ব্রেকিং নিউজ
  (15:40 PM)-ফের আগামি কাল গোয়া সফর করবেন অভিষেক বন্দোপাধ্যায়     (15:37 PM)-রাজ্য সরকারের সামাজিক প্রকল্পের জন্য ১০০০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করল বিশ্ব ব্যাঙ্ক     (14:19 PM)-কালিম্পং জেলার সামসিং ফাঁড়ির মণ্ডলগাও এবং খাসমহল গ্রামে ভল্লুকের আতঙ্ক      (14:17 PM)- বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটিতে হাতির দলের তাণ্ডব। জখম ও মৃত একাধিক গবাদিপশু      (14:15 PM)-বাসন্তীতে উদ্ধার চারটি বেআইনি আগ্নেয়াস্ত্র। ধৃত এক। এলাকায় চাঞ্চল্য      (14:14 PM)-অবৈধ গ্যাস সিলিন্ডার রাখার অভিযোগে মঙ্গলকোটে গ্রেপ্তার এক ব্যক্তি     (14:13 PM)-ডোমজুড়ে পাওয়ার হাউসে অগ্নিকাণ্ড। একটি স্পঞ্জ কারখানায় আগুন     (14:12 PM)-বোমা বিস্ফোরণে জখম তিন শিশু। বহরমপুরের টিকটিকিপাড়া এলাকার ঘটনা     (10:42 AM)-মুম্বাইয়ের বহুতলে সকাল ৭টা নাগাদ আগুন, মৃত ২, হাসপাতালে ভর্তি ১৫     (10:40 AM)-৫ বি তিলজলা রোডে এক প্রৌঢ়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, প্রাথমিক ধারণা আত্মহত্য়া     (10:03 AM)-প্রয়াত প্রাক্তন ফুটবলার তথা কোচ সুভাষ ভৌমিক     (08:15 AM)-২৪ ঘণ্টায় দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৯৪,৭৭৪, সুস্থ ২,৫১,৭৭৭      (08:07 AM)-করোনায় মৃত ৩৫, সংক্রমণের হার কমে ১২.৫৮ শতাংশ      (08:06 AM)-গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত ৯,১৫৪     (07:59 AM)-২২ থেকে ২৪ জানুয়ারি হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা     (07:58 AM)-পশ্চিমী ঝঞ্ঝার জেরে রাজ্য জুড়েই বৃষ্টির সম্ভাবনা  
kishore-song-mukul
Kishore kumar 'এই যে নদী..' গানের জন্য রাতভর ফোন করে গিয়েছিলেন কিশোর কুমার


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-01-10 14:01:08


বিদেশ থেকে অনুষ্ঠান করে বম্বে ফিরে আসার পর খুব উৎসাহ নিয়ে বেশ রাতেই ফোন করলেন গীতিকার মুকুল দত্তকে। বললেন, মুকুলবাবু, বিদেশ থেকে একটা দুর্দান্ত আফ্রিকান টিউন এনেছি। তাড়াতাড়ি আসুন। আপনাকে না শোনানো পর্যন্ত শান্তি পাচ্ছি না। টিউনটা শুনে একটা জমিয়ে গান লিখে দিয়ে যান। পুজোয় রেকর্ড করব। মুকুলবাবু ঘুম চোখে বললেন, ঠিক আছে কিশোরদা, কাল গিয়ে শুনবো। বলে ফোন রেখে শুয়ে পড়েন মুকুলবাবু। এরপর মাঝরাতে আবার ফোন করলেন কিশোর, কী হল, আসবেন না? ঘুম জড়ানো কন্ঠে মুকুল দত্ত জবাব দিলেন, সকালে যাবো। বলে ফোন রেখে দেন। এরপর আবার ভোর সারে চারটেতে কিশোর কুমারের ফোন, কী হল, আসুন মুকুলবাবু। মুকুলবাবু বললেন, প্লিজ কিশোরদা একটু ঘুমোতে দিন।

বম্বেতে সকাল হয় দেরি করে। তাই ভোর সারে চারটে মানে চারদিকে অন্ধকার। ফোন রেখে ঘুমিয়ে পড়েন মুকুল দত্ত। এরপর সকাল সাড়ে নটা নাগাদ কিশোর কুমারের বাড়ি পৌঁছন তিনি। মুকুলবাবুকে দেখেই উত্তেজিত হয়ে ওঠেন কিশোর। বলেন, কখন থেকে বলছি, আপনি এতো দেরি করে এলেন? যাই হোক, নিজের ড্রয়িং রুমে বসিয়ে বললেন, দাঁড়ান, আগে জমিয়ে ব্রেকফাস্ট করে তারপর গান নিয়ে বসব। কিশোরের প্রিয় লুচি, ছোলার ডাল, বেগুন ভাজা, মিষ্টি খাইয়ে বললেন, কী জমল তো। মুকুলবাবু হেসে বললেন, খুব ভালো খেলাম। এরপরে চা এল। কিশোর সেই আফ্রিকান টিউন চালিয়ে দিয়ে বললেন, খুব মন দিয়ে শুনুন। সুগন্ধি চা পান করতে করতে মন দিয়ে মুকুল দত্ত একমনে আফ্রিকান সুরটা ভালো করে শুনে ওখানে বসেই লিখে ফেললেন সেই বিখ্যাত গান, "এই যে নদী যায় সাগরে, কত কথা শুধাই তারে"।

পুরো গানটি লেখা হয়ে যাওয়ার পর কিশোরকে পড়ে শোনাতেই, কিশোর কুমার খুশিতে মুকুলবাবুকে জড়িয়ে ধরলেন। তারপর গানটা গেয়ে শোনালেন মুকুলবাবুকে। এরপরে আরও একটা গান লেখালেন। তারপর খাইয়ে দাইয়ে ছাড়লেন। এরপরে সেই গান রেকর্ড হল। এবং পুজোয় গান বেরনো মাত্রই সুপার হিট হল সেই গান। ভালো গানের প্রতি কিশোর কুমারের যে কতটা আন্তরিকতা, ভালোবাসা ছিল, তা এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায়।

কিশোর কুমার, মুকুল দত্ত কেউই আজ পৃথিবীতে নেই। কিন্তু তাঁদের দুজনের অমর সৃষ্টি "এই যে নদী যায় সাগরে" গানটি আজও শ্রোতাদের কাছে অমর হয়ে রয়ে গেছে।




All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us