বিশেষ প্রতিবেদন
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
এজেন্টদের ভোটের খাবার

আগে এক সময়ে কয়েকজন বুথে থাকতো  ভোট সামলাতে আর একদল বাইরে | সমস্ত রাজনৈতিক দলের একই ব্যবস্থা | সকালের চা থেকে জলখাবার পরে দুপুরের খাবার সবাই সবার সাথে ভাগ করে খেত | আজ দিন পাল্টেছে | একটি দল অন্যদলকে পরম শত্রু মনে করে | খাবার শেয়ার করার প্রশ্নই নেই | কিন্তু দলের তরফ থেকে কর্মীদের জন্য খাবার তো থাকেই | শহরে এক রকম খাবার গ্রামে আরেক রকম |

এবারের প্রথম পর্বের ভোটে গ্রামে মুড়ি/ ঘুগনি সঙ্গে চা | দুপুরে ভাত সবজি | শহরে কিন্তু একটু অন্যরকম | সকালে চা, বিস্কুট কিংবা কেক | দুপুরে ৪ পিস্ কচুরি, আলুরদম, একটি মিষ্টি , পারলে একটি ডিম্ সিদ্ধ | আসলে খাওয়াটা বারো কথা নয় | এই কর্মীরাই যে কোনও দলের সম্পদ | তারা আছে বলেই রাজনৈতিক নেতারা ভোটে দাঁড়ানোর সাহস করে |

....

a month ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

এজেন্টদের ভোটের খাবার

আগে এক সময়ে কয়েকজন বুথে থাকতো  ভোট সামলাতে আর একদল বাইরে | সমস্ত রাজনৈতিক দলের একই ব্যবস্থা | সকালের চা থেকে জলখাবার পরে দুপুরের খাবার সবাই সবার সাথে ভাগ করে খেত | আজ দিন পাল্টেছে | একটি দল অন্যদলকে পরম শত্রু মনে করে | খাবার শেয়ার করার প্রশ্নই নেই | কিন্তু দলের তরফ থেকে কর্মীদের জন্য খাবার তো থাকেই | শহরে এক রকম খাবার গ্রামে আরেক রকম |

এবারের প্রথম পর্বের ভোটে গ্রামে মুড়ি/ ঘুগনি সঙ্গে চা | দুপুরে ভাত সবজি | শহরে কিন্তু একটু অন্যরকম | সকালে চা, বিস্কুট কিংবা কেক | দুপুরে ৪ পিস্ কচুরি, আলুরদম, একটি মিষ্টি , পারলে একটি ডিম্ সিদ্ধ | আসলে খাওয়াটা বারো কথা নয় | এই কর্মীরাই যে কোনও দলের সম্পদ | তারা আছে বলেই রাজনৈতিক নেতারা ভোটে দাঁড়ানোর সাহস করে |

স্লোগানে মজা

ভোট আসলেই দেয়াল জুড়ে থাকে নানান মজাদার কার্টুন সহ কটাক্ষ | এর শ্রষ্ঠা অবশ্যই সিপিএম | একসময় তারা দেওয়াল জুড়ে অতুল্য ঘোষ আর প্রফুল্ল সেনের ছবিতে কাঁচকলা দিয়ে পোস্টার  লিখতো কারণ ৬০ এর মধ্যভাগে রাজ্যে দুধের সংকট দেখা গিয়েছিলো তখন লালআলু এবং কাঁচকলা দিয়ে লেডিকেনি বানানোর নিদান  দিয়েছিল তৎকালীন সরকার | পরবর্তী কালে ইন্দিরা গান্ধি থেকে শুরু করে রাজীব অবধি কেউই ছাড় পাননি এই দেওয়াল কার্টুন থেকে | পরবর্তী অধ্যায়ে বিরোধিতায় কংগ্রেসও ওই পথের পথিক হয় |
আজ দিন পাল্টেছে , সোশ্যাল নেটের যুগ | আরও আধুনিক হয়েছে এই কটাক্ষের কার্টুন | এখন বাজারে চলেছে " জয় শ্রীরাম" সহ তৃণমূলের আদ্যশ্রাদ্ধ, চোখ নাক মুখ আঁকা হাওয়াই  চটির ছবি | অন্যদিকে তৃণমূলের দেওয়ালে " খেলা হবে" লেখা স্লোগান | পাশাপাশি বামেরাও কম যায় না তাদের দেওয়ালে " টুম্পা সোনা"র ছড়ার স্লোগান | এবারে হঠাৎই রসে বসে রয়েছে দলগুলি | কিন্তু এই দিয়ে ভোট হয় কি ? মনোবিদরা বলছেন, এতে মানুষ ক্ষনিকেরই  মজা পায়।   

আদি মেনুর বিয়েবাড়ি

আজকাল বিয়েবাড়ি মানেই কচুরি, কুলচা, ফিশফ্ৰাই  কিংবা বিরিয়ানি। কিন্তু বহুকাল পূর্বে অর্থাৎ আদি বিয়েবাড়িতে বিশেষ করে এদেশীয় বাড়িতে খাবারের এক আভিজাত্য মেনু থাকতো। তখন অবশ্য ক্যাটারিং ছিলনা। বাড়ির লোক বা বন্ধুবান্ধবরাই কোমরে গামছা বেঁধে খাবার পরিবেশন করতেন। লোকের মাথা গোনার এক অভূতপূর্ব পদ্ধতি ছিল সেসময়। ওই বুদ্ধিদীপ্ত পদ্ধতির আবিষ্কার কর্তা কে তা কেউ জানেনা। লুচি ছোলার ডালের যুগে অতিথি খেতে বসার সময়ে দেখতে পেতেন পাতে নুন-লেবু এবং লম্বা করে কাটা একটি বেগুন ভাজা দেওয়া হচ্ছে। নিমন্ত্রিতরা খেতে চান আর না চান, কিন্তু বেগুন ভাজাটি পাতে দেওয়া হতই নিয়ম করে। যেন এটাই অলিখিত নিয়ম ছিল এটা। অবশ্য ওই বেগুন ভাজা চাইলেও রিপিট করা হতো না।  কারণটি অসাধারণ। রান্নার ঠাকুর এসেই জিজ্ঞাসা করতেন কত নিমন্ত্রিত? ধরা যাক গৃহকর্তা বললেন ৩০০ জন। ঠাকুর সাথে সাথে তাঁর সহকারী কাউকে নির্দেশ দিয়ে দিতেন ৩১০ থেকে ৩১৫ তা বেগুন কেটে রাখার জন্য। এবারে প্রত্যেক নিমন্ত্রিত পাতে একটি করে বেগুন পড়ার পরে যে কটি বেগুন অবশিষ্ট থাকতো তাকে ওই ৩১০ বা ৩১৫ থেকে বাদ দিলেই নিমন্ত্রিতদের মধ্যে কতজন খেয়েছেন সহজেই গোনা যেত। অর্থাৎ বেগুন দিয়ে মানুষের মাথা গোনা হতো আদি বিয়েবাড়িতে।       

ক্রিকেটের ‘বাপ কা বেটা’ যারা

এই মুহূর্তে ভারতীয় দল অথবা আইপিএলে কোনও দলে সচিন পুত্র অর্জুন তেন্ডুলকার সুযোগ পাবে কিনা তাই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। যদিও সোশাল মিডিয়া অর্জুনের পাশেই আছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত মুম্বইয়ের পুলিশ লিগ ছাড়া সে তাঁর প্রতিভার বিচ্ছুরণ দেখাতে পারেনি। আসলে যে কোনও পেশাতেই বাবারা চান তাঁর পুত্র বা কন্যারা তাঁরই মতো হোক। ক্রিকেটও এর ব্যতিক্রম নয়। বিখ্যাত বহু ক্রিকেটারের পুত্ররা ভারতের ক্যাপ মাথায় নিয়েও কিছু করতে পারেনি, আবার মাঝারি মানের বহু ক্রিকেটারের পুত্র নাম যশ অর্জন করেছে এই খেলাতেই। পঙ্কজ রায়ের ভাইপো অম্বর প্রতিভাবান হয়েও ভারতের হয়ে কিছু করতে পারেননি। তেমনই তাঁর পুত্র প্রণবও দুটির বেশি টেস্ট খেলতে পারেননি। কিংবদন্তী সুনীল গাভাসকারের পুত্র রোহন বাংলার হয়ে দুর্দান্ত খেললেও দেশের হয়ে নাম করতে পারেননি। আবার মহারাজা গায়কোয়ারের বংশধর অংশুমান যথেষ্ট ভালো ওপেনার ছিলেন। যোগরাজ সিং ভারতের হয়ে মাত্র একটি টেস্ট খেললেও তাঁর পুত্র যুবরাজ তুখোড় খেলোয়াড় ছিলেন।
কিন্তু বাপ কা বেটা হয়েছিলেন ইফতিকর আলি খান পতৌদির ছেলে। ইফতিকার ইংল্যান্ড এবং ভারত, দুই দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন ভারতের অধিনায়কও হয়েছিলেন। তাঁর পুত্র মনসুর আলি খান পাতৌদি তো ইতিহাস তৈরি করেছিলেন। তিনি সেই সময়ের বিশ্বের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার ছিলেন, মাঠে তাঁর নামই হয়ে গিয়েছিলো ‘টাইগার’। ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক লালা অমরনাথের দুই পুত্র ভারতে ক্যাপ পেলেও মহিন্দার অমরনাথ ছিলেন অনেকটাই যোগ্য, তাঁকে ভারতের নির্ভরযোগ্য ক্রিকেটার বলা হত। আবার ৬০-এর দশকের নিভরযোগ্য ব্যাটসম্যান বিজয় মঞ্জেরেকার, যার পুত্র সঞ্জয় অনেক বেশি প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান ছিলেন। আসলে চূড়ান্ত পেশার জগতে ‘বাপ কা বেটা’ হওয়া খুব কঠিন। কারণ প্রতিভার পাশাপাশি দরকার কঠোর অনুশীলনের।