বিতর্কে তুষার মেহতা-শুভেন্দু সাক্ষাৎ

বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তুষারমেহতার বাসভবনে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। এবং মেহতাকে সলিসিটর জেনারেলের পদ থেকে অপসারণের দাবি তৃণমূলের। যদিও তুষার মেহতা, শুভেন্দু অধিকারী দুজনেরই দাবি দেখা হয়নি তাঁদের।

রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী নারদ মামলায় অভিযুক্ত। সেই মামলার তদন্তভার রয়েছে সিবিআইয়ের হাতে। এই পরিস্থিতিতে শুভেন্দু কীভাবে বৈঠক করেন সিবিআইয়ের আইনজীবী সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার সঙ্গে?

এই প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের তিন সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, সুখেন্দুশেখর রায়, মহুয়া মৈত্রর। তুষার মেহতাকে সলিসিটর জেনারেলের পদ থেকে অপসারণেরও দাবি তুললেন তাঁরা।

খবরে প্রকাশ, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে তুষার মেহতার সঙ্গে দেখা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। যদিও শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকের খবর অস্বীকার করেছেন তুষার মেহতা স্বয়ং। মেহতার কথায়, শুভেন্দু অধিকারী যদি তাঁর বাসভবন বা অফিসে এসেও থাকেন, তবে তা তাঁর জানা ছিল না। এই বৈঠকের খবর নিয়ে প্রশ্নের মুখে শুভেন্দু অধিকারীর জবাব, তৃণমূলকেই প্রশ্ন করুন।

তুষার মেহতার সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর প্রায় আধ ধন্টার বৈঠক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তুষার মেহতা বৈঠকের খবর অস্বীকার করায় তাঁর বাসভবনের সিসিটিভি প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলে ফের ট্যুইট করেছেন অভিষেক।

অভিষেক বন্দ্যোপাধষ্যায় টুইটে লেখেন, ‘‌মিস্টার অধিকারী বিভিন্ন অফিসারের উপস্থিতিতে মাননীয় সলিসিটর জেনারেলের বাসভবনে প্রবেশ করেন এবং সেখানে প্রায় ৩০ মিনিট ছিলেন। তারপরেও কি বৈঠক বাকি রয়েছে আশা করা যায়? গোটা ব্যাপারটাই অস্পষ্ট। আশা করা যায় প্রকৃত সত্য সামনে আসবে।’‌

মুকুল স্ট্র্যাটেজি

রবিবার নিজের নির্বাচনী ক্ষেত্রে গিয়েছিলেন মুকুল রায় | উত্তর কৃষ্ণনগরের মানুষের উপস্থিতি ছিল দেখার মতো | পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, এলাকার মানুষের কাজ তাঁকে তো করতে হবে | শুভেন্দু অধিকারীর মুকুল অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, শুভেন্দু আগে তাঁর বাবাকে নিয়ে ভাবুক | অর্থাৎ শিশির অধিকারী বিগত নির্বাচনে মোদির মঞ্চে উঠেছিলেন এবং মমতা সরকারের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন, মুকুল সেটাই মনে করিয়ে দেন |মুকুল রায়কে নিয়ে যে জটিলতা তার আপাত সমাধান করা হয়েছে | তিনি বিরোধী আসন অর্থাৎ বিজেপির আসনে গিয়েই বিধানসভায় বসবেন | খাতায় কলমে তিনি এখনও বিজেপির বিধায়ক | এর ফলে তাঁকে পিএসি-র চেয়ারম্যান করতে আর বাধা থাকবে না | রবিবার অবশ্য কৃষ্ণনগরের কয়েকশো বিজেপি কর্মী তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছে |

হাসপাতালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতাঃ এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা। পায়ে ব্যথা নিয়ে উডবার্ন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন তিনি। মাকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিস্তারিত আসছে --

পরিবারতন্ত্র নিয়ে বিজেপিকে খোঁচা অভিষেকের

কলকাতাঃ  আপনারা কেন্দ্রীয় সরকার চালাচ্ছেন, কেন একটা বিল আনছেন না, একটি পরিবার থেকে একজনই রাজনীতি করতে পারবেন। পরিবারতন্ত্র নিয়ে কথা বলছেন, বিল পাশ করুন, আমি পদ ছেড়ে দেব। বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাশাপাশি অভিষেক  আরও বলেন,যাদের ছেলে এমএলএ, এমপি, মিনিস্টার তারা পরিবাররতন্ত্রের কথা বলছেন। এছাড়া একদিকে বিজেপি বলছে বাংলা ছাড়া অন্য রাজ্যে তৃণমূলের কিছু নেই, আবার আমাকে কেন সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক করা হল, সেই প্রশ্ন তুলছেন।  

সম্প্রতি দলের নতুন দায়িত্ব নেওয়ার পরই দলের প্রবীণ নেতাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের আর্শিবাদ নিচ্ছেন অভিষেক।

সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

কলকাতাঃ সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে যুব তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন অভিষেক। এবার তার জায়গায় এলেন সায়নী ঘোষ।

বিস্তারিত আসছে --

তারুন্যের আগমন হবে তৃণমূলে

কলকাতাঃ তৃণমূলের অভ্যন্তরের যা খবর তাতে শনিবারের সাংগঠনিক বৈঠকে এবারে ক্ষমতায় আসতে পারে অনেক তরুণ প্রজন্ম | মূলত এবারের মন্ত্রিসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন নুতন পুরাতন নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন তেমনই নতুন কমিটিতে আসবে অভিষেকের ঝাড়াই বাছাই করা ঝকঝকে একদল মুখ | সম্ভবনাময় যারা তারা যথাক্রমে নারায়ণ গোস্বামী, পার্থ ভৌমিক, মহুয়া মৈত্র, স্নেহাশীষ চক্রবর্তী, দেবরাজ চক্রবর্তী ইত্যাদির মতো কড়া হাতে সংগঠন করা যুব মহল |
একটু বয়স হয়ে যাওয়া নেতারা কতটুকু সুযোগ পাবে তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ রয়েছে | মুখপাত্রও ঠিক করা হবে, সেখানে কুনাল ঘোষ যে দায়িত্ব পাবেনই তা বলে দেওয়া যেতে পারে | এ ছাড়াও জেলাগুলোতেও যুব মহল সুযোগ পাবেন | তবে মনপ্রাণ দিয়ে যারা দল করেছেন তাদের বয়স হয়ে গেলেও কমিটিতে রাখা হবে |

তৃণমূল বৈঠকে চলবে অধিকারী ছাঁটাই পর্ব। শিশির অধিকারীর বয়স ৮০ পেরিয়েছে  | নতুন করে রাজনীতিতে পাওয়ার কিছু নেই | সরকারি ভাবে তিনি এখনও তৃণমূলের সাংসদ কিন্তু যেহেতু তিনি গত বিধানসভায় মোদি এবং অমিত শাহের সভায় উপস্থিত ছিলেন সেহেতু তাঁকে লোকসভার সদস্য পদ থেকে ছাঁটাই করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে তৃণমূল | শিশিরবাবু জানিয়েছেন, তিনি ক্যান্সার রোগের থেকে মুক্তি পেয়েছেন তাই ঠিকই করেছিলেন যে লোকসভার সদস্য পদ থেকে বিদায় নেবেন কিন্তু তৃণমূল যে কারণে তাঁকে ছাঁটাই করতে চাইছে তা তিনি মেনে নেবেন না | বরং তিনি অপেক্ষা করবেন স্পিকার কি করেন | তিনি জানিয়েছেন, ছেলে বিজেপিতে গিয়েছে তাই তিনি তাঁকে সমর্থন করবেনই |

অন্যদিকে শিশিরবাবুর তৃতীয় পুত্র দিব্যেন্দু এখনও তৃণমূল ছাড়েন নি | তিনি নির্বাচনে কোনও দলকেই সমর্থন না করে চুপ করে ছিলেন | তাঁকেও বিভিন্ন পদ থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে | এখন সাংসদ ছাড়া তিনি আর কিছুই নন | তাঁর বয়স বেশি নয় সুতরাং রাজনৈতিক অভিজ্ঞরা মনে করে যে আগামী লোকসভার আগে তিনি তৃণমূলের মন জয় করার চেষ্টা করবেন তাতে যদি পরিবারকে আলাদা করতে হয় তো হবে |

কে কে ফিরতে পারেন তৃণমূলে

আগামী শনিবার দুপুরে তৃণমূল ভবনে তাদের সাংগঠনিক সভা । এই সভায় যেমন স্থির হবে আসন্ন পৌরসভা, পঞ্চায়েত এবং লোকসভার দায় দায়িত্ব কাদের উপর বর্তাবে অর্থাৎ জেলা সভাপতি থেকে শুরু করে দলের সভাপতি সম্পাদক বিভিন্ন জেলা থেকে করা আসতে পারে | একই সাথে দলের কর্মীদের কাছে প্রশ্ন তৃণমূল ছেড়ে যারা চলে গিয়েছিলেন তারা কি ফিরে আসার সুযোগ পাবেন ? অনেক 'বেসুরো'কিন্তু মুখ ধুয়ে ফেলে ক্ষমা চেয়ে ফিরতে চাইছেন । 

অন্দরের খবর যা, দলের কর্মী সমর্থকদের প্রবল আপত্তি 'দলবদলুদের' ফিরিয়ে আনার বিষয়ে । সোশ্যাল নেটওয়ার্কে তারা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেছে, এদের যেন ফিরিয়ে নেওয়া না হয় । কিন্তু প্রশ্ন এটাও যে কাউকেই কি ফেরত নেওয়া হবে না ? সম্প্রতি অসুস্থ মুকুল পত্নীকে  দেখতে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান যে, রায় পরিবার তাদের ঘনিষ্ঠ এবং মুকুলবাবুরর স্ত্রী কৃষ্ণা তাঁর মাতৃসমা । পুত্র শুভরাংশুও অভিষেকের প্রশংসা করেন । ফলে মুকুল রায় ঘনিষ্ঠরা খুব দ্রুত কেউ কেউ তৃণমূলে ফিরতে পারেন বলে সংবাদ,যদিও মুকুল এই বিষয়ে কোনও আলোকপাত করেন নি ।

বৃহত্তর সাংগঠনিক পরিবর্তন তৃণমূলে?

এই মুহূর্তে সমস্ত তৃণমূল কর্মী সমর্থক থেকে ছোট বড় নেতাদের একটাই চিন্তা শনিবার বারবেলায় দলের সংগঠনে কি কি পরিবর্তন আসতে চলেছে | এবারের বিধানসভা নির্বাচনে আশাতীত ফল করেছে তৃণমূল | ৪২ শতাংশ ভোটকে প্রায় ৫০ শতাংশ ভোটে নিয়ে যেতে পেরেছেন তারা | ডুয়ার্স তরাই এবং বাঁকুড়া পুরুলিয়া বাদ দিলে বাকি জেলাগুলিতে অসামান্য ফল করেছে তারা | জঙ্গলমহলের ফলও বেশ ভালো লোকসভার নিরিখে | কিন্তু তবুও তৃণমূলের অন্দরে বার্তা অন্যরকম | ভোটের আগে দলে ভাঙ্গন লেগেছিলো তা ছাড়াও প্রচারে কোথাও কোথাও ঘাটতি ছিল, সর্বোপরি জেলা সভাপতিদের অনেকেরই ইমেজ খারাপ হয়েছিল |

সমস্ত কিছু বাদ দিয়ে শোনা যাচ্ছে মন্ত্রীমন্ডলীর কাঁধে আর অতিরিক্ত চাপ দিতে চাইছে না নেতৃত্ব | ফলে একই সাথে মন্ত্রী এবং দলের সম্পাদক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে অনেককে | একই সাথে জেলা সভাপতির পদে নতুন মুখের আগমন হতে পারে| যে জেলায় ফল খারাপ হয়েছে সেই সেই জেলায় সংগঠনের আমূল পরিবর্তন হতে পারে, যথা অলিপুদুয়ার, কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি তথা পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমান পশ্চিম, নদীয়া | পরিবর্তনের সম্ভবনা প্রবল উত্তর ২৪ পরগনাতেও | সূত্রের খবর যুবনেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রশান্ত কিশোর এই সংগঠনের দায়িত্ব অনেকটাই ঠিক করবেন | এবারের নির্বাচনে অভিষেকের অবদান অনেকটাই |     

মুকুল জায়াকে হাসপাতালে দেখতে অভিষেক, দিলীপ

কলকাতাঃ রাজনৈতিক ট্যুইস্ট নাকি সৌজন্য । এমনটাই ঘটলো বুধবার সন্ধ্যা থেকে রাতে । গত ১১ মে থেকে করোনা সংক্রামিত হয়ে মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা বাইপাসের ধারের একটি হাসপাতালে ভর্তি । করোনা নেগেটিভ হলেও নানান সমস্যায় ভুগছিলেন কৃষ্ণা দেবী । এতদিন অবধি বিজেপির কেউ তাঁর খবর নেয় নি বলে খবর কিন্তু বুধবারই চমকটি ঘটে । সারাদিন দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ত্রাণের কাজে ব্যস্ত ছিলেন তৃণমূলের যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তারপরই তিনি চলে যান হাসপাতালে । সেখানে মুকুল ছিলেন না কিন্তু ছিলেন মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু  । কৃষ্ণাদেবীকে দেখতে গিয়ে বেশ কিছুক্ষন অভিষেকের সাথে কথা হয় শুভ্রাংশুর ।


সূত্রের খবর,কৃষ্ণা দেবীকে একমো সাপোর্টে রাখা হয়েছে । খবরটি নেট ও মিডিয়া মাধ্যমে ছড়িয়ে পরে আমজনতার মধ্যে । কিছুক্ষনের মধ্যে সেখানে হাজির হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ । সাথে সাথেই সোশ্যাল নেটে  প্রশ্ন উঠে যায় ড্যামেজ কন্ট্রোল করতেই কি দিলীপের আগমন ? অভিষেক দেখে আসার একদিন পর খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।


বেশ কিছুদিন ধরেই শুভ্রাংশু বেসুরো হয়েছিলেন । সমালোচনাও করেছিলেন দলের । প্রশ্ন এবার কি ঘরে ফেরার পালা ?             

আলাপনের আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোকজ করা উচিৎ-অভিষেক

এবার আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় ইস্যুতে মুখ খুললেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।  তাঁর দাবি, আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে শোকজ করার আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শোকজ করা উচিৎ। এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। বলেন, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিককেও শোকজ করা উচিৎ।  

সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, এদিন মোদীকেও কটাক্ষ করে বলেন, দেশে যখন করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে, তখন প্রধানমন্ত্রী রাজ্যে এসে সভা করছেন। বলছেন, এত বড় সভা আগে দেখিনি। তাই প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ওই আইন প্রয়োগ হওয়া উচিত।’‌

বুধবার ইয়াস বিধ্বস্ত সুন্দরবন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। হেলিকপ্টার থেকে নেমে সন্দেশখালিতে লঞ্চে এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি। ত্রাণ শিবিরে দুর্গতদের সঙ্গে কথাও বলেন অভিষেক। তার সঙ্গে ছিলেন পাথর প্রতিমার বিধায়ক, সুন্দরবন উন্নয়ন মন্ত্রী, সেচ দফতরের আধিকারিকরা।

ইয়াসে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকা। বহু ঘর বাড়ি ভেঙে গিয়েছে।  তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন অভিষেক।





সংগঠনে রদবদল তৃণমূলে?


আগামী ৫ জুন শনিবার, বারবেলায় তৃণমূল সংগঠনে রদবদল হতে পারে বলে খবর | তবে কি ধরণের বদল তা এখনই পরিষ্কার নয় | রাজনৌতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের মতো করে মন্ত্রিসভা গঠন যেমন করেছেন তেমনই সংগঠনে দলের সর্বভারতীয় সভানেত্রী হিসাবে দল গড়বেন | যদিও জানা যাচ্ছে এবারের সংগঠনে অনেকটাই ভূমিকা থাকবে তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের | একটি বিষয় পরিষ্কার যে যে জেলায় ফল ভালো হয় নি  সেখানে পরিবর্তন অবসম্ভাৱী | যথা আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার,বাঁকুড়া, পুরুলিয়া | যেটি হবেই তা শিশির অধিকারীকে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া | একই ভাবে শোনা যাচ্ছে উত্তর ২৪ পরগনার জেলা সভাপতি পরিবর্তিত হতে পারে | জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের জায়গায় নারায়ণ গোস্বামী বা পার্থ ভৌমিক আসতে পারেন | পরিবর্তিত হতে পারে হাওড়া, হুগলী, পশ্চিম বর্ধমান জেলাতেও | কুণাল ঘোষ বা স্নেহাশীষ চক্রবর্তী নতুন ক্ষমতা পেতে পারেন | এমনও হতে পারে এক ব্যক্তি এক পদ | অপেক্ষায় শনিবার |