মমতা-মোদির সাক্ষাৎ শুধু কি সৌজন্য ?

নয়াদিল্লিঃ আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে মোদি-মমতা বৈঠক হয়। বৈঠক শেষ করে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, কলাইকুন্ডায় দেখা হয়নি। তাই এখন সৌজন্য সাক্ষাৎ হল। 

প্রশ্ন এখানেই, শুধু কি সৌজন্য সাক্ষাৎ নাকি রাজনৈতিক আলোচনাও হয়েছে। সে বিষয় অবশ্য এখনও কিছু জানা যায়নি। 

যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদিকদের জানানেল, করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আরও করোনার ভ্যাকসিনের প্রয়োজন, একথা জানিয়েছি। জনসংখ্যা বেশি, অন্য রাজ্যের তুলনায় কম ভ্যাকসিন পেয়েছি। ভ্যাকসিনের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি।’

পাশাপাশি, বাংলার নাম বদল নিয়েও কথা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। বললেন, ‘বাংলার নাম বদল নিয়েও প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়েছি। বহুদিন ধরে বিষয়টি পড়ে আছে বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি দেখবেন বলে জানিয়েছেন।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ এর আগে এদিন দুপুরে কমলনাথ ও আনন্দ শর্মার সঙ্গে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ সন্ধ্যায় অভিষেক মনু সিঙ্ঘভির সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে মমতার। 



সাংসদের সময় কাটছে সেন্ট্রাল হলে

নয়াদিল্লিঃ অন্যদিনের মতো আজও সংসদের উভয় কক্ষের আলোচনা বন্ধ হল । লোকসভায় স্পিকার এবং রাজ্যসভায় চেয়ারম্যান প্রথম অর্ধের মতো মুলতুবি করে দিলেন সভা । কার্যত কাজ নেই এখন সাংসদের । পার্লামেন্টের তৃতীয় কক্ষ সেন্ট্রাল হলে প্রায় সমস্ত দলের সাংসদরা গোল হয়ে আড্ডা দিচ্ছেন মুলতুবির পর । একেক দলের সাংসদরা একেক জায়গায় সময়ে কাটাচ্ছে । তৃণমূল সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় সি এন ওয়েব পোর্টালকে জানালেন, আপাতত সময়ে কাটাচ্ছি সেন্ট্রাল হলে আমরা, মাঝে মধ্যে কংগ্রেস সহ বিরোধী দলের সাংসদরা এসে কথা বলে যাচ্ছে আমাদের সাথে ।

আরও পড়ুনঃ অবশেষে বৃষ্টি দিল্লিতে

প্রসূনবাবু জানালেন, গতকাল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সমস্ত সাংসদের নিয়ে বৈঠক করলেন । আপাতত পেগাসাস নিয়ে সমাধান না হলে তাঁদের প্রতিবাদ চলবে । জানা গিয়েছে বয়স কম হলেও অভিষেক এবারের বাদল অধিবেশনে তৃণমূল সাংসদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন ।


আচমকা দিল্লিতে শুভেন্দু । ধুর কিছু যায় আসে না - অরূপ রায় ।

আগামী সোমবার দুপুরের বিমানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে যাচ্ছেন । ইতিমধ্যেই দিল্লিতে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । ঠিক এই সময়ে রাজ্য বিধানসভার কাজ ছেড়ে দিল্লিতে এলেন  শুভেন্দু অধিকারী । প্রশ্ন উঠেছে কেন ?  উত্তরে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে , বাংলায় সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতেই নাকি তিনি অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন । কিন্তু প্রশ্ন থেকেই যায় যে, দলের রাজ্য সভাপতি সাংসদ দিলীপ ঘোষ যেখানে দিল্লিতে সেখানে তাঁকে এড়িয়ে কি এমন বিশেষ বার্তা নিয়ে শুভেন্দু দিল্লিতে গেলেন ? সূত্র মারফত জানা গিয়েছে যে, সাম্প্রতিক শুভেন্দুর উপর রাজ্য পুলিশের চাপ রয়েছে হয়তো মমতা আসার আগেই সেই বার্তা নিয়ে শুভেন্দু দিল্লি গেলেন ।

অন্যদিকে এবারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের অন্যতম সঙ্গী মুকুল রায়,যাঁকে নিয়ে বিধানসভায় লড়ছেন শুভেন্দু । তাঁর দিল্লি যাত্রা নিয়ে রাজ্যের সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় সিএন পোর্টালকে জানালেন, ধুর কিছু যায় আসে না । শুভেন্দুকে নিয়ে আমাদের কোনও ভাবনাই নেই ।


দিল্লি যাবেন মমতা, নজরে ভোট-২৪

দিল্লি যাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কবে যাবেন, এখনও ঠিক করেননি। কিন্তু সংসদের অধিবেশন চলাকালীনই তাঁর দিল্লি সফর।১৯শে জুলাই শুরু হতে চলেছে সংসদের অধিবেশন। 

১৯৮৪ সাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংসদের সদস্য। ২০১১ সাল মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার আগে তিনি সংসদ থেকে ইস্তফা দেন। মাঝে দুবছর, ১৯৮৯-র লোকসভা ভোট থেকে ১৯৯১ সালের লোকসভা ভোট পর্যন্ত তিনি ছিলেন না সংসদে। ফলে দীর্ঘ সময়ের সাংসদ-কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নখদর্পনে সংসদ ভবন, সাংসদ-মন্ত্রীদের পরিচিতি। 

নিজের পুরনো দল কংগ্রেস তো বটেই,  পুরনো সঙ্গী বিজেপির প্রবীণ-নবীন নেতা-সাংসদরা মমতার অতি পরিচিত। তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বিভিন্ন রাজ্যের আঞ্চলিক দলের নেতা-সাংসদদেরও। ফলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এবারের দিল্লি সফর এক কথায় তাত্পর্যপূর্ণ। 

তৃণমূলের দাবি, একুশের ভোটে বঙ্গজয়ের স্বপ্ন দেখা বিজেপিকে ধরাশায়ী করার পর দেশজুড়ে তিনিই মোদী-বিরোধী লড়াইয়ের মুখ। বিজেপি-বিরোধী জোটকে সক্রিয় করতে ইতিমধ্যেই সর্বভারতীয় স্তরে সক্রিয় হয়েছেন মমতার পরামর্শদাতা ভোটকুশলী পিকে। এবার কংগ্রেসকে সঙ্গে নিয়েই সেই জোট গড়ে তোলার লক্ষ্যে পথ চলছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে মমতার দিল্লি সফর আদতে নিয়ে যাবে ২৪-র ভোটে বিজেপি-বিরোধী জোটের তত্পরতার বার্তা।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেখা করবেন রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও।এবার দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যাবেন সংসদেও। দেখা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গে। কথা হবে বিরোধী নেতাদের সঙ্গেও।

সেখানে দেখা যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। রাজ্য বিধানসভায় দিন কয়েক আগেই পাস হয়ে গেছে বিধান পরিষদ গঠনের বিল। তা নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরের সঙ্গেও কথা বলে এসেছেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের সঙ্গেও বিধান পরিষদ বিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কথা বলবেন বলে অনুমান। তাছাড়া থাকবে কেন্দ্রের সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগের ডালি। 

রাজনৈতিক মহলের মতে, মোদী বা কোবিন্দের সঙ্গে আলোচনায় আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠবেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকরও। এরাজ্যের রাজভবন থেকে ধনকরকে অপসারণের আর্জি জানিয়ে তিনবার চিঠি দিয়েছেন মমতা। এবার হয়তো মোদী-কোবিন্দের সঙ্গে সাক্ষাতেও ধনকরের অপসারণ চাইবেন তিনি।

তবে এবার মমতার দিল্লি সফর অন্যদিক থেকেও তাত্পর্যপূর্ণ। এবার সংসদ যখন চলবে, তখন স্বাভাবিকভাবেই দিল্লিতে উপস্থিত থাকবেন সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে অভিষেক এবারই প্রথম পা দিতে চলেছেন সংসদে। একুশের ভোটে তৃণমূলের সাফল্য, দলে অভিষেকের উত্থান নজর কাড়়বে সংসদের। সেই সময়ে মমতা-অভিষেক যুগলবন্দী যেন আশার আলো দেবে মোদী-বিরোধী লড়াইয়ে। 

সামনে উত্তরপ্রদেশ সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। আছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও। এসব ভোটকে সামনে রেখে বিরোধী ঐক্যে সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যেই। এবার সেই জোটের সর্বভারতীয় নেত্রী হিসেবে পথ চলা শুরু করার মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গী অভিষেক। পরামর্শদাতা পিকে। 


দিল্লির পথে রাজ্যপাল

ফের দিল্লি গেলেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। আজ শনিবার সকালেই কলকাতা থেকে দিল্লির পথে রওনা হন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরের আগে রাজ্যপালের দিল্লি যাত্রা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। 

সূত্রের খবর, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্ট নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে আলোচনার জন্যই  দিল্লি গেলেন রাজ্যপাল।  

বিস্তারিত আসছে ---


দর কষতে দিল্লিতে নীতীশ

দর কষতে দিল্লিতে নীতীশ
Nitish in Delhi to raise prices

বাংলায় পরাজিত হওয়ার পর বেশ চাপে কেন্দ্রীয় বিজেপি | তারা জানতো এবারে বিরোধীরা অনেক আক্রমনাত্বক হবে | আজই বিরোধীরা শারদ পাওয়ারের বাড়িতে বৈঠকে বসছে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ করে | ঠিক সেই সময়ে নীতীশ কুমারও দিল্লিতে | বিহারে ফ্রন্টের মুখ্যমন্ত্রী হলেও নীতীশ কার্যত বিজেপির হাতের পুতুল ছাড়া আর কিছুই নয় বলে দাবি করেছিলেন তেজস্বী যাদবের দল আরজেডি | কিন্তু সম্প্রতি লোক জনশক্তির ৫ বিধায়ক নীতীশবাবুর জেডিইউ তে যোগ দেওয়াতে এবং পশ্চিমবঙ্গে বন্ধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিপুল জয়ে মানসিক শক্তি পেয়েছেন |

এবারে দর কষাকষি করতে চান নীতীশবাবু | এমনিতেই ২০১৯ এ জয়ের পর মোদি পরিষ্কার জানিয়েছিলেন জোট সাথীদের প্রতিটি দল থেকে ১ জনের বেশি মন্ত্রী করা হবে না | ইতিমধ্যেই জোট ছেড়েছে শিবসেনা ও অকালি দল | অন্যদিকে মোদিও উত্তরপ্রদেশের ভোটের আগে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ চাইছেন | ঠিক এই সময়ে নীতীশ দিল্লি পৌছিয়ে জোড়া মন্ত্রিত্ব দাবি করবেন বলে সংবাদ |