CBI: বিনয় মিশ্রের স্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত বিনয় মিশ্রর  স্ত্রী নেহা মিস্রা র আবেদন খারিজ করে জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলো দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্ট । মিশ্র পরিবার এর তরফে আইনজীবী আবেদন জানিয়েছিলেন যেহেতু বিনয় মিশ্রা এখন বিদেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন তাই তার যাবতীয় সমন কলকাতার ঠিকানায় যেন না পাঠানো হয়  ।

তবে সেই আবেদন খারিজ করে আদালত জানায় যেহেতু শেষ বার এর মত কোলকাতার ঠিকানায় সিবিআই সমন পাঠিয়েছিল তাই সেখানেই পৌঁছবে সমন । এরপর এ জামিন অযোগ্য সমন বিনয় মিশ্রা বিরুদ্ধে জারি করা হয় ।

CBI: সিবিআই ডিরেক্টর কে তলব মুম্বই পুলিশের

পুলিশ বিভাগের তথ্য ফাঁস ও ফোন ট্যাপিং এর অভিযোগে সিবিআই ডিরেক্টরকে সমন ধরালো মুম্বাই পুলিশ। সিবিআই ডিরেক্টর সুবোধ জসওয়াল কে ইমেইল করে সমন পাঠানো মুম্বাই পুলিশের সাইবার সেল। মহারাষ্ট্র ইন্টেলিজেন্স বিভাগের পুলিশ আধিকারিকদের রদবদল নিয়ে তথ্য বাইরে ফাঁস করা এবং একাধিক ব্যক্তিদের ফোনটা পিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে সাইবার সেলের তরফ থেকে। সেই অভিযোগের নিরিখেই সিবিআই ডিরেক্টরকে এই সমন। সিবিআই ডিরেক্টর সুবোধ জসওয়ালকে ১৪ তারিখ হাজির হতে বলা হয়েছে। সুবোধ জসওয়াল এর আগে মুম্বাই পুলিশের ডিজিপি পদে কর্মরত ছিলেন।

তৎকালীন সিবিআই ডিরেক্টর ঋষি কুমার শুক্লা অবসর নেওয়ার পর তার জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হন সুবোধ জসওয়াল। আইপিএস অফিসার রেশমি শুক্লা এই অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে প্রমানপত্র জোগাড় করেন। বর্তমানে ঋষি শুক্লা অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর জেনারেল অফ সিআরপিএফ পদে আসীন আছেন। যদিও মুম্বাই পুলিশের সাইবার সিলেট থেকে করা এফআইআর-এ রেশমি শুক্লার কোন উল্লেখ নেই। বান্দ্রা কুরলা কমপ্লেক্সের সাইবার সেলের অফিসেই এফআইআর রেজিস্টার হয়েছে। এফআইআর করা হয়েছে অপরিচিত ব্যক্তিদের নামে।

আন্ডার সেকশন থার্টি ইন্ডিয়ান টেলিগ্রাফ  অ্যাক্ট ১৮৮৫, আন্ডার সেকশন ৪৪(৬), এবং ২০০৮ তথ্যপ্রযুক্তি আইনের ৬৬ ধারা সহ অফিশিয়াল সিক্রেট অ্যাক্ট ১৯২৩ এর ৫ নম্বর ধারায় এফআইআর করা হয়েছে । এখন দেখার পুলিশ বিভাগের রদবদল নিয়ে এই তথ্য ফাঁস এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিদের ফোন ট্যাপিং এর এই মামলার জল কোন দিকে গড়ায়।

CBI: বিজেপি কর্মী অভিজিৎ হত্যা মামলায় চার্জশিট সিবিআইয়ের

কলকাতাঃ কাঁকুড়গাছি বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার খুনে নয়া মোড়। ভবানীপুরে উপনির্বাচনের দিনেই বিজেপি কর্মীর হত্যা মামলায় চার্জশিট জমা দিল সিবিআই। বৃহস্পতিবার দুপুরে শিয়ালদা আদালতে চার্জশিট জমা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। 

সিবিআই সূত্রে খবর, অভিজিৎ সরকার মামলার এই প্রথম চার্জশিটে ২০ জন অভিযুক্তের নাম উল্লেখ রয়েছে। ৩০২ অর্থাৎ খুন, শ্লীলতাহানি সহ একাধিক ধারাতে মামলা রুজু করা হয়েছে

নারকেলডাঙ্গার বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার হত্যা মামলার তদন্তে নেমে মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের বয়ান রেকর্ডের পাশাপাশি একাধিক তথ্য-প্রমাণ খতিয়ে দেখে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে আসা একাধিক ভিডিও ফুটেজসহ প্রমাণে অভিযুক্তদের অপরাধের প্রমাণ মিলেছে বলে সিবিআই সূত্রে দাবি।

রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে তদন্ত করছে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে খুন, ধর্ষণ সহ একাধিক ঘটনার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলাতে ইতিমধ্যে চারটি চার্জশিট জমা দিয়েছে সিবিআই।


CBI: কয়লা কাণ্ডে প্রথম গ্রেফতারি সিবিআইয়ের

কয়লা কাণ্ডে প্রথম গ্রেপ্তারি সিবিআইয়ের। আসানসোল-বাঁকুড়া থেকে গ্রেপ্তার অনুপ মাজি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ চার ব্যবসায়ী।বেশ কয়েকমাস ধরেই কয়লা কাণ্ডের  তদন্তে নড়েচড়ে বসেছে সিবিআই। কলকাতা, বাঁকুড়া, আসানসোল-সহ বহু জায়গায় তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা। কিছুদিন আগে কয়লা পাচারচক্রের মাথা অনুপ মাজি ওরফে লালার শ্বশুরবাড়িতে হানা দেন সিবিআই গোয়েন্দারা। সেখান থেকেই মেলে একাধিক সূত্র। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ধৃত জয়দেব মণ্ডলের আসানসোলের বাড়িতে তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা।

পুরুলিয়ার সাঁতুড়ি বলিতোড়ায় লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী গুরুপদ মাজির বাড়ি ও অফিস সমেত চার জায়গায় হানা দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা।জানা গিয়েছিল, এই দুই ব্যক্তিই কয়লা সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িত। বিশেষ করে, বাম আমলে কয়লা পাচারের গোটা সাম্রাজ্য ছিল জয়দেব মণ্ডলের হাতে।

তারপর বাম জমানা শেষ হয়ে যাওয়ায় কিছুইটা কোণঠাসা হয়ে পড়েন ওই ব্যবসায়ী। ২০১১ সালে কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকা থেকে জয়দেবকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স। তাঁর কাছ থেকে বেশ কিছু হাতিয়ারও বাজেয়াপ্ত করা হয়। তারপর জামিনে মুক্তি পেয়ে যান তিনি। এদিকে, পুরুলিয়ায় যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে গুরুপদ মাজির।


টানা বৃষ্টির জেরে সিবিআই দফতরেআসতে পারলেন না মানস ভূঁইয়া

রাতভর টানা বৃষ্টিতে তাঁর নিজের এলাকা পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়ে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, সেই কারণে তিনি কলকাতায় এসে সিবিআই দপ্তরে হাজিরা দিতে পারছেন না বলে জানিয়ে দিলেন। সোমবার বেলা ১২টায় মানস ভুঁইঞাকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ডেকে পাঠিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে এদিন হাজিরা না দেওয়ায় মানস ভুঁইঞার বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেয় সিবিআই, সেদিকে নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।

বিস্তারিত আসছে.....

CBI: দল ছাড়তেই সিবিআইয়ের খপ্পরে বাবুলের আপ্তসহায়ক

 কয়লা পাচার এর তদন্তে এবার সাংসদ এর আপ্ত সয়াহক এই মুহূর্তে কেন্দ্রীয় তদন্ত কারী সংস্থার রাডারে । সূত্র অনুসারে আসানসোল সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র আপ্ত সহায়ক ধর্মেন্দ্র কৌশল এর ভূমিকা খতিয়ে দেখছে সিবিআই । পাচার কাণ্ডের সময় স্থানীয় সাংসদ এর পি এ হিসাবে তিনি ঠিক কি ভূমিকা নিয়েছিলেন তা এই মুহূর্তে বোঝার চেষ্টা করছেন সিবিআই তদন্তকারী রা । তবে অনেকের মতে সিবিআই কে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণ এ ব্যবহার করা হচ্ছে।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শিল্প ভবনে পৌঁছাল CBI

কলকাতাঃ পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শিল্প ভবনে পৌঁছাল CBI। আইকোর মামলতায় শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে সোমবার হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল CBI। সল্টলেক CGOকমপ্লেক্সে এদিন তাঁকে তলব করা হয়েছিল বলে খবর। 

বিস্তারিত আসছে -


Partha Chaterjee: সিবিআই দপ্তরে যাচ্ছেন না পার্থ

সোমবার ভুয়ো অর্থলগ্নি সংস্থা 'আইকার' কাণ্ডে সিবিআই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে পাঠিয়েছিল তাদের কলকাতার অফিস সিজিও কমপ্লেক্সে । গত সপ্তাহেই তাঁকে সহযোগিতার জন্য ডাকা হয় । এর আগে গত ১২ মার্চ তাঁকে ডাকা হয়েছিল কিন্তু দুবারই পার্থবাবু নির্বাচনের যুক্তিতে যেতে পারবেন না জানিয়ে দিয়েছিলেন । সারদা এবং রোজভ্যালির মতো আইকারও বাজার থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা তুলেছিল । সিবিআই তদন্তে এসে তাদের মালিককে গ্রেফতার করে । গ্রেফতার হয় সংস্থার আরও অনেকে । এই বিষরে সিবিআয়ের কাছে নাকি তথ্য আছে যে পার্থবাবুর সাথে যোগাযোগ ছিল তাদের । এই কারণে তাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানতেই পার্থবাবুকে ডাকা হয় ।

পার্থবাবু জানিয়েছেন ই-মেল্ মারফত যে , সামনে উপনির্বাচনের কাজে তিনি ব্যস্ত ফলে এখন যেতে পারছেন না । সামনে ৩০ সেপ্টেম্বরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপনির্বাচন ভবানীপুরে এবং ওই নির্বাচনের দায়িত্বে আছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় । এদিকে শোনা যাচ্ছে আজই সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই এর বিশেষ বৈঠক হচ্ছে । সম্ভবত তারা পার্থবাবুর দপ্তরে বা বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞসাবাদ করতে চাইছে  ।

Joint Entrance: এবার জয়েন্ট এন্ট্রাস পরীক্ষায় বড়সড় দুর্নীতি, ৬ রাজ্যে সিবিআইয়ের তল্লাশি

কেন্দ্রীয় ইঞ্জিনিয়ারিং প্রবেশিকা পরীক্ষাতেও  এবার বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। দেশের ৬ রাজ্যে একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে সিবিআই (CBI)। একটি বেসরকারি সংস্থার বিরুদ্ধে অনলাইনে হওয়া এই পরীক্ষাকে প্রভাবিত করার অভিযোগ রয়েছে সিবিআইয়ের কাছে। অভিযোগ, অনলাইন পরীক্ষায় প্রযুক্তির ব্যবহার করে কিছু পড়ুয়াকে অনৈতিক সুবিধা পাইয়ে দিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে অ্যাফিনিটি এডুকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সংস্থায় ভরতির আগে পড়ুয়াদের দশম এবং দ্বাদশ শ্রেণির মার্কশিট তারা জমা নিয়ে নিত। তারপর জয়েন্টে ভাল র‍্যাঙ্ক পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ১২ থেকে ১৫ লক্ষ টাকা করে পড়ুয়াদের কাছে থেকে নেওয়া হত। এবং তারপরই প্রযুক্তির ব্যবহার করে পড়ুয়াদের ভাল নম্বর পাইয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল সংস্থাটি।অ্যাফিনিটি এডুকেশন প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা তাদের সংস্থার সঙ্গে যুক্ত পড়ুয়াদের দেশের সেরা সেরা কলেজ এবং এনআইটিগুলিতে ভরতি করিয়ে দেওয়ার জন্য অভিনব উপায়ে প্রতারণা করেছে।

সিবিআইয়ের কাছে আসা অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, এই সংস্থাটির সঙ্গে যুক্ত কর্মী এবং শিক্ষকরা দেশের বাছাই করা কিছু পরীক্ষাকেন্দ্রে রিমোট অ্যাক্সেসের মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের হয়ে প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ব্যবস্থা করেছিল।সূত্রের খবর, দিল্লি, রাজধানী সংলগ্ন রাজ্যগুলির পাশাপাশি পুণে, জামশেদপুর, ইন্দোর এবং বেঙ্গালুরুতেও সংস্থার বিভিন্ন অফিসে হানা দিয়েছে সিবিআই। তল্লাশি চালিয়ে এখনও পর্যন্ত ২৫টি ল্যাপটপ, ৭টি কম্পিউটার এবং ৩০টি পোস্ট ডেটেড চেকের হদিশ পেয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। অ্যাফিনিটি এডুকেশন প্রাইভেট লিমিটেডের ডিরেক্টরদের পাশাপাশি কোনও সরকারি আধিকারিক এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত আছে কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

দক্ষিণ-পূর্ব রেলে সিবিআই হানা, ঘুষ নিতে পাকড়াও ২ অফিসার

 ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে  এবার দক্ষিণ পূর্ব রেলের দুই পদস্থ কর্তা কে গ্রেপ্তার করলো সিবিআই । এই গ্রেপ্তারি সূত্রে রেলের এই শাখার অন্যান্য উচ্চ পদস্থ অফিসার দের জেরা পর্ব চলছে । এদিন অতর্কিতে দক্ষিণ পূর্ব রেলের দপ্তরে হানা দেয় সিবিআই। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালের দিকে আচমকাই দক্ষিণ-পূর্ব রেলে গার্ডেনরিচের অফিসে তল্লাশি অভিযান চালায় সিবিআইয়ের দুর্নীতিদমন শাখা।

এই সময়ে হাতেনাতে ঘুষ নেওয়ার সময় দুই আধিকারিককে পাকড়াও করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

এদের মধ্যে একজন মহিলাও রয়েছেন। কতদিন ধরে তাঁরা এই অনৈতিক কাজের সঙ্গে যুক্ত, এঁদের মাধ্যমে বড় কোনও চক্র চলছে কি না, এসব তথ্য হাতে পেতে মরিয়া সিবিআই।ঘুষকাণ্ডে রেল আধিকারিকদের গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনা নতুন নয়। তবে বিষয়টি নিয়ে সিবিআই অত্যন্ত সক্রিয়।

এই সংক্রান্ত অভিযোগ পেলেই কড়া পদক্ষেপ নেন তদন্তকারীরা। সেভাবেই দক্ষিণ-পূর্ব রেলের অফিসে বেশ কয়েকদিন ধরে ঘুষের আদানপ্রদান হচ্ছে, এই অভিযোগ কানে আসছিল সিবিআইয়ের। তারপর বৃহস্পতিবারই CBI-য়ের অ্যান্টিকোরাপশন ব্রাঞ্চ (ACB) আচমকা অভিযান চালায় গার্ডেনরিচের  অফিসে। সেই অভিযানে হাতেনাতে গ্রেপ্তার হন ২ আধিকারিক। 


Post Poll Violence: সিবিআই এর ক্লাসে রাজ্য পুলিস

কলকাতাঃ নজরে বঙ্গের ৫ জেলা। আদালত এর নির্দেশে বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা ( মূলত খুন,ধর্ষণ) নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।

অতিরিক্ত দায়িত্ব নিয়ে ডি আই জি অখিলেশ সিং মঙ্গলবার সকালেই উপস্থিত হন সিজিও কমপ্লেক্সে। শুরু হয় সিবিআই অফিসারদের সঙ্গে বৈঠক। এর কিছুক্ষন পরই সিজিও কমপ্লেক্সে একে একে বিধাননগর পুলিস কমিশনারট,বারাকপুর পুলিস কমিশনার,বারাসাত জেলা পুলিস, বনগাঁ জেলা পুলিস থেকে পুলিস কর্মী ও আধিকারিকরা উপস্থিত হন। 

যেসব জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা নেই, তারা যেমন শুধু রিমার্ক ডকুমেন্ট জমা দিয়েছে। অন্যদিকে যেসব জেলায় হিংসার ঘটনা হয়েছে সেখানকার অফিসাররা এফআইআর ও কেস ডায়েরি জমা দিয়েছেন। 

এরপর জেলা ও অভিযোগ ধরে ধরে তদন্ত করবে সিবিআই।  কথা বলবে সাক্ষী ও অভিযোগকারীদের সঙ্গে। পাশাপাশি আজই দিল্লি থেকে স্পেশাল সিবিআই অফিসাররা কলকাতায় এসে পৌঁছেবেন। অন্যদিকে সব জেলায় সিবিআই টিম গেলেও,মূলত উত্তর,দক্ষিণ ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর ও বীরভূম এই পাঁচ জেলা রয়েছে সিবিআইয়ের নজরদারিতে। 


ভোট পরবর্তী হিংসাঃ এবার FIR এর পথে হাঁটছে CBI

কলকাতাঃ ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে স্পেশাল টিম গঠনের পর এবার দ্রুত FIR  দায়ের করতে চায় CBI.

সূত্রের খবর, শুক্রবার এই নিয়ে রাত পর্যন্ত বৈঠক চলে CBI ডিরেক্টরের সঙ্গে স্পেশাল ৪টি টিমের জয়েন্ট ডিরেক্টরদের। আপাতভাবে ঠিক হয়েছে আগামী সপ্তাহ থেকে মুভমেন্ট করবে CBI। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং এ যেতে পারে টিম। কারণ ভোট পরবর্তী হিংসার খবর সবচেয়ে বেশি এসেছে ক্যানিং থেকেই।

সিবিআই সূত্রে খবর, জেলাভিত্তিক চারটি জোনে ভাগ করে তদন্ত করা হবে। উত্তরবঙ্গ,দক্ষিণবঙ্গ,পশ্চিমাঞ্চল ও কলকাতার দায়িত্বে পৃথক টিম থাকবে। ওই টিমে একজন করে জয়েন্ট ডিরেক্টর থাকবেন। 

খুন ,অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় আলাদা করে FIR করবে CBI। নতুন করে কেস হিসেবে প্রতিটি FIR হবে। ট্যাগ বা clubbing করা হবে না কোনও কেস।

রাজ্য পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল বীরেন্দ্র ও কলকাতা পুলিশের সিপিএম সৌমেন মিত্রর কাছ থেকে শুক্রবারেই তথ্য চায় CBI। সেই সব মামলার নথি হাতে এলেই FIR এর পথে হাঁটবে CBI। 

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় খুন, ধর্ষণের মতো নৃশংস ঘটনার তদন্তভার CBI কে দেয়। রাজ্যের চারজন IPS অফিসার সুমনবালা সাহু, সৌমেন মিত্র ও রনবীর কুমার এর নেতৃত্বে স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিমও রয়েছে। 

আগামী ৪ অক্টোবর মামলার status রিপোর্ট কলকাতা হাইকোর্টের কাছে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চ। 

Breaking News: ভোট পরবর্তী হিংসা, রাজ্যের ডিজি-র কাছে তথ্য চাইল সিবিআই

কলকাতাঃ ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে এবার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হল রাজ্যের ডিজি-র কাছে। 

সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই  রাজ্যের ডিজিকে মেইল করেছে সিবিআই। রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে এখনও পর্যন্ত যতগুলো FIR হয়েছে,তার বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে। বিশেষ করে খুন ও ধর্ষণ নিয়ে সব হাতে পেতে চায় সিবিআই। 

বিস্তারিত আসছে --


হাইকোর্টের রায়ের পর তৎপর CBI, ৪টি বিশেষ দল গঠন

এবার হাই কোর্টের  নির্দেশ পাওয়ামাত্রই ‘অশান্তি’ মামলায় নড়েচড়ে বসল CBI। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ৪টি বিশেষ টিম গঠন করল তদন্তকারী সংস্থা। এই টিমের একাধিক অফিসার আসবেন দিল্লি ও দেরাদুন থেকে, এমনটাই খবর। হাইকোর্ট  অভিযোগ খতিয়ে দেখে গত ১৮ জুন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে (NHRC) কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেয়। রাজ্যের একাধিক জায়গা ঘুরে রিপোর্ট তৈরি করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

ওই রিপোর্ট দেখে রাজ্যের বিরুদ্ধে উষ্মাপ্রকাশ করে হাই কোর্ট। পালটা রাজ্যের তরফে অভিষেক মনু সিংভি মানবাধিকার কমিশনের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। সেই মর্মে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টকে পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করা হয়। এই মামলাতেই বৃহস্পতিবার রায়দান করল কলকাতা হাই কোর্ট। সেখানে বলা হয়েছে, ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন ও ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত করবে সিবিআই।৬ সপ্তাহের মধ্যে সিবিআইকে রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। নির্দেশ পেয়েই তদন্তের প্রক্রিয়া শুরু করল সিবিআই। ২৫ জন উচ্চপদস্থ আধিকারিককে নিয়ে গঠন করা হয়েছে ৪ টি স্পেশ্যাল টিম। প্রতি দলে থাকছেন তিনজন এসপি পদমর্যাদার অফিসার। থাকছেন ২ জন করে ডিআইজি পদমর্যাদার আধকারিককে।

ভোট পরবর্তী খুন,ধর্ষণ ও মৃত্যুর মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

এবার ভোট পরবর্তী অশান্তি' মামলায় CBI তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের। সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নজরদারিতে সিট গঠনের নির্দেশ। খুন, ধর্ষণ, গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তে সিবিআই। কম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার তদন্ত করবে সিট। নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ। ছ'সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ।

বিস্তারিত আসছে।......