ফাইল চিত্র

China: দেশ ভাসছে জলে ,তাও নজর ভারতে

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের উন্নতি ঘটিয়েছে চীন। তথ্যপ্রযুক্তি হোক কিংবা কৃষি ক্ষেত্র, শিক্ষা ,স্বল্প মাঝারি শিল্প সহ ভারী শিল্পেও উন্নতি সাধন করেছে চীন। আমেরিকার পরেই বৈদেশিক বাণিজ্যে নিজেদের অবস্থান ধীরে ধীরে উপরের সারিতে নিয়ে এসেছে চীন। 

মূলত এশিয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যসহ ক্ষমতার রাস নিজেদের হাতে তুলে নেওয়ার জন্য বরাবরই সচেষ্ট। চীনের এই আগ্রাসী নীতির ফলে অনেক সময়ই প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে বৈদেশিক সম্পর্ক অনেক সময়ই তলানিতে ঠেকেছে। 

সম্প্রতি পাকিস্তানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে তালিবান-সরকার প্রতিষ্ঠাতা সহযোগিতা করছে চীন। তারই ফলস্বরূপ ভারতীয় ভূখণ্ডে একাধিকবার অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে চীন। ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধের পর কিছুটা হলেও পিছু হটেছে চীন। তারপর পেরিয়ে গেছে বহু বছর তারি মাঝে একাধিকবার ভারতীয় ভূখণ্ডে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে চীন। 

সম্প্রতি তাওয়াং সীমান্তের  বুমলা এবং কুন্টোস দিয়ে চীনা ১০০ জন সৈনিক ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢোকার চেষ্টা করে। ভারতীয় সেনা বাহিনীর তৎপরতায় অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ হয় কিন্তু তারপরেই এদিন ১৩ তম সামরিক বৈঠকে মুখোমুখি হলো ভারত ও চীনের সামরিক বাহিনীর আধিকারিকরা। 

ভারতীয় সেনাবাহিনীর সঙ্গে বৈঠকের আগেই সীমান্তে ১০ হাজার সৈনিক মোতায়েন করেছে চীন ফলে চীনের সদিচ্ছা নিয়ে বরাবরই প্রশ্ন চিহ্ন থেকেই গেছে। একদিকে যখন ভারতের সীমান্তে সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে চীন, তখন অন্যদিকে চীনের সাংসি প্রদেশ সহ একাধিক শহর-গ্রাম সম্মুখীন হয়েছে ভয়াবহ বন্যার। 

চীনের সরকারি মুখপত্রের খবর অনুযায়ী প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মানুষকে অস্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত করা হয়েছে সাংসি প্রদেশ থেকে। বিগত ৩০ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়নি চীন। ১ লক্ষ ৯০ হাজার হেক্টর চাষের জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাড়ি বন্যার জলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। গৃহহীন বহু মানুষ। দেশের অভ্যন্তরে বিপর্যস্ত বর্ণনায় অথচ অন্য রাষ্ট্রের সীমান্তে সমস্যার সৃষ্টি করতে তৎপর চিনা সরকার। বরাবরই চীন দ্বিমুখী নীতি নিয়ে চলে সে কথা আবারও প্রমাণিত।


Tags:
China
floating
water