নিন্দার ঝড় বৈভনকে নিয়ে

প্রেম এমন এক বস্তু যে বয়স বা সময় দিয়ে তার আবেগকে আটকে রাখা যায় না | তা কিশোর বয়সের হোক কিংবা মধ্য বয়সের বৈশাখী ও প্রৌঢ়ত্বের শোভনের হোক | বর্তমানে সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এই যুগলের নাম দিয়েছে ' বৈভন', অর্থাৎ বৈশাখীর শোভন | এতে অবশ্য অখুশি হওয়ার কথা নয় এই যুগলের, কারণ তাঁদের প্রেমের ছবি ছক্কা দেখে বা দেখিয়ে পরম আল্হাদিত এই জুটির |


শোভনের সংসারে অশান্তি থাকতেই পারে কিন্তু প্রাক্তন মন্ত্রী বা মেয়র এবং প্রাক্তন অধ্যাপিকা তা জন অরণ্যে নিয়ে আসবেন কেন, প্রশ্ন নেট নাগরিকদের | বাড়াবাড়ির চরম সীমা পার করেছেন তাঁরা | আজ এই মুহূর্তে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে যে ভাষায় এই যুগলকে ট্রোল করা হচ্ছে তা দেখে লজ্জা পেতে পারে আদিম রসের কাব্য কাহিনী | প্রায় রোজই খবরে রয়েছেন তাঁরা এবং রসিয়ে গৃহস্বামী বা গৃহকর্তী যখন এই খবর দেখছেন বা পড়ছেন তখন বাড়ির কিশোর কিশোরী কে বলা হচ্ছে " এখন এখন থেকে যাও, বড়দের বিষয় দেখছি "| হুশ ফিরলে হয় বৈভনের |  

জামাইষষ্ঠীর দিন শোভনের সঙ্গে নয়া ইনিংস শুরু বৈশাখীর

কলকাতাঃ তৃণমূলে ফেরার জল্পনার মধ্যেই, ফের শিরোনামে শোভন-বৈশাখী। জামাইষষ্ঠীর দিন শোভনের সঙ্গে নয়া ইনিংস শুরু বৈশাখীর।

এদিন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফেসবুক প্রোফাইলের নাম বদলে লেখা হল 'বৈশাখী শোভন ব্যানার্জী'। শোভনের সঙ্গে এক ছবি দিয়ে বৈশাখী লিখলেন, 'The journey from Me to We begins…' ।



ফেসবুকে শোভনের নাম যুক্ত করা প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমে বৈশাখী জানান, শোভন চট্টোপাধ্যায়ের অনুমতি নিয়েই তাঁদের নামে যৌথ প্রোফাইল খোলা হয়েছে।

শোভন-বৈশাখীর বন্ধুত্ব বরাবরই চর্চিত। পোশাকের রং মিলান্তি থেকে শুরু করে সর্বত্র একসঙ্গে যাওয়া-আসা। শোভনকে গ্রেফতারের পর কান্নায় ভেঙ্গে পড়া। কোনটাই রসিক বাঙালির অজানা নয়। ফের হাই প্রোফাইল এই জুটির বন্ধুত্ব সোশাল মিডিয়ায় সাড়া ফেলেছে। 

তাড়িয়ে দিল পদ্ম ফুলটুসি জব্দ

সোমবার সন্ধ্যায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরই শুরু হয়েছে জল্পনা। তাহলে কি তারা ফের তৃণমূলে ফিরতে চায় ?

অন্যদিকে শোভন-বৈশাখীকে কটাক্ষ করলেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ। তিনি বললেন, "ঘরে ঘরে পদ্ম, দিদিমণি জব্দ - গ্ল্যাক্সো বেবির ফুলটুসি তো এসব বলেই মিছিল করেছিলেন। এখন তাড়িয়ে দিল পদ্ম ফুলটুসি জব্দ। ভোটের আগে যাঁরা বলছিলেন কৈলাসজি, মেননজি, অমুক জি, তমুক জি এখন আবার পার্থদা, ববিদা - আমরা সব বুঝি। "

রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মাতৃ-বিয়োগ। খবর পেয়ে শিল্পমন্ত্রীর বাড়ি গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দলীয় নেতা কর্মীরা। পাশাপাশি গিয়েছিলেন বিরোধী নেতা-কর্মীরা। সোমবার রাত ৮টা ২৫ নাগাদ পার্থর বাড়িতে যান শোভন-বৈশাখীও।

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে বৈশাখী বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী ওঁর বাকি তিন সহকর্মীর বিষয়ে যতটা চিন্তিত ছিলেন, শোভনের ক্ষেত্রেও ততটাই ছিলেন। শোভন গ্রেফতার হওয়ার পরে মুখ্যমন্ত্রী আমাদের পাশে ছিলেন। এই জন্য আমরা তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। শোভনের কাছে দিদিমণির স্থান অথবা দিদিমণির কাছে কাননের স্থান কখনই বদলাবে না।"