Visva-Bharati : ফের অসংযত বিদ্যুৎ

বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বিদ্যুৎ চক্রবর্তী কিছুতেই মুখে এবং কাজে লাগাম দিতে পারছেন না কার্যত বিশ্ববিদ্যাদ্যের কতৃপক্ষের বড় একাংশ, ছাত্রছাত্রী এবং অধ্যাপক ও কর্মীদের প্রবল ক্ষোভ তৈরী হচ্ছে বিদ্যুৎবাবুর উপর । এতোদিন হাইকোর্টের আদেশ না মেনে তিনি সাসপেন্ড হওয়া ৩ পড়ুয়াকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনেন নি । এবারে তৈরী হয়েছে নতুন বিতর্ক । সম্প্রতি এক ভার্চুয়াল বৈঠকে উপাচার্যের ডাকে উপস্থিত ছিলেন সমস্ত ভবনের প্রধান, অধ্যক্ষ, ও আধিকারিকদরা । সেখানে অনেক বেফাঁস মন্তব্য করেন বিদ্যুৎবাবু ।

বিদ্যুৎবাবু বলেন, বাহুবলি অনুব্রত মন্ডল, তার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের কতৃপক্ষ থানায় চুরির অভিযোগ দায়ের করতে পারছেন না । শুধু অনুব্রতকেই নয় তিনি একশ্রেণীর অধ্যাপককে 'চোর' 'ধান্দাবাজ' ইত্যাদি বলেন । তিনি বলেন এইসব ধান্দাবাজদের জন্য কাজ করা যাচ্ছে না । তিনি জানান, সংগীত ভবনের প্রশ্নপত্র চুরি গিয়েছে, তিনি নাকি কীর্তনিয়া সুমন ভট্টাচার্যকে চাকরি দিয়েছেন তাই সংকট তৈরী করছে কিছু অধ্যাপক । নিয়মিত এইসব বেফাঁস মন্তব্য দিল্লির কানে তুলে দেওয়ার কথা ভাবছে একদল কর্মী/ শিক্ষক ।


বিদ্যুতের চমকানি থামছেই না

ভাদ্র মাসের মধ্যভাগে চলে আসার পরেও আকাশ কালো চমকাচ্ছে বিদ্যুৎ, হচ্ছে বৃষ্টি । অন্যদিকে শান্তিনিকেতনে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর একগুঁয়েমিও বজায় থাকছে বলে দাবি পড়ুয়াদের । তিন ছাত্রছাত্রীদের সাসপেন্ড করেছিলেন উপাচার্য । এই নিয়ে তুমুল আন্দোলন শুরু হয়েছিল । ঘেরাও করে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে পড়ুয়ারা । এরপর হাইকোর্ট থেকে নির্দেশ আসে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ বন্ধ করে অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় খুলতে হবে । সেই মতো ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন তুলে নেয় । আদালতের আরও নির্দেশ ছিল তিন পড়ুয়া, রুপা চক্রবর্তী, ফাল্গুনী পাল এবং সোমনাথ সৌকে অবিলম্বে ক্লাসে ফিরতে দিতে হবে । কিন্তু ওই অবধি উপাচার্য তাঁর জেদে অতল রয়েছেন ।

তিন ছাত্রছাত্রী জানাচ্ছেন, ৮ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিলেন তাঁদের ক্লাসে উপস্থিত থাকার জন্য কিন্তু এখনও তাঁদের ক্লাস করতে দেওয়া হচ্ছে না, ভার্চুয়াল ক্লাস করতে চাইলে লিংক পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না । ইতিমধ্যে বিদ্যুৎবাবুকে প্রাক্তন আরএসএসের সক্রিয় সদস্য হিসাবে তুলে ধরেছিলো তৃণমূলের নেতারা । বাস্তবে অন্য শিক্ষকরা বলছেন, চরম স্বেচ্ছাচার চলেছে । এরপর আবার কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে পড়ুয়ারা