বিশেষ প্রতিবেদন
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
এজেন্টদের ভোটের খাবার

আগে এক সময়ে কয়েকজন বুথে থাকতো  ভোট সামলাতে আর একদল বাইরে | সমস্ত রাজনৈতিক দলের একই ব্যবস্থা | সকালের চা থেকে জলখাবার পরে দুপুরের খাবার সবাই সবার সাথে ভাগ করে খেত | আজ দিন পাল্টেছে | একটি দল অন্যদলকে পরম শত্রু মনে করে | খাবার শেয়ার করার প্রশ্নই নেই | কিন্তু দলের তরফ থেকে কর্মীদের জন্য খাবার তো থাকেই | শহরে এক রকম খাবার গ্রামে আরেক রকম |

এবারের প্রথম পর্বের ভোটে গ্রামে মুড়ি/ ঘুগনি সঙ্গে চা | দুপুরে ভাত সবজি | শহরে কিন্তু একটু অন্যরকম | সকালে চা, বিস্কুট কিংবা কেক | দুপুরে ৪ পিস্ কচুরি, আলুরদম, একটি মিষ্টি , পারলে একটি ডিম্ সিদ্ধ | আসলে খাওয়াটা বারো কথা নয় | এই কর্মীরাই যে কোনও দলের সম্পদ | তারা আছে বলেই রাজনৈতিক নেতারা ভোটে দাঁড়ানোর সাহস করে |

....

a month ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

মার্কিন প্রেসিডেন্টের শপথ কেন ২০ জানুয়ারিতেই

আমেরিকার সাধারণ নির্বাচন থেকে শুরু করে নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণসহ প্রতিটি ধাপই সুনির্দিষ্ট। এখনই বলে দেওয়া যায়, আগামী ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট শপথ নেবেন। মূলত এই ২০ জানুয়ারি তারিখটি নির্ধারণ করা হয়েছে মার্কিন সংবিধানে। আমেরিকার সংবিধানের ২০তম সংশোধনী অনুযায়ী, ৩ নভেম্বরের নির্বাচনের পরের বছরের ২০ জানুয়ারি দুপুরে নতুন প্রেসিডেন্ট শপথ নেবেন। ওইদিন বেলা ১১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবেন বিদায়ী প্রেসিডেন্ট।

তথ্য বলছে, ১৯৩৭ সালের ২০ জানুয়ারি প্রথম কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট। সেটা ছিল রুজভেল্টের দ্বিতীয় মেয়াদ। প্রথম মেয়াদে রুজভেল্ট শপথ নিয়েছিলেন সংবিধানে উল্লিখিত ৪ মার্চ। তার আগের সব মার্কিন প্রেসিডেন্টই ঐ তারিখেই শপথ নিয়েছেন ১৭৮৯ সালের সংবিধানের ধারাবাহিকতা মেনে।

নির্বাচনের পর নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ নেওয়ার পর্যন্ত সওয়া দুই মাসের বিরতির কারণ সম্পর্কে জানা যায়, মূলত দুটি কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রথম কারণটি হলো, নির্বাচিত নতুন প্রেসিডেন্টের ওয়াশিংটনে এসে ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি সময়সাপেক্ষ ছিল। কারণ, আগে যোগাযোগব্যবস্থা বেশ খারাপ ছিল। ফলে, দূরের প্রান্ত থেকে কেউ এসে ক্ষমতা গ্রহণ করতে যেন কোনও অসুবিধা না হয়, সেজন্য একটা লম্বা সময় এই ভ্রমণের জন্য বরাদ্দ রাখা হত। দ্বিতীয় কারণটিই মুখ্য, আর তা হল ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া। ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্য বিদায়ী প্রশাসনের কাছ থেকে নানা তথ্য নতুন প্রশাসনকে দেওয়া, নতুন প্রশাসনের মন্ত্রিপরিষদ গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পুরো প্রশাসনে নিয়োগ দেওয়া ইত্যাদি কাজের জন্য একটা সময় প্রয়োজন। আগে প্রযুক্তি উন্নত ছিল না। ফলে নির্বাচনের পর ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে শপথ গ্রহণের জন্য মোটামুটি চারমাসের একটা সময় রাখা হতো। কিন্তু সমস্যা হয়েছিল ১৮৬১ সালে। সে বছর মার্চে আব্রাহাম লিঙ্কন ক্ষমতা গ্রহণ করতে করতে গৃহযুদ্ধে মার্কিন পক্ষের পরাজয় প্রায় নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। এই একই অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়েছিল সাতদশক পর ১৯৩৩ সালেও। মহামন্দার সেই সময়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট হার্বার্ট হুভারের কাছ থেকে ক্ষমতা নেন রুজভেল্ট। আর্থিক অবস্থা এতটাই খারাপ ছিল যে, মানুষ উদগ্রীব হয়ে শুধু ক্ষমতা হস্তান্তরের অপেক্ষা করছিল। সেই বছরই প্রথম এই দীর্ঘ বিরতি একটা বড় সমস্যা হিসেবে সামনে হাজির হয়। তারপরই আনা হয় সংবিধানের ২০তম সংশোধনী, যেখানে নতুন প্রেসিডেন্টের অভিষেকের দিন হিসেবে ২০ জানুয়ারির কথা বলা হয়েছে।

আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী একটি প্রথা হল নতুন প্রেসিডেন্টের শপথ অনুষ্ঠানে বিদায়ি প্রেসিডেন্টের উপস্থিত থাকা। কিন্তু ট্রাম্প নির্বাচনে পরাজয় না মেনে সেই প্রথা রক্ষা করতে অস্বীকার করেছেন। তবে ট্রাম্পই প্রথম নন, এর আগে অন্তত পাঁচ জন মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন কাজ করেছেন। উত্তরসূরির শপথ অনুষ্ঠানে তারা উপস্থিত থাকেননি। এরা হলেন, জন অ্যাডামস, জন কুইন্সি অ্যাডামস, মার্টিন ফন ব্যুঁরে, অ্যান্ড্রু জনসন এবং রিচার্ড নিক্সন।


জঙ্গলেও 'বহিরাগত', পোষা হাতিকে মেরে ফেলল জঙ্গলের হাতি

জঙ্গলেও বহিরাগত। ঝাড়খণ্ডের টাইগার রিজার্ভ বেতলা ন্যাশনাল পার্কে কর্নাটক থেকে আসা একটি হস্তিনীকে। দুটি জঙ্গলি হাতি কালভৈরব নামে ওই মেয়ে হাতিটিকে মেরে ফেলে। সোমবার রাতের ঘটনা। পর্যটকদের পিঠে বসিয়ে ঘোরানোর জন্য কালভৈরবকে ২০১৮ সালে মাইশোর থেকে আনা হয়েছিল।
জানা গিয়েছে, কালভৈরব অসুস্থ ছিল। তাই তাকে শেডের বাইরে খোলা জায়গায় পায়ে শিকল পরিয়ে রাখা হয়েছিল। রাতেই দন্তি দুই হাতি কালভৈরবের ওপর হামলা চালায়। পায়ে শিকল থাকায় লড়তে পারেনি সে। পরে শিকলে ভেঙে সে পাল্টা হামলাও চালায়। প্রায় একঘণ্টা এই লড়াই চলে। বহু জায়গায় গাছ উপড়ে যায়। পিশে যায় বেশকিছু গাছও। ভয়ে কোনও বনকর্মী সেদিক মাড়াননি। তারা মশাল জ্বালিয়ে বুনো হাতিদুটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করে। হাতি দুটি দাঁত দিয়ে কালভৈরবের পেট চিরে দেয়। তার নাড়িভুঁড়ি বেরিয়ে যায়। তারপর দুটি হাতিই ধীরেসুস্থে বেতলা থেকে বেরিয়ে যায়। কালভৈরবের আয়তন বিশাল। তার দুটি দাঁতেরই ওজন এক কুইন্টাল। হস্তিবিশেষজ্ঞরা বলছেন, পোষা হাতিদের জংলি হাতিদের মধ্যে রাখা উচিত নয়।

ভারতের সবচেয়ে বড় নামের রেল স্টেশন কোনটি? উচ্চারণ করলে দাঁত ভাঙ্গবে

ভারতীয় রেল বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম গণ পরিবহন মাধ্যম। তবে বৈচিত্র্য ও বৈপরীত্যের নিরিখে ভারতীয় রেল অনন্য। প্রতিদিন যেমন বহু প্যাসেঞ্জার ও মেল এক্সপ্রেস চলাচল করছে, তেমনই বিচিত্র তাদের নাম। আবার ভারতে কমবেশি ৮০০০ স্টেশন আছে, যাতে রোজ অসংখ্য ট্রেন দাঁড়ায়, আবার ছেড়ে যায়। আবার এমনও স্টেশন রয়েছে, যেখানে দিনে কেবলমাত্র একটি যাত্রীবাহী ট্রেন দাঁড়ায়। কিন্তু জানেন কি ভারতে সবচেয়ে বড় নামের স্টেশন কোনটি ? বা সবচেয়ে ছোট নামের স্টেশন?


ভারত বহুত্ববাদী দেশ, তাই ভারতের রেল স্টেশনগুলিতেও নামের বাহার বহু। কোনোটি এত্তবড়, আবার কোনটি পুঁচকে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় নামের রেল স্টেশনটির নাম উচ্চারণ করতে গেলে আম বাঙালির দাঁত ভেঙে যেতেই পারে। স্টেশনটির নাম হল ‘ভেঙ্কটনরসিংহরাজুভারিপেটা’ (Venkatanarasimharajuvaripeta)। যেটি অন্ধ্রপ্রদেশ ও তামিলনাড়ু সীমান্তে অবস্থিত। স্টেশনটি অন্ধ্রপ্রদেশ রাজ্যের মধ্যেই পড়ে। তবে শুনলে আশ্চর্য হবেন স্টেশনটির এটাই আসল নাম নয়। স্থানীয় রীতি অনুযায়ী এর আগে একটি শ্রী যুক্ত হয়। আরও আছে, স্থানীয় মানুষজনদের কাছে এই স্টেশনটি পরিচিত, "শ্রী ভেঙ্কট নরসিংহ রাজু ভারি বাহাদুর ভারি পেটা"। তবে এত বড় নাম হলে কী হবে, এখানে সারাদিনে গুটিকয়েক ট্রেনই দাঁড়ায়, তাও শুধু প্যাসেঞ্জার ট্রেন। স্টেশনটি দক্ষিণ রেলের রেনিগুন্টা ও আরাক্ষনাম সেকশনে পড়ে।