By-Election: ভবানীপুর নির্বাচনী প্রচার থেকে কি সরলেন দিলীপ ?

কলকাতাঃ সদ্য খোয়া গিয়েছে রাজ্য সভাপতির পদ । এখন দিলীপ ঘোষ সর্বভারতীয় সহ সভাপতি, যা নিয়ে বাজারে রটনা রয়েছে " ছেলে ভোলানো পদ" । এই পদ একসময় পেয়েছিলেন রাহুল সিংহ, মুকুল রায় । বাস্তবিকই তাঁদের করার কিছু ছিল, রয়েছে প্রশ্ন ? বিজেপি দলে মূল চালিকা শক্তি থাকে সভাপতি , তারপর সাংগঠনিক সম্পাদক। এদের কাছেএ জানা যায় যদিও দলের কথা। তবে কাজ করতে হবে, পদ বড় কথা নয় । কিন্তু বাস্তব যেটি তা দিলীপ ঘোষের সাংগঠনিক কর্মকান্ডেই,  ৩ থেকে রাজ্য বিজেপি ৭৭ ( যা এখন ৭১ ) আসন পেয়েছে বলে দাবি পুরাতন বিজেপি কর্মীদের । মাঝে মধ্যে কটূক্তি করলেও দলের আদর্শচ্যুত হন নি কখনও দিলীপবাবু । নির্লোভ, জনগণের কাজে অভিজ্ঞ দিলীপ ঘোষের ভাবনা ছিল, তাঁকে আচমকা পদ থেকে বাতিল করা হবে না । যদিও অনেকের মতে, নতুন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দিলীপ ঘনিষ্ট কিন্তু বাস্তব সত্য ক্ষমতার শিখরে গেলে কেউ কারুর অনুগত থাকে না ।

দিলীপ ঘোষের এই বিদায় লগ্নে দলের অনেকেই দুঃখিত । দিলীপবাবু দলীয় কর্মীদের পাশে থাকতেন সর্বদাই । পুরাতনদের ধারণা, ভোটের ফলের জন্য তাঁর দায়িত্ব গিয়েছে কিন্তু বাস্তব বলে এবারের বাংলার ভোট থেকে প্রার্থী নির্বাচন সবই করেছে কেন্দ্র । তৃণমূল থেকে আসা প্রায় সবাই দিল্লি গিয়ে দল বদল করেছে এবং তাদের সিংহভাগই ভোটে নির্মম ভাবে হেরেছে, তবে দিলীপবাবুর দায় আসছে কি করে ?  বাবুল দলত্যাগ করে মূলত দুষেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে । গুঞ্জনে যা উঠে এসেছে , শুভেন্দু অধিকারীর ক্ষমতা বাড়াতেই নাকি এই ভাবনা । অন্য দিকে দিলীপবাবু যাচ্ছেন দক্ষিণবঙ্গে, জানালেন প্রচারে । কিন্তু দক্ষিণবঙ্গে তো কোনও ভোট নেই, তবে প্রচার কিসের ? অন্যদিকে  দিলীপবাবু যে ভবানীপুরে  যাচ্ছেন না, তাও পরোক্ষে জানিয়ে দিলেন । 


Tags:
Dilip Ghosh
bjp



এই সংক্রান্ত আরও খবর পড়ুন :