লাইফস্টাইল
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
শাক খাওয়া চলবে না?

করোনাতে 'এটা খেও না' 'ওটা খাও' গোত্রীয় উপদেশ আসছে | প্রয়াত আয়ুর্বেদাচার্য্ শিবকালী ভট্টাচার্য বলতেন, টক ঝাল মিষ্টি খাওয়া কম করা উচিত | তাঁর এই টিপস কজন মানে কে জানে কিন্তু করোনা আবহে প্রায় সব বিশেষজ্ঞ বলছেন, মাছ, মাংস, ডিম্ এবং ওই ধরণের প্রোটিন খেতেই হবে | করোনা আক্রান্ত হলে বিভিন্ন হাসপাতালে ডিম্ এবং চিকেন দুবেলা দেওয়া হচ্ছে | কিন্তু এক বিশেষজ্ঞ সংস্থা জানাচ্ছে যে কোনো ভাবেই শাক জাতীয় খাবার খাওয়া চলবে না | কারণ দর্শিয়েছে যে, এতে পেটের সমস্যা হতে পারে পেটে গ্যাস হতে পারে যা এই আবহে খুবই খারাপ| নূনও নামমাত্র খেতে উপদেশ দেওয়া হচ্ছে | একই সাথে বলা হচ্ছে প্রতিদিন এক লিটার গরম জল এবং দু লিটার সাধারণ জল খাওয়া উচিত | প্রশ্ন গরিব মানুষ রোজ ডিম্ বা মাংস খাবে কোথা থেকে।

....

a week ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

ফুসফুস সুস্থ রাখতে কী খাবেন

মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ফুসফুস। কিন্তু বায়ুদূষণে শরীরের অন্যান্য অংশের মতো ফুসফুসেও মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে নিয়মিত কিছু ভেষজ উপাদান ও ফল খাওয়া জরুরি। এতে শ্বাসযন্ত্র সুরক্ষিত থাকে।
হলুদ : রান্নার উপকরণ হিসেবে পরিচিত হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শ্বাস-প্রশ্বাসের পথ পরিষ্কার রাখে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। হলুদ একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ভাইরালও, যা ফুসফুসে প্রভাবিত ভাইরাল সংক্রমণকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
তুলসি : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অল্প করে তুলসি পাতার রস খেলে শরীরের শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর হয়। তুলসি পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি ফুসফুস সুরক্ষায় খুবই কার্যকর। তাই শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর করতে তুলসি পাতার রস কিংবা এই পাতা জলে ফুটিয়ে খেতে পারেন। এতে ফুসফুস ভালো থাকবে।
আপেল : এ সময়ে সহজপ্রাপ্য ফলগুলোর মধ্যে আপেল অন্যতম। সপ্তাহে পাঁচটির বেশি আপেল খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।
কালো জিরে : ফুসফুস ভালো রাখতে কালো জিরে অনেক ভালো কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শ্বাসনালীর প্রদাহ রোধ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আধ চা চামচ কালোজিরা গুঁড়ো এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ফুসফুস ভালো থাকবে।
আমলকি : ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ খাবারের গুণের শেষ নেই। ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা রোধ করে এই ভিটামিন। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্বাসযন্ত্রে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে এবং শ্বাসনালির জীবাণু ধ্বংস করে। লেবুতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

কী উপহার দেবেন ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে

সামনেই ভ্যালেন্টাইনস ডে। দুনিয়ার প্রেমিক-প্রেমিকারা সারাবছর ধরে এই সময়ের জন্যই অপেক্ষা করে থাকেন। একে অন্যের জন্য বিভিন্ন সারপ্রাইজ পরিকল্পনা করেন, উপহার বিনিময় করেন। সবাই চায় দিনটাকে বিশেষভাবে উদযাপন করতে। তবে সঙ্গীকে কী উপকার দেবেন তাই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। ভালোবাসা দিবসে সঙ্গীকে দিতে পারেন যেসব উপহার-
অ্যালবাম: আপনাদের একসঙ্গে তোলা প্রত্যেকটা ছবি নিয়ে একটি অ্যালবাম তৈরি করুন। এক একটা ছবির নীচে সেই মূহূর্তের কথা ছোট করে লিখে দিতে পারেন বা ভালোবাসার মেসেজও লিখতে পারেন। এই উপহার পেয়ে আপনার সঙ্গী অবশ্যই খুশি হবে।
ঘড়ি : ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে আপনার সঙ্গীকে সুন্দর ঘড়ি দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সে কেমন ঘড়ি পছন্দ করে তা কোনওভাবে জানার চেষ্টা করুন এবং তার পছন্দমতো উপহার দিন। এতে আপনার সঙ্গী খুব খুশি হবে।
কফি মগ : আপনার সঙ্গী যদি চা বা কফি খেতে পছন্দ করে তবে তাকে সুন্দর কফি মগ উপহার হিসেবে দিতে পারেন। কফি মগে আপনি ভালবাসার মেসেজ লিখে দিতে পারেন বা আপনাদের কোনও সুন্দর ছবি মগের গায়ে ছাপিয়ে নিতে পারেন।
ল্যাপটপ ব্যাগ : ল্যাপটপ রাখার জন্য সুন্দর টেকসই ল্যাপটপ ব্যাগ দিতে পারেন। আজকাল এগুলো অনলাইনেই পাওয়া যায়।
ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন : উপহার হিসেবে ব্লুটুথ ইয়ানফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন দিতে পারেন। এখন এগুলোর জনপ্রিয়তা খুব বেশি। যদি আপনার সঙ্গী গান শুনতে খুব ভালবাসে বা ইলেকট্রনিক্স জিনিস তার খুব পছন্দের হয়, তাহলে তার জন্য ভালো উপহার হল ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন।
ফোনের ব্যাক কভার  : মোবাইল ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অনেক সময় তাড়াহুড়োয় হাত থেকে ফোন পড়ে গিয়ে ভেঙে যায়। তাই এই ঝামেলা এড়াতে সঙ্গীকে একটি টেকসই ডিজাইন করা ব্যাক কভার কিনে দিতে পারেন।
স্টোরি বুক : আপনার সঙ্গী যদি বইপ্রেমী হয়, তবে তাকে ভালো উপন্যাস বা গল্পের বই উপহার দিতে পারেন। সে যে ধরনের বই পড়তে পছন্দ করে সেই অনুযায়ী উপহার দিন।

মাস্কে ঢাকা ২১-ও

সংক্রমণ কমেছে, কমেছে মৃত্যুর হার কিন্তু করোনা বিদায় নেয়নি, বরং ব্রিটেনে নব্য করোনায় ফের আতঙ্কিত ইউরোপসহ বিশ্ব। অবশ্য নতুন করে ভয়াবহ অবস্থার খবর এখনও ভারতে নেই, পাশাপাশি শুরু হয়েছে টিকাকরণ। আজকের ভারতে অনেকটাই স্বস্তিতে মানুষ। ট্রামে বাসে ট্রেনে অনেককেই সামাজিক দূরত্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখতে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মাস্ক ছাড়া ঘোরাঘুরি করছে, অনেকেই লোক দেখানোর জন্য নাকটি খোলা রেখে মুখটি ঢেকে রেখেছে। এই দৃশ্য আকছার দেখা যাচ্ছে এ বাংলাতেও। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা বা হু পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে, ২০২১ সালেও করোনা আতঙ্ক চলে যাচ্ছে না। তারা কড়া বার্তা দিয়েছে এই বছরে "মাস্ক মাস্ট" অর্থাৎ টিকা নিন বা একবার করোনা আক্রান্ত হলেও সারাবছর মাস্ক পরে থাকতে হবে। হাত পা পরিষ্কার করতে হবে বারবার। খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে যা নির্দেশনামা ছিল তাই চলবে বছরভর।

বিষয়ভিত্তিক ও কারিগরি শিক্ষার চাহিদা বাড়বে

আমেরিকা, জার্মানি, ব্রিটেন বা প্রথম বিশ্বের দেশগুলির মতো আগামী দিনে এদেশে প্রশাসন ও অর্থদপ্তর  ছাড়া বাকি সবকিছুই হয় পিপিপি মডেল অথবা বেসরকারি হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে বিশেষজ্ঞ মহল। সেক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক বা কারিগরি শিক্ষায় দীক্ষিত ছাত্রছাত্রীরাই কাজের বাজারে চাকরি পাবে। অবশ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা চিরকালই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
এবারে একদিকে যে কোনও সংস্থায় হিসাব বিভাগে যেমন আকাউন্টেন্সি সম্বন্ধীয় শিক্ষার চাহিদা বাড়বে, তেমনই বাড়বে ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিভিন্ন বিষয়ের ম্যানেজমেন্ট পাশ করা ছাত্রছাত্রীর চাহিদা। কাজেই আগামীতে পড়ুয়াদের মাধ্যমিক পাশের পরই বেছে নিতে হবে বিষয়ভিত্তিক কোর্স।