অস্টমীতে ‘নো-এন্ট্রি’ জোনে অঞ্জলি দিয়ে বিপাকে নুসরত-সৃজিতরা

0

নিউ আলিপুরের সুরুচি সঙ্ঘ, প্রতিবছরই এই পুজো মণ্ডপে হাজির হন অসংখ্য সেলিব্রেটি। কারণ রাজ্যের হেভিওয়েট নেতা তথা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের পুজো বলেই পরিচিত সুরুচি সঙ্ঘ। কিন্তু এই বছর দুর্গোপুজোর আবহ সম্পূর্ণ আলাদা। কারণ করোনার জেরে সংক্রমণের আশঙ্কায় এবার কলকাতা হাইকোর্ট এবার ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে। মণ্ডপে সাধারণ দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষেধ। কিন্তু সুরুচি সঙ্ঘে একঝাঁক সেলিব্রেটি অঞ্জলি দিলেন আগের মতোই। ফলে এবার তাঁদের আদালত অবমাননার দায়ে পড়তে হতে পারে। তালিকায় রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ তথা অভিনেত্রী নুসরত জাহান, তাঁর স্বামী নিখিল জৈন, তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্র, পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রী রাফায়েত রশিদ মিথিলা। অভিযোগ তাঁরা হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে সুরুচি সঙ্ঘেরর মণ্ডপের ভিতর নো এন্ট্রি জোনের ভিতর অস্টমীর অঞ্জলি দিয়েছেন।

এছাড়া কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র তাঁর লোকসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন মণ্ডপে ঘুরে অঞ্জলি দিয়েছেন বলে তাঁর ফেসবুক পেজে দেখা গিয়েছে। তাঁদের আইনি নোটিশ পাঠাতে চলেছেন পুজো অনুমতি সংক্রান্ত মামলার আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। শনিবার সংবাদমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন সব্যসাচীবাবু নিজে। তিনি আরও জানিয়েছেন, অন্যান্য যারা একইভাবে আইনভঙ্গ করেছেন তাঁদেরও আইনি নোটিশ পাঠানো হবে। আইনজীবীর যুক্তি, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুজো কমিটির সদস্য ছাড়া অন্য কারও মণ্ডপে প্রবেশ নিষেধ। তাহলে এই সেলিব্রেটিরা মণ্ডপে ঢুকলেন কী করে? এরা কি পুজো কমিটির সদস্য? সূত্রের খবর, সাংসদ নুসরত জাহান ও পরিচালক সৃজিত সুরুচি সঙ্ঘের সদস্য। এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে তাঁদের নামের তালিকা কি আগেভাগেই পুলিশের কাছে জমা পড়েছিল? তবে নুসরতের স্বামী এবং সৃজিতের স্ত্রী সদস্য কিনা জানা যায়নি।