ব্রেকিং নিউজ
political-war-of-words-between-tmc-and-bjp-over-inviting-mamata-to-inauguarate-sealdah-metro
Metro: মেট্রো উদ্বোধনে আমন্ত্রণ বিতর্ক, 'তৃণমূল ভিক্ষে চায় না', মন্তব্য কুণালের, পাল্টা খোঁচায় দিলীপ

Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-07-11 17:18:30


শিয়ালদহ মেট্রোর উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা। বাকযুদ্ধে জড়িয়েছে তৃণমূল এবং বিজেপি। সোমবার এই মেট্রো স্টেশনের উদ্বোধন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর স্মৃতি ইরানির হাত দিয়ে। আমন্ত্রণ পেয়েছেন স্থানীয় সাংসদ এবং বিধায়ক। কিন্তু প্রাথমিক আমন্ত্রণ তালিকায় নাম নেই মেয়র ফিরহাদ হাকিম, রাজ্যপাল এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। যদিও রবিবার কার্ড পাঠিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। এমনটাই দাবি কলকাতা মেট্রো রেলের। আর মেট্রো রেলের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করেছে তৃণমূল।

দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের ট্যুইট, 'কী ভেবেছে মেট্রো রেল? আগের রাতে একটা কার্ড ফেলে এসে মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ? বিভেদকামীদের ভিক্ষে আমরা চাই না। এই সব মেট্রো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অবদান।  কোথায় ছিল বিজেপি? আজ উদ্বোধনে নেত্রীকেই অপমান?ইউনেস্কোর দুর্গাপুজো স্বীকৃতি নিয়েও এই ধরণের জঘন্য মানসিকতা দেখিয়েছে বিজেপি।' পাশাপাশি কলকাতার মেয়র তথা মন্ত্রী ফ্রিহাদ হাকিম বলেছেন, 'এটা একটা অসভ্যতা। মুখ্যমন্ত্রীকে একটা কার্ড বাড়িতে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে আসে। এটা অসভ্যতা। কারণ, প্রোটোকল অনুযায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর আগে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নাম থাকা উচিত। এত অপমান হওয়ার পাত্র আমরা নই। বিজেপি যেটা নিয়ে লাফাচ্ছে। এটা বাংলার মানুষের টাকা।'

পাল্টা খোঁচা দিতে ছাড়েনি বিজেপি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মন্তব্য, 'আমন্ত্রণ কেন করবে, প্রশাসনিক সভায় উনি বিরোধী সাংসদ-বিধায়কদের ডাকেন?'

বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ জানান, এক সময় এই প্রকল্প রাজ্য করবে ভেবেছিল। কিন্তু করতে পারিনি, কেন্দ্র তা করেছে। আর এটা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখন রাজনীতি করছে। কেন্দ্র তার দায়িত্ব পালন করেছে, এখন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী এসেছেন উদ্বোধন করতে। মানুষ সেবা পাবে। কিন্তু যারা কিছু করতে পারে না তারা রাজনীতি করছে।'

মেদিনীপুরের সাংসদ আরও বলেন, 'যথা সময়ে জানিয়েছে। যারা কোনদিন বিরোধীদের আমন্ত্রণ জানান না, সম্মান দেন না, তারা এটা নিয়ে ফালতু বিতর্ক করছেন। খড়গপুর, মেদিনীপুরে মমতা ব্যানার্জি এসে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক করেন। আমি এখানে পাঁচ বছর ধরে বিধায়ক ও সাংসদ আছি। আমাকে একটা চিঠি দেওয়া হয় না। খড়গপুর বিধায়ক আছেন, কখনও আমাদের ডাকা হয় না। সরকারি মিটিংকে পার্টির মিটিং করা হয়। তারা মনে করেন প্রশাসন ও পার্টির মধ্যে কোন তফাৎ নেই। আমরা সৌজন্য জানি তাই প্রধানমন্ত্রীর অনুষ্ঠানে সবাইকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। তাদের যাওয়ার মুখ নেই। যে ভাষায় তারা সমালোচনা করেন, কথা বলেন, যদি যান তাহলে লোকেরা তাদের ধুয়ে দেবেন। তাই ভয়ে যাচ্ছেন না।'






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন