ষষ্ঠীতে পুজোর বোধন মোদির বক্তৃতায়

0

ভার্চুয়াল বক্তৃতায় বাংলার মানুষকে পুজোর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ষষ্ঠীর সকালে সল্টলেকের ইজেডসিসিতে বিজেপির অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দিল্লিতে রয়েছি। কিন্তু উৎসাহ দেখে মনে হচ্ছে দিল্লি নয়, কলকাতায় আছি। বাংলার মানুষ চিরকাল দেশকে উন্নতির পথ দেখিয়েছেন। ভবিষ্যতেও বাঙালিরা ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দুর্গাকে দুর্গতিনাশিনী বলে। দুর্গাপুজো যেখানেই হয়, সেখানে অভাব দূর হয়। গরিবের কল্যাণ হয়। চণ্ডীমঙ্গল থেকে রজনীকান্ত সেন, সত্যজিৎ রায় ,ঋত্বিক ঘটক, উত্তম-সুচিত্রা, রবীন্দ্রনাথ, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় থেকে কাজি নজরুল, জগদীশচন্দ্র বসু, আচার্য সত্যেন্দ্রনাথ বসু তাঁর বক্তৃতায় উঠে এল বাঙালির আবেগের নানা কথা। রামকৃষ্ণ, চৈতন্যদেব, রাসমনি, বাবা লোকনাথ, অনুকূল ঠাকুর, গুরুচাঁদ, হরিচাঁদ, পঞ্চানন বর্মা বাদ পড়েননি কেউই। ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড়’ কিংবা ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’-র মতো লাইন বাংলায় বলেছেন।

বহুবার এসেছেন রবীন্দ্রনাথ। তাঁর ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল’ও বাদ পড়েনি। সুভাষচন্দ্র, শ্যামাপ্রসাদ থেকে ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকি, মাতঙ্গিনী, বাঘা যতীন স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রসঙ্গে বলেছেন প্রায় সবারই নাম। দিল্লির বিজেপির সরকারের কাজকর্ম তুলে ধরে তিনি বলেন, মহিলাদের শক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চলছে। দেশের ২২ লক্ষ মহিলার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে। মাতৃত্বকালীন ছুটি বাড়ানো হয়েছে। ১২ সপ্তাহ থেকে ২৬ সপ্তাহ করা হয়েছে। ‘বেটি বাচাও বেটি পড়াও’ প্রকল্পে জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জনধন যোজনা, উজ্জ্বলা যোজনা ও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় বাংলায় কী কী কাজ হয়েছে, সেই পরিসংখ্যানও দেন তিনি। আত্মনির্ভর ভারতের পাশাপাশি সোনার বাংলা গড়ার আহ্বানও জানিয়েছেন মোদি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র গান দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।