দিল্লিতে দিদির অপেক্ষায় শতাব্দী

লোকসভায় পেগাসাস নিয়ে প্রতিবাদ এবং স্লোগানে গলা ভেঙে গিয়েছে গ্লামার দুনিয়ার অভিনেত্রী এবং তিনবারের জিতে আসা তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় । লোকসভায় নিয়মিত থাকার ফলে রাজনীতিটি আয়ত্বে নিয়ে এসেছেন । সি এন পোর্টালকে একান্ত সাক্ষৎকারে জানালেন, এখন আর রবিবার বা বিশ্রামের অবকাশ নেই । দিল্লিতেই থাকছি , দিদি আসছেন কাল সুতরাং তাঁর অপেক্ষাতেই বসে আছি । শতাব্দী জানালেন " পেগাসাস নিয়ে যে নোংরামি হচ্ছে তা স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে অভূতপূর্ব "। এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে আসছেন ফলে লোকসভায় বা রাজ্যসভায় যোগাযোগের কাজগুলি করছেন শতাব্দী সহ বাকি সাংসদরা ।

আরও পড়ুনঃ ছুটির বাজারেও পেগাসাস

শতাব্দী জানালেন, যে ভাবে নিয়মিত হারে পেট্রোলিয়াম সামগ্রীর দাম বাড়ছে একই সাথে করোনার টিকা নিয়ে রাজনীতি চলছে তা বর্তমান সরকারের অপদার্থতা আজ জনগণের সামনে । তিনি বললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ২০২৪ এ পরিবর্তন আসবেই এবং তাই নিয়ে সম্মিলিত আন্দোলনের পথে তৃণমূল । ফিল্ম নিয়ে প্রশ্ন করলে হেসে বললেন, দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে আগে তার পরিবর্তন হোক তারপর বাকি সব ।


তৃণমূলের একুশে জুলাইয়ের পাল্টা শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন বিজেপির

প্রতিবারের মত এবারও একুশে জুলাই শহিদ দিবস পালন করল তৃণমূল। যদিও করোনা পরিস্থিতিতে ভার্চুয়াল পালন করা হয় শহিদ দিবস। অন্যদিকে শহিদ দিবসের পাল্টা শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলি দিবস পালন করল বিজেপি। 

এদিন দিল্লিতে রাজঘাটে ধর্নায় বসে বিজেপি। যার নেতৃত্বে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল আমাদের যে ১৭৫ জন কর্মীকে খুন করেছে, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। এছাড়া কর্মসূচি পালিত হয় রাজ্যের ব্লক-বুথ ও জেলাস্তরেও। 

১৯৯৩ সালে ২১ জুলাই। ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়েছিল তৎকালীন প্রদেশ কংগ্রেস। প্রতিবাদ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন তত্কালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই কর্মসূচীতে পুলিসের গুলিতে শহিদ হয়েছিলেন ১৩ জন কংগ্রেস কর্মী। এরপর থেকেই প্রতি বছর ১৩ জন শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে শহিদ দিবস পালন করে তৃণমূল কংগ্রেস। 


পি কের ফর্মুলা শুরু কংগ্রেসে

ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গে দুই দফার বৈঠকের পর অনেকটাই নড়েচড়ে বসেছে সর্বভারতীয় কংগ্রেস । যদিও কংগ্রেসকে ফের পুরোনো জায়গায় ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব সম্পূর্ণভাবে পিকে নিয়েছেন কি না এখনও সিএ খবর জনতার সামনে আসে নি । তবে অন্দরের খবর যা আসন্ন উত্তরপ্রদেশ ত্রিপুরা বা পাঞ্জাবের নির্বাচন নিয়ে পিকের সাথে নিশ্চিত রাহুল সোনিয়ার কথাবার্তা হয়েছে ।

রাহুল ইতিমধ্যে একটি টুইট ছেড়েছেন তাতে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন, যারা আরএসএস কিংবা বিজেপিকে ভয় পান তারা কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পারেন । ফের নতুন করে দল গঠন করা হবে বলে বার্তা রাহুলের । আসলে বাংলার ভোট যুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশাল জয়ের পর রাহুল বুঝেছেন পিকে কে দিয়ে সংগঠন দাঁড় করিয়ে দেওয়া যাবে ।

মমতার দিল্লি সফর

২১ জুলাই আসন্ন । এটি তৃণমূলের একটি স্মৃবিজড়িত দিন, তারা 'শাহিদ দিবস' পালন করেন । ২১ জুলাই এর পর মাসের শেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের কথা । ওই সময়ে বর্ষাকালীন লোকসভা চলবে । সাধারণত বছরে একবার লোকসভা বা রাজ্যসভা চলাকালীন তিনি দিল্লি যান । কিন্তু এবারের যাত্রা তাৎপর্যপূর্ণ ।

প্রথমত বিগত বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জয় পাওয়াতে বিরোধী দলগুলি তাঁকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছে । এ ছাড়াও দ্বিতীয়ত বিভিন্ন দলের নেতারা মমতার সাথে কথা বলতে চাইছেন । তৃতীয়ত এই মুহূর্তে মমতাই মোদির বিরুদ্ধে বিরোধীদের প্রধান মুখ বলেই আলোচিত রাজধানীতে । এ ছাড়া নির্বাচনে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎকার করতে পারেন তিনি ।

এখন বিগত নির্বাচনের প্রধান পরামর্শদাতা প্রশান্ত কিশোর দিল্লিতে । তিনি এখন কংগ্রেসের সাথে যোগাযোগ রেখে চলছেন । শোনা গেলো মমতা, সোনিয়া গান্ধীর সাথে দেখা করতে পারেন । তিনি দিল্লি গেলে চিরকালই গান্ধী পরিবারে যান । রাজীব গান্ধীর পরিবারকে মমতা এখনও সম্মানের চোখে দেখেন । কিন্তু  সৌজন্য করতেই সোনিয়ার সাথে দেখা নিশ্চই করবেন না মমতা হয়তো আগামী দিনের স্ট্রাটেজি নিয়েও আলোচনা করবেন । পার্লামেন্টের সেন্ট্রাল হলে বিভিন্ন নেতাদের সাথে কথাও বলতে পারেন তিনি । ।

দিলিপের ছুটি

কলকাতা ছাড়লেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ফের দিল্লি উড়ে গেলেন তিনি।

আজ বুধার কলকাতা বিমানবন্দর থেকে সকাল ৬টার ফ্লাইটে দিল্লির উদ্দেশে উড়ে যান রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। যাওয়ার আগে সংবাদমাধ্যমকে জানালেন, 'লম্বা ছুটি কাটাতে যাচ্ছি।' এই মন্তব্য কিসের  ইঙ্গিত দিচ্ছে,তা সময়ই বলবে।

বিস্তারিক আসছে —

দিল্লিতে দিলীপ

বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষ গতকাল রাতেই দিল্লি পৌছিয়ে গিয়েছেন । মূলত সর্বভারতীয় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডার সাথে তাঁর বৈঠক । কেন্দ্র মন্ত্রীসভায় বড়সড়ো পরিবর্তনের সময়ে শোনা গিয়েছিলো দিলীপকে হয়তো কেন্দ্রের ক্যাবিনেট মন্ত্রী করা হতে পারে কিন্তু দিলীপবাবু বাংলার সংগঠন নিয়েই থাকতে চান । এরপর শুভেন্দু দিল্লি সফর করেন এবং দলের সর্বস্তরের নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন । শোনা গিয়েছে শুভেন্দুর উপর নাকি মোদি শাহরা এখন অনেকটাই নির্ভর করছেন । এই ঘটনাক্রমে দিলীপ ঘনিষ্ঠরা বেশ অখুশি বলেই শোনা গেলো । এবারে রাজ্য সংগঠনকে আরও নিজের হাতে নিতে চাইছেন দিলীপ বলে খবর ।
দলের অভ্যন্তরে অনেক নেতা বর্তমানে বাঁকা সুরে কথাবার্তা বলছেন যথা বাবুল সুপ্রিয়, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌমিত্র খান প্রমুখ । নিজের হাতে রাশ নিয়ে কড়া বার্তা দিতে চান বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলে । দিলীপ নিশ্চই চাইবেন দল বিরোধী কাজ বা মন্তব্য বন্ধ হোক । সুতরাং দিলীপের দিল্লি সফরে হয়তো চেইপ পড়বেন বাংলার অনেক নেতা ।

সিবিআই দফতরে বিধ্বংসী আগুন

দিল্লির সিবিআইয়ের সদর দফতরে বিধ্বংসী আগুন। দফতর  থেকে কর্মীদের বের করে আনা হয়েছে। বর্তমানে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আগুন।

বিস্তারিত আসছে --

দিল্লিতে কৃষক আন্দোলনে পাকিস্তানের ছায়া!

নয়াদিল্লিঃ তিনটি কৃষি আইনের বিরোধিতায় দিল্লি সীমান্তে আন্দোলন কৃষকদের। কয়েক মাস ধরে অবস্থান আন্দোলনে তাঁরা। কৃষকদের সেই আন্দোলনকেই এবার টার্গেট করেছে আইএসআই।

ভারতীয় গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের ছদ্মবেশে বড়সড় হামলার ষড়যন্ত্র কষছে পাক গুপ্তচর সংস্থা। সেজন্য আগে ভাগে দিল্লি পুলিস ও সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্সকে সতর্ক করেছে গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, কৃষক আন্দোলনে ছদ্মবেশে ঢোকার চেষ্টা করছে আইএসআই-এর চররা। সেখানে নিরাপত্তায় মোতায়েন রক্ষীদের বিভিন্ন রকম ভাবে প্ররোচিত করার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। সেই প্ররোচনাকে ঘিরেই বড়সড় হামলার ছক কষছে পাক গুপ্তচর সংস্থা।

এদিকে, দিল্লির কৃষক আন্দোলনের সাত মাস পূর্তি এবং জরুরি অবস্থা জারির ৪৬তম বর্ষপূর্তি হিসেবে ২৬ তারিখ দিনটি বেছে নেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যের রাজভবনের সামনে বিক্ষোভের কর্মসূচি নিয়েছে আন্দোলনকারীরা। 'কৃষি ও গণতন্ত্রকে রক্ষা করুন', এই আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের কাছে স্মারকলিপি দেবে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

প্রসঙ্গত, কৃষক আন্দোলন ঘিরে যথেষ্ট অস্বস্তিতে রয়েছে কেন্দ্র। বারেবারে বৈঠক করেও মেলেনি সমাধান। কেন্দ্রের বক্তব্য কৃষক স্বার্থেই এই নতুন তিন আইন আনা হয়েছে। অন্যদিকে তিন নতুন কৃষি আইনের পুরোপুরি রদ চাইছেন কৃষকেরা।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে চারগুন বেশি অক্সিজেন চাইল দিল্লি

নয়াদিল্লি: প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অক্সিজেন চাওয়ার অভিযোগ দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধে। সুপ্রিম কোর্টের গঠন করা অক্সিজেন অডিট কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে যা প্রয়োজন তার চেয়ে চারগুণ বেশি অক্সিজেন চেয়েছিল দিল্লি সরকার। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে, দিল্লির একাধিক হাসপাতালে অক্সিজেনের হাহাকার পড়ে। অক্সিজেনের অভাবে কয়েকটি হাসপাতালে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুও হয়।

যা নিয়ে বাগ্‌যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে দিল্লি সরকার ও কেন্দ্র।অডিট কমিটির রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেই সময় দিল্লিতে দৈনিক প্রায় ৩০০ মেট্রিক টন অক্সিজেনের প্রয়োজন ছিল, তবে দিল্লি সরকার চাহিদা বাড়িয়ে ১২০০ মেট্রিক টন করেছিল। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে যে, দিল্লির অতিরিক্ত চাহিদার কারণে অন্য ১২টি রাজ্যে অক্সিজেনের মারাত্মক ঘাটতি দেখা দিয়েছে।


সোমবার থেকে খুলছে দিল্লিতে রেস্তোরাঁ,বার

নয়াদিল্লি : দিল্লিতে করোনা বিধি মেনে আগামী ২৮ জুন বিকেলে ৫ টা পর্যন্ত বাড়ানো হল।  যদিও সোমবার থেকে বার খোলার অনুমতি দিয়েছে দিল্লি সরকার। এছাড়া রেস্তরাঁ খোলার সময় ২ ঘণ্টা বাড়ানো হয়েছে। রেস্তরাঁ এবং বার খোলা যাবে যথাক্রমে সকাল ৮টা থেকে ১০টা এবং দুপুর ১২টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত। তবে ৫০ শতাংশ গ্রাহক প্রবেশ করতে পারবেন। এ ছ়াড়াও পার্ক, উদ্যান, গল্ফ ক্লাব খোলার অনুমতিও দিয়েছে কেজরীবাল সরকার।


এদিকে দিল্লির আনলক পর্ব নিয়ে বিশেষ সতর্ক জারি করেছে বিশেষজ্ঞরা। এপ্রিল -মে মাস থেকেই দিল্লিতে বেড়েছিল সংক্রমণ। তবে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শিথিল হতেই আনলক পর্ব শুরু হয়েছে।  শনিবার আবার দিল্লির এইমসের প্রধান ডঃ রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন,আগামী দেড়মাসের মধ্যে কর্নার তৃতীয় ওয়েসিভ আস্তে চলেছে।তার আগেই আগাম সাবধানতার বার্তা। তবে সোমবার বিধি মনেই খোলা হচ্ছে রেঁস্তোরা ,বার।  

এবার মেট্রোয় নয়া যাত্রী

এবার মেট্রোর কামরায় এক অদ্ভুত যাত্রীকে দেখা গেল. যদিও বেশ কিছুক্ষন সবার তার দিকেই নজর ছিল। দেখা পাশের কামরায় বসা যাত্রীর ঠিক পাশেই ওই 'যাত্রী 'বসে। দেখা যাচ্ছে ওই 'যাত্রী' একদৃষ্টে  জানলার বাইরের দৃশ্য দেখছে। আর সেই ভিডিও ইতিমধ্যে ভাইরাল সারা নেটদুনিয়ায় । কেনই বা হবেনা।এই যাত্রী সেই যাত্রী নয়,এ হল বাঁদর যাত্রী।সারা মেট্রো সফর করেছে ওই বাঁদর।শনিবার এক নেটাগরিক এই ভিডিও  ভাইরাল করে।তবে ঘটনাটি কোন মেট্রো স্টেশনে ঘটেছে তা এখনই স্পষ্টত জানা যায়নি।

লকডাউন বিধিনিষেধে শিথিল,ঘোষণা কেজরিওয়ালের

নয়াদিল্লি: সুস্থ হয়ে উঠেছে দিল্লি। তাই সোমবার থেকে একাধিক ছাড়ের ঘোষণা করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দৈনিক সংক্রমণ কমতেই দিল্লিতে এবার শুরু হবে আনলক প্রক্রিয়া। রবিবার কেজরিওয়াল জানানলেন,সোমবার থেকে দিল্লিতে বাজার,শপিং মল সমস্তকিছু  খোলা থাকবে। ছাড় থাকবে রেস্তরাঁর। তবে ভিতরে ৫০ শতাংশ গ্রাহকের অনুমতি। এদিকে লকডাউন শিথিল হলেও খুলবেনা স্কুল,কলেজ। যদিও দিল্লিতে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়াতে ১৯ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন, কেজরিওয়াল সরকার। এরপর তা আরও বেড়ে যাওয়াতে মেয়াদ ফের বাড়ানো হয়। কিন্তু সংক্রমণ কিছুটা কমায় লকডাউন শিথিল করা হল। এছাড়া একধিক জিনিসের ওপর মিলল  ছাড়। তবে আনলক শুরু হলেও করোনাবিধি মেনেই চলতে হবে প্রত্যেককেই,জানালেন কেজরিওয়াল সরকার।

দিল্লির লাজপত নগরে ভয়াবহ আগুন

নয়াদিল্লি: শনিবার সকালে দিল্লিতে ভয়াবহ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। আগুন লাগা মাত্রই ঘটনাস্থলে দমকলের ৩০  টি ইঞ্জিন আসে এরপর জানা যায়, দিল্লির লাজপত নগরের একটি কাপড়ের দোকানে এককাই আগুন।

যদিও দিল্লির এই লাজপত নগরে বস্ত্র শিল্পের একটি কেন্দ্র। তারমাঝেই এভাবে আগুন লাগার জেরে এলাকাবাসী আতঙ্কের মধ্যে পরে। ঘটনাটি সম্ভবত সকাল ১০.২০ নাগাদ ঘটে। যদিও কেন আগুন লেগেছে তা স্পষ্টত জানা যায়নি।


শুভেন্দু দিল্লিতে কেন ?

কলকাতাঃ রাজ্যে যেখানে বিজেপির সভাপতি বৈঠক ডাকছেন সেখানে বিধানসভার বিরোধী নেতা বৈঠকে না থেকে দিল্লিতে কেন? এক সাক্ষাৎকারে শুভেন্দু জানালেন, বিরোধী নেতা হিসাবে তাঁর দলের শীর্ষ নেতাদের সাথে কথা বা দেখা করা উচিত, তাই তিনি দিল্লিতে | কিন্তু শুধুই কি দেখা করতে যাওয়া? শুভেন্দু দেখা করলেন, অমিত শাহ, নাড্ডা এবং শিবপ্রকাশের সঙ্গে |

সূত্র বলছে, তিনি পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান অবস্থা নিয়ে কথা বলতেই শুধু যান নি, নিজের পুলিশি ঝঞ্ঝাট নিয়েও নালিশ জানাতে গিয়েছেন অন্তত এমন ধারণা তৃণমূলের | তৃণমূলের মুখপাত্র কুনাল ঘোষ, জানালেন, সিবিআই থেকে নানান সংকটে আছেন শুভেন্দু | এবারে দেখার বিষয়ে সত্যিটা কি|

সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্প বন্ধ নয়, জানাল দিল্লি হাইকোর্ট

করোনা আবহের মধ্যেই নয়া সংসদ ভবন ও সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের কাজ নিয়ে যে সমোলোচনার ঝড় উঠেছে । এবার সেই প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা বলল  সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট। যদিও সেন্ট্রাল ভিস্তা অপরিহার্য প্রকল্প। তাই এই প্রকল্প নিষিদ্ধ  করা যাবেনা। সাফ জানিয়ে দিলেন, দিল্লির উচ্চ আদালত। এই নিয়ে মামলা করা হয়. সেক্ষত্রে  ওই মামলাকারীকে জরিমানা করা হয়. সোমবার দিল্লি হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিএন পটেল এবং বিচারপতি জ্যোতি সিংহের ডিভিশন বেঞ্চে উঠেছে এই মামলাটি। আদালত স্পষ্টত জানিয়ে দিলেন  করোনা অতিমারীতে এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করা যাবেনা।