Durga Puja: এবার পুজোয় দুয়ারে কেনাকাটা, জেনে নিন কোথায়

করোনা আবহে এবার ও জমেনি পুজোর বাজার। সেই অর্থে ভিড়ভাট্টাও হচ্ছে না শপিং মল বা হকার বাজারে। কারণ পুজোর আগেই চোখ রাঙাচ্ছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। সংক্রমণের আশঙ্কায় অনেকেই ভিড় ঠেলে গড়িয়াহাট-নিউ মার্কেটে কেনাকাটা করতে বেরতে ভয় পাচ্ছেন। পাছে পুজোর মুখে বিপত্তি ঘটে! তাঁদের জন্যই শহরের বহু আবাসনে স্টল সাজিয়েছে নামীদামি জামা-জুতো-শাড়ির বিপণিগুলো। একেবারে ‘দুয়ারে কেনাকাটা।’ যদিও এই অতিমারীর ক্ষেত্রে অনলাইনে কেনাকাটার চল একটু বেশি হচ্ছে। হাতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। তবে এই অতিমারীতে মানুষ কিছুটা আতঙ্কে রয়েছে।

সামনেই তৃতীয় ঢেউ আসার প্রবল সম্ভাবনা। তাই সেই কথা মাথায় রেখে মানুষ ভিড় এড়াতে চাইছে।এদিকে পুজোর জামা-কাপড়ের সেভাবে কোনও কালেকশন নেই. ব্যবসায়ীরাও জানাচ্ছে, বিক্রিবাট্টা নেই বলেই জিনিসপত্র সেভাবে তোলা হচ্ছেনা। তবে এবার ঘরের সামনেই চাইলে কেনাকাটা করা যাবে। পুজোর মাস দেড়েক আগে থেকেই দক্ষিণ কলকাতা এবং বাইপাসের ধারের বড় বড় আবাসনে স্টল দিয়েছে জামা-কাপড়-জুতোর কোম্পানিগুলো। তাতে সেই আবাসনের বাসিন্দারা ভিড়ও জমাচ্ছেন ভালই।

কোনও কোম্পানি স্টল রাখছে সাত দিনের জন্য, কেউ বা দিন দুয়েকের জন্য। নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে সময়। আর সেই সময়ই চলছে কেনাকাটা। থাকছে বিভিন্ন জিনিসের উপর ছাড়ও। যা দেখেই লোকে আরও আরও ভিড় করছেন। তবে এই কেনাকাটার সুযোগ থাকছে কেবলমাত্র সেই আবাসনের বাসিন্দাদের জন্যই। বাইরের কেউ দোকান দেখে ভিতরে ঢুকতে পারছেন না।

মূলত সন্ধের দিকেই হচ্ছে কেনাকাটার ভিড়।যদিও আবাসনগুলিতে পুজোর আগে স্টল বসতে দেলখা যায়. বিশেষ করে এই পরিস্থিতিতে মানুষের কথা ভেবে আরও বেশি স্টলের আয়োজন রয়েছে। অনেকের আবার এখন ওয়ার্ক ফ্রম হোমের ব্যস্ততা। যার ফলে বাইরে বেরোনোর বিশেষ সময় থাকেনা। তাই তাদের ক্ষেত্রে অনেকটা সুবিধা বাড়ির কাছে কেনাকাটা।