প্রাকৃতিক উপায়ে ত্বকের চর্চা

0

স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিত্যদিন বাইরে যেতে হচ্ছে, রোদের সঙ্গে সামলাতে হচ্ছে আরও নানা রকম দূষণ। এতো ঝক্কি-ঝামেলা পোহাতে গিয়ে ত্বক ক্লান্ত হচ্ছে স্বাভাবিকভাবেই। ত্বকে দেখা দিচ্ছে র‌্যাশ, সানট্যানসহ আরো অনেক কিছু। তাই নিয়ম মেনে নিতে হবে ত্বকেরও যত্ন।

অ্যালোভেরা

ত্বকের বিপদ-আপদে নিশ্চিন্তে ভরসা করুন অ্যালোভেরায়। কেনার পর ফ্রীজে দুই/তিনদিন রেখে দিতে পারবেন একটা অ্যালোভেরা। স্নানের আগে, বা ঘুমোতে যাবার আগে কেবল কুড়ি মিনিট সময় দিন নিজেকে। অ্যালোভেরা অল্প ভেঙে নেবেন, দুই পাশ কেটে নিয়ে উপরের শক্ত আবরণটুকুও কেটে বাদ দেবেন। এবার সাবানের মতো পুরো মুখে লাগিয়ে নিন জেলটুকু। মিনিট পনেরো ত্বকে কাজ করার সময় দিন এই জাদুকরী নির্যাসকে। তারপর নিয়ম করে বেশি করে জলের ঝাপটায় মুখ ধুয়ে ফেলুন। প্রতিদিনই সময় না হলে একদিন পরপর অ্যালোভেরা ব্যবহার করুন ত্বকে।

গোলাপজল

ফেসপ্যাক ব্যবহারের ঝামেলায় যান বা না যান , কেবল গোলাপজলই মাঝেমাঝে মুখে লাগিয়ে রাখুন কয়েক ফোঁটা নিয়ে। গোলাপজল ফ্রিজে রাখবেন, আরও স্বস্তি মিলবে ঠান্ডা গোলাপজল মুখে লাগালে। কখনও আবার মুখ ধোয়ার জল একটা পাত্রে নিয়ে তাতে খানিকটা গোলাপজল ঢেলে দেবেন, মুখ ধোয়ার পর ত্বকও সতেজ লাগবে।

সবজির আলু আর সালাদের শসা

বাড়িতে যেদিন খাবারে আলু রান্না করা হবে, আগেভাগেই নিজের জন্যে দুই টুকরো আলু সরিয়ে রাখুন। একইভাবে শসার সালাদ হলে একটু শসা তুলে রাখুন ত্বককে খুশি করতে। কাঁটা চামচ দিয়ে কাঁচিয়ে নিন আলুর টুকরো, শসাকেও এইভাবে কেঁচে নিয়ে রস বের করতে পারেন। আলুর টুকরো এবার ত্বকে আলতো করে চেপে রসটুকু লাগিয়ে নিন। পোড়া ত্বকের ভালো ওষুধ এই আলুর রস। শসার রসও এভাবে ব্যবহার করা যাবে মুখে জুড়ে। চোখের উপরেও আলু আর শসা দুটিই ব্যবহারযোগ্য। ত্বকের পোড়াভাব, কালচে দাগ দূর করতে এটি কার্যকরী।

ডাবের জল

বেশ ভালো প্রাকৃতিক ক্লিনজার হলো ডাবের জল। সরাসরি ডাবের জলে ত্বক ধুয়ে নেবেন বা বাটিতে নিয়ে তুলো কিংবা নরম কাপড় ভিজিয়ে সেটা মুখে লাগাবেন। কিছুক্ষণ রেখে তারপর একবার জলের ঝাপটা দিয়ে নেবেন মুখে। মলিনতা কাটিয়ে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে ডাবের জলভীষণ কার্যকরী।