বেশ কয়েকজনের দফতর বদল

শিক্ষায় ব্রাত্য, পার্থ পেলেন শিল্প, পরিবহণে ফিরহাদ, দফতর বন্টন মমতার

তৃণমূল সরকারের তৃতীয় মন্ত্রীসভা শপথ নেওয়ার কিছু সময় পরই মন্ত্রীদের দফতর বন্টন করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতবারের সঙ্গে এবারের মন্ত্রীসভায় অনেকটাই অদল বদল করলেন নেত্রী। বরাবরের মতো মুখ্যমন্ত্রী নিজের হাতেই রাখলেন স্বরাষ্ট্র, স্বাস্থ্য ও পার্বত্য বিয়য়ক দফতর। সেই সঙ্গে উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন, ভূমি ও ভূমি সংস্কার এবং উদ্বাস্তু উন্নয়ন দফতরও নিজের হাতেই রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই কয়েকটি বড় দফতরে অদলবদল করলেন তিনি। যেমন শিক্ষা দফতর পার্থ চট্টপাধ্যায়ের হাত থেকে সরিয়ে দিলেন ব্রাত্য বসু। স্কুল ও উচ্চ শিক্ষা দুই দফতরই থাকছে ব্রাত্যর হাতে।


পার্থ চট্টোপাধ্যায় পেলেন শিল্প ও বাণিজ্য দফতর। তৃণমূলের প্রথম মন্ত্রীসভায় এই দফতরই ছিল পার্থর হাতে। অপরদিকে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের হাত থেকে খাদ্য দফতর তুলে নিয়ে দিলেন মধ্যমগ্রামের বিধায়ক রথীন ঘোষকে। তিনি এই প্রথমবার মন্ত্রী হলেন। জ্যোতিপ্রিয় হলেন বন দফতর, যা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে ছিল। পাশাপাশি অচিরাচরিত শক্তি দফতরও এল তাঁর হাতে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে বিদ্যুৎ দফতরের দায়িত্ব তুলে নিয়ে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে দেওয়া হল কৃষি দফতর। পুর-নগরোন্নয়ন মন্ত্রক হারালেন ফিরহাদ হাকিম, তাঁকে দেওয়া হল পরিবহণ এবং আবাসন দফতরের দায়িত্ব। পুর-নগরোন্নয়ন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। এছাড়া আগের দফার মতোই পঞ্চায়েত দফতর থাকল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের হাতেই। সাধন পাণ্ডের হাতে ক্রেতা সুরক্ষা, অমিত মিত্রর হাতে অর্থ দফতর এবং মলয় ঘটকের হাতে আইন, অরূপ বিশ্বাসের হাতে ক্রীড়া ও যুবকল্যাণ দফতর রয়েছে। শশী পাঁজার হাতেই থাকল নারী ও শিশু কল্যাণ দফতর। সুজিত বসুর হাতেই থাকল দমকল দফতর।