই মন্ত্রিসভায় আসতে পারে নতুন মুখ | তবে এখনও এ বিষয়ে মুখ খুলছে না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব | বিজেপির জোট সঙ্গী নীতীশকুমারের জেডিইউ  থেকে উত্তর প্রদেশের আপনা দল এবং নিষাদ পার্টি সরাসরি দাবি তুলেছেন মন্ত্রিত্বের | জোট ভেঙে বেরিয়ে যাওয়ার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে | পাশাপাশি দাবিদার মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন কংগ্রেসি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াও এবং বিহারের সুশীল মোদি | 

পশ্চিমবঙ্গের ভোট ফলের পর খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসেছেন নীতীশবাবু |তাঁর দাবি ন্যূনতম দুটি মন্ত্রিত্ব | অন্য দিকে আপনা দলের অনুপ্রিয়া প্যাটেল এবং নিষাদ পার্টির প্রবীনকুমার মন্ত্রীত্বর দাবিদার | এই শেষ দুই দল এমনও হুমকি দিয়েছে মন্ত্রিসভায় স্থান না দিলে তাঁরা ভোটের আগে জোট ছাড়বে |

এ রাজ্য থেকেও নতুন মন্ত্রী হতে পারেন | শোনা যাচ্ছে সভাপতি দিলীপ ঘোষের নাম | তবে দিলীপ ঘনিষ্ঠরা চাইছেন না পশ্চিমবঙ্গের সভাপতির পদ থেকে দিলীপ বাবু চলে যান | পাশাপাশি উঠে আসছে কোচবিহারের নিশীথ প্রামানিকের নাম | একই ভাবে দিল্লিতে তিন দিন ধরে বসে আছেন সৌমিত্র খানও |