ডুয়ার্সে পর্যটকদের সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে চলেছে পুলিশ

0

পুজোর মরশুম শেষ, অনেকেই কাজে যোগ দিয়েছেন। কিন্তু তাবলে ভ্রমণের মরশুম কিন্তু শেষ হয়নি। সবে শীতের শুরু, সামনে লম্বা মরশুম। মাফলার কানে পেঁচিয়ে শীতের রোদ গায়ে মেখে পাহাড়ে বা সমুদ্রের পাড়ে ঘুরে বেড়ানো বাঙালি আপনি এই সময় যে কোনও সময় গেলেই দেখতে পাবেন। শীত পড়তেই ভিড় বাড়ে ডুয়ার্সের জঙ্গলে। যে কটি ট্রেন চলছে উত্তরবঙ্গমুখী, সেগুলির টিকিট ইতিমধ্যেই শেষ। ফলে পর্যটনের ভরা মরশুমে ভ্রমণকে সুরক্ষিত করতে উদ্যোগী হল আলিপুরদুয়ার জেলা ট্রাফিক পুলিশ। শুক্রবারই হয়ে গেল মাদারিহাট, জলদাপাড়া এলাকার সাফারি গাড়ি চালক ও সাফারি গাড়ির মালিকদের নিয়ে এক বৈঠক।

এই শীতের মরশুমে প্রতিবছর দেশ বিদেশের প্রচুর পর্যটকের আগমন হয় জলদাপাড়ায়। পর্যটকরা আসে মূলত জঙ্গল সাফারি করতেই। তাই জঙ্গল সাফারির সঙ্গে যুক্ত সংস্থার সমস্ত কর্মীদের ডাকা হয়েছিল এই প্রশাসনিক বৈঠকে। করোনা আবহে কিভাবে পর্যটকদের নিয়ে ভ্রমণ সম্পন্ন করতে হবে এবং দুর্ঘটনা এড়ানো সংক্রান্ত সমস্ত বিষয়ে আলোচনা হয়।

আলিপুরদুয়ার ট্রাফিক পুলিশ ইনচার্জ জয়দীপ মোদক জানিয়েছেন, আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য সাফারি চালক ও পর্যটকদের সুরক্ষা প্রদান করা। তাঁরা যেন কোনও দুর্ঘটনার শিকার না হন এই জন‍্য বেশ কিছু উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, জলদাপাড়া টুরিস্ট লজ থেকে এশিয়ান হাইওয়েতে ওঠার আগে স্পিড ব্রেকার বসানো হচ্ছে।

পাশাপাশি এবার ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যাও বাড়ানো হচ্ছে। রাখা হবে ট্রাফিক সহায়তা কেন্দ্রও। যাতে সাফারি গাড়িগুলি নির্বিঘ্নে জঙ্গলে প্রবেশ জঙ্গল থেকে বেরিয়ে সুরক্ষিত ভাবে টুরিস্ট লজে ফিরে আসতে পারে। উল্লেখ্য, করোনার জেরে দীর্ঘ ছমাস বন্ধ ছিল ডুয়ার্সের পর্যটন কেন্দ্রগুলি। ফলে চরম আর্থিক সমস্যায় ভুগতে হয়েছে পর্যটনে যুক্ত স্থানীয় বাসিন্দাদের। এবার শীতের ভরা মরশুমে ফের লাভের মুখ দেখার আশায় তাঁরা। তৈরি হচ্ছে পুলিশ-প্রশাসনও।