চিনে নতুন প্রজাতির করোনার হদিশ

করোনায় বেসামাল গোটা বিশ্ব। এরই মধ্যে আরও খারাপ খবর শুনালো চিনের গবেষকরা। তাদের দাবি, চিনে  বাদুড়ের শরীরে  বেশ কিছু নতুন প্রজাতির করোনা ভাইরাসের সন্ধান মিলেছে। তার একটির সঙ্গে কোভিড-১৯ এর মিল রয়েছে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, চিনের দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তে গবেষণা চালিয়ে সেখানে পাওয়া গিয়েছে। সম্প্রতি সেল জার্নালে শানডং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এই সংক্রান্ত একটি রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে।

 উল্লেখ্য, ২০১৯ সালে মে মাস থেকে ২০২০ সালের নভেম্বরের মধ্যে নমুনা সংগ্রহ করেছেন গবেষকরা। ওই সময় বাদুড়ের মল-মুত্র ও লালারসে এই ভাইরাস মিলেছে। এবার ফের বাদুড়ের থেকে ২৪টি পৃথক করোনা ভাইরাসের জিন পাওয়ায়, নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বিশ্বজুড়ে।

এদিকে রবিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ভারতে  একদিনে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮০ হাজার ৮৩৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ২ কোটি ৯৪ হাজার ৩৯ হাজার ৯৮৯ জন। গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৩০৩ জন। মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩ লক্ষ ৭০ হাজার ৩৮৪ জন।

করোনাকালে আরও এক নতুন সংক্রমণের হদিশ চিনে

বেজিং: করোনাভাইরাসের পর আরও এক ভাইরাসের নতুন স্ট্রেন মিলল মানব শরীরে। চিনের এক বাসিন্দার শরীরে ধরা পড়েছে অ্যাভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জার H10N3 স্ট্রেন। যা মানব শরীরে প্রথম। একথা জানিয়েছে চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন ।


পূর্ব চিনের জিয়াংসু প্রদেশে H10N3 এই বিশেষ স্ট্রেন থেকে মানুষের দেহে প্রথম সংক্রমণের খবর পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। আজ মঙ্গলবার চিনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশন,ওয়েবসাইটে মাধ্যমে জানিয়েছে, এই প্রথম কোনও মানুষের শরীরে এই সংক্রমণ দেখা গিয়েছে।  জিয়াংসু প্রদেশে এক ব্যক্তির বার্ড ফ্লু বা  H10N3 স্ট্রেইন থেকে সংক্রমণের হদিশ মিলেছে।


জানা গিয়েছে, সম্প্রতি পূর্ব ঝেনজিয়াং শহরের ৪১ বছরের এক ব্যক্তির কাছ থেকে রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।সেই রক্ত পরীক্ষার সময় ধরা পড়ে এই নতুন স্ট্রেন। মনে করা হচ্ছে পোলট্রি থেকেই  ওই ব্যক্তির মানব শরীরে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্ত ব্যক্তি আপাতত স্থিতিশীল।


তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, H10N3 হল বার্ড ফ্লু থেকে অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী। এটা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা কম। ফলে খুব বেশি আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে সতর্ক থাকতে হবে।
ভারতে হাঁস-মুরগীর মধ্যে বার্ড ফ্লু ছড়াতে দেখা গিয়েছে, তবে কোনও মানুষের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা এখনও ঘটেনি।


তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিতে পারবে দম্পতি,ছাড়পত্র চিনের

চিনে অর্থনীতির প্রভাব কমছে।  আর এদিকে  বয়স বাড়ছে চিনের  । সেই  কথা মাথায় রেখেই এবার চীনের কমিউনিস্ট পার্টি নয়া সন্তান নীতি আনতে চলেছে। চীন দম্পতিরা এবারে  তিন সন্তানের জন্ম দিতে পারবে। এই সংক্রান্ত আইন খুব শীঘ্রই আসবে  জানালেন চীনের সরকার। বেশ কয়েকবছর ধরেই চীনের সরকার এই তিন সন্তান জন্মের নীতি পরিবর্তনের কথা জানালেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টি।
সোমবার চীন কমিউনিস্ট পার্টির একটি বৈঠক হয়.উপস্থিত ছিলেন সেখানে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বৈঠকে এদিন দেশে বাড়তে থাকা বার্ধক্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। পাশাপাশি এই সমস্যা মোকাবিলায় আরও একাধিক নীতি বদলের কিছুটা ইঙ্গিত মিলেছে। বৈঠকে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির দল জানিয়েছে,দেশের সন্তান নীতি পরিবর্তন করা হবে।  তিন সন্তানের জন্ম দিতে হবে। এই সংক্রান্ত আরও নতুন কিছু আইন আসবে। জন্ম নীতি শুধু নয়. অবসরের বয়স বাড়ানো।শিশুদের দেখভাল,মাতৃকালীন ছুটি সমস্ত সুযোগ পাওয়া যাবে নবলে জানানো হয়েছে।

মহাকাশে ইতিহাস গড়ল চিন, মঙ্গলপৃষ্ঠে অবতরণ চিনা রোভারের

ইতিহাস গড়ল চিন। শনিবার ভোররাতে মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করল চিনা মঙ্গলযান তিয়েনওয়েন-১ (Tianwen-1)-এর রোভার জুরং। প্রথম প্রচেষ্টাতেই চিনা মহাকাশযানের এই সাফল্য তাঁদের বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলির পাশাপাশি পৌঁছে দিল। প্রসঙ্গত গত ফেব্রুয়ারি মাসেই মঙ্গলের কক্ষপথে ঢুকে পড়েছিল তিয়েনওয়েন-১ নামে চিনা মঙ্গলযানটি। এরপর সেটি মঙ্গলের কক্ষপথে ঘুরপাক খাচ্ছিল। যার মধ্যেই ছিল রোভার জুরং। যেটি অবশেষে ‘আতঙ্কের সাত মিনিট’ ভালোয় ভালোয় কাটিয়ে মঙ্গলের মাটিতে নেমে আসে। একটি প্যারাসুটের সাহায্যেই রোভারটি মঙ্গলের মাটি ছোঁয়। চিনা মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, পূর্ব নির্ধারিত ‘ইউটোপিয়া প্ল্যানিশিয়া’ অঞ্চলেই নেমেছে তাঁদের রোভার। চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম শিনহুয়া চিনের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘চায়না ন্যাশনাল স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’কে উদ্ধৃত করে এই খবর প্রকাশ করেছে। জানা যাচ্ছে, রোভারটি মঙ্গলের মাটিতে ৯০টি মঙ্গল দিবস কাটাবে এবং প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান চালাবে। এই সময়ের মধ্যে মঙ্গলের মাটিতে নমুনা সংগ্রহ করার পাশাপাশি সেখানকার আবহাওয়া সংক্রান্ত গবেষণাও করবে ওই রোভার।

অল্পের জন্য রক্ষা, ভারত মহাসাগরেই ভেঙে পড়ল চিনা রকেটের ধ্বংসাবশেষ

তবে কী বিপদ এড়ানো গেল? অন্তত বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, বিপদ চলে গিয়েছে পৃথিবীর। কারণটা অবশ্যই চিনা রকেট নিয়ে। চিনের বৃহত্তম রকেটের ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ার আশঙ্কায় কাঁটা হয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। তবে আপাতত জানা যাচ্ছে, ১১০ ফুট লম্বা লং মার্চ ৫বি ওয়াও ২ (Long March 5B Yao-2) রকেটের ধ্বংসাবশেষ ভারত মহাসাগরের বুকে ভেঙে পড়েছে। যার ওজন কমপক্ষে ১৮ টন। চিনা সরকারি টিভি চ্যানেল CCTV সূত্রে জানা যাচ্ছে রকেটের ধ্বংসাবশেষ ভারত মহাসাগরের একটি অংশে ভেঙে পড়েছে। অপরদিকে মার্কিন সেনাবাহিনীর তথ্য ব্যবহারকারী মহাকাশ নজরদারী সংক্রান্ত সংস্থা স্টেস-ট্র্যাকও একই কথা জানিয়েছে। তাঁরা টুইট করে জানিয়েছে, ভারত মহাসাগরেই ভেঙে পড়েছে লং মার্চ ৫বি ওয়াও-২ রকেট, তবে সারকারি বিবৃতির অপেক্ষা করা হচ্ছে।


গত কয়েকদিন ধরেই চিনা রকেটের একটা অংশ পৃথিবীর দিকেই ধেয়ে আসছিল। সেটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর বেশিরভাগই জ্বলে-পুড়ে ছাই হবে। তবুও যে অংশ পৃথিবীর মাটিতে আছড়ে পড়তো সেটি যদি কোনও ঘনবসতি এলাকায় পড়তো তবে ধ্বংশলীলা মারাত্মক হতো। আপাতত ভারত মহাসাগরের বুকে আছড়ে পড়ায় রক্ষা পেলেন পৃথিবীবাসী।