Breaking News
Mahua Moitra: লোকসভায় খারিজ মহুয়ার সাংসদ পদ, পাশে মমতা, তোপ বিজেপিকে      ED: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে প্রাক্তন শিক্ষকের বাড়িতে ইডি হানা!      Ragging: যাদবপুরে ফের র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ! প্রথম বর্ষের ছাত্রকে ফোন করে দেওয়া হত হুমকি...      Film Festival: শুরু ২৯তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব, উদ্বোধনে 'বাদশা' নয় ভাইজান      SSKM: বেড নেই এসএসকেএম-এ! দেড় বছরের শিশুকে ফিরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে      BJP: জাতীয় সঙ্গীত 'অবমাননা' মামলায় জোর ধাক্কা রাজ্যের! বিজেপি বিধায়কদের গ্রেফতারে 'না' হাইকোর্টের      Recruitment Scam: ফের তৃণমূলের দুই কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে উদ্ধার নিয়োগ সংক্রান্ত নথি ও অ্যাডমিট কার্ড!      Congress: স্বাধীনতার পর প্রথম তেলেঙ্গানায় সরকার গঠনের পথে কংগ্রেস      Deganga: গুরুতর অভিযোগ! মিড ডে মিলের চাল লুকিয়ে রাখা হচ্ছে স্কুলের শৌচালয়ে      Sujoykrishna: সুজয়কৃষ্ণের ভয়েস স্যাম্পেল টেস্টে 'ঢিলেমি'! এসএসকেএম-এর ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন     

Soil

Katwa: ভাগীরথী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি পাচারের অভিযোগ

অবৈধভাবে নদীপাড়ের মাটি কেটে চলছে রমরমে ইটভাটা। পূর্ব বর্ধমানের কালনা মহকুমার কৃষ্ণদেবপুর পঞ্চায়েতের ভাগীরথীর তীরবর্তী এলাকায় মাটি পাচারের অভিযোগ। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরে নৌকা করে দিনে দুপুরে চলছে মাটি কাটার কাজ। ভাগীরথীর জল একটু কমতেই নদীর পাড়ের মাটি অবৈধভাবে কাটা হচ্ছে বলে অভিযোগ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এক একটি ট্রলারে করে এই মাটি বিক্রি করে প্রায় ১৮০০ থেকে ২০০০ টাকা লাভ হয় বলে অনুমান। আর এই মাটি কাটার ফলে নদী ভাঙ্গন বাড়ছে এবং এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকাবাসীদের জমি। কিন্তু মাটি মাফিয়ারা এতটাই সক্রিয় যে ওদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতেও ভয় স্থানীয়রা। 

পাশাপাশি ভাগীরথী তীরবর্তী এলাকায় গড়ে উঠেছে সাত-আটটি ইটভাটা। প্রশ্ন উঠছে নদীপাড়ে ইটভাটার লাইসেন্স পেল কিভাবে এই ইটভাটার মালিকেরা। তাছাড়াও ইটভাটা মালিকদের কি বৈধ লাইসেন্স আছে? যদিও লাইসেন্স পেয়েও থাকে তা কিভাবে পেল?

এই ইটভাটা গুলো মূলত ভাগীরথীর মাটি দিয়ে ইট তৈরি করে বলে অভিযোগ। এভাবে দিনের পর দিন চলতে থাকলে আগামী দিনে নদী ভাঙ্গন ক্রমশ বাড়তে থাকবে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাটি বিক্রির টাকা দুটো থানায় টাকা দিতে হয়, মাসোয়ারা আছে কালনা থানা ও শান্তিপুর থানায়। তাই পুলিস অভিযুক্তদের  ধরপাকড় করে না। 

4 weeks ago
Chandrayaan 3: চন্দ্রপৃষ্ঠে ইসরোর লোগো ও জাতীয় প্রতীকের স্পষ্ট ছাপ ফেলতে পারেনি প্রজ্ঞান! প্রকাশ্যে নয়া তথ্য

চাঁদের সূর্যোদয়ের পরও ঘুমিয়ে রয়েছে চন্দ্রযান৩-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার 'বিক্রম' (Vikram) ও রোভার 'প্রজ্ঞান' (Pragyan)। বর্তমানে এগুলো নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে থাকলেও আশাবাদী ইসরোর (ISRO) বিজ্ঞানীরা। খোদ ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানিয়েছে, তারা যে কোনও সময় জেগে উঠতে পারে। কিন্তু এসবের মাঝেই এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেলেন বিজ্ঞানীরা। জানা গিয়েছে, চাঁদের মাটিতে রোভার প্রজ্ঞান স্পষ্টভাবে ছাপ ফেলতে পারেনি ইসরোর লোগো ও অশোকস্তম্ভের চিহ্ন। তবে এতে ইসরোর বিজ্ঞানীরা এক নতুন আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

রোভার প্রজ্ঞানের চাকায় লাগানো ছিল ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোকস্তম্ভ ও ইসরোর লোগো। নির্ধারিত ছিল যে, চাঁদে পৌঁছেই মাটিতে ছাপ ফেলবে প্রজ্ঞান। কিন্তু ইসরো সূত্রে খবর, ইসরোর লোগো ও অশোকস্তম্ভের ছাপ স্পষ্টভাবে পড়েনি চাঁদের মাটিতে। তবে এতে নিরাশ নন বিজ্ঞানীরা। এস সোমনাথ জানিয়েছেন, চাঁদের মাটি ধুলো-বালির তৈরি শক্ত না, এটি নরম ধরনের। কোনও গলিত উপাদানের তৈরি। তার মানে চাঁদে কিছু উপাদান মাটিকে বেঁধে রেখেছে। কিন্তু কী সেই উপাদান যা মাটিকে বেঁধে রেখেছে, তা গবেষণা করতে হবে।

ইসরো সূত্রে খবর, এর থেকেই অনুমান করা হচ্ছে, চাঁদেও থাকতে পারে জল। এছাড়াও ফিজিক্যাল রিসার্চ ল্যাবরেটরির নির্দেশক অনিল ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, 'আমরা খুব স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছি যে, রোভারের চলাচলের কারণে চাঁদের পৃষ্ঠে গর্ত তৈরি হচ্ছে। ল্যান্ডিং সাইট এবং রোভার চলাচলের স্থানের চারপাশে তোলা ফটোগুলি দেখায় যে রোভারের চলাচলের কারণে সৃষ্ট গর্তগুলি প্রায় এক সেন্টিমিটার গভীর। ল্যান্ডারের পা চন্দ্রপৃষ্ঠে বসে যাচ্ছে। যা নির্দেশ করে সেখানকার মাটি আলগা রয়েছে। আমরা যত গভীরে যাব, মাটি তত ঘন হবে।'

2 months ago
Banarhat: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্য করে অবৈধ ভাবে চলছিল মাটি কাটার কাজ, হঠাৎ হানা পুলিসের

জাতীয় সড়কের পাশ থেকে দিনে-দুপুরে জেসিবি নামিয়ে রীতিমতো চলছে মাটি (soil) তোলার কাজ। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার বানরহাট ব্লকের তেলিপাড়া সংলগ্ন কাশিয়াঝোড়া এলাকায়। অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকাকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে ওই এলাকায় চলছিল মাটি তোলার কাজ। এই ঘটনার খবর পেয়েই বানরহাট থানার পুলিস (Police) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিস ঘটনাস্থল থেকে ওই জেসিবি-র চালক সহ নদীতে নামানো গাড়ি আটক করে থানায় নিয়ে যায়। বানরহাট থানার পুলিস সূত্রে খবর, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

তবে এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক পারদ উঠেছে চরমে। বিরোধীদের দাবি, শাসকদলের মদতেই পুলিস প্রশাসন ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিকদের সাহায্য নিয়েই রমরমিয়ে চলছে মাটি মাফিয়াদের রাজত্ব। তবে দীর্ঘদিন ধরে এভাবেই মাটি, বালি মাফিয়াদের রাজত্ব বাড়তে থাকলে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হবে সাধারণ মানুষদের। 

7 months ago


Sand: অবৈধভাবে বালি আর মাটি কাটার অভিযোগ, চাষের জমি তলিয়ে যাচ্ছে অজয়ের গর্ভে

অবৈধভাবে বালি আর মাটি (sand smuggling) কাটার অভিযোগ। এর জেরে দুর্গাপুরের (Durgapur) কাঁকসার অজয়পল্লী এলাকার নয়-নয় করে প্রায় সাড়ে তিনশো বিঘে জমি চলে গিয়েছে অজয় নদের গর্ভে। কাঁকসার অজয়পল্লীর প্রায় তিনশো পরিবার চাষবাসের উপর নির্ভরশীল। রুটি রুজি বলতে এই চাষবাস করে জীবিকা নির্বাহ করেন তাঁরা। অভিযোগ, অজয় নদের কোল ঘেঁষে বেআইনিভাবে বালি আর মাটি কাটার জন্য আজ রুটিরুজি বিপন্ন হচ্ছে এলাকার মানুষজনদের। স্থানীয় প্রশাসন থেকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ সকলকে লিখিত আকারে সবটা জানিয়েছেন। কিন্তু এর কোনও সুরাহা হয়নি বলে গ্রামবাসীদের অভিযোগ।

গ্রামবাসীদের আরও অভিযোগ, যদি এভাবে নদী গর্ভে চলে যেতে থাকে বিঘের পর বিঘে চাষের জমি, তাহলে রুটিরুজি হারিয়ে তাঁদের আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না।

এ বিষয়ে কাঁকসা ব্লক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি ভবানী প্রসাদ ভট্টাচার্য বলেছেন, প্রশাসনকে তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলবেন। কারণ অন্যায়ের সঙ্গে কোনও আপোস করবে না দল। যদিও প্রশাসনের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বকে একহাত নিয়েছে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। গ্রামবাদীদের অভিযোগ অজয়ের কোল ঘেঁষে যেভাবে বিঘের পর বিঘে জমি বেআইনিভাবে বালি আর মাটি কাটার জন্য নদীগর্ভে যাচ্ছে, তাতে করে আজ রুটিরুজি হারিয়ে এক অনিশ্চিত ভবিষতের পথে এগোচ্ছে তাঁরা। যদিও প্রশাসন জানিয়েছে, খোঁজখবর নিয়ে এই বিষয়ে সদর্থক পদক্ষেপ নেবেন।

7 months ago
MSD: রাস্তা কিংবা জমি, মাফিয়া মদতে অবাধে চলছে মাটি পাচার! তুঙ্গে তরজা

রমরমিয়ে চলছে মাটি পাচারের (Soil Smuggling) কাজ। এমনকি যাতায়াত করার পথ থেকেও মাটি তুলে নিচ্ছে মাফিয়ারা। নদীর পার হোক বা চাষের জমি মাটি মাফিয়াদের চোখ সব জায়গাতেই। আর মাটি তুলে নেওয়ার ফলে দিন দিন পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। বহুবার প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হলেও বন্ধ হচ্ছে না মাটি পাচারের কারবার৷ প্রকাশ্য দিবালোকে চাষের জমি থেকে ট্রাক্টর ভর্তি করে মাটি তুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমনকি এলাকাবাসীরা মুখ খুললেই তাঁদের হুমকির মুখেও পড়তে হচ্ছে।

ঠিক এমনই এক ঘটনা প্রত্যক্ষ করা গেল যশোহরি (Murshidabad) আনুখা ২ নম্বর পঞ্চায়েতের অধীনে মাধুনিয়া সোনাজলের পাড় এলাকায় ধনুপুকুর চত্বরে। স্থানীয় সূত্রে খবর, দীর্ঘদিন আগে ওই জায়গায় ছিল ক্যানেল। তারপর ১০০ দিনের কাজের আওতায় মাটি ফেলে তৈরি করা হয় রাস্তা। বর্তমানে সেই রাস্তার মাটিই ট্রাক্টরে করে তুলে নিয়ে যাচ্ছে মাটি পাচারকারীরা। ফলে রাস্তায় তৈরি হচ্ছে খাদ। যার ফলে যাতায়াতে অসুবিধার মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

এই বিষয়ে কান্দি কংগ্রেসের মুখপাত্র নরোত্তম সিংহ জানান, 'এটা তৃণমূলের যুগ। তাই এখন চাকরি চুরি হয়, বালি চুরি হয়, কয়লা নিয়ে কেলেঙ্কারি হয়, নেতাদের খাটের তলা থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা ও সোনা উদ্ধার হওয়া সহ মাটিও চুরি হয়।' তিনি আরও বলেন, 'স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই জড়িত। আর তা সহজেই প্রমাণিত হবে। এমন কোনও জায়গা নেই যেখানে চুরি, ডাকাতিতে তৃণমূলের হাত নেই। পুরো লুটপাটের রাজত্ব চলছে।'

এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র অশোক দাস বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার এই বিষয়েই সংগ্রাম করে গিয়েছেন। ফলে এখনও তিনি পুলিস প্রশাসনকে এই বিষয়ে সজাগ থাকতে বলেছেন। এমনকি প্রশাসনও সক্রিয় আছে ও সজাগ আছে। অতি শীঘ্রই তাঁরা ধরা পড়বে। কারণ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে এইসব মাফিয়াদের বরদাস্ত করা হবে না।'

8 months ago


Bhangan: ইছামতি গিলছে মাটি, সুন্দরবনে গোটা গ্রাম নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার আতঙ্ক

গোটা গ্রাম নদীগর্ভে যাওয়ার আশঙ্কায় রাত জাগছে সুন্দরবনের মানুষ। ইছামতি নদী বাঁধের মাটি ক্ষয় শুরু। বিপন্নতার সম্মুখীনে সুন্দরবনের কয়েক হাজার মানুষ। বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে বাঁধগুলিতে। সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জ বিধানসভার হাসনাবাদ পঞ্চায়েতের পাশ দিয়ে বয়ে গিয়েছে ইছামতি নদী। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যে প্রায় দু'কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ইছামতি নদী বাঁধের মাটি যত্রতত্র আলগা হয়ে নদীগর্ভে চলে যাচ্ছে। এমনকি বড় বড় ফাটলও দেখা দিয়েছে বাঁধগুলিতে। ফলে গভীর আশঙ্কায় দিন গুনছেন ট‍্যাংরামারি, আংনাড়া, হাসনাবাদ-সহ বেশ কয়েকটি গ্রাম। ইতিমধ্যেই হাসনাবাদ পঞ্চায়েতকে লিখিতভাবে এই আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসীরা জানায়, সময় যত যাচ্ছে, ততই বাঁধের মাটিক্ষয় বেড়েই চলেছে। সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকার প্রায় ১৫ হাজার মানুষের বাস। এলাকায় বেশির ভাগ মানুষ মৎস্য জীবিকার উপর নির্ভর করে জীবন নির্বাহ করে। বাঁধের ধস আরও যদি বেশি হতে থাকে সেক্ষেত্রে সুন্দরবনের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষদের জীবন-জীবিকা সংকটের মুখে পড়তে পারে।

তবে বসিরহাটের সেচ আধিকারিক রানা চ্যাটার্জী জানান, "ইতিমধ্যে বিদ্যাধরী, কালিন্দী ও রায়মঙ্গলের বাঁধে কাজ চলছে। এমনকী ইছামতি নদীতেও বাঁধের কাজ চলছে। পুরো বিষয়টি আমরা নজরে রেখেছি। যত দ্রুত সম্ভব এই বাঁধের কাজ স্থানীয় প্রশাসনকে দিয়ে করানোর চেষ্টা হবে।"

10 months ago