ব্রেকিং নিউজ
The-municipality-will-identify-and-demolish-illegal-mobile-towers-in-the-city
Tower: বেআইনি মোবাইল টাওয়ার ভেঙে দেবে পুরসভা

Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-08-04 08:31:39


শহর থেকে বেআইনি টাওয়ার (Mobile Tower) সরিয়ে ফেলবে পুরসভা (KMC)। ব্যাঙের ছাতার মতো বাড়ি ও আবাসনের ছাদে গজিয়ে উঠেছে মোবাইল টাওয়ার। অনেক টাওয়ার পুরসভার অনুমতি ছাড়া বসানো হয়েছে। এবার এই সব বেআইনি টাওয়ার (Illegal Tower) চিহ্নিত করে সেগুলি ভেঙে (Demolisition) ফেলবে কলকাতা পুরসভার আলোক দফতর।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি ও আবাসনে মোবাইল টাওয়ার বসানোর ছাড়পত্র রয়েছে। কিন্তু এক্ষেত্রে কিছু নিয়মাবলী রয়েছে। টেলিকমিউনিকেশনের বিজ্ঞপ্তিতে নিয়মাবলীর কথা বলা রয়েছে। সেগুলি যথাযথভাবে মানলে তবেই টাওয়ার বসানোর অনুমোদন দিয়ে থাকে পুরসবার বিল্ডিং দফতর। যেমন, বাড়ির ভিত কতটা মজবুত, বাড়িটির কাঠামো কেমন, মাটির স্বাস্থ্য কতটা ভালো, যে নির্মাণের ওপর টাওয়ার বসানো হবে সেটি বৈধ কি না, নির্মাণের নো অবজেকশন সার্টিফিকেট আছে কি না, বাড়ির মালিক সম্পত্তিকর দেয় কি না, দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ ও দমকলের ছাড়পত্র আছে কি না ইত্যাদি। তবে আবাসনের উচ্চতা ১৫.৫ মিটারের কম হলে দমকলের ছাড়পত্র লাগে না। এছাড়া যে সংস্থা টাওয়ার বসাচ্ছে, তার লাইসেন্স থাকতে হবে। এসব থাকলে তবেই টাওয়ার বসানোর অনুমোদন মেলে।

আগে পুরসভার সদর দফতর থেকে টাওয়ার বসানোর অনুমতি নিতে হত। এখন অবশ্য বরো থেকেই অনুমোদন দেওয়া হয়। বিল্ডিং দফতর সূত্রে খবর, বাড়ি কিংবা বহুতলের ছাদে একটি টাওয়ার বসানোর চার্জ হিসেবে ২ লাখ টাকা নিয়ে থাকে পুরসভা। ২০১২-২০১৩ সালে জিও আসার আগে শহরে বেআইনি টাওয়ারগুলিকে জরিমানা নিয়ে বৈধ করেছে পুরসভা। বৈধ করতে টাওয়ার পিছু এক লাখ করে টাকা নেওয়া হয়েছিল। তবে এরপরও বেআইনিভাবে টাওয়ার বসানো হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। গত জুলাইয়ে পুরসভার মাসিক অধিবেশনে কাউন্সিলর রূপক গঙ্গোপাধ্যায় এনিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। কাউন্সিলরের প্রশ্নের উত্তরে মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছিলেন, শহরে কোনও অবৈধ টাওয়ার থাকলে তা ভেঙে ফেলা হবে। সেইমতো আলোক দফতর শহরে অবৈধ টাওয়ার চিহ্নিতকরণের কাজ শুরু করছে। মেয়র পারিষদ (আলোক) সন্দীপরঞ্জন বক্সি বলেন, শহরে যেসব বেআইনি টাওয়ার রয়েছে, সেগুলি চিহ্নিত করে ভেঙে ফেলা হবে। শহরের পরিবেশ ও স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

যেখানে টাওয়ার বসানো হয়, সেই এলাকায় কীটপতঙ্গ যারা পরাগ সংগ্রহ করে তারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। টাওয়ারের রেডিয়েশন মানবদেহেরও ক্ষতি করে থাকে। তাই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় টাওয়ার বসানো উচিত নয় বলে মত বিশেষজ্ঞদের। আগামীদিনে ৫ জি নেটওয়ার্ক চালু হবে। এতে পরিবেশের ক্ষতি হবে। তাই এখন থেকে বেআইনি টাওয়ার সরিয়ে ফেললে পরিবেশ ও স্বাস্থ্য দুই-ই সুরক্ষিত হবে বলে তিনি জানান।






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন