মার্চের শুরুতেই অমিত শাহ রোড শো করবেন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতায়

ফের রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এবার তাঁর বঙ্গ সফর সীমাবদ্ধ থাকবে মূলত কলকাতা শহরেই। দু’দিন তিনি কলকাতায় থাকবেন। রয়েছে একাধিক কর্মসূচি। এরমধ্যে অন্যতম হল ২ মার্চ উত্তর কলকাতার টালা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত রোড শো। এবং  পরের দিন অর্থাৎ ৩ মার্চ তিনি রোড শো করবেন দক্ষিণ কলকাতার রাসবিহারী থেকে রবীন্দ্র সদন পর্যন্ত। এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছেই হাজরা মোড়েও জনসভা করতে পারেন অমিত শাহ। যদি শুক্রবার পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেয় নির্বাচন কমিশন তবে এরপর এটাই হবে শাহর প্রথম বঙ্গ সফর। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, নির্বাচনী বিধি লাগু হয়ে গেলে কেউই আর প্রতিশ্রুতি দেওয়া বা কোনও ঘোষণা করতে পারবেন না। সেটা আগাম আঁচ করেই অমিত শাহর সফরসূচিতে বেশিরভাগই রোড শো রাখা হয়েছে।

ঠিকানা ভুল, অমিত শাহর বিরুদ্ধে করা অভিষেকের মামলা গেল নিম্ন আদালতে

অমিত শাহর ঠিকানা ভুল উল্লেখ করায় তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলাটি নিম্ন আদালতে ফেরত পাঠাল বিধাননগরের বিশেষ আদালত। আগামী ২২ মার্চ ফের এই মামলার শুনানি হবে বলে জানিয়েছে আদালত। গত সপ্তাহে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে সমন পাঠিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ ছিল তাঁর সম্মানহানি করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সোমবার এই মামলার শুনানিতে অমিত শাহ বা তাঁর প্রতিনিধি আইনজীবীকে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছিল বিধাননগরের বিশেষ আদালত। ফলে অমিত শাহর তরফে তাঁর আইনজীবী ব্রিজেশ শাহ আদালতে হাজির ছিলেন এদিন। শুনানির শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওই সমনটি ভুল ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল। আসলে সমনটি পাঠানো হয়েছিল রাজ্য বিজেপির সদর দফতর ৬ মুরলীধর লেনে। কিন্তু অমিত শাহ এই রাজ্যের বাসিন্দাই নন। সেক্ষেত্রে মামলাকারীকে সমনের চিঠি পাঠাতে হবে অমিত শাহর ব্যক্তিগত ঠিকানায়। যেহেতু অমিত শাহর বাসভবন সংশ্লিষ্ট আদালতের এক্তিয়ারের বাইরে। তাই মামলাটি নিম্ন আদালতে পাঠিয়ে দিয়েছেন বিচারক। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী শুভজিৎ সাহা জানান, আমরা অভিযুক্তের (অমিত শাহ) স্থায়ী ঠিকানা আদালতে জমা দিয়েছি। কিন্তু ওই এলাকা আদালতের এক্তিয়ারের বাইরে হওয়ায় এখান থেকে সমন পাঠানো যায় না। আগামী ২২ মার্চ কলকাতার নগর দায়রা আদালতেই এই মামলার শুনানি হবে।

একইদিনে রাজ্যে মোদি-শাহ? জোড়া সফর ঘিরে আশায় বঙ্গ বিজেপি

আগামী বৃহস্পতিবার রাজ্যে দেশের দুই সবচেয়ে বড় ভিআইপি সফরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজ্য বিজেপি সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী বৃহস্পতিবার ফের রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আবার ওই দিনই রাজ্যে আসতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। যদিও মোদি সরকারি কর্মসূচিতেই অংশ নিতে আসবেন। তবে অমিত শাহর সফর পুরোপুরি রাজনৈতিক। বিজেপি সূত্রে খবর, আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বিজেপির পঞ্চম পরিবর্তন রথযাত্রার সূচনা হবে। আর ওই কর্মসূচিতেই অংশ নিতে কাকদ্বীপে আসছেন অমিত শাহ। পাশাপাশি আরও কয়েকটি রাজনৈতিক কর্মসূচিও করবেন তিনি। অপরদিকে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে আসতে পারেন নোয়াপাড়া-দক্ষিণেশ্বর রুটের নতুন মেট্রো সম্প্রসারণের উদ্বোধনের জন্যই আসতে পারেন নরেন্দ্র মোদি। এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি কলকাতায় এবং ৭ ফেব্রুয়ারি হলদিয়ায় এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে একইদিনে দলের দুই ভিভিআইপি নেতার আগমনের সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় উচ্ছ্বসিত বঙ্গ বিজেপি।

যথাসময়েই ফের রাজ্য হবে জম্মু কাশ্মীর, আশ্বাস শাহর

যথাসময়েই জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। শনিবার মন্তব্য লোকসভায় এই কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন তিনি জম্মু কাশ্মীর পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনার জবাবে শাহ বলেন, যখন রাজ্যকে ভাগ করা হয়েছিল, তখন কোথাও লেখা ছিল না যে কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা ফিরে পাবে না। সঠিক সময়ে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে জম্মু ও কাশ্মীরকে।
২০১৯ সালের ৫ আগস্ট কেন্দ্রীয় সরকার ৩৭০ ধারা বিলোপের পাশাপাশি জন্মু ও কাশ্মীরকে দুই ভাগে ভাগ করে দেয়। রাজ্যের বদলে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে আসে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ। সমবেতভাবে তার বিরোধিতা করেছিলেন বিরোধীরা। তারপর কাশ্মীরের তিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সহ সব বিরোধী নেতাকেই মাসের পর মাস কারাবন্দি করা হয়।
এদিন বিরোধীরা প্রশ্ন তোলেন, রাজ্য ভাগ ও ৩৭০ ধারা বিলোপের পর কী  উন্নতি হয়েছে কাশ্মীরের? জবাবে অমিত শাহ বলেন, মাত্র ১৭ মাস হয়েছে রাজ্য বিভক্ত হয়েছে। এর মধ্যে এত প্রশ্নের অর্থ কী? তাঁর পাল্টা প্রশ্ন, ৭০ বছরে কতটুকু উন্নতি হয়েছে? যাঁরা প্রশ্ন তুলছেন, তাঁরা নিজেদের একবার প্রশ্ন করে দেখতে পারেন, তা হলেই পাল্টা প্রশ্নের গ্রহণযোগ্যতা স্পষ্ট হবে।
এদিন সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতিভঙ্গের অভিযোগ করেন কংগ্রসের অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, “উপত্যকায় ৩৭০ ধার রদ করার বিষয়ে যে স্বপ্ন আপনারা দেখিয়েছিলেন তা পূরণ করেননি। জম্মু ও কাশ্মীরে এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকার স্থানীয় ব্যবসা শেষ হয়ে গিয়েছে। কাশ্মীরি পণ্ডিতদের ঘরে ফেরানো যায়নি। অন্যদিকে, শাহর দাবি, আজ কাশ্মীর অনেকটাই শান্ত, এখন সেখানেই কিশোররা হাতে বন্দুক নিয়ে ঘুরে বেড়ায় না। কেন্দ্রের প্রকল্পগুলির সুবিধা পেয়েছে সেখানকার মানুষ। ৭টি নতুন মেডিক্যাল কলেজ হয়েছে। কাশ্মীরে ল্যান্ডব্যাঙ্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে শিল্প হবে। কর্মসংস্থান বাড়বে উপত্যকায়। কেরলের সাংসদ এম পি প্রেমচন্দ্র রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা খতিয়ে দেখতে কাশ্মীরে সর্বদলীয় প্রতিনিধি দল পাঠানো দাবি করেন। জবাবে শাহ অনুরোধ করেন, কাশ্মীরের ইস্যুকে রাজনৈতিক চেহারা দেবেন না।

শাহি বাংলা দাওয়াই

বৃহস্পতিবার সারাদিন সভাসমিতি করার পর নিউটাউনের হোটেলে বসে মাধরাত অবধি সভা করেন অমিত শাহ। তিনি ডেকে নেন দিলীপ ঘোষ, অমিতাভ চক্রবর্তী, কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়দের। তিনি জানান, জনসভায় মানুষের উপস্থিতি দেখে তিনি খুশি। কিন্তু এই ভাবে এত জনসভার প্রয়োজন নেই। অমিত শাহ রাজনীতির ধুরন্ধর মানুষ, তিনি জানেন মিঠে রোদে মানুষের ঢল নামলেও গরম বাড়তে শুরু হলে সেই ভিড় কমবেই এবং সঠিক বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছাবে না। সূত্রের খবর, তিনি বলেছেন ছোট ছোট সভা করতে এবং শুধু সভা করলেই চলবে না মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। তিনি জানান, সভা করলেই মানুষের ভিড় হবে না বরং ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে যেতে হবে। তৃণমূলের দুয়ারে দুয়ারে সরকার বিষয়টিতে ভোট বাড়ার আভাস পেয়েছেন অমিত। তিনি জানান, মানুষের কাজ আছে তাই তাদের বাড়িতে যাওয়াই ভালো। পাশাপাশি দিলীপ ঘোষের চায়ে পে চর্চার খবরও তিনি জানেন এবং ওই অনুষ্ঠানে দলের সভাপতি নাড্ডা উপস্থিত ছিলেন। অনেক রাত অবধি বৈঠক সেরে  রাত একটা নাগাদ তিনি ফিরে যান দিল্লিতে।

করোনার টিকাকরণ শেষ হলেই CAA, ঠাকুরনগরে ঘোষণা অমিত শাহর

করোনার টিকাকরণ শেষ হলেই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা CAA লাগু হবে, ঠাকুরনগরে জানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মতুয়া সম্প্রদায়ের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন চালু করা নিয়ে। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকারকে করোনার জেরে এই বিষয়ে এগিয়েও পিছিয়ে আসতে বাধ্য হতে হয়েছিল। কিন্তু এদিন বনগাঁর ঠাকুরনগরে মতুয়া সম্প্রদায়ের পীঠস্থানে দাঁড়িয়েই বললেন, ‘মমতাদিদি বলেছিলেন CAA হতে দেব না। কিন্তু আমরা সেই লোক, যারা যা বলে তাই করে ছাড়ে। আজ এই পবিত্র ভূমিতে দাঁড়িয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি, ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ শেষ হলেই আপনাদের সবাইকে নাগরিকত্ব দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে যাবে’।

এছাড়াও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এদিন বলেন, ‘এই রাজ্যে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে 'মুখ্যমন্ত্রী শরণার্থী কল্যাণ যোজনা' গঠন করা হবে’। পাশাপাশি জানান, শরণার্থীদের জন্য শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ নানা ক্ষেত্রে কাজ করা হবে সেই যোজনায়। এরপরই তিনি সেখানে উপস্থিত মানুষজনের উদ্দেশে আহ্বান জানান, অনুপ্রবেশ রুখতে মমতার এই সরকারকে সরিয়ে দিন। সিএএ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে মতুয়া মঞ্চে দাঁড়িয়েই অমিত শাহ বলেন, ‘মুসলিমদের বলা হচ্ছে CAA-তে আপনাদের নাগরিকত্ব চলে যাবে। কিন্তু CAA কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়ার আইন নয় বরং নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন। মুসলিম ভাইদের বলছি, CAA-তে কারও নাগরিকত্ব যাবে না’। এরপরই তিনি বলেন, ‘আজ প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছি, খুব তাড়াতাড়িই আপনারা সবাই ভারতের নাগরিক হিসেবে সব কা সাথ, সবকা বিকাশে সামিল হবেন’। এছাড়া মতুয়া সমাজের মন পেতে তিনি ঘোষণা করেন, ঠাকুরনগর স্টেশনের নাম বদলে শ্রীধাম ঠাকুরনগর করা হবে।

কাল কোচবিহারে রথযাত্রা, ঠাকুরনগরে মতুয়া সভায় অমিত শাহ

বৃহস্পতিবার রাজ্যে ফের আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে সভা রয়েছে তাঁর। কর্মসূচি অনুযায়ী, বেলা এগারোটায় অসমের বঙ্গাইগাঁও থেকে কোচবিহার বিমানবন্দরে পৌঁছবেন তিনি। তারপর সোজা যাবেন মদনমোহন মন্দিরে। সেখান থেকে যাবেন রাসমেলার মাঠে, সেখানেই সাড়ে বারোটায় পরিবর্তন যাত্রার সূচনা হবে।

সভা সেরে বিশেষ বিমানে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছবেন তিনটে দশ মিনিট নাগাদ। তারপর হেলিকপ্টারে ঠাকুরনগর হেলিপ্যাড হয়ে যাবেন মতুয়াদের সভায় যোগ দিতে। ঠাকুরবাড়ি মাঠে সভা হবে। এক ঘণ্টা সময় রাখা হয়েছে তার জন্য। অরপর কলকাতায় ফিরে শাহ যাবেন সায়েন্স সিটি অডিটোরিয়ামে। সোশাল মিডিয়া স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সভা করবেন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। হোটেলে ফিরে রাত দশটা কুড়ি পর্যন্ত দেখা করবেন অন্যদের সঙ্গে। তারপর ফিরবেন দিল্লিতে।


আজ বীরভূমে, ঝাড়গ্রামে নাড্ডা, পরশু রাজ্যে অমিত শাহ

অনুব্রত মণ্ডলের গড় বীরভূমে মঙ্গলবার পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। চলিত মাসেই দ্বিতীয়বার রাজ্যে আসছেন তিনি। এদিন সকালে দিল্লি থেকে সরাসরি অন্ডাল বিমানবন্দরে নামার পর হেলিকপ্টারে তারাপীঠে যাবেন তিনি। তারাপীঠ মন্দিরে পুজো দিয়ে চিলার মাঠে জনসভা করবেন তিনি। সেখানেই পরিবর্তন যাত্রার সূচনা হবে। বীরভূমের ১১টি বিধানসভা কেন্দ্র হয়েই যাওয়ার কথা বিজেপির রথের।  


এদিনই ঝাড়গ্রামেও বিজেপির রথযাত্রার সূচনা করার কথা জে পি নাড্ডার। দুপুরে লালগড়ের হেলিপ্যাডে নামবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। পাশের মাঠে জনসভা করবেন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হবে আরেকটি পরিবর্তন যাত্রা। সভার পর ঝাড়গ্রাম শহরে পৌঁছে নাড্ডা সিধো-কানহুর মূর্তিতে মাল্যদান করবেন তিনি। স্থানীয় আদিবাসীদের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। রাতে খড়গপুরে থকাছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।  

অন্যদিকে, একদিন পর বৃহস্পতিবার কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে উত্তরবঙ্গের পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বৃহস্পতিবার তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে পৌঁছবেন তিনি। প্রথমে মদনমোহন মন্দিরে পুজো দেদিয়ে যাবেন রাসমেলা ময়দানের জনসভায়। সেখান থেকে তাঁর উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুরনগরে যাওয়ার কথা।


বাংলাকে বামেদের থেকেও পিছিয়ে দিয়েছেন মমতাঃ ভার্চুয়াল ভাষণে অমিত তোপ

রবিবার বঙ্গ বিজেপির মেগা যোগদান মেলায় সশরীরে উপস্থিত থাকার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু দিল্লিতে ইজরায়েলি দূতাবাসে বিস্ফোরণের জেরে বাতিল হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বঙ্গ সফর। তবুও সময় বের করে এদিন দিল্লি থেকে ভার্চুয়ালি ভাষণ দিলেন অমিত শাহ। যথারীতি তোপ দাগলেন রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল নেত্রীর উদ্দেশ্যে। নিজের ভাষণে এই সভায় উপস্থিত থাকতে না পারার জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন অমিত শাহ। তিনি বলেন, ‘রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে কথা দিয়েও ডুমুরজলায় না আসতে পারায় আমি দুঃখিত’। এরপর রাজ্যের তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, ‘বাংলাকে বামেদের সময় থেকে পিছিয়ে দিয়েছেন মমতা। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলির সুবিধা পাচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গের গরিবা মানুষরা, তার জন্য মমতাজী দায়ী’। তিনি আরও বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিশ্বাস করে বাংলায় পরিবর্তন করেছিল মানুষ। কিন্তু এই দশ বছরে কী হল? বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে আপনি পিছিয়ে দিয়েছেন। এরপরই বঙ্গে পদ্ম ফোটানোর আহ্বান করে অমিত শাহ বলেন, ‘বাংলায় ক্ষমতায় আসার প্রথম মন্ত্রিসভার আলোচনাতেই আমরা ঠিক করব, যাতে পুরো রাজ্যের মানুষ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পান। কারণ বাংলার মানুষদের বোকা বানাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়’।