পেগাসাস হ্যাক নিয়ে প্রতিক্রিয়া ভারতের

ভারতের গণতন্ত্র শক্তিশালী। যা সকল  নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে গোপনীয়তার অধিকারকে রক্ষা করতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যদিও কয়েকটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় ভারত সরকার একথা জানিয়েছে। যে সংবাদমাধ্যমগুলিতে বিশ্বব্যাপী সাংবাদিক, সমাজকর্মী এবং মন্ত্রীদের ফোনে নজরদারি নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান’, ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’, ‘দ্য ওয়ার’-সহ ১৭ টি সংবাদমাধ্যমের একটি গোষ্ঠীর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘পেগাসাস’ নামে পরিচিত একটি ফোন হ্যাকিং সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপী হাজার-হাজার মানুষকে নিশানা করা হয়েছিল।

ইজরায়েলি সংস্থা ‘এনএসও গ্রুপ’ নামে যে সংস্থা ‘পেগাসাস’ তৈরি করেছে, সেই সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে, শুধুমাত্র সরকারি ক্রেতাদেরই বিক্রি করা হয় সেই ফোন হ্যাকিং সফটওয়্যার। কেন্দ্রের প্রতিক্রিয়ায় আরও জানানো হয়েছে, সংসদ-সহ অন্যত্র তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক বিস্তারিতভাবে জানিয়েছে যে সরকারি এজেন্সিগুলির তরফে ‘কোনও অনুমোদনহীন নজরদারি’ চালানো হয়নি। ভারত সরকারের তরফে বলা হয়েছে, ‘এটা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ যে শুধুমাত্র জাতীয় স্বার্থের কারণে চালানো নজরদারির ক্ষেত্রে সরকারি এজেন্সিগুলির একটি সুপ্রতিষ্ঠিত প্রোটোকল আছে। যা স্পষ্টভাবে বর্ণিত। সেই প্রোটোকলের মধ্যে আছে উচ্চপদস্থ কেন্দ্রীয় এবং রাজ্য সরকারি আধিকারিকদের অনুমোদন এবং তদারকি।’ প্রতিক্রিয়ায় দাবি করা হয়েছে, প্রতিটি নজরদারির বিষয়ে অনুমোদন দেয় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ অর্থাৎ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব। এদিকে বাদল অধিবেশন শুরুর আগেই  ফোন ট্যাপিং নিয়ে ইতিমধ্যে শোরগোল তৈরী হয়েছে।

Tags:
pegasus hack
india
haccker