ব্রেকিং নিউজ
  Weather Update: বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বঙ্গের বিভিন্ন জেলায়      Sourav-Wriddhi: বেহালা ছেড়ে ৪০ কোটির বাড়িতে সৌরভ, কিন্তু বাংলা ছাড়ছেন না ঋদ্ধি     Delhi Rain: ঝড়বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত দিল্লি, বিদ্যুৎ-বিভ্রাট, ব্যাহত বিমান চলাচল     Monkeypox: মাঙ্কিপক্স নিয়ে ভারতকে সতর্ক করল হু     Lake Club: আজই খুলছে দুটি রোয়িং ক্লাব, তবে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, উঠছে সতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন     Anubrata: এবার ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় মঙ্গলবার তলব অনুব্রতকে     Fire: মহেশতলায় গেঞ্জি কারখানায় বিধ্বংসী আগুন     SSC: ব্রাত্য বসুকে আজই তলব করলেন রাজ্যপাল     Market: ভোজ্যতেল, আলুর পর কি এবার ডালের দামও বাড়ছে? আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ     Corona Update: দেশে সংক্রমণ এবং মৃত্যু নিম্নমুখী      Suicide: কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামের পাশেই নিরাপত্তারক্ষীদের সুপারভাইজারের ঝুলন্ত দেহ     Ceremony: ৯৫ বছর বয়সে বৃদ্ধ খুঁজে নিলেন স্বপ্নের মহিলাকে, বাঁধলেন গাঁটছড়া     Arjun singh: আজ জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক অর্জুনের, তৃণমূলে ফিরতে পারেন ছেলেও     Delhi: মাটিতে জাতীয় পতাকা পেতে নমাজ পাঠ! দিল্লির ঘটনায় তোলপাড় দেশ     Alipurduar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ঢুকছে পুরুষের অ্যাকাউন্টে!     Nabanna: আজ নবান্নে লোকায়ুক্ত বৈঠক, মমতার মুখোমুখি হচ্ছেন না শুভেন্দু     Switzerland: পর্বতমালার ঢালের ঘাসবন সাদা সুগন্ধি পেপার হোয়াইট নার্সিসাসে     Afghanistan: মহিলারা মুখ না ঢেকে খবর পড়লে পরিণতি ভালো হবে না, এবার হুঁশিয়ারি     Auto: পুলিসি হয়রানির প্রতিবাদ, উল্টোডাঙায় একযোগে সব রুটোর অটো বন্ধ     Ukraine: ধ্বংসের মাঝেও সৃষ্টি! খারকিভ পুনর্নির্মাণে উদ্যোগী ইউক্রেন প্রশাসন  
bollywood-aruna-pran
Bollywood ভিলেন প্রাণের ভয়ে কলকাতার হোটেলে বেশ কিছুক্ষণ আতঙ্কে ছিলেন অরুণা ইরানি


Post By : সিএন ওয়েবডেস্ক
Posted on :2022-01-16 08:46:55


সেটা ষাটের দশকের শেষের দিকের ঘটনা। অরুণা ইরানি তখন নবাগতা অভিনেত্রী। "জোহর মেহেমুদ ইন হংকং" ছবিতে অরুণা ইরানি নির্বাচিত হওয়ার পর তাঁকে ছবির আউটডোর শুটিংয়ে হংকং যেতে হয়। এই ছবিতে তাঁর সহ শিল্পীদের মধ্যে ছিলেন প্রাণ, মেহেমুদ, আই.এস.জোহর, সনিয়া সাহানি প্রমুখ। অরুণা ইরানি তখন নবাগতা। তার মধ্যে একা গিয়েছেন হংকংয়ে আউটডোর শুটিংয়ে। তখন অরুণার অভিজ্ঞতাও কম। হংকংয়ে শুটিং করতে বেশ কয়েকদিন কেটে গেল। শুটিংয়ের ব্যস্ততা, তারপর শহর ঘুরে দেখা, শপিং করা, সব মিলিয়ে ভালোই দিন কাটল অরুণা ইরানির। এরপর কাজ কয়েকদিন আগেই শেষ হয়ে গেলে তাঁকে দেশে ফেরানোর ব্যাবস্থা করা হয় প্রোডাকশনের পক্ষ থেকে। একই দিনে বিখ্যাত ভিলেন প্রাণের কাজও শেষ হয়ে যাওয়ায় প্রাণ সাহেবের সাথে একসঙ্গে অরুণা ইরানির দেশে ফেরার ব্যবস্থা করা হয়। এই ব্যবস্থার কথা শুনে অবশ্য ঘাবড়ে গিয়েছিলেন অরুণা ইরানি, এই ভেবে যে ওরকম দুর্ধর্ষ ভিলেনের সঙ্গে তিনি এতদূর একা যাবেন কীভাবে? তবে এই ভেবে তিনি রাজি হয়ে যান যে, তাঁরা তো প্লেনে করে সোজা দেশে ফিরবেন। প্লেনের ভিতরে তো অনেক লোক থাকবে। সুতরাং ভয়ের কিছু নেই বলেই তাঁর মনে হয়েছিল। তাই নিশ্চিন্তেই অরুণা ইরানি প্রাণের সঙ্গে একই বিমানে হংকং থেকে দেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন।


তখনকার দিনে হংকং থেকে প্লেন কলকাতায় আসত, কলকাতা থেকে বম্বের কানেক্টিং ফ্লাইট ধরতে হতো। কিন্তু হংকং থেকে প্লেন দেরি করে ছাড়ায় তা নির্ধারিত সময়ের পরে কলকাতা পৌছয়। তাই অরুণা ইরানি ও প্রাণের বম্বে যাওয়ার প্লেন মিস হয়ে যায়। পরের দিনের সকালের আগে আর কোনও বম্বে যাওয়ার প্লেন না থাকায় প্রাণ সাহেব পরের দিনের সকালের বম্বে ফ্লাইটের টিকিট বুক করে অরুণা ইরানিকে জানান যে, আজ রাতে কলকাতায় থাকতে হবে। এই কথা শুনে খুবই ভীত হয়ে পড়েন অরুণা ইরানি। একজন ওরকম দাপুটে ভিলেনের সাথে তাঁকে একই হোটেলে রাত্রিবাস করতে হবে শুনে তিনি এক অজানা ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে আসার পর রিসেপশনে সইসাবুদ সেরে ঘরের চাবি নিয়ে মালপত্র পাঠিয়ে দিয়ে প্রাণ অরুণাকে নিয়ে হোটেলের রেস্তোরাঁয় যান ডিনার সারতে। ভালো ভালো খাবার অর্ডার করে অরুণাকে খেতে বলেন। আর প্রাণ সাহেব নিজের জন্য একের পর এক উষ্ণ পানীয় অর্ডার করে মেজাজ করে পান করে চলেছেন। তখন অরুণার খুবই করুণ অবস্থা। কোনওমতে খাবার খেলেও খাবার যেন তাঁর গলা দিয়ে নামতে চাইছে না। এক অজানা আশঙ্কা তাঁকে কুরে কুরে খাচ্ছে। হৃদ্কম্প শুরু হয়ে গেছে। গলা শুকিয়ে কাঠ। এদিকে প্রাণের পান ও আহার শেষ হওয়ার পর অরুণাকে ইশারায় তাঁর সাথে যেতে বলেন। কিন্তু অরুণা যেন উঠতেই পারছেন না। যাই হোক, কোনও মতে প্রাণের সাথে লিফ্টে করে উপরে উঠে আসতে আসতে অরুণার হৃদকম্পন মারাত্মক রকম বেড়ে যায়, মাথা ঘুরতে থাকে। তিনি কিছুতেই ভাবতে পারছিলেন না, কীভাবে প্রাণের মতো ভিলেনের সাথে একই ঘরে তিনি রাত্রিবাস করবেন। ঘরের সামনে এসে প্রাণ চাবি ঘুরিয়ে দরজা খুলে আলো জ্বালিয়ে বাইরে এসে অরুণাকে বললেন, যাও, তোমার ঘরে দরজা বন্ধ করে দাও। আমি পাশের ঘরে আছি, কোনও দরকার হলে ডেকো। কাল সকালে প্লেন ধরতে হবে, তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়। তারপর গুড নাইট করে অরুণা তাঁর ঘরের দরজা বন্ধ করলে প্রাণ নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেন। ঘরে ঢুকে অরুণা ইরানি কিছুক্ষণ চুপ করে বসে থাকেন। তাঁর চোখে জল এসে যায় এই ভেবে যে, প্রাণের মতো একজন ভদ্রলোককে তিনি কীরকম ভুল বুঝেছিলেন।






All rights reserved © 2021 Calcutta News   Home | About | Career | Contact Us

এই সংক্রান্ত আরও পড়ুন