২৩ জুন, ২০২৪

Vote: ত্রিপুরায় ভোট, কে কোথায় দাঁড়িয়ে (পর্ব-৩)
CN Webdesk      শেষ আপডেট: 2023-01-16 12:31:34   Share:   

প্রসূন গুপ্ত: ত্রিপুরায় যত বাঙালি থাকে এখন তাদের মধ্যে ৯০% ওপার বাংলার, মূলত কুমিল্লার। একটা সময়ে কুমিল্লার মধ্যেই ত্রিপুরার অবস্থান ছিল অথবা ত্রিপুরা কুমিল্লার সমগোত্রীয় ছিল। এবারে প্রশ্ন থাকছে ত্রিপুরায় মুসলিম ভোটাররা এল কোথা থেকে, যাদের একটা সামান্য ভোট শতাংশ আছে। এটা বিভিন্ন মত আছে, কেউ বলে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ওদেশ থেকে মুজিব-বিরোধী একটি সংখ্যা ত্রিপুরায় আসে। আবার অনেকেই বলে পশ্চিমবঙ্গ থেকে অনেকে বাণিজ্য করতে ওই রাজ্যে গিয়ে থেকেছে। এটাও সত্যি ত্রিপুরার আদিবাসীদের মধ্যেও অনেক মুসলিম ভোটারও আছে। তবে এদের ভোটের উপর ভরসা করে কোনও দলই ভোটের হাওয়া ধরে না, পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এই মুসলিম ভোটাররাই আবার রাজনৈতিক দলের ভরসা।

আদিবাসী ত্রিপুরীদের বাঙালিদের উপর চিরকাল একটা বিদ্বেষ আছে। ফলে উপজাতি নেতা বিভিন্ন দলে রাখতেই হচ্ছে। উপজাতি ভোটের সহযোগিতা না পেলে ত্রিপুরা দখল কঠিন। এটা মানেন ডান, বাম সবপক্ষ। বাম বা সিপিএম আমলে এদেরকে অনেকটাই বশে আনতে পেরেছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। পরে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরও বামেরা কিন্তু আদিবাসী ভোট পেয়েছিল। কিন্তু মূল ভোট টেনে নিয়ে যায় বিজেপির জোট সঙ্গী আইপিএফটি। এবার ভোটে ওই আইপিএফটি ভোটে থাবা বসাবে নতুন দল টিপরা মোথা। এই উপজাতিরা, শেষ খবর অবধি যা জানা যাচ্ছে যে, তারা ত্রিপুরার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে আছে। যে ভাবে উত্তরবঙ্গজুড়ে ছড়িয়ে নেপালি বা গোর্খা ভোট। বর্তমান বিজেপি সরকারে এই উপজাতির পক্ষে মন্ত্রী রয়েছে। তাই এঁদের উপর অনেকটাই নির্ভর করবে রাজ্য বিজেপি।

অন্যদিকে কংগ্রেসের সুদীপ রায়বর্মন ত্রিপুরী উপজাতির সঙ্গে অনেকটা সম্পৃক্ত। তিনি তাঁদের ভাষা অনর্গল বলতে পারেন। সুদীপ বিজেপিতে যাওয়ায় গেরুয়া শিবিরের গত নির্বাচনে ভোট বেড়েছিল। এবার সুদীপ কংগ্রেসের মুখ ফলে এই দিকটা রাজ্য বিজেপির একটা চিন্তা। (পরের পর্ব)

 


Follow us on :