ব্রেকিং নিউজ
who-will-switch-to-tmc-from-bjp-after-arjun-and-babul
Organisation: অর্জুন-বাবুলের পর এবার বিজেপির কারা তৃণমূলমুখী?

Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-05-31 21:40:42


প্রসূন গুপ্ত: যে কোনও দলের কাছে রাজনীতির রণনীতি সাজাতে গেলে প্রথম দরকার সংগঠন। সারা ভারতে যে সমস্ত দল রয়েছে অথবা কখনও না কখনও ক্ষমতায় এসেছে তার কৃতিত্ব যেমন দলের প্রধান নেতা বা নেত্রীর তেমন সংগঠনেরও বটে। ২০১৯-এ এ রাজ্যে বিজেপি লোকসভা নির্বাচনে ১৮টি আসন পেয়েছিলো অবশ্যই মোদী ঝড়ে কিন্তু তার থেকেও বেশি একটা সাংগঠনিক পরিকাঠামো হয়েছিল।

যদিও ওই সংগঠনের অধিকাংশই ছিল প্রাক্তন বামেরা এবং তৃণমূলের একটি অংশ। কিন্তু এদেরই একটি অংশ ২০২১ এর নির্বাচনের পর পালাই পালাই করছে। যুক্তি কী? আসলে ক্ষমতার অলিন্দে থাকতে চায় সবাই।

এরাই আজ প্রবল শক্তিশালী তৃণমূলে ঢোকার জন্য উন্মাদ হয়ে গিয়েছে। আগামী দিনে তৃণমূলের শক্তিক্ষয় হলে ফের নতুন দল খুঁজবে। মুশকিল হচ্ছে বিভিন্ন দলের নেতারাই এদের দলে টেনে নিচ্ছে নিজের ব্যক্তিগত শক্তি বাড়াতে। শক্তি কতটা বৃদ্ধি হচ্ছে সন্দেহের বরং নানান কেলেঙ্কারির দায়ে পড়ছে ওই নেতারা, যথা পরেশ অধিকারী।

সোমবার ব্যারাকপুরের মঞ্চ থেকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, দলে এক নম্বর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিন্তু দ্বিতীয় স্থানে কেউ নেই।  অর্থাৎ তিনি বললেন তিনিও আম কর্মীদেরই অংশ। এই সম্মান প্রাপ্তির স্থানে তিনি পুরানো তৃণমূল কর্মীদের প্রথম স্থানে বসলেন। ওই তাদের যারা দুঃসময়ে দলের সঙ্গে ছিল এবং কাজ করেছে ২০২১-এও।  কিন্তু ওই পুরাতন কর্মীদের সঙ্গে বহু অন্যদল বিশেষ করে সিপিএম থেকে আসা লোকজন আছে। অভিষেক জানিয়েছেন, তারা দলের বিশেষ সুবিধা পাবে না। একই সঙ্গে বলেছেন, তৃণমূলের দরজা খুলে দিলে হু-হু করে বিজেপির নেতা কর্মীরা ঢুকে পড়বে। অতএব তাদের কি দলে নেওয়া উচিত প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন জনতার উদ্দেশে। জনতার উত্তর না, অভিষেক জানালেন তবে দরজা বন্ধ করে দিচ্ছি।

কিন্তু দরজার বাইরে তো বিশাল ভিড়। এমনও অনেক সাংসদ আছেন যাঁরা তৃণমূলে আসতে চাইছে অর্জুনের মতো। দেখার বিষয় এদের আটকানো হবে কিনা। সংগঠন কিন্তু আপত্তি জানিয়েছে অভিষেকের কাছে।






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন