হেঁশেল
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
ছুটির বিকেলে চায়ের সাথে ‘চিড়েভাজা’

প্রয়াত কবি/সাহিত্যিক সুকুমার রায় লিখেছিলেন " খাই খাই করো কেন, এসো বসো আহারে ..."| বসন্তকালে সবারই হজমশক্তি ভালো থাকে এবং পেটের রুগীরও পেটের অবস্থা মন্দের ভালো থাকে।  হজম ভালো মানে খিদেও পায় ঘন ঘন। একটা সময়ে বাংলার মানুষ মুড়ির সাথে চিড়েভাজাও খেতেন। কিন্তু আজকাল কে আবার বানাবে? তাই বাজারে চিড়ে ভাজার রকমারি প্যাকেট এসে গেছে। কিন্তু ওই প্যাকেটের চিড়ের স্বাদ বাড়ির বানানোর মতো মোটেই নয়। বরং সহজেই বানিয়ে ফেলুন না বাড়িতে ...


উপকরণঃ আলুভাজার মতো ছোট এবং সরু করে আলু কাটুন। লঙ্কাকুঁচি কেটে রাখুন। সামান্য হলুদ গুঁড়ো, সামান্য কালো জিরে এবং চাই সাদা তেল।


রেসিপিঃ আলুর সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো এবং কালো জিরে মিশিয়ে সাদা তেলে ভেজে ওতেই লংকা কুঁচি দিয়ে দিন। ভাজা আলু তুলে রাখুন, এবার কম আঁচে সাদা তেলে পরিমান মতো নুন দিয়ে চিড়ে ভিজে ফেলুন। তেলে শুকনো চিড়ে দেওয়ার সাথে সাথে ফুলে উঠলে তুলে পাত্রে রাখুন। চিড়ে ভাজার নিয়মই হচ্ছে অল্প অল্প করে ভেজে তুলে রাখতে হবে। এবার ভাজা আলুর সাথে চিড়ে মিশিয়ে খেয়ে করে দেখে নিন নুন ঠিক আছে কি না। এবার চা-এর সাথে বিকেলের 'টা' তৈরি।

....

19 hours ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

ছুটির বিকেলে চায়ের সাথে ‘চিড়েভাজা’

প্রয়াত কবি/সাহিত্যিক সুকুমার রায় লিখেছিলেন " খাই খাই করো কেন, এসো বসো আহারে ..."| বসন্তকালে সবারই হজমশক্তি ভালো থাকে এবং পেটের রুগীরও পেটের অবস্থা মন্দের ভালো থাকে।  হজম ভালো মানে খিদেও পায় ঘন ঘন। একটা সময়ে বাংলার মানুষ মুড়ির সাথে চিড়েভাজাও খেতেন। কিন্তু আজকাল কে আবার বানাবে? তাই বাজারে চিড়ে ভাজার রকমারি প্যাকেট এসে গেছে। কিন্তু ওই প্যাকেটের চিড়ের স্বাদ বাড়ির বানানোর মতো মোটেই নয়। বরং সহজেই বানিয়ে ফেলুন না বাড়িতে ...


উপকরণঃ আলুভাজার মতো ছোট এবং সরু করে আলু কাটুন। লঙ্কাকুঁচি কেটে রাখুন। সামান্য হলুদ গুঁড়ো, সামান্য কালো জিরে এবং চাই সাদা তেল।


রেসিপিঃ আলুর সঙ্গে হলুদ গুঁড়ো এবং কালো জিরে মিশিয়ে সাদা তেলে ভেজে ওতেই লংকা কুঁচি দিয়ে দিন। ভাজা আলু তুলে রাখুন, এবার কম আঁচে সাদা তেলে পরিমান মতো নুন দিয়ে চিড়ে ভিজে ফেলুন। তেলে শুকনো চিড়ে দেওয়ার সাথে সাথে ফুলে উঠলে তুলে পাত্রে রাখুন। চিড়ে ভাজার নিয়মই হচ্ছে অল্প অল্প করে ভেজে তুলে রাখতে হবে। এবার ভাজা আলুর সাথে চিড়ে মিশিয়ে খেয়ে করে দেখে নিন নুন ঠিক আছে কি না। এবার চা-এর সাথে বিকেলের 'টা' তৈরি।

পাউরুটির পিঠে

পাউরুটি বাড়িতে আসে না এমন বাড়ি আছে নাকি? আসলে অনেকেই প্রাতঃরাশে পাউরুটি দিয়ে টোস্ট আর ডিম খেয়ে অফিসে চলে যান। আর যারা বাড়িতে থাকেন তারাও খান। এ ছাড়া টিফিনে নানান রেসিপিতে পাউরুটি খেয়ে থাকে বাঙালিরা। মজার ব্যাপার প্রায় সবার বাড়িতে ফ্রিজে পাউরুটি থেকেই। কিন্তু মজার বিষয় বল, অনেকেই পাউরুটির শক্ত অংশটি খেতে চায় না। বেশিরভাগই ফেলে দেন সেগুলি। তাহলে ওই পাউরুটির পিঠ বা শক্ত অংশ না ফেলে বানিয়ে ফেলুন পাউরুটির পিঠে।
প্রণালিঃ পাউরুটিগুলি ছোট ছোট করে কিউবের মতো করে কেটে রাখুন | এবার একটি কড়াইতে খেজুরি গুড় জ্বাল দিন এবং শিরা বানিয়ে ফেলুন | এবারে পাউরুটিগুলি সাদা তেলে লালচে করে ভেজে ওই শিরায় ডুবিয়ে দিন যে ভাবে রসের মিষ্টি বানায়। পরে ঠান্ডা হলে খেয়ে দেখুন পাউরুটির পিঠে।

চন্দ্রপুলি পিঠে

চন্দ্রপুলি শুধু গ্রামেই নয়, শহরেও প্রায় সবাই এই পিঠে বানিয়ে থাকেন। শুকনো কিংবা দুধ বা রসে ভিজানো সবভাবেই এই পিঠা ভালো লাগে খেতে।
উপকরণ
চালের কাইয়ের জন্য --চালের গুঁড়ো ১ কাপ, জল ১ কাপ, তেল ১ টেবিল চামচ, নুন পরিমাণমতো
পুরের জন্য -- নারকেল ১ কাপ, খেজুরের গুড় ৩/৪ কাপ (নিজের পছন্দ অনুযায়ী মিষ্টি), এলাচ গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ
দুধ পুলির গ্রেভির জন্য -- দুধ ১ লিটার, গুড় ১/৩ কাপ (নিজের পছন্দ অনুযায়ী), এলাচ ৩-৪ টা, নারকেল সামান্য
পদ্ধতি
প্রথমে দুধ জ্বাল দিয়ে অর্ধেক করে তারপর গুড় আর এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে, উনুনের আঁচ কমিয়ে দিতে হবে। এবার প্যানে অল্প পানির সাথে গুড় দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে তারপর নারকেল দিয়ে মিডিয়াম আঁচে জ্বাল দিতে হবে আর অনবরত নাড়তে হবে, নারকেল শুকিয়ে ঘন আর আঠালো হয়ে গেলে এলাচ গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নামিয়ে ঠান্ডা করতে হবে। এবার একটা প্যানে ১ কাপ জল, ১ টেবিল চামচ তেল আর পরিমাণমতো নুন দিয়ে বলক আসার পরে চালের গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ৭/৮ মিনিট। তারপর সেই কাই ভালো করে মেখে নিতে হবে। এবার ছোট ছোট করে রুটির মতো বানিয়ে ভেতরে নারকেলের পুর ভরে ভালো করে সাইড গুলো সিল করে দিতে হবে। এখন জ্বাল দিয়ে রাখা দুধের আঁচ বাড়িয়ে বলক এলে পিঠে গুলো দিয়ে আঁচটা কমিয়ে ১০/১২ মিনিট জ্বাল করতে হবে আর মাঝেমাঝে আলতো করে নেড়ে দিতে হবে।  সার্ভিং ডিশে ঢেলে নিজের মতো করে সাজিয়ে পরিবেশন করে নিন দারুন মজার, চন্দ্রপুলি পিঠে।

এই শীতে খেতে পারেন ‘সরু চাকলি’

সরু চাকলি খাদ্যটি রাশিয়ানদের খুব প্রিয়। কিন্তু ওদের রেসিপি সম্পূর্ণ আলাদা। রাশিয়ানরা পাউরুটির গোলা তৈরি করে তাতে মাংস মিশিয়ে অমলেটের মতো করে বানিয়ে খেতে ভালোবাসেন। এইভাবেও সরু চাকলি বানিয়ে খেতে পারেন। কিন্তু আদি অকৃত্তিম ‘সরু চাকলি’ কিন্তু দুই বাংলায় শীতের খাদ্য। নিখাদ বাঙালি মতে রান্না করা হয় এখানে। তৈরি করতে লাগে আতপ চাল, বিউলির ডাল, কিছুটা ময়দা (না দিলেও চলে)।
রেসিপিঃ
একটা বাটিতে আতপ চাল ভিজিয়ে রাখুন। অন্য একটি বাটিতে বিউলির ডাল ভিজিয়ে রাখুন। কিছুটা ময়দা গুলে রাখতে পারেন। এবারে একটা মিক্সিতে যতটা চাল নেবেন তার অর্ধেক ডাল দিয়ে মিশিয়ে নিন তাতে ময়দা সামান্য মিশিয়ে পেস্ট করে নিন। এবার গ্যাসে চাটু বসান, একটা চামচ দিয়ে সারা চাটুতে অল্প সাদা তেল মাখিয়ে দিন। তেল এতটাই কম দেবেন যেন চাটুটি তেলে ভিজে থাকে মাত্র। এবার হাতা করে ওই গোলা সমস্ত চাটুতে ছড়িয়ে দিন যে ভাবে ওমলেট ভাজে। সামান্য গরম হলে ওটিকে বড় রুটির মতো যখন লাগবে তখন খন্তা দিয়ে তুলে দুই ভাজ করে রাখুন। এবারে খেজুর গুড় ও নারকোল বাটা দিয়ে উপভোগ করুন 'সরু চাকলি’।

বেগুন ইলিশ

যে কোনও মাছের সাথে বেগুন ভালো যায়। আবার যে কোনও তরকারির সাথে ইলিশ মাছও ভালো যায়। তাই এ দুই যখন মিলে মিশে একাকার হয়ে যায় তখন এর স্বাদও হয় অতুলনীয়। এ রেসিপিতে ইলিশ মাছের পাশাপাশি মাছের ডিমও ব্যবহার করা হয়েছে। আপনি চাইলে ডিম ছাড়াও করতে পারেন।
উপকরণ
ইলিশ মাছঃ ৫০০ গ্রাম,বেগুন বড়ঃ ১টি, তেলঃ ১ কাপ, আদা বাটাঃ ১ চা চামচ, রসুন বাটাঃ ১ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটাঃ ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ কুচিঃ ১ কাপ পরিমাণ, সর্ষে বাটাঃ ১ টেবিল চামচ, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো ১ চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ, নুন স্বাদমতো, চিনিঃ পরিমাণমতো, কাঁচা লঙ্কা পাঁচ থেকে ছটা
পদ্ধতি
প্রথমে একটি পাত্রে ইলিশ মাছ, হলুদের গুঁড়া, মরিচের গুঁড়া ও বেগুন এক সঙ্গে মিশিয়ে পাঁচ মিনিট রাখুন। তারপর একটি সসপ্যানে তেল নিয়ে এর মধ্যে ইলিশ মাছ ও বেগুন ভাজুন। ভাজা ইলিশ মাছ ও বেগুন আরেকটি পাত্রে তুলে রাখুন। এবার সসপ্যানে পেঁয়াজ কুচি দিন। পেয়াজ কুচি হালকা বাদামি হয়ে এলে, একে একে রসুন বাটা, আদা বাটা, হলুদ গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো, সর্ষে বাটা ও নুন দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন। এরপর ভেজে রাখা ইলিশ মাছ ও বেগুন দিয়ে নেড়েচেড়ে ঢেকে দিন।   অল্প আঁচে আট থেকে ১০ মিনিটের মতো রান্না করুন এবং রান্না হয়ে যাওয়ার সামান্য আগে চিনি ও কাঁচা মরিচ দিয়ে নেড়ে-চেড়ে তৈরি করুন বেগুন ইলিশ। এই রেসিপিটা আপনারা খিচুড়ি বা পোলাওয়ের সঙ্গে পরিবেশন করতে পারেন।

পনিরের পরোটা

গুজরাতের অত্যন্ত প্রিয় খাদ্য পনিরের পরোটা। হোটেলে গিয়ে খরচ করার কোনও প্রয়োজন নেই অনায়াসেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলতে পারেন। নিরামিষ ডিশ মানেই আজকের দিনে যে কোনও নিমন্ত্রণ বাড়িতে পনিরের কিছু না কিছু প্রিপারেশন থাকেই। বানানো কিন্তু খুবই সোজা।
 
রেসিপি :- দুশো গ্রাম পনিরে ৫/৬ জনের খাওয়া হয়ে যাবে। প্রথমে আটা বা ময়দা জল এবং সামান্য সাদা তেল দিয়ে মাখুন। যাদের ময়দায় আপত্তি আছে তারা আটা ব্যবহার করতেই পারেন। এবারে পনিরটি গ্রাইন্ড বা গুঁড়ো করে নিন। বাড়িতে মিক্সি না থাকলে একটি প্লেটে পনির রেখে একটা শক্ত বাটি দিয়ে চেপে চেপে পনিরটিও আটা বা ময়দার মতো দলা করে ওটিকে আটা বা ময়দার সাথে মিশিয়ে নিন। সামান্য নুন, লঙ্কা ও ধনেপাতা মিশিয়ে নিন। এবারে একটু মোটা করে চাটুতে সাদা তেল দিয়ে ভাজুন। তৈরি হল পনিরের পরোটা। এটি টক দই এবং আচার দিয়ে খান, যদি মিষ্টি আচার থাকে তবে স্বাদ বাড়বে। নইলে টমেটো সস দিয়েও খেতে পারেন।       

লাল শাকের বড়া

লাল শাকে রয়েছে অনেক খনিজ উপাদান ও ভিটামিন ‘এ’ যা আমাদের চোখের জন্য উপকারী। যাদের শাক সবজি খেতে অনীহা তাদের জন্য লালশাক মুখরোচক উপায়ে প্রস্তুত করা যেতে পারে লাল শাকের বড়ার মাধ্যমে। এটা ভাত, ফ্রায়েড রাইস, পোলাও ইত্যাদির সাথে বা নাস্তা হিসেবে খাওয়া যায়।
উপকরণঃ  লাল শাক কুচিঃ ১ কাপ, মুসুর ডাল আধ বাটাঃ ১ কাপ, পেঁয়াজ কুচিঃ ১/২ কাপ, কাঁচা লঙ্কা কুঁচিঃ ৩টে, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, আদা বাটাঃ ১/৩ চা চামচ,    জিরে বাটাঃ ১/২ চা চামচ, বেকিং পাউডারঃ ১/২ চা চামচ, কর্ন ফ্লাওয়ারঃ ২/৩ চা চামচ, নুন পরিমাণমতো, তেলঃ ১ কাপ।
পদ্ধতিঃ লাল শাক মিহি করে কুচি করে কেটে নিন। তেল ছাড়া সব উপকরণ ভালো করে মেখে নিন। এবার গোল করে শেপ দিয়ে ডুবো তেলে ভেজে নিন। গরম গরম পরিবেশন করুন।

ইলিশ ভুনা

স্বাদের দিক থেকে ইলিশ মাছের জুড়ি মেলা ভার। আর এজন্যই ইলিশ মাছকে মাছের রাজা বলা হয়। এবারে রয়েছে কাঁটা বাছার ঝামেলা ছাড়াই ইলিশ ভুনার চমৎকার একটা রেসিপি।
উপকরণঃ ইলিশ মাছঃ ৫ টুকরো, পেঁয়াজ কুঁচিঃ ১/২ কাপ, আদা বাটাঃ ১/২ চা চামচ, পেঁয়াজ বাটাঃ ৪ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চা চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ, জিরে গুঁড়ো ১/৪ চা চামচ, টক দইঃ ২ টেবিল চামচ, সাদা ভিনিগারঃ ১ টেবিল চামচ, সর্ষের তেলঃ ৩ টেবিল চামচ, নুন স্বাদমতো।
পদ্ধতিঃ একটি বাটিতে পেঁয়াজ কুচি ও নুন দিয়ে মেখে নিন। এরপর সব মশলা দিয়ে আরেকটু মেখে নিন। এবার মাছগুলো দিয়ে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে নিন।    একটি প্রেশার কুকারের মধ্যে মশলাসহ মাছ ও আধ কাপের মতো জল দিয়ে উনুনের হাই হিটে ১০ মিনিট রান্না করুন। ১০ মিনিট পর উনুনের আঁচ কমিয়ে লো করে দিন এবং এভাবে দেড় ঘণ্টা রান্না করুন। এরপর উনুনে একটি প্যান বসিয়ে মাছের অতিরিক্ত জল শুকিয়ে নিন।  মাছ মাখা মাখা হলে নামিয়ে পরিবেশন করুন।

ফুলকপির কচুরি

পাঞ্জাবিদের ভীষণ প্রিয় খাবার 'গোবি কি কচুরি।' আজকাল খুঁজলে বা কোনও পাঞ্জাবি ধাবায় গেলে নিশ্চই এই বস্তুটি পাওয়া যাবে, কিন্তু সর্বত্র নয়। অনায়াসেই বাড়িতে বানিয়ে ফেলুন কপির কচুরি।
রেসিপি
একটি ফুলকপির ডাটা সম্পূর্ণ ছাড়িয়ে ফেলুন এবং ভালো করে সেদ্ধ করুন, দেখবেন যেন গলে না যায়। এবারে ওই সেদ্ধ কপির মধ্যে পরিমাণমতো নুন এবং সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো মিশিয়ে চটকে মিশিয়ে নিন, স্বাদের জন্য একটা আলু সেদ্ধও মেশাতে পারেন। এবারে ময়দা মাখুন, তার মধ্যে ঘি বা বাদাম তেল মিশিয়ে লেচি বানান পারলে সামান্য বেকিং পাউডার মেশাতে পারেন। এবার ওই লেচির মধ্যে কপির পুর দিয়ে লুচির মতো গোল গোল করুন। এবার গরম সাদা তেলে ভাজুন, ব্যাস, হয়ে গেল কপির কচুরি। কিন্তু খাবেন কী দিয়ে ? সবচেয়ে ভালো হয়ে সাদা আলুর চচ্চড়ি দিয়ে খেলে। তবে পাঞ্জাবিরা টক দই এবং আচার দিয়ে খেয়ে থাকেন। টেস্ট করতে পারেন পাঞ্জাবি স্টাইল, মন্দ হবে না।   

পাইনঅ্যাপেল ফ্রাইড রাইস

আনারসের স্বাদে পাইনঅ্যাপেল ফ্রাইড রাইস সত্যিই দারুণ। চাইনিজ ফ্রাইডরাইসের মধ্যে পাইনঅ্যাপেল ফ্রাইড রাইস অন্যতম। টাটকা আনারস দিয়ে করা হয় এই রাইস।
লাগবে
আনারস কুচিঃ ১/২ কাপ, তেলঃ ২ টেবিল চামচ, পেঁয়াজ, মিহিকুচিঃ ১ টেবিল চামচ, কাঁচা লঙ্কা কুচিঃ ২টি, চিকেন, চৌকোঃ ১ কাপ, চিংড়ি, খোসা ছাড়ানোঃ ১/২ কাপ, পোলাওয়ের চালের ভাত, ঝরঝরে ঠান্ডা ৩ কাপ, কাজু বাদাম, ভাজাঃ ১/৪ কাপ, কচি পেঁয়াজ কুচিঃ ২টি, ফিশসসঃ ২ টেবিল চামচ,    সয়া সসঃ ১ টেবিল চামচ, পুদিনাপাতাঃ ১০টি, শুকনো লঙ্কা, স্লাইসঃ ২টি,   কাঁচা লঙ্কা, স্লাইসঃ ১টি।
পদ্ধতি
ফুটানো জলে চিংড়ি দিয়ে ৩ মিনিট সিদ্ধ করুন।  বড় কড়াইয়ে তেল গরম করে পেঁয়াজ, কাঁচা লঙ্কা, ৩-৪ মিনিট ভাজুন। মাংস দিয়ে ভাজুন। মাংস সিদ্ধ ও ভাজা হলে চিংড়ি এবং ভাত দিয়ে স্টার-ফ্রাই (stir fry) করুন। ভাত ভাজা হলে আনারস, কাজুবাদাম, কচিপেঁয়াজ দিন। ফিশ সস এবং সয়া সস দিয়ে ভালো করে উল্টেপাল্টে দিন। ফ্রাইড রাইস ডিশে নিয়ে উপরে পুদিনাপাতা, শুকনো লঙ্কা ও কাঁচা লঙ্কা ছিটিয়ে গরম পরিবেশন করুন।