ব্রেকিং নিউজ
Near-the-Park-Circus-station-the-locals-grabbed-the-newborn-holding-him-close-to-his-chest
Newborn baby পার্ক সার্কাস স্টেশনের কাছেই ফুটফুটে সদ্যোজাত, বুকে আগলে ধরলেন স্থানীয়রা

Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-01-20 18:34:18


শহর কলকাতা ও জলপাইগুড়ি, ভৌগোলিক দিক থেকে দূরে হলেও দুটি শহরই কোথায় যেন মিলে গেল এক সুতোয়। রাজ্যের দুই প্রান্তের মানুষের মানবিকতার সাক্ষী থাকলেন রাজ্যবাসী। দুটি শহরেই দুই সদ্যোজাত পেল ঘর।

ভোর তখন চারটে। শীতের শহর তখনও তেমন জাগেনি। অথচ এক সদ্যোজাত ভূমিকন্যা তখন চরম অসহায়তায় কারও পথ চেয়ে। যখন মায়ের ওম পাওয়ার কথা ছিল তার, তখন শিশুকন্যা লড়ছে নিজের অস্তিত্বকে বাঁচিয়ে রাখতে। তার জীবনই শুরু যুদ্ধ দিয়ে। আসলে  ওকে পৃথিবীর আলো দেখিয়ে ফেলে রেখে গেছে কেউ। কিন্তু কেন?

কিন্তু অলক্ষ্যে কেউ ছিলেন ওর জন্য। হঠাৎই পার্কসার্কাস স্টেশন লাগোয়া রেললাইনের ধারে লোহাপুলের নিচে সদ্যোজাতের দেহ দেখতে পান এক কাগজওয়ালা। খবর দেন এক স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাঁরাই তড়িঘড়ি ছুটে গিয়ে সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে বুকে আগলে নিয়ে আসেন ঘরে। শিশুটিকে পরিস্কার করে, পরিচর্যা করে খবর দেন পুলিসে। পুলিস কন্যাসন্তানটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করে। শিশুটিকে নিজেদের ঘরে রেখে মানুষ করতে চান লক্ষ্মীদের মতো মানুষরা। যাঁরা এ ধরনের কাজকে রীতিমতো অন্যায়  বলে মনে করেন।

 

কলকাতার পাশাপাশি মানবিকতার পরিচয় দিলেন জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়ির এক দম্পতি। মৃত্যুর মুখে ফেলে যাওয়া সদ্যোজাত শিশুকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলেন হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, ময়নাগুড়ির নয়াবাড়ি-পাহাড়পুর এলাকায় বাড়ি নীতিশ রায়ের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে ছোট একটি চা বাগান। বুধবার রাতে নীতিশবাবুর স্ত্রী কবিতা রায় সেই চা বাগানের মধ্য থেকে শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। কান্নার আওয়াজ শুনে দম্পতি ছুটে যান চা বাগানে। দেখতে পান যে, সদ্যোজাত জীবিত একটি পুত্রসন্তানকে কেউ চা বাগানের নালার মধ্যে ফেলে গিয়েছে। আর কোনও কিছু না ভেবেই শিশুকে উদ্ধার করে রাতেই জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন ওই দম্পতি। চিকিৎসার জন্য তড়িঘড়ি তাকে এসএনসিইউ'তে ভর্তি করা হয়। শিশুটিকে নিজেদের কাছে রাখার কথা জানান ওই দম্পতি।

আসলে এভাবেই এরা বাঁচে। বাঁচে অন্যের ভালোবাসায়, পরম যত্নে।






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন