আমেরিকায় সালমোনেলা সংক্রমণ

সালমোনেলা।

 একে করোনায় রক্ষে নেই। তার ওপর নয়া আতঙ্ক এই সালমোনেলা।

আমেরিকায় গত আগস্ট এবং সেপ্টেম্বর জুড়ে এই ব্যাকটেরিয়ার ছোবলে অসুস্থ নয় নয় করে ৬৫০ জন। হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে প্রায় ১৩০ জনকে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর খবর নেই। সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন যে তথ্য দিয়েছে, তাতে এই রোগের উৎস হল পেঁয়াজ। আরও পরিষ্কার করে বললে লাল, সাদা এবং হলুদ পেঁয়াজ। সবটাই মেক্সিকো থেকে রপ্তানিকৃত। রপ্তানির উৎসকে সিল করা গেলেও আতঙ্কের চোরাস্রোত এখনও বইছে। কারণ, সেই পেঁয়াজ তো অনেকেরই কাছে রয়েছে এখনও।

কী এই সালমোনেলা?

সালমোনেলা হল খুবই কমন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ, যা ইন্টেস্টিনাল ট্র্যাক্টকে আক্রমণ করে এবং এর থেকে পেটের নানারকম সমস্যার সৃষ্টি হয়।

এই রোগের লক্ষণ হল ডায়ারিয়া, জ্বর এবং পেটের ব্যথা। বিষাক্ত খাবার খাওয়ার পর ন্যূনতম ৬ ঘণ্টা থেকে শুরু করে ৬ দিনের মধ্যে লক্ষণগুলি ফুটে ওঠে। যার স্থায়িত্ব ৪ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত। খুব অল্প হলেও এর থেকে ইউরিন, ব্লাড, বোন জয়েন্ট, নার্ভাস সিস্টেমও আক্রান্ত হতে পারে।

সিডিসি জানিয়েছে, অসুস্থদের সঙ্গে কথা বলে জানা গিয়েছে, বেশিরভাগই ওই ব্যাকটেরিয়ার কবলে পড়েছে কাঁচা পেঁয়াজ খেয়ে। তবে এই রোগের উৎস একাধিক। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল কাঁচা মাংস, পোলট্রি এবং সামুদ্রিক মাছ, কাঁচা ডিম, ফল এবং শাকসবজি।

ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য বলছে, মশলা থেকেও এই রোগ ছড়িয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটা মারণ রোগ নয়। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা ভয়াবহ হতে পারে। বিশেষত, শিশু, বয়স্ক, গর্ভবতী মহিলা, যাদের অঙ্গ প্রতিস্থাপন হয়েছে এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তাদের ক্ষেত্রে জটিলতা বাড়তে পারে।

তবে চিকিৎসকরা আশ্বস্ত করছেন, এই রোগের নির্দিষ্ট কোনও চিকিৎসা নেই। সাধারণ চিকিৎসার মাধ্যমেই মানুষ ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন।যদিও উদ্বেগের জায়গা একটা থেকেই যাচ্ছে। 

9/11 Anniversary: সন্ত্রাসের বিশ বছর, আমেরিকার টুইন টাওয়ার গুড়িয়ে দিয়েছিল জঙ্গিরা

নিউ ইয়র্ক: আমেরিকায় ভয়াবহ সন্ত্রাসবাদী হামলার বিশ বছর। আজও ৯/১১ শুনলেই ভেসে ওঠে ভয়াবহ সন্ত্রাসের ছবি। এদিকে আফগানিস্তানের সরকার গঠন করেছে তালিবান। জারি হয়েছে শরিয়া আইন। 

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকার বুকের চরম সন্ত্রাসের দাগ কেটে দেয় জঙ্গি হামলা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গর্বের নিদর্শন নিউ ইয়র্কের টুইন টাওয়ারকে মুহূর্তে গুড়িয়ে দিয়েছিল সন্ত্রাসবাদ ৷ শিশু বৃদ্ধ, মহিলা-সহ  প্রাণ হারাতে হয় ২,৭৫৩ জনকে৷

এরপরই একটি নাম সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। তিনি হলেন ওসামা বিন মোহাম্মদ বিন আওয়াদ বিন লাদেন। বিশ্বব্যাপী তিনি ওসামা বিন লাদেন নামে পরিচিত। 

আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচয় লাভের আগে ওসামা বিন লাদেন আমেরিকার একজন ঘনিষ্ঠ সঙ্গী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। আফগানিস্থানে রুশ আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য ওসামা বিন লাদেনকে আমেরিকার প্রয়োজন ছিল, এজন্য তারা প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে ও সমর্থন দিয়ে ওসামা বিন লাদেনকে তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এই সমর্থন পরবর্তীতে তাদের দিকে ধেয়ে আসবে এমনটা হতো তারা চিন্তা করেনি।

এদিকে ৯/১১ বর্ষপূর্তিতে আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল তালিবান। কিন্তু আজ  শনিবার সেই অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়েছে খবর। 


Afganistan: আইএস ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা আমেরিকার!

কাবুল বিমানবন্দরে বিস্ফোরণের পর এবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের হুমকির পরই পদক্ষেপ করল পেন্টাগন। শুক্রবার ইসলামিক স্টেট-খোরাসানের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আমেরিকার সেনা। সেই হানায় কাবুল বিস্ফোরণের মূল চক্রী নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে আমেরিকা।বৃহস্পতিবার কাবুল বিমানবন্দরে আত্মঘাতী হামলা চলে।

পর পর দু’টি বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। দ্বিতীয় বিস্ফোরণের পর গুলি চালানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। এই ঘটনার দায় স্বীকার করে ইসলামিক স্টেট-খোরাসান। বিস্ফোরণের জেরে জখম হয়েছেন ১৫০-র বেশি মানুষ। মৃত্যু হয়েছে শতাধিকের।

অসমর্থিত সূত্রে জানাচ্ছে, মৃত্যুর সংখ্যা ১৭০ ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ১৩ জন আমেরিকার সেনারও মৃত্যু হয়েছে।আফগানিস্তানের মাটিতে এই ড্রোন হামলা নিয়ে আমেরিকার সেনার ক্যাপ্টেন বিল আর্বান বলেছেন, ‘‘আফগানিস্তানের নানগরহর প্রদেশে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। মানবহীন এই অভিযানের প্রাথমিক ইঙ্গিতে মনে হচ্ছে মূল চক্রীর মৃত্যু হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।’’


আমেরিকার অত্যাধুনিক অস্ত্র এখন তালিবানদের হাতে

আমেরিকা বিদায় নিয়েছে, সঙ্গে সৈন্যবাহিনীও কিন্তু রয়ে গিয়েছে অজস্র সামরিক অস্ত্র । তালিবানদের তাড়িয়ে ক্ষমতা দখল করেছিল আমেরিকার কাছের আফগান গোষ্ঠী । অস্ত্র ভান্ডার তো ছিলই তার সঙ্গে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য সেখানকার সেনা বাহিনীর কাছে ছিল সুবিশাল অস্ত্র ভান্ডার যা কিনা এখন তালিবান সন্ত্রাসবাদীদের হাতে । অজস্র কার্বাইন, গ্রেনেড, এম ১৬ রাইফেল , মেশিনগান, অর্থাৎ হামভি থেকে ম্যানপ্যাক সোই এখন উগ্রপন্থীদের হাতে । অস্ত্র তো ছিলই তালিবানদের যার সাপ্লাই নাকি চিন থেকে এসেছিলো তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আমেরিকার অত্যাধুনিক অস্ত্র । এই অস্ত্র ভাণ্ডারকেই চিন্তা বাড়াচ্ছে ভারতের ।

ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এখন ঘরে বাইরে সমালোচিত । জার্মানি ফের বলেছে বাইডেনের নিষ্ক্রিয়তাই সমস্যায় ফেলেছে এই উপমহাদেশকে অর্থাৎ তার মধ্যে ভারতও আছে । বাইডেন জানিয়েছেন ১ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে আফগানিস্তানের পিছনে । যদিও জানা গিয়েছে তার অর্ধেক খরচ হয়েছে অস্ত্র কিনতেই । ফলে আজ ফের একবার আঙ্গুল উঠলো আমেরিকার দিকে ।

চিনকে টপকে গেলো আমেরিকা

৭০ দশকের শেষ ভাগ অবধি পদকের ক্রমতালিকাতে পয়লা নম্বরে থাকতো সংযুক্ত রাশিয়া দ্বিতীয় স্থানে থাকতো ইস্ট জার্মানি এবং তৃতীয় স্থানে থাকতো আমেরিকা । এরপর দিন পাল্টেছে । সংযুক্ত রাশিয়া ভেঙে টুকরো টুকরো হয়েছে ফলে পদকও ভাগাভাগি হয়েছে সুবিধা পেয়েছে আমেরিকা । এরপর দুই দাস প্রায় এক নম্বরে নিজেদের স্থানটি পোক্ত করে মার্কিনি খেলোয়াড়রা । কিন্তু বেশিদিন এই সুখ তাদের ছিল না । দ্রুত উঠে এলো চিন ।
এরপর চিন পয়লা নম্বর দখল করে । গত অলিম্পিকেও চিন এক নম্বরে ছিল । এবারেও শেষদিনের আগেরদিন অবধি তারা এক নম্বরটি ধরে নিয়েছিল যদিও পদকের হিসাব ধরলে সবচেয়ে বেশি পদক পেয়েছে ওই আমেরিকাই কিন্তু সোনা বেশি জেতার ফলে চিনকেই এক নম্বরে রাখা হয়েছিল । কিন্তু শেষ কয়েক ঘন্টায় আমেরিকা প্রায় সবকটি সোনা তুলে নেয় । আসলে চিন অন্য খেলায় যতই পারদর্শিতা দেখাক না কেন আথলেটিকে আমেরিকার ধারে কাছেও নেই চিন । শেষ পর্যন্ত পদকে তালিকা এই রকম :-
                              সোনা ------- রুপা --------- ব্রোঞ্জ

আমেরিকা               ৩৯             ৪১                ৩৩      মোট - ১১৩
চিন                         ৩৮             ৩২               ১৮       মোট -  ৮৮
তৃতীয় স্থানে রয়েছে জাপান এবং চতুর্থ স্থানে গ্রেট ব্রিটেন ।।   

আমেরিকায় ফের করোনার থাবা

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ কমলে ও ফের ভয় ধরাতে চলেছে তৃতীয় ঢেউ। এরমধ্যে করোনার বিভিন্ন নয়া প্রজাতি হানা দিচ্ছে। এই নয়া প্রজাতির মধ্যে ডেল্টা সবচেয়ে বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এবার আমেরিকায় বাড়ছে সংক্রমণ। যার কারণ এই ডেল্টা। এদিকে গত পাঁচদিন ধরে এই সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা লাখের গন্ডি ছড়াল। চিন্তায় পড়েছে আমেরিকার প্রশাসন।  নিউ ইয়র্ক টাইমস সূত্রে খবর, ১ অগস্ট আমেরিকায় নতুন আক্রান্ত ছিল ২৩ হাজার ১৩৯। কিন্তু ২ অগস্ট তা এক লাফে বেড়ে হয় ১ লাখ  ৩৬ হাজার ৩৩০।

তারপর থেকে দৈনিক আক্রান্ত আর লাখের নীচে নামেনি। ৩, ৪ ও ৫ অগস্ট আক্রান্ত হয়েছিলেন যথাক্রমে ১ লাখ  ৫০ হাজার ১৮০, ১ লাখ  ১২ হাজার ২২৭ ও ১ লক্ষ ২৭ হাজার ১০৮ জন। ৬ অগস্ট নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৮ হাজার ৩৪৩ জন। এদিকে এই মুহূর্তে আমেরিকার ফ্লোরিডাতে সবচেয়ে বেশি শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে। এছাড়া সবচেয়ে বেশি করাচ্ছে আমেরিকার ফ্লোরিডা, নিউ ইয়র্ক টাইমস, আলাবামা, মিসিসিপিতে। সেখাকার সরকার ইতিমধ্যে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে। এদিকে জো বাইডেনের সরকার এই ডেল্টা রূপকে সবচেয়ে বেশি দায়ী করছে।এছাড়া সেখানকার মানুষজনকে মাস্ক পড়ার জন্য বারবার সতর্ক করা হচ্ছে। যদিও এর আগে সরকার জানিয়েছে, যে দুটি টিকাকরণ হলে আর মাস্ক পড়তে হবে না.তবে নতুন করে সংক্রমণ চারা দিতেই আবার সাবধান করছে সরকার। তবে আমেরিকায় নতুন করে সংক্রমণ বাড়ায় বেশ খানিকটা চিন্তায় প্রশাসন।