বিশেষ প্রতিবেদন
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
ক্রিকেটের ‘বাপ কা বেটা’ যারা

এই মুহূর্তে ভারতীয় দল অথবা আইপিএলে কোনও দলে সচিন পুত্র অর্জুন তেন্ডুলকার সুযোগ পাবে কিনা তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও সোশাল মিডিয়া অর্জুনের পাশেই আছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মুম্বইয়ের পুলিশ লিগ ছাড়া সে তাঁর প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখাতে পারেনি। আসলে যে কোনও পেশাতেই বাবারা চান তাঁর পুত্র বা কন্যারা তাঁরই মতো হোক। ক্রিকেটও এর ব্যতিক্রম নয়। বিখ্যাত বহু ক্রিকেটারের পুত্ররা ভারতের ক্যাপ মাথায় নিয়েও কিছু করতে পারেনি, আবার মাঝারি মানের বহু ক্রিকেটারের পুত্র নাম যশ অর্জন করেছে এই খেলাতেই। পঙ্কজ রায়ের ভাইপো অম্বর প্রতিভাবান হয়েও ভারতের হয়ে কিছু করতে পারেননি। তেমনই তাঁর পুত্র প্রণবও দুটির বেশি টেস্ট খেলতে পারেননি। কিংবদন্তী সুনীল গাভাসকারের পুত্র রোহন বাংলার হয়ে দুর্দান্ত খেললেও দেশের হয়ে নাম করতে পারেননি। আবার মহারাজা গায়কোয়ারের বংশধর অংশুমান যথেষ্ট ভালো ওপেনার ছিলেন। যোগরাজ সিং ভারতের হয়ে মাত্র একটি টেস্ট খেললেও তাঁর পুত্র যুবরাজ তুখোড় খেলোয়াড় ছিলেন।
কিন্তু বাপ কা বেটা হয়েছিলেন ইফতিকর আলি খান পতৌদির ছেলে। ইফতিকার ইংল্যান্ড এবং ভারত, দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন ভারতের অধিনায়কও হয়েছিলেন। তাঁর পুত্র মনসুর আলি খান পাতৌদি তো ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। তিনি সেই সময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার ছিলেন, মাঠে তাঁর নামই হয়ে গিয়েছিলো ‘টাইগার’। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক লালা অমরনাথের দুই পুত্র ভারতে ক্যাপ পেলেও মহিন্দার অমরনাথ ছিলেন অনেকটাই যোগ্য, তাঁকে ভারতের নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার বলা হত। আবার ৬০-এর দশকের নিভরযোগ্য ব্যাটসম্যান বিজয় মঞ্জেরেকার, যার পুত্র সঞ্জয় অনেক বেশি প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান ছিলেন। আসলে চূড়ান্ত পেশার জগতে ‘বাপ কা বেটা’ হওয়া খুব কঠিন। কারণ প্রতিভার পাশাপাশি দরকার কঠোর অনুশীলনের।

....

2 weeks ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

রাজপরিবারের কেচ্ছা এখন বারোয়ারি

বিশ্রী পারিবারিক কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ল তাইল্যান্ডের রাজ পরিবার। রাজার সরকারি রক্ষিতার হাজার খানেক আপত্তিকর ছবি বারোয়ারি হয়ে গিয়ছে। তাইল্যান্ডের বাইরে রাজতন্ত্রবিরোধীরা এই ফটো ফাঁস করে দিয়েছে। রাজার রক্ষিতা মহা বৈজিরালংকর্নের এই ফটোগুলি ঘনিষ্ঠ যৌন আবেদনমূলক, অধিকাংশই তোলা নগ্ন অবস্থায়। 

এই ঘটনা রানির সিনিনাতের সঙ্গে রক্ষিতার শত্রুতা প্রকাশ করে দিয়েছে। সিনিনাত গতবছর জেলে গিয়েছিলেন। রানি রাজপ্রাসাদে ফেরার পরই ঘটনাচক্রে এই ফটো ফাঁসের ঘটনা ঘটল। তাইল্যান্ডের রাজতন্ত্রের সমালোচক ব্রিটিশ সাংবাদিক অ্যান্ড্রু মার্শাল ও তাইল্যান্ডের শিক্ষাবিদ বাভিন চাচাভাসপোংপুনের কাছে এই ছবিগুলি পৌঁছেছিল। বাভিন এখন রয়েছেন জাপানে এবং দেশ তাঁর বিরুদ্ধে বহু মামলা জমে রয়েছে। নভেম্বরেই অ্যান্ড্রু ফেসবুকে এই ঘটনার কথা লিখেছিলেন। তিনমাস আগে তাঁর কাছে একটি খামে ১,৪৪২৩টি ছবি পাঠিয়েছিল কেউ। তা পাঠানো হয়েছে সিনিনাতের আই ফোনের এসডি কার্ড থেকেই।

গত আগস্টে ৬৮ বছরের রাজা ৩৫ বছরের সিনিনাতকে তাঁর সরকারি রক্ষিতা হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন। তাইল্যান্ডের ইতিহাসে আধুনিক সময়ে এই প্রথম কোনও রাজা তাঁর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে প্রকাশ্যে স্বীকার করেছিলেন। ৪১ বছরের রানি সুতিথাকে বিয়ে করেছিলেন রাজা তাঁর চতুর্থ সঙ্গিনী হিসেবে। সেই ঘোষণার তিনমাস পরে রাজা তাঁর সরকারি রক্ষিতার নাম জানিয়েছিলেন।

ক্রিসমাস কেকের উৎপত্তি কোথায়

কেক ছাড়া ক্রিসমাস ভাবা যায় না, কিন্তু জানেন কি এই ক্রিসমাস কেকের উৎপত্তি কোথা থেকে? এই কেকের সঙ্গেও জড়িয়ে রয়েছে এক মজাদার ইতিহাস। ইউরোপে প্রথম রোমান সম্রাট কনস্টানটাইনের আমলে ৩৩৬ সালে প্রথম ক্রিসমাস বা বড়দিন পালন করা হয়। কিন্তু সেইসময় কেক খাওয়ার রেওয়াজ ছিল না। ব্রিটিশদের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল এই জিভে জল আনা ব্যাপারটা। তবে প্রথমে যখন এই রেওয়াজ শুরু হয় তখন খাওয়া হত প্লাম পরিজ। কেক এসেছে অনেকটাই পরে। ক্রিসমাসের আগের দিন সবাই উপবাস করতেন। এত সময় খালি পেটের পর প্রথমেই ভারি কোনও খাবার খেলে শরীর খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা থাকত। তাই এই প্লাম পরিজ খেয়েই ক্রিসমাসের উপবাস ভাঙতেন ইংরেজরা।



এরপর এই পরিজের থেকেই ক্রমে বিবর্তন হয়ে এসেছে কেক। গোড়ার দিকে পরিজের মিশ্রণে শুকনো ফল, মশলা ও মধু মিশিয়ে ক্রিসমাস পুডিং তৈরি করা হয়। পরবর্তী কালে প্রায় ১৬ শতক নাগাদ এই পুডিংয়ে ওটমিলের বদলে মাখন, ডিম ও ময়দা ব্যবহার শুরু হয়। ফলে সহজেই তৈরি করা যেত প্লাম কেক। এছাড়া যে সব পরিবারের কাছে ওভেন ছিল, তাঁরা ইস্টারের জন্য অ্যালমন্ড সুগার পেস্ট ব্যবহার করে ফ্রুট কেক বানাতে শুরু করেন। আর ক্রিসমাসের জন্য বানানো কেকগুলিতে শুকনো ফল ও মশলা ব্যবহার করেন। পরবর্তীতে এটিই ক্রিসমাস কেক হিসেবে পরিচিত হয়।ব্রিটিশদের এই ট্র্যাডিশনাল ক্রিসমাস কেকের ভেতরে রামে ভেজানো কারেন্টস ও কিশমিশ ব্যবহার করা হত।




বর্তমানে শুধু ব্রিটিশদের ট্র্যাডিশনাল কেকই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে নানা ধরণের কেক তৈরি হয় ক্রিসমাস উপলক্ষে। ইতালিতে প্যানেটোন নামে এক বিশেষ ধরনের কেক বানানো হয় এই সময়। স্কটিশ ক্রিসমাস কেকটির  নাম হুইস্কি ডান্ডি, এই কেকটি স্কটিশ হুইস্কি দিয়ে তৈরি।