১৮ জুন, ২০২৪

Divorce: শোভন-রত্না বিবাহবিচ্ছেদ মামলায় সাক্ষ্য দিলেন বৈশাখী, গরহাজির তৃণমূল বিধায়িকা
CN Webdesk      শেষ আপডেট: 2023-02-07 11:18:09   Share:   

শোভন চট্টোপাধ্যায় এবং রত্না চট্টোপাধ্যায়ের বিবাহ-বিচ্ছেদ মামলায় সোমবার সাক্ষ্য দিলেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও সোমবার গরহাজির ছিলেন রত্নাদেবী। এদিন মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ পর্বে উপস্থিত থেকে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় তৃণমূল বিধায়ক তথা রত্না চট্টোপাধ্যায়কে কটাক্ষের সুরে বিঁধেছেন। তাঁর বিবাহবিচ্ছিন্না স্ত্রী, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করছেন। সাক্ষীকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন। এহেন অভিযোগ তুলে কলকাতার প্রাক্তন মেয়রের দাবি,'গতবার অভব্যতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছিল এজলাসের ভিতরে এবং বাইরে। যাতে সাক্ষী দিতে না পারে সেই আবহ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু আমি কৃতজ্ঞ ডক্টর বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষ্য দিতে এসেছেন।'

তিনি জানান, 'আমাকে সাধারণ মানুষ হিসেবে বাঁচতে দেওয়ার সুযোগ করে দিক আদালত। আমি বারবার সেই প্রার্থনা করেছি।' সাক্ষ্য দিয়ে বেড়িয়ে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'যেহেতু আমার সাক্ষ্যর দিন ছিল, তাই সাক্ষ্যগ্রহণে কোনও দেরি হয়নি। পুলিস প্রশাসনের কাছে কৃতজ্ঞ তারা সাক্ষ্যগ্রহণের কাজ সুষ্ঠুভাবে শেষ করতে সাহায্য করেছে। গত দু'দিন ধরে যেভাবে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা হয়েছিল, সেখানে এদিনের সাক্ষ্যগ্রহণ সাধারণ মানুষের কাছে বড় জয়।'

তৃণমূল বিধায়ক রত্না চট্টোপাধ্যায় হুমকি এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করছেন, এহেন অভিযোগ তুলে বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়ও বলেন, 'আমি ভয় পেলে বাড়িতে বসে থাকতাম। আমার কাজে ভয়ের লেশমাত্র নেই। উনি একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে যদি বলেন কোর্ট ঘেরাও করে দেব, তাহলে আমার মতো সাধারণ মানুষের ভয় পাওয়ার কথা। কিন্তু উনি যদি কোর্টে না আসেন, তাহলে আমার মনে হয় উনার শুভবুদ্ধির উদয় হয়েছে।'

এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে রত্না চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, 'গত ৫ বছরে আমার সঙ্গে কেউ কোর্টে যায়নি। উনি প্রথম থেকেই বাউন্সার ঘেরাও হয়ে কোর্টে যেতেন, পুলিসি পাহারা থাকতো। তখন কাকে ভয় পেতেন, আমি তো তখন একটা লোককেও নিয়ে যেতাম না।'

তাঁর দাবি, 'পরপর দুটি শুনানিতে আমার দলের ছেলেরা গিয়েছে। যারা গিয়েছিল তাঁদের প্রত্যেককে শোভন চট্টোপাধ্যায় চেনেন। কিন্তু বলা হচ্ছে অপরিচিত মুখ নিয়ে গিয়েছিলাম। সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। শোভন-বৈশাখীর আসল চরিত্র আপনারা দেখেননি। আমার দলের ছেলেদের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। আমার সঙ্গে লোক গেলে এরা, গুণ্ডাবাহিনী, অসামাজিক তকমা দিয়ে বেড়াচ্ছে। তাই আমাকে নিরাপত্তা দিতে গিয়ে ওরা ফেঁসে গেলে সেটা হওয়া উচিৎ নয়। তবে আমি খুশি শোভন-বৈশাখী ভয় পেয়েছে। ওরা একটু বুঝুক ভয় কাকে বলে।'


Follow us on :