নির্বাচনের ৭২ ঘন্টা আগে থেকে বাইক মিছিল নয়, কড়া সিদ্ধান্ত কমিশনের

আগামী ২৭ মার্চ প্রথম দফার নির্বাচন। তার আগেই রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে। অপরদিকে হাতে আর মাত্র পাঁচদিন। ফলে সমস্ত রাজনৈতিক দলই নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছে জোর কদমে। এর মধ্যেই ফের কড়া নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্বাচন যে কড়া হাতেই পরিচালনা করবে সেটা আগেই বুঝিয়ে দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে কমিশন জানিয়ে দিল নির্বাচনের ৭২ ঘন্টা আগে থেকে বাইক মিছিল করা যাবে না। ফলে চাপে পড়ে গেল রাজনৈতিক দলগুলি।


কমিশন ওই নির্দেশিকায় জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নজরে এসেছে যে, কোনও কোনও জায়গায় মোটরবাইকে করে সমাজবিরোধীরা ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর তারা ভোটারদের ভয় দেখাচ্ছে। নির্বাচনের আগে এবং নির্বাচনের দিন এই কাজ করা হচ্ছে। তাই নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, নির্বাচনের ৭২ ঘন্টা আগে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে মোটরবাইক মিছিলের অনুমোদন দেওয়া যাবে না। এমনকী নির্বাচনের দিনও অনুমতি দেওয়া হবে না মোটরবাইক র‍্যালির। প্রসঙ্গত রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শীঘ্রই আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তার আগেই এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত যথেষ্ঠই চাপে ফেলল রাজনৈতিক দলগুলিকে। যদিও বিরোধীরা এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে।

এবারে মেদিনীপুরের মুখ্যমন্ত্রী


নন্দীগ্রামে ভোট প্রচার তুঙ্গে তৃণমূল বিজেপির | হাই ভোল্টেজ নন্দীগ্রামের দিকে নজর সারা দেশের, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারী | এলাকায় শুরু হয়েছে স্লোগানের রকমারি প্রচার | শুভেন্দুর অনুগামীরা দেওয়ালে লিখছে, বহিরাগত নয়, চাই ভূমিপুত্রকে | অন্যদিকে এলাকার তৃণমূল সামর্থকরা, পরিবর্তন করেছে তাদের স্লোগান, এখন নতুন স্লোগান 'এবারে মেদিনীপুরের মুখ্যমন্ত্রী ' | এই স্লোগান দেওয়াল থেকে ব্যানার তৈরী করছে | দাদার অনুগামীরাও  পিছিয়ে নেই,বুধবার তারা মিছিল করছে |
বুধবার মমতা তাঁর মনোনয়ন জমা করছেন, তারপর একটি মিছিল করার কথা |



এরই মধ্যে দিল্লি থেকে খবর ২৭ মার্চের আগে পুরোনো কর্মসূচি বদল করে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পূর্ব মেদিনীপুরে আসছেন এবং নন্দীগ্রামে | মোদির যা কর্মসূচি তাতে একই জেলায় দু বার যাবার কথাই নয়, হলদিয়ার পর ফের এই জেলায় আসার কথা |

তাঁর  শুভেন্দুর হয়ে প্রচার করতে হাই প্রোফাইল নেতারাও আসবেন নন্দীগ্রামে | আসছেন মিঠুন | কিন্তু তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে, তাঁদের প্রচারে সেলিব্রেটি দরকার নেই নন্দীগ্রামে |      |                               

বহিরাগত হলে আমি মুখ্যমন্ত্রী হলাম কী করে? নন্দীগ্রামে শুভেন্দুকে খোঁচা মমতার

একুশের লড়াইয়ে তৃণমূল নেত্রীর মুখোমুখী লড়াইয়ে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর। তিনি একদা শাসকদলেরই প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। ফলে তৃণমূল নেত্রীর কাছে এবারের লড়াই যে যথেষ্ঠই কঠিন তা মানছেন বাংলার রাজনৈতিক মহল। তাই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করার তিন দিন পরই নন্দীগ্রামে পৌঁছে গেলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। করলেন জনসভা, দিনভর কয়েকটি কর্মীসভাও করবেন। তিনি নিজেই বললেন, আমার হয়ে যারা প্রচার করবেন তাঁদের জন্য কিছু সময় দিতে হবে। পাশাপাশি বললেন, ‘আপনারা যদি মনে করেন আমি নাও দাঁড়াতে পারি। আর যদি আপনাদের মনে হয় তবেই আমি মনোনয়ন জমা করব’। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন নন্দীগ্রামের জনসভা থেকে জানিয়ে দিলেন, অনেক আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম হয় নন্দীগ্রাম বা সিঙ্গুর থেকে ভোটে লড়ব। শুভেন্দুকে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন, আগেরবার যখন এখানে সভা করতে এসেছিলাম তখন দেখলাম এখানে কোনও বিধায়ক নেই। পদত্যাগ করে চলে গিয়েছেন। তখনই আপনাদের জিজ্ঞেস করলাম, আপনাদের সাড়া পেলাম, তাই এখানেই দাঁড়ালাম। নয় তো ভবানীপুরেই দাঁড়াতাম।