Durga Puja: পুজোয় এবার পর্যটকদের টানছে পাহাড়!

সামনেই বাঙালিদের শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গোপূজো। তবে পুজোতে অনেকেই আছে যারা ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন। পছন্দের জায়গা হিসেবে অনেকেই আবার পাহাড়ি পথকেই বেছে নেয় ।করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের চোখরাঙানি থাকলেও বাংলার পর্যটকদের একাংশ পুজোতে ঘরে থাকতে চাইছে না।  শিলিগুড়ির রোদ ঝলমলে আকাশে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা যাচ্ছে। এমন সময় কি আর চার দেওয়ালের অন্দরে বসে থাকা যায়? এক্কেবারেই না! গতবার কার্যত ঘরবন্দি দশা ছিল পায়ে সরষে লাগানো বাঙালির। এবার অবস্থা গতবারের থেকে ভাল। তাই এবার পুজোয় পর্যটকদের টানছে পাহাড়। যেভাবে করোনা  আতঙ্ক ছড়িয়েছে, সেই তুলনায় বাংলায় প্রভাব কম। সাবধানতা মেনেই তাই ভিনরাজ্যে পা দিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না বাঙালি। বরং রাজ্যেরই বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে তুলনামূলক আগ্রহ বেশি। পর্যটন ব‌্যবসায়ী ও পূর্ব রেলের দেওয়া তথ্যে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে এই তথ্য ।পঞ্চমী ও ষষ্ঠী মূলত ভ্রমণার্থীদের যাত্রার দিন। নিউ জলপাইগুড়িগামী ট্রেনগুলিতে জায়গা অনেক আগে থেকেই পরিপূর্ণ।


দার্জিলিং এক্সপ্রেস, সরাইঘাট এক্সপ্রেস ও কামরূপ এক্সপ্রেসে পঞ্চমীর দিন ওয়েটিং লিস্ট একশো থেকে দেড়শো ছাড়িয়ে গিয়েছে। ষষ্ঠীর দিন দু’শোর উপরে। টিকিট না পেয়ে হতাশ অনেকেই। পুজোর মুহূর্তে শেষ চেষ্টা করতে তৎকালের শরণপন্ন হবেন অনেকে। কুঁদঘাটের বিপিন দাস বলেন, “সরাইঘাট এক্সপ্রেসের টিকিট কাটলেও অনেকটা ওয়েটিং রয়েছি। কনফার্ম না হলে তৎকালে শেষ চেষ্টা করব সেই সময়।”

পাহাড়ের দিকে জনস্রোত থাকলেও মুম্বই ও দক্ষিণ ভারতের দিকে টিকিটের মোটেই চাহিদা নেই পুজোর সময়। গীতাঞ্জলি এক্সপ্রেস, করমণ্ডল এক্সপ্রেস, চেন্নাই মেলে পুজোর দিনগুলিতে টিকিট পাওয়া যাচ্ছে। স্লিপার ও এসি প্রতি ক্লাসেই টিকিট পাওয়া যাওয়ায় স্পষ্ট, যে যাত্রীদের চাহিদা নেই সেদিকের প্রতি। পুজোয় বরাবর ছেলের কাছে গেলেও গতবার যাননি, এবারও ওমুখো হবেন না। করোনার  ভয়ে। ওদিকে সংক্রমণ বেশি বলে তিনি সেদিক এড়িয়ে চলছেন এবার। তবে দার্জিলিং-এও সংক্রমণ বাড়ায় চিন্তিত পর্যটন ব্যবসায়ে যুক্তরা।


Tags:
Durga Puja
north bengal