কেন লাগল এমন ভয়ঙ্কর আগুন? প্রশ্ন মমতার, উত্তর দিল রেল

ব্রিটিশ আমলে তৈরি রেলের ভবনটির অবস্থান কলকাতার কেদ্রস্থলে। বহু পুরাতন এই বহুতলটি প্রায় হেরিটেজে পরিণত হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় রেলের ওই নিউ কয়লাঘাট বিল্ডিংয়েই ভায়াবহ আগুন লাগে। দমকল কর্মীরা রাতভর লড়াই চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনেন ভোর চারটে নাগাদ। সোমবার কার্যত সারারাতই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দৌড়াদৌড়ি করেছেন একবার অকুস্থল একবার হাসপাতাল। তিনি একসময় রেলমন্ত্রী ছিলেন কাজেই তিনি জানেন এই স্ট্যান্ড রোডের বাড়িটি বহু পুরোনো। ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই রেলের অসহযোগীতা ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতা নিয়ে কয়েকটি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর দাবি, আগুন লাগার পর ওই বিল্ডিংয়ের একটি ম্যাপ চেয়েও পাওয়া যায়নি। যার জেরে আগুন নিয়ন্ত্রনে আনতে বেগ পেতে হয়েছে দমকল কর্মী আধিকারিকদের।


পাশাপাশি তিনি এও দাবি করেন, ঘটনাস্থলে রেলের কোনও আধিকারিক ছিলেন না। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মর্মান্তিক ও ভয়াবহ দুর্ঘটনা, খুবই দুঃখজনক। রেল আলাদা তদন্ত করলেও কলকাতা পুলিশও তদন্ত করবে। মঙ্গলবার সকালে মুখ্যমন্ত্রীর একটি দাবি মেনে নেয় রেল কর্তৃপক্ষ। এদিন পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার মনোজ জোশী সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে বলেন, ‘গতকাল ঘটনাস্থলে রেলের আধিকারিকরা ছিলেন। সেই মুহূর্তে হয়তো মানচিত্র পাওয়া যায়নি। কিন্তু রেলের কর্মী যাঁরা ছিলেন ভবনের কোথায় কী রয়েছে, তাঁরাই সে বিষয়ে উদ্ধারকারীদের সহযোগিতা করেছেন’। অর্থাৎ রেলের দাবি, রেলের আধিকারিকরা দমকল এবং পুলিশকে সহযোগীতা করেছেন। রেলমন্ত্রী পীযুষ গয়াল সবরকম সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।