Cylinder: এবার সিলিন্ডার মিলবে মাত্র ৭০০ টাকায়

এবার ভারী ডোমেস্টিক এলপিজি সিলিন্ডারের দিন পাল্টে যেতে চলেছে। গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে গ্যাস বিপণনি সংস্থাগুলি নয়া কম্পোজিট এলপিজি সিলিন্ডার আনার কথা ভাবছে। এই নয়া সিলিন্ডার দেখতে আগের তুলনায় অনেক ভালো হবে বলা হচ্ছে। পাশাপাশি সিলিন্ডারে কতটা গ্যাস বেঁচে আছে, সেই আপডেটও দিতে থাকবে নয়া এই কম্পোজিট এলপিজি সিলিন্ডার। আজই এই নয়া কম্পোজিট সিলিন্ডার লঞ্চ করছেন সাংসদ হেমা মালিনী।নয়া এই কম্পোজিট সিলিন্ডারের ধারণ ক্ষমতা হবে ১০ কেজি। প্রায় ৭০০ টাকায় এক একটি সিলিন্ডার কেনা যাবে।

দিল্লি, বারাণসী, ফরিদাবাদ, জলন্ধর, জমশেদপুর, পটনা, মাইসোর, লুধিয়ানা, রায়পুর, রাঁচি, আহমেদাবাদ সহ মোট ২৮টি শহরে।এর আগে ১ জুলাই ২৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম। এর আগে ফেব্রুয়ারি ও মার্চে দাম বেড়েছিল সিলিন্ডারের। অবশ্য এপ্রিলে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল গ্যাস সিলিন্ডারের দাম।পরে এপ্রিলে ১০ টাকা কমানো হয়েছিল সিলিন্ডারের দাম।

তবে জুলাইয়ে ফের বাড়ানো হয় সিলিন্ডারের দাম। গ্যাসের দাম কমছে না। তবে যেহেতু সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কম থাকছে, তাই তার দাম কম। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর ফের রান্নার গ্যাসের দাম বাড়ায় রাষ্ট্রায়াত্ব সংস্থাগুলি। এর জেরে কলকাতায় ১৪.২ কেজি ওজনের ভর্তুকিহীন সিলিন্ডারের দাম গিয়ে দাঁড়াল ৯১১ টাকায়। এদিকে রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি এদিন বেড়েছে রেস্তোরাঁয় ব্যবহৃত বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দামও।

LPG Gas Saving Tips: গ্যাসের দামে কুপোকাত,এই সহজ পদ্ধতিতে ব্যবহার করুন !

প্রতিমাসেই বাড়ছে রান্নার গ্যাসের দাম । মধ্যবিত্তের হেঁসেলে জ্বালা। প্রতিনিয়ত ভাবতে হচ্ছে কিভাবে গ্যাস বাঁচিয়ে রান্না করা যাবে। এমনিতেই ভর্তুকি বন্ধ। আর তাতেই মধ্যবিত্তের আরও এক সমস্যা। করোনা অতিমারীর জের অনেকের কাজে পরিস্থিতি সেভাবে ভালো। অর্থনীতিতে একটা বিশাল ধাক্কা। তবে গ্যাসের দাম বাড়তে কপালে চিন্তার ভাঁজ যে কিভাবে প্রতিটা দিনে গ্যাস সাশ্রয় করা যাবে। কিভাবে গ্যাস সাশ্রয় করবেন দেখা যাক: 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন রান্না করতে হবে অল্প আঁচে, প্রয়োজনে বেশি সময় নিয়ে, অর্থাৎ গ্যাস ওভেন সিম করে। এতে গ্যাস খরচ যেমন কমবে তেমনই রান্না সুসিদ্ধও হবে।ফ্রিজ থেকে শাকসবজি বের করে কড়াইয়ে দিয়ে দিলে গ্যাস খরচ হয় বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলেন ফ্রিজ থেকে বার করার পর যে কোনও জিনিসকেই স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আসার সময় দিতে হবে।

এছাড়া রান্নার সময় প্রেসার কুকার ব্যবহার করুন। তাছাড়া স্টিলের বাসন ব্যবহার করতেই পারেন। রান্না করার আগে কাঁচা সবজি, মাছ-মাংস বা প্রয়োজনীয় মশলা সবাই এক জায়গায় করে রাখুন। রান্না চাপানোর পর এক একটি জিনিস খুঁজে আনতে গেলে অযথা সময় নষ্ট হবে, ফলে গ্যাসও খরচ হবে বেশি। গ্যাস বাঁচাতে বিকল্প মাইক্রোওভেন, ওটিজি, ইন্ডাকশন ব্যবহার করতে পারেন। এইসময়ের কথা ভেবে তাই এইভাবে গ্যাস সাশ্রয় করতে পারেন।