ব্রেকিং নিউজ
The-judge-reprimanded-the-lawyer-of-the-board-in-the-corruption-case
Corruption: প্রাথমিকে নিয়োগ-দুর্নীতি মামলায় বোর্ডের আইনজীবীকে ধমক বিচারপতির

Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-07-05 16:01:35


প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় বোর্ডের আইনজীবীকে ধমক ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সুব্রত তালুকদারের। বিচারপতি জানিয়ে দেন, আপনার তথ্য জমা দিতে হলে এখনই দিন। পরে আর্ গ্রহণ করবে না আদালত। দুর্নীতি হয়ছে বার বার প্রমাণিত।

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করে রাজ্য। সেখানেই চলে সওয়াল-জবাব।

চাকরিপ্রার্থীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, এই নিয়োগগুলি অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সিদ্ধান্ত ছিল। মানিক ভট্টাচার্য সই করলেন। আরও একজন অজ্ঞাতপরিচয়ের সই আছে  বিজ্ঞপ্তিতে। এই পরীক্ষাতেই ছয়টি প্রশ্ন ভুল ছিল। আদলত আগেই ওই ছয় নম্বর যারা ওই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিল, তাদের দিতে নির্দেশ দিয়েছিল। সেখানেও বিশেষ কয়েকজনকে নম্বর দেওয়া হয়। অন্যদের দেওয়া হয়নি। এখন সিবিআইয়ের হতে আছে সব তথ্য। আচার্য ভবন বন্ধ রেখে সব তথ্য সংগ্রহ করেছে সিবিআই আদালতের নির্দেশে। দ্বিতীয় প্যানেল তৈরি হল। কেউ একজন সই করে বার করলেন, যেটা কম্পিউটার প্রিন্ট। যেটা নিয়ম বিরুদ্ধ। ৭অক্টোবর ২০১৬ শেষ আবেদন নেওয়া হয়েছে। কাগজ তাই বলছে। কিন্তু এক্সপার্ট কমিটি আদালতে সিঙ্গল বেঞ্চে জানিয়েছে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত আবেদন নেওয়া হয়েছে। এই মামলাতেই যাঁরা বেআইনি চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের বেতন বন্ধের নির্দেশ দেওয়া আছে সিঙ্গল বেঞ্চের। বাগ কমিটিও এই দুর্নীতির কথা রিপোর্টে তুলে ধরেছে।

যারা আন্দোলন করছিল ঝামেলা এড়াতে তাদের মধ্যে থেকে কিছু ছেলেমেয়েকে অতিরিক্ত ১ নম্বর দেওয়া হয়। ২০ নভেম্বর ২০১৭ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্রাচার্য সহ অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে একটি মিটিং হয়। সেখানে নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। 

তিনি বলেন, যারা আন্দোলন করছিল ঝামেলা এড়াতে তাদের মধ্যে থেকে কিছু ছেলেমেয়েকে অতিরিক্ত ১ নম্বর দেওয়া হয়। ২০ নভেম্বর ২০১৭ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্রাচার্য সহ অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে একটি মিটিং হয়। সেখানে নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। যদি নিয়োগ স্বচ্ছ হয়, তাহলে তদন্তে ভয় কী! তদন্ত হোক। 

বোর্ডের আইনজীবী লক্ষী গুপ্ত বলেন, বলা হচ্ছে, প্যানেল নিয়ম মেনে প্রকাশ হয়নি। এটা যেমন ভুল, সেরকমই বিক্ষোভকারীদের মধ্যে কয়েকজনকে ডেকে চাকরি দেওয়ার অভিযোগ ভুল। প্রক্রিয়াকরণ চলছে, তাই তাঁরা চাকরি পেয়েছেন। ভুল প্রশ্নের উত্তর যাঁরা দিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে যাঁরা নির্দিষ্ট সময়ে আবেদন করেছিলেন, তাঁদের নম্বর দিয়েছে বোর্ড। দ্বিতীয় দফায় নম্বর দেওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেটা সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়নি, এটা ঠিক। মেনে নিলেন তিনি। কিন্তু এটাতে কোনও ক্রিমিনালিটি আছে কিনা, তাই নিয়েই প্রশ্ন তুললেন তিনি।

কিছু লোকের বেতন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। বোর্ড সেই নির্দেশ মেনে চলছে। যাদের সিবিআই দফতরে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে, তারা নির্দিষ্ট সময়ে প্রশ্নের জবাব দিয়ে এসেছে। কিন্তু এর সুযোগ সিবিআই নিতে পারে। এটার তদন্ত রাজ্য পুলিশের দ্বারাও হতে পারত। এখনই  সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন নেই।

বিচারপতি সুব্রত তালুকদার বোর্ডের আইনজীবীকে বলেন, ২৬৯ কে আপনি ১ নম্বর করে দিলেন। বাকিরা বাদ গেল। এটা তো পাবলিক সার্ভিস পরীক্ষা। কেন এর তদন্ত হবে না?

বিচারপতি আরও বলেন, আপনি শিক্ষক নন, আর আমরা ছাত্র নই যে আপনি যা বলবেন আমায় মেনে নিতে হবে। ক্রিমিনাল অ্যাকটিভিটি হয়েছে, এটা প্রমাণিত।

ট্রেন্ড ক্যান্ডিডেট আর্ নন ট্রেন্ড ক্যান্ডিডেটের ভিত্তিতেই যদি নিয়োগ হয়, তবে অন্য আরও কিছু নিয়ম আছে, যা এক একটা নিয়মকে ভঙ্গ করছে। নিয়মেই সমস্যা রয়েছে।

লক্ষী গুপ্ত বলেন, এটা পুরনো নিয়ম। নিয়মের বদল হয়নি। বোর্ড নিয়ম পালন করছে শুধু।প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির সংক্রান্ত মামলায় সব পক্ষ এদিন তাদের বক্তব্য সংক্ষিপ্ত আকারে লিখিতভাবে জমা করেছে বিচারপতি সুব্রত তালুকদার ও লাপিতা ব্যানার্জির  ডিভিশন বেঞ্চে। আগামী বৃহস্পতিবার মামলার পরবর্তী শুনানি।






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন