ডাক্তার নেই, ওষুধ দিচ্ছে দোকানীরাই

করোনা আবহে ভারত সহ বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে ডাক্তারবাবুর দেখা মেলা ভার । কোনও সমস্যা হলে ডাক্তারের চেম্বারে যেতেই হয়ে রুগীকে । চোখ থেকে ব্যাথা বেদনায় স্পেশালিস্টদের এপোয়েনমেন্ট পাওয়া দুষ্কর । অনেকেই অনলাইন চিকিৎস্যা করছেন । বর্ষার সময়ে সাধারণ সময়ের থেকে মানুষ অসুস্থ বেশি । এই সময়ে পেটের গন্ডগোল বাড়ে তার সাথে জ্বর তো আছেই । গত গ্রীষ্মের শেষভাগে প্রায় প্রত্যেকের ঘরে ঘরে এক অদ্ভুত জ্বরের প্রকোপ বেড়ে গিয়েছিলো । সামান্য সর্দি তারপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর । প্রাথমিক ভাবে মনে হতেই পারে করোনা পরীক্ষা করা হোক, সেটাই স্বাভাবিক । কিন্তু ধুম জ্বরবের রুগীর টেস্ট হবে কোথায় আর হবেই বা চটজলদি কি করে ?

এই সর্দি জ্বর কিংবা পেটের সমস্যা থেকে জ্বর হলেই করোনা টেস্ট করতে পাঠাও । ডাক্তাররা না দেখে ওষুধ দেবেন কি করে ? তাঁরা ঠেলে দিচ্ছেন টেস্ট করতে । জ্বর বাড়ছে ফলে রুগীর বাড়ির লোককে শরণাপন্ন হতে হচ্ছে ওষুধের দোকানের । নির্বিকার ভাবেই অনেক দোকানি জ্বরের এবং এন্টিবায়োটিক দিয়ে দিচ্ছেন । পেটের গন্ডোগোলেও তাই । কাউকে এন্টাসিড এবং গ্যাসের ওষুধ ধরিয়ে দিচ্ছে রুগীকে । কিন্তু এটা সম্পূর্ণ বেআইনি । রুগীর অবস্থান বুঝতে সক্ষম একমাত্র চিকিৎসক । এবারে তাঁকে না পেলে বেচারা রুগী করবেটা কি ? এই চলেছে করোনা আবহে । তবুও চিকিৎস্যকদের মতে বর্ষার সময়ে জল ফুটিয়ে খান বিশেষ করে কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নোংরা জল মিশে গিয়েছে পানিও জালের সাথে । ডাক্তারবাবু বলছেন হালকা খাবার খান । একবেলা অধিক খাওয়া হলে রাতে একেবারে হালকা খাবার খাওয়া উচিত । তাঁরা বলছেন খাবার গরম করে খাওয়াই উচিত । 


Tags:
shopkeeper
medicine
doctor