দিল্লিতে মমতা-বিনীত বৈঠক,হাওয়ালা কান্ডে চাপে ধনখড়!

নয়াদিল্লিঃ সম্প্রতি তৃণমূল সুর চড়িয়ে ছিল হাওয়ালা মামলায় ধনখড়ের নাম নিয়ে। ওই মামলায় ৪২ জন হেভিওয়েট রাজনীতিবিদদের নাম রয়েছে। তালিকায় ৩৩ নম্বরে নাম রয়েছে ধনখড়ের। এই ধনখড়ের নাম প্রকাশ্যে আনেন সাংবাদিক বিনীতকুমার।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে পা রাখতেই, তার সঙ্গে দেখা করতে আসেন সাংবাদিক বিনীতকুমার। এদিন সন্ধেতে দুজনের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা বৈঠক হয়। তবে কী বিষয়ে বৈঠক তা জানা যায়নি। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, হাওয়ালা মামলায় রাজ্যপালের নাম নিয়েই আলোচনা হতে পারে। 

বিনীতকুমারের অভিযোগ ছিল, জৈন ভাইদের উদ্ধার হওয়া ডায়েরিতে তৎকালীন ‘প্রাক্তন মন্ত্রী’ ধনখড়ের নামে ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নেওয়ার বিষয়টি লেখা ছিল। বিনীত বলেছিলেন, ‘নৈতিকতার কারণে ধনখড়ের অবিলম্বে রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত।’

 যদিও হাওয়ালা মামলায় নাম নিয়ে রাজ্যপাল জানিয়েছিলেন , ওই মামলায় তার নাম জড়ালেও বেকসুর খালাস পেয়েছিলেন তিনি। 

এরপরেই রাজ্যসভার মুখ্য সচেতক সুখেন্দ শেখর রায় প্রশ্ন তুলেছেন, নথিতে এই ধনখড় নামে ব্যাক্তিটি তাহলে কে, সেটা রাজ্যপালই জানান।' 

উল্লেখ্য,১৯৯১ সালে কাশ্মীর থেকে এক হিজবুল জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আশফাক হুসেন লোন নামক সেই জঙ্গিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গিয়েছে, হাওয়ালার মাধ্যমেই টাকা আসত ওই জঙ্গি সংঘটনের হাতে। আশফাক জানায়, সেই টাকা আসত, সুরেনদ্র কুমার জৈন নামক এক শিল্পপতির কাছ থেকে। 

এই হাওয়ালরা জৈনের আত্মীয়রাও জড়িত ছিলেন বলে জানা যায়। আশফাকের সেই বয়ানেই ভিত্তিতেই তল্লাশি চালান গোয়েন্দারা। খোঁজ মেলে জৈনের আরও দুটি নোটবুক।  কবে কাকে কত টাকা দিয়েছে, তা সেখানে লিখে রেখেছিলেন জৈন। 


Tags:
Jain Hawala Case
Dhankhar