ব্রেকিং নিউজ
  মহালয়ার আগে কাটছে নিম্নচাপ দক্ষিণবঙ্গে, উত্তরবঙ্গের ৫ জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা     অস্থায়ী কর্মীদের স্থায়ীকরণের দাবীতে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার বাঁকুড়া ডিপো ঘেরাও করে বিক্ষোভ     কুড়মিদের রেল অবরোধ আজ পঞ্চম দিন, পুরুলিয়া কুস্তাউর রেল স্টেশনে রেল ট্রাক এ বসে আন্দোলনকারীরা      ক্যানিংয়ে গাছ কাটার প্রতিবাদ করায় আক্রান্ত বৃদ্ধ দম্পতি     রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বারাসাতে এক বেসরকারি হাসপাতালে, মৃতদেহ ফেলে রেখে বিক্ষোভ পরিবারের  
Trinamool-activists-involved-in-bamboo-poles-CCTV-footage-in-front
Bansdroni: নাম জড়াল তৃণমূল কর্মীর,সামনে এল সিসিটিভি ফুটেজ

Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-04-20 15:16:13


মঙ্গলবার ভরদুপুরে গুলি (Shootout) চলল দক্ষিণ কলকাতার (Kolokata) বাঁশদ্রোণীর(Bansdroni) ব্রহ্মপুর খ্রিস্টানপাড়ায়। জখম ২। তাঁরা হলেন মলয় দত্ত এবং বিশ্বনাথ সিং। সিন্ডকেট(Syndket) নিয়ে বিবাদের জেরেই এই গুলি বলে জানা গিয়েছে। মলয় দত্তকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে (SSKM Hospital)।

তবে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর কোথায় গেল বিশ্বনাথ সিং? মলয় দত্তের বিষয়ে সব জানা গেলেও বিশ্বনাথ সিং কোন হাসপাতালে রয়েছেন? ঘটনাস্থল থেকে কোথায় গেলেন? কোনও কিছুই জানা যায়নি। তারপরই তদন্তে উঠে এসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ঘটনায় নাম উঠে এসেছে তৃণমূল কর্মী (TMC Worker) বিশ্বজিৎ দাসের নাম। সিসিটিভি ফুটেজে (CCTV Footage) দেখা গিয়েছে, মঙ্গলবারের ঘটনার দিন গুলিবিদ্ধ বিশ্বনাথ সিং বাইকে করে বিশ্বজিৎ দাসের বাড়ির দিকে যান।

ওই বিশ্বনাথ সিং ঘটনার দিন তাঁর বাড়ির সামনে যান তা নিজেই স্বীকার করে নিয়েছেন তৃণমূল কর্মী বিশ্বজিৎ দাস । তিনি বলেন, ঘটনার দিন বিশ্বনাথ বাবু তাঁর ছেলের বাইক করে গ্রিন পার্কে বিশ্বজিৎ বাবুর বাড়ির সামনে আসেন। তিনি তখন বাড়ি থেকে বেরোচ্ছিলেন। মাস আটেক আগে তাঁর এলাকারই জমিজমা সংক্রান্ত একটা কাজের ব্যাপারে আলাপ হয়েছিল বিশ্বনাথ বাবুর সঙ্গে। ভেবেছিলেন কাজের বিষয়ে কোনও কথা বলতে তিনি এসেছেন। কিন্তু পরে দেখেন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন বিশ্বনাথ বাবু। আর তাঁর ছেলে বলেন তাঁদের কিছু দুষ্কৃতি তাড়া করছে। বিশ্বনাথ বাবুকে হাসপাতালে ভর্তি করে দেওয়ার আর্জি জানান। তখন অ্যাম্বুলেন্স না পেয়ে অটো করে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দেন তিনি। বর্তমানে বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন বিশ্বনাথ সিং ওরফে বাচ্চু। এর বাইরে তিনি কিছুই জানতেন না। তিনি জানতে পেরে নরেন্দ্রপুর থানায়(Narendrapur police station) খবর দেন।

লালবাজার গুন্ডা দমন শাখার(Lalbazar Anti-Rowdy Branch) সহযোগিতায় বাঁশদ্রোণীর ব্রহ্মপুর শ্যুটআউট কাণ্ডে মূল অভিযুক্ত শম্ভু সর্দার ও তার সহকারি অরিজিৎ পোদ্দার ও শেখ সৈয়দকে কাল রাতেই গ্রেফতার করেছে বাঁশদ্রোনি থানার পুলিস। শ্যূটআউটে ব্যবহৃত সাত এম এম দেশি পিস্তল বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

পুলিস সূত্রে খবর, একসময়ে ওই এলাকায় উত্তম মণ্ডল জমি ও প্রোমোটিং ব্যবসার মাথা ছিল। তাঁর অধীনে কাজ করতেন বাচ্চা ওরফে বিশ্বনাথ এবং মলয়। পরে বাচ্চা আলাদা হয়ে যায়। আলাদা হয়ে যায় মলয়ও। কিন্তু ভিতরে উত্তমের সঙ্গে মলয় যোগসাজশ রেখেই জমি, প্রোমোটিং এবং সিন্ডিকেট সামাল দিচ্ছিল বলে পুলিস সূত্রে খবর।

ব্যালিস্টিক রিপোর্টে(Ballistic Report )প্রাথমিকভাবে যে তথ্য উঠে এসেছে, তাতে মঙ্গলবার প্রথম গুলি চালায় বিশ্বনাথ সং। মলয় দত্ত সরে যাওয়ায় গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর মলয়ের অফিসে তাঁরই পাশে বসে থাকা শম্ভু বিশ্বনাথকে কার্যত পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি চালায়।

উল্লেখ্য, বাঁশদ্রোণী ঘটনায় লালবাজার থানার গুণ্ডা দমন শাখার পুলিস যে ৫ জনকে আটক করেছে, তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি(Arrest) পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। পুলিস সূত্রে খবর, তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও রয়েছে। এছাড়া বিশ্বনাথ সিং মলয়কে লক্ষ্য করে যে গুলি চালিয়েছিল, সেই পিস্তল এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি।






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন