লাইফস্টাইল
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
প্যারাডাইস সন্দেশ

ব্রিটিশ যুগ থেকে এই সেদিনও বাঙালির প্রিয় মিষ্টি বলতে ছিল প্যারাডাইস সন্দেশ। যা কিনা আভিজাত্যের ঐতিহ্য হিসেবেই পরিচিত ছিল। কবে আবিষ্কার হয়েছিল বা কে করেছিল তা নিয়ে বিস্তর তর্ক হাতে পারে। কিন্তু এর স্বাদের সত্যিই বিকল্প কোনও নেই। শোনা যায়, কলকাতার এক তথাকথিত রায়বাহাদুরের বাড়িতে আমন্ত্রণ ছিল তৎকালীন বাংলার বড়লাটের। খাওয়ার বিষয়ে সাহেবের বক্তব্য ছিল যে তিনি ‘ইন্ডিয়ান খানা’ খাবেন। সে তো গেলো প্রাথমিক বিষয়। সাহেবের জন্য মুরগি-মাটন, গোল রুটি ছিল, কিন্তু ভারতীয় মিষ্টির কি হবে? তখন রায়বাহাদুর নিজেই গেলেন বিখ্যাত এক মিষ্টির দোকানে, তাঁদের মিষ্টির ফরমায়েশ দিলেন। সব শুনে ওই দোকানের মালিক রায়বাহাদুরকে বললেন ঘাবড়াবেন না, আমি বিষয়টি দেখছি।


এরপর ছানার কাঁচাগোল্লার সাথে কাজু, পেস্তা,খোয়া ক্ষীর ইত্যাদি দিয়ে বেশ বড় মাপেন একটি সন্দেশ তৈরী করে দিলেন। সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল কেকের ভ্যানিলা। অসাধারণ স্বাদ হয়েছিল সেই সন্দেশের, সাহেব তো খেয়ে খুব খুশি। তিনি রায়বাহাদুরকে মিস্টিটির তারিফ করে বলেছিলেন, ‘ওহ ইটস প্যারাডাইস’। পরে সেটাই প্রচলিত হয়ে গেল, বাজারে চলে এল নতুন সন্দেশ ‘প্যারাডাইস সন্দেস’। আজও পাওয়া যেতে পারে হয়তো এই বিশেষ সন্দেশ। কিন্তু এক পিসের দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা .... কে খাবে ?  

....

2 days ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

জেনে নিন সোশাল মিডিয়ায় ফলোয়ারের বিচারে সেরা পাঁচ তারকা কারা

বর্তমানে সোশাল মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভারত সরকারের নয়া কৃষি বিল। দুই মাস ধরে চলা কৃষক আন্দোলনের সমর্থনে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন একাধিক বিদেশর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। মঙ্গলবার পপ তারকা রিহানা কৃষকদের সমর্থন করে টুইট করায়, ভারতের সংবাদের শীর্ষে চলে এসেছেন তিনি। তবে এটাই প্রথবার নয়, তাঁর গান ও জীবনযাত্রা নিয়ে একাধিকবার সোশাল মিডিয়া সহ টিভিতে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন রিহানা । টুইটারে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যাও নেহাত কম নয়। এই আবহেই জেনে নেওয়া যাক সোশাল মিডিয়ায় বিশ্বের জনপ্রিয় সেরা পাঁচ তারকার তালিকা। তাঁদের ফলোয়ার্সের সংখ্যার বিচারেই তাঁদের জনপ্রিয়তা মাপা সহজ।


 সোশাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়তায় সেরা পাঁচজন হলেন -

এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ফলোয়ারের মালিক হলেন প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা। তাঁর ট্যুইটারে ফলোয়ার্স  সংখ্যা ১২৮.৮ মিলিয়ন।
এরপরেই রয়েছেন কানাডার গায়ক জাস্টিন বিবার। ট্যুইটারে জাস্টিনের ফলোয়ার্স ১১৩.৮ মিলিয়ান।
এই তালিকায় ১০৯.৩ মিলিয়ন ফলোয়ার্স নিয়ে তৃতীয় নম্বরে রয়েছেন আমেরিকার গায়িকা কেটি পেরি
আরেক পপ গায়িকা রিহানা রয়েছেন চতুর্থ স্থানে, তাঁর ফলোয়ার্স সংখ্যা ১০১ মিলিয়ন।
পঞ্চম স্থানে রয়েছেন ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। ফলোয়ার্স সংখ্যার বিচারে তাঁকে ৯০.৭ মিলিয়ন লোক ফলো করেন।

দুশ্চিন্তা কমাবেন কী করে

দুশ্চিন্তা এক ধরনের মানসিক রোগ। এ কারণে শুরু থেকে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত। দুশ্চিন্তা বাড়লে অনেক সময় স্বাভাবিক চিন্তা বনা করার পথ আটকে যায়৷ মন ছটফট করতে থাকে, অজানা ভয় চেপে ধরে৷ এর থেকে হৃদরোগ, শ্বাসকষ্ট, পেশি ব্যথা, রক্তচাপ ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে৷ দুশ্চিন্তার অন্যতম প্রধান লক্ষণ হচ্ছে বুক ধড়ফড় করা, ঘাম, কাঁপুনি, বিরক্তি, হালকা মাথাব্যথা এবং মানসিক চাপ অনুভব করা।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দুশ্চিন্তায় ভূগলে কখনই একা থাকা উচিত নয়৷ সব সময় কারও না কারও সঙ্গে কথা বলা বা গান শোনা উচিত৷ এমন কয়েকটি জিনিস আছে যা দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। যেমন-

ভিটামিন ডি : মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখতে ভিটামিন ডিয়ের তুলনা নেই৷ এটি মুড নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। সেই সঙ্গে সব ধরনের উদ্বেগ এবং হতাশা কমাতে সাহায্য করে৷ সূর্যের আলো ভিটামিন ডিয়ের ভালো উৎস। এছাড়া দুধেও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

ভিটামিন বি-১২ :
ভিটামিন বি ১২ শরীর থেকে চাপ কমাতে সাহায্য করে৷ এটি মূলত প্রাণি থেকে পাওয়া যায়৷ এই ভিটামিন সুখী হরমোন তৈরি করে এবং মুড নিয়ন্ত্রণ করে। এটি স্নায়ুতন্ত্রের জন্যও উপকারী।

ম্যাগনেশিয়াম : মানব শরীরের জন্য ম্যাগনেশিয়াম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ খনিজ৷ এটি দুশ্চিন্তার মতো মানসিক রোগ কমাতে সাহায্য করে৷ মস্তিষ্ককে সতেজ রাখে৷ ডার্ক চকলেট, পালং শাক, কাজুবাদাম এবং চীনাবাদামে পর্যাপ্ত পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম পাওয়া যায়৷

ভিটামিন সি :
বিষন্নতা এবং দুশ্চিন্তার কমানোর অন্যতম উপায় হচ্ছে ভিটামি সি। এটি শরীরে সজীবতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্যও ভালো রাখে।

ক্যামোমাইল :
ক্যামোমাইল উদ্বেগমুক্ত রাখতে সাহায্য করে৷ ভালো ফল পেতে চায়ের সঙ্গে ক্যামোমাইল মিশিয়ে খেতে পারেন৷ এটি মানসিক চাপ কমাতে ভূমিকা রাখে।

সব্যসাচীর ফ্যাশন ব্র্যান্ডের ৫১% মালিকানা নিল বিড়লা গ্রুপ

ভারতের ফ্যাশন মানচিত্রে অন্যতম নক্ষত্রের নাম সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়। এবার তাঁর ব্র্যান্ডের ৫১% অধিগ্রহণ করল আদিত্য বিড়লা গ্রুপ। বেশ কয়েকমাস ধরেই এই বিষয়ে জল্পনা শোনা যাচ্ছিল ভারতীয় ফ্যাশন জগতে। এবার তাতেই শিলমোহর পড়ল। সূত্রের খবর, ৩৯৮ কোটি টাকার বিনিময়ে সব্যসাচী ব্র্যান্ডের মালিকানা হাতে নিল ভারতীয় পোশাক ব্যবসার বড় ব্র্যান্ড আদিত্য বিড়লা গ্রুপ। জানা যাচ্ছে আরও ৩০-৪০ দিন লাগবে এই অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে।

আদিত্য বিড়লা ফ্যাশন অ্যান্ড রিটেল লিমিটেডের ম্যানিজিং ডিরেক্টর আশিস দীক্ষিত জানিয়েছেন, সব্যসাচীর যে দীর্ঘ যাত্রাপথ, তারই একটি অংশ হয়ে উঠতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত। এমন এক ঐশ্বর্য বিলাসী ব্র্যাণ্ড, যা ইতিমধ্যেই গোটা পৃথিবীর কাছে নিজেদের বাণিজ্য মেলে ধরেছে, সেই ব্র্যান্ডকে নিজেদের বলে চিহ্নিত করতে পেরে ভাল লাগছে। আর বাঙালি এই ফ্যাশন ডিজাইনার সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়ের কথায়, ‘কুমারমঙ্গলম বিড়লার মতো একজন অংশীদার পেয়ে আমি খুশি। আরও বৃহৎ লক্ষ্যের দিকে পা ফেলতে চলেছি আমরা’। এই বৃহৎ চুক্তির ফলে সব্যসাচী ব্র্যান্ডের সমস্ত পোশাক এবং অলঙ্কারের বিপুল সাম্রাজ্যের অধিকার চলে গেল বিড়লা গ্রুপের হাতে। উল্লেখ্য, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া থেকে অনুষ্কা শর্মা সকলেই জীবনের সবচেয়ে স্পেশাল দিনটা সাজিয়েছিলেন বাঙালি সব্যসাচী মুখোপাধ্যায়।

Google-কে টেক্কা দিতে দ্রুত উঠে আসছে নতুন সার্চ ইঞ্জিন ‘DuckDuckGo’

ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন মানেই আমরা জানি গুগল। যদিও আরও কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে তবে সেগুলি খুব একটা জনপ্রিয় নয়। অর্থাৎ ইন্টারনেটের দুনিয়ায় কার্যত একমদ্বিতীয়ম গুগল। তবে তাঁকে টেক্কা দিতে চলেছে আরও একটি সার্চ ইঞ্জিন যার নাম ‘ডাকডাকগো’ (DuckDuckGo)। ক্রমাগত জনপ্রিয়তা বাড়ছে এই সার্চ ইঞ্জিনটির। গত ১১ জানুয়ারি ১০ কোটি দৈনিক সার্চের মাইলফলক পার করেছে এই নতুন সার্চ ইঞ্জিন। সূত্রের খবর, এরপরই এই সার্চ ইঞ্জিনে ইউজারের সংখ্যা উত্তোরত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। এখন প্রতিদিনই নতুন এই সার্চ ইঞ্জিনে নিজেদের পছন্দের বিষয়বস্তু খুঁজছেন ১০ কোটি ব্যবহারকারী।
বিশেষজ্ঞদের মতে, গত ১১ বছরে এই প্রথমবার তাঁদের যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী পেয়েছেন ইন্টারনেট জায়ান্ট গুগল। আমেরিকার পেনসিভেনিয়ার একটি সংস্থা ‘ডাকডাকগো’। তাঁদের দাবি, ইউজারদের গোপনীয়তা সুরক্ষিত রাখাই একমাত্র লক্ষ্য। আর এটাই তাঁদের জনপ্রিয়তার মূল কারণ। ইদানিং ইন্টারনেটে গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য বাইরে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এই অভিযোগে নাজেহাল বিশ্বের প্রায় সমস্ত প্রথম সারির ওয়েব পরিষেবাকারী সংস্থা। কিন্তু গ্রাহক তথা ইউজারদের তথ্যের গোপনীয়তায় ক্রমাগত ভরসাযোগ্য হয়ে উঠছে নতুন সার্চ ইঞ্জিন ‘ডাকডাকগো’ (DuckDuckGo)। আর দৈনিক ইউজার সংখ্যা ১০ কোটি পার করার পর এই ‘ডাকডাকগো’ এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সার্চ ইঞ্জিন। গুগল ক্রোম ও অ্যান্ড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে ডাউনলোডে প্রথম এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ‘ডাকডাকগো’। জানা যাচ্ছে, মাত্র তিনবছর আগে পথ চলা শুরু করেছিল আমেরিকার পেনসিলভানিয়ার সংস্থাটি। কিন্তু এত কম সময়ে এতটা জনপ্রিয়তা আশা করেননি সংস্থার কর্তারা। তাঁদের বক্তব্য মানুষই এই জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে দিয়েছে ‘ডাকডাকগো’ (DuckDuckGo) সার্চ ইঞ্জিনকে। সংস্থার দাবি, ইউজারদের ট্র্যাক করা না গেলেও তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত এবং গোপনীয় রাখা DuckDuckGo সংস্থার মূলমন্ত্র।

মুক্তি পেল মোবাইল অ্যাকশন গেম FAU-G

'শত্রুর মুখোমুখি হোন। দেশের জন্য লড়াই করুন। দেশের পতাকা রক্ষা করুন।'- প্রত্যাশা মতো ৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবসের দিনই মুক্তি পেল মোবাইল অ্যাকশন গেম ফৌজি। এদিন টুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করে গেমটির উদ্বোধন করেন বলিউডের অ্যাকশন হিরো অক্ষয় কুমার। সঙ্গের ক্যাপশনে লিখলেন, শত্রুর মুখোমুখি হয়ে নিজের দেশের জন্য লড়াই করুন। আমাদের দেশের পতাকা রক্ষা করুন। ভারতের অন্যতম সবচেয়ে প্রত্যাশিত অ্যাকশন গেম, ফিয়ারলেস এন্ড ইউনাইটেড গার্ডস: এফএইউ-জি, আপনাকে নিয়ে যাবে যুদ্ধক্ষেত্রের একদম প্রথম সারিতে। আজই নিজের মিশন শুরু করুন।

ভিডিওটিতে রয়েছে সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় সেনার সঙ্গে শত্রু দেশের সংঘাতের প্রেক্ষাপট। ১৫ জুন, দুপুর ২ টোর সময় হঠাৎই গায়েব হয়ে যায় ভারতীয় পতাকা। এরপরেই দেখা যায় শত্রু সেনার সঙ্গে ভারতীয় সেনার প্রবল লড়াই হচ্ছে, পাথরের আঘাতে বহু সেনা আহত হয়েছেন। গুরুতর জখম লেফটেন্যান্ট। কিন্তু ফৌজি কখনও হার মানে না, কখনও পিছপা হয় না। তাই এখন থেকেই শুরু হবে নয়া মিশন। ভারতে পাবজি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এবার 'দেশি পাবজি' পেয়ে খুশি গেমাররাও। মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ থেকেই গুগল প্লে স্টোর থেকে এই গেম ডাউনলোড করা যাচ্ছে। তবে গেম নির্মাতারা জানিয়েছেন, এই গেম অ্যান্ড্রয়েড এইট বা তার উপরের হাই থেকে মাঝারি প্রযুক্তির স্মার্টফোনেই শুধু মাত্র খেলা যাবে।

'গুগল ডুডলে' ফুটে উঠল ভারতের বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের ধারণা

ভারতের ৭২তম প্রজাতন্ত্র দিবসকে সম্মান জানাল গুগল। একটি বিশেষ ডুডল (Google Doodle) তৈরি করে দেশবাসীকে অভিনন্দন জানিয়েছে এই তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা। জাতীয় পতাকার নীল রঙে লেখা হয়েছে গুগল শব্দটি। প্রেক্ষাপটে রয়েছে জাতীয় পতাকার রঙ। মুম্বইয়ের শিল্পী ওঙ্কার ফন্দেকারের ভাবনায় এদিনের ডুডলে ফুটে উঠেছে ভারতের নানা অঞ্চলের সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্প। শিল্পীর ভাবনায় জায়গা পেয়েছে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের সেতারবাদক, ঢোলবাদক লোকশিল্পী, ভারতনাট্যম নৃত্যশিল্পী, ক্রিকেট খেলোয়াড়, দেশের নানা জাতির, নানা প্রান্তের মানুষও।

মূলত, ভারতের বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্যের ধারণাকেই তুলে ধরেছে এই গুগল ডুডল। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি ভারতে সংবিধান লাগু করা হয়েছিল। এরউপর ভিত্তি করেই ভারত সফল গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে আত্মপ্রকাশ করেছিল। এই সংবিধানই আমাদেরকে অসীম অধিকারও যেমন দেয় একই সঙ্গে বিপুল দায়িত্বের সামনেও দাঁড় করায়। প্রসঙ্গত, ৭১তম প্রজাতন্ত্র দিবসে তাজমহল আর ইন্ডিয়া গেট-এর ডুডল তৈরি করছিল গুগল।               


  


গ্যাসের সমস্যা দূর করতে ঘরোয়া টোটকা

গ্যাসের সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে গ্যাস্ট্রিকও হতে পারে। বছরের পর ওষুধ খেলে পরে কোনো ওষুধই শরীরে আর কাজ করে না। তাই ওষুধ খেয়ে গ্যাস ঠিক না করে প্রাকৃতিক উপায়ে এই সমস্যা দূর করা যেতে পারে। 

১. জোয়ান খুব ভালো গ্যাস প্রতিরোধক। গরম জলে বিট নুন দিয়ে জোয়ান ভেজানো জল দুপুরের খাওয়ার ৪৫ মিনিট পর খেলে ভালো উপকার পাওয়া যায়।

২. গ্যাস-অম্লের জন্য আদা খুবই উপকারী। আদা খাওয়ার ফলে হজম খুব তাড়াতাড়ি হয়। পেট যদি খুব তাড়াতাড়ি খালি হয়ে যায় তাহলে সেই খালি পেটে গ্যাস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই মশলাদার অথবা ভারী কোনও খাবার খাওয়ার আধ ঘণ্টা আগে আদা কুঁচি খেয়ে নিলে গ্যাসের সমস্যা অনেকটা কমে যাবে।

৩. মেনথল গ্যাসের সমস্যা খুব তাড়াতাড়ি দূর করতে পারে। চায়ের সঙ্গে মেনথল মিশিয়ে খেলে গ্যাসের পাশাপশি হজম খুব সহজে হয়। সেই সঙ্গে শরীরও বেশ সতেজ লাগে।

৪. রসুন গ্যাসের জন্য খুবই উপকারী। রসুন শুধুমাত্রই খাবারে অন্য স্বাদ আনে না। এতে থাকা ফাইবার হজমে সহায়তা করে। 

৫. যে কোনও খাবারে অল্প একটু জিরে গুঁড়ো দিলে খাবারের স্বাদ পরিবর্তনের সঙ্গে গ্যাসের সমস্যাও কমে।

৬. সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস জলে তুলসি পাতার রস মিশিয়ে খেলে গ্যাসের সমস্যা দূর করা যায়। এছড়াও এই পাতার রস খেলে ওজনও কমে। 

বিচ্ছেদ বাড়ছে, বাড়ছে শিশুদের সমস্যা

আজও দেশটির নাম ভারতবর্ষ, যেখানে এখনও সামাজিক ঐতিহ্য বজায় রেখে সংসার সামলান একজন পিতা ও মাতা। ছেলেমেয়ের বড়ো হওয়াটা একটি সংসারের মধ্যে বাবামায়ের যৌথ উদ্যোগেই হয়ে থাকে। একসময়ে একান্নবর্তী পরিবার ছিল। বহু শিশু তার ঠাকুমা- দাদুর কাছে বড় হত। কিন্তু ধীরে ধীরে সংসার ছোট হয়েছে, সেই যৌথ পরিবার থাকলেও সংখ্যায় কমে এসেছে। আজকাল সেলেবদের জীবনযাত্রা, মোবাইল নেটের মাধ্যমেই ছোট ছেলেমেয়েদের মধ্যে চলে এসেছে। তার ভালো খারাপ দুয়েরই প্রভাব পড়ছে শিশুমনে।
ইউরোপ, আমেরিকা বা লাতিন আমেরিকায় যৌথ পরিবার দূরস্থান, বিয়ে ভেঙে যাচ্ছে ক্রমাগত। এই প্রবণতা এখন ভারতেও ঢুকে গিয়েছে। পেজ ত্রি খুললেই সেলেবদের বিয়ে ভাঙার গল্প আবার নতুন বিয়ের প্রতিশ্রুতি। শুধু পেজ থ্রি কেন এখন সাংসারিক অশান্তিতে আলাদা হচ্ছে স্বামী স্ত্রী। এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে তাদের ছোট সন্তানদের মধ্যে। সম্প্রতি এক মার্কিন ম্যাগাজিনে মনোবিদ ড. রবার্ট জেনকিনসন লিখছেন, ভারতের মতো গোঁড়া মনোভাপন্ন দেশে বিচ্ছেদের ঘটনা খুবই খারাপ, কারণ দেশটি এখনও পিতৃমাতৃতান্ত্রিক দেশ। এই বিচ্ছেদ ছোটদের মধ্যে খারাপ হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখা যাবে।

রূপচর্চায় গোলাপ জলের জাদু

রূপচর্চায় জুড়ি নেই গোলাপ জলের। সেই প্রাচীনকাল থেকে ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গোলাপ জলের ব্যবহার হয়ে আসছে। মূলত, গোলাপ ফুলের পাপড়ি জলে ভিজিয়ে রেখে তৈরি করা হয় গোলাপ জল। নরম এবং মসৃণ ত্বক পেতে ও সব ধরনের ত্বকের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে গোলাপ জল। রাতে শোয়ার আগে এটি সরাসরিও মুখে ব্যবহার করতে পারেন। মুখ ধোওয়ার পরে অল্প তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে মুখের নিচ থেকে ওপর দিকে আলতো করে বুলিয়ে নিতে পারেন।

সরাসরি তো বটেই ফেস প্যাক, স্ক্রাব ও স্কিন টোনার সব কিছুর সঙ্গেই গোলাপের জল মিশিয়ে নেওয়া যায়। জেনে নিন ত্বকের যত্নে গোলাপ জল কীভাবে ব্যবহার করতে পারেন।

১) ত্বকের রুক্ষতা কমাতে গোলাপ জল


শীত তো বটেই অনেকেই সারাবছর রুক্ষ ও শুষ্ক ত্বকের সমস্যায় ভোগেন। এই সমস্যা থেকে রেহাই দিতে পারে গোলাপ জল। মুখ ধোয়ার পরে সারা মুখে গোলাপ জল স্প্রে করে নিন।এরপর ময়শ্চারাইজার লাগিয়ে নিলেই অনেকক্ষণ নরম থাকবে মুখ।

২) টোনার হিসেবে ব্যবহার 


নামী-দামি বিভিন্ন ফেস টোনার তো অনেক ব্যবহার করেছেন। সেসবে অনেক সময়ই থাকে রাসায়নিক। তবে প্রাকৃতিক টোনার হিসেবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন গোলাপ জল। গোলাপ জলে আছে অ্যান্টি ব্যাকটোরিয়াল গুণ। 

৩) ফেস মাস্ক লাগানোর আগে গোলাপ জল

বিভিন্ন ঘরোয়া ফেস প্যাক মুখে লাগানোর আগে গোলাপ জল লাগিয়ে নিন। তুলোয় গোলাপ জল নিয়ে সেটি সারা মুখে লাগিয়ে নিন। তারপর ফেস প্যাক লাগান। এতে ফেস প্যাক আরও ভাল কাজ করবে। 

৪) স্নানের জলে মিশিয়ে 


সারাদিন কাজের পর যদি সকলেই খুব ক্লান্ত অনুভব করেন। বাড়ি ফিরে স্নানের জল হালকা গরম করে নিন। সেই জলে মিশিয়ে নিন গোলাপ জল। ম্যাজিকের মতোই উধাও হবে আপনার ক্লান্তি ভাব।   

বিয়ের বাজারে আগুন মাছ-মাংসে

বার্ড ফ্লু-র ধাক্কায় ভাবা গিয়েছিল মাংসের দাম কমবে কিন্তু আজ তার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মাঘ মাস বাঙালি হিন্দুদের ঘরে সবচাইতে বেশি বিয়ে হয় কিন্তু বিয়েতে খাওয়াবেন কী ? ময়দা থেকে আনাজপাতি দাম তো ঊর্ধ্বমুখী কারণ দর্শানো হচ্ছে পেট্রল ডিজেলের দামকে। কিন্তু লৌকিকতা করে বিয়ের অনুষ্ঠানের তো আর নিরামিষ খাওয়ানো যায় না। সেখানে মাছ মাংস খাওয়াতেই হয়। কিন্তু মাছের বাজারে ঢুকলেই মাথায় হাত, তথৈবচ মাংসের বাজারও |
সোমবারের বাজার দর এই রকম :-
রুই মাছ ( গোটা ) -- ১৭০ থেকে ১৮৫ টাকা
রুই মাছ ( কাটা ) -- ২০০ থেকে ২২০
কাতলা মাছ ( গোটা ) -- ২৫০
কাতলা মাছ ( কাটা ) -- ৩০০
ভেটকি মাছ -- ৪০০ - ৪৫০
গলদা চিংড়ি -- ৪০০ - ৪৫০
বাগদা চিংড়ি -- ৫৫০ -  ৭০০
মুরগির মাংস -- ১৩০ - ১৫০ ( দাম কমেছে)
খাসির মাংস -- ৬৫০- ৭২০ ( দাম বেড়েছে )
লৌকিকতার হাত থেকে বাঁচার একটাই উপায় হচ্ছে নিমন্ত্রণ করতে করোনা আবহ, সরকারি নির্দেশে নিমন্ত্রণ কম।