লাইফস্টাইল
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
প্যারাডাইস সন্দেশ

ব্রিটিশ যুগ থেকে এই সেদিনও বাঙালির প্রিয় মিষ্টি বলতে ছিল প্যারাডাইস সন্দেশ। যা কিনা আভিজাত্যের ঐতিহ্য হিসেবেই পরিচিত ছিল। কবে আবিষ্কার হয়েছিল বা কে করেছিল তা নিয়ে বিস্তর তর্ক হাতে পারে। কিন্তু এর স্বাদের সত্যিই বিকল্প কোনও নেই। শোনা যায়, কলকাতার এক তথাকথিত রায়বাহাদুরের বাড়িতে আমন্ত্রণ ছিল তৎকালীন বাংলার বড়লাটের। খাওয়ার বিষয়ে সাহেবের বক্তব্য ছিল যে তিনি ‘ইন্ডিয়ান খানা’ খাবেন। সে তো গেলো প্রাথমিক বিষয়। সাহেবের জন্য মুরগি-মাটন, গোল রুটি ছিল, কিন্তু ভারতীয় মিষ্টির কি হবে? তখন রায়বাহাদুর নিজেই গেলেন বিখ্যাত এক মিষ্টির দোকানে, তাঁদের মিষ্টির ফরমায়েশ দিলেন। সব শুনে ওই দোকানের মালিক রায়বাহাদুরকে বললেন ঘাবড়াবেন না, আমি বিষয়টি দেখছি।


এরপর ছানার কাঁচাগোল্লার সাথে কাজু, পেস্তা,খোয়া ক্ষীর ইত্যাদি দিয়ে বেশ বড় মাপেন একটি সন্দেশ তৈরী করে দিলেন। সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল কেকের ভ্যানিলা। অসাধারণ স্বাদ হয়েছিল সেই সন্দেশের, সাহেব তো খেয়ে খুব খুশি। তিনি রায়বাহাদুরকে মিস্টিটির তারিফ করে বলেছিলেন, ‘ওহ ইটস প্যারাডাইস’। পরে সেটাই প্রচলিত হয়ে গেল, বাজারে চলে এল নতুন সন্দেশ ‘প্যারাডাইস সন্দেস’। আজও পাওয়া যেতে পারে হয়তো এই বিশেষ সন্দেশ। কিন্তু এক পিসের দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা .... কে খাবে ?  

....

2 days ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

প্যারাডাইস সন্দেশ

ব্রিটিশ যুগ থেকে এই সেদিনও বাঙালির প্রিয় মিষ্টি বলতে ছিল প্যারাডাইস সন্দেশ। যা কিনা আভিজাত্যের ঐতিহ্য হিসেবেই পরিচিত ছিল। কবে আবিষ্কার হয়েছিল বা কে করেছিল তা নিয়ে বিস্তর তর্ক হাতে পারে। কিন্তু এর স্বাদের সত্যিই বিকল্প কোনও নেই। শোনা যায়, কলকাতার এক তথাকথিত রায়বাহাদুরের বাড়িতে আমন্ত্রণ ছিল তৎকালীন বাংলার বড়লাটের। খাওয়ার বিষয়ে সাহেবের বক্তব্য ছিল যে তিনি ‘ইন্ডিয়ান খানা’ খাবেন। সে তো গেলো প্রাথমিক বিষয়। সাহেবের জন্য মুরগি-মাটন, গোল রুটি ছিল, কিন্তু ভারতীয় মিষ্টির কি হবে? তখন রায়বাহাদুর নিজেই গেলেন বিখ্যাত এক মিষ্টির দোকানে, তাঁদের মিষ্টির ফরমায়েশ দিলেন। সব শুনে ওই দোকানের মালিক রায়বাহাদুরকে বললেন ঘাবড়াবেন না, আমি বিষয়টি দেখছি।


এরপর ছানার কাঁচাগোল্লার সাথে কাজু, পেস্তা,খোয়া ক্ষীর ইত্যাদি দিয়ে বেশ বড় মাপেন একটি সন্দেশ তৈরী করে দিলেন। সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছিল কেকের ভ্যানিলা। অসাধারণ স্বাদ হয়েছিল সেই সন্দেশের, সাহেব তো খেয়ে খুব খুশি। তিনি রায়বাহাদুরকে মিস্টিটির তারিফ করে বলেছিলেন, ‘ওহ ইটস প্যারাডাইস’। পরে সেটাই প্রচলিত হয়ে গেল, বাজারে চলে এল নতুন সন্দেশ ‘প্যারাডাইস সন্দেস’। আজও পাওয়া যেতে পারে হয়তো এই বিশেষ সন্দেশ। কিন্তু এক পিসের দাম ৭০ থেকে ৭৫ টাকা .... কে খাবে ?  

জানেন কি মুখরোচক রোলের জন্ম কোথায়?

নাহ, কাগজের রোল নয়, ফিল্মেরও নয়, এটি আদন্ত বাঙালির অতি পরিচিত এক মুখরোচক জলখাবার। চিকেন, মাটন বা এগ রোলের কথা বলছি, যার দোকান প্রতিটি পাড়ার মোড়েই দেখতে পাওয়া যায়। আট থেকে আশি কে না খেয়েছে বা খায় জ্বিভে জল আনা রোল। বেশ কয়েক বছর ধরে ভেজ রোলও পাওয়া যাচ্ছে। এটাতে ডিম, চিকেন বা মাটন থাকে না, থাকে পনির ও সবজি। কিন্তু কখনও ভেবেছেন এই রোলের জন্ম কোথায় ? আমাদের বাঙালি বাড়িতে এক সময়ে রুটির মধ্যে তরকারি দিয়ে গোল করে মুড়িয়ে খেতে দেওয়া হতো। অনেক সময়ে মিষ্টির পুর দিয়েও রুটির রোল খেত বাঙালি। যা কিনা তাড়াহুড়ো থাকলে আজও খায় অনেকে। ভাবনাটা কার্যত ওইভাবেই এসেছে, কিন্তু একটা গল্প আছে এর পিছনে।


কলকাতার নিউ মার্কেটের উল্টো দিকে বহু পুরাতন এক রেস্টুরেন্ট আছে, নাম তাঁর 'নিজাম’। বহু বাঙালির যাতায়াত ছিল বা আছে ওই দোকানে। ব্রিটিশ আমলে এই রেস্টুরেন্টের জন্ম। এক সময়ে ওই রেস্তরাঁয় কাবাব, হালিম, পরোটা খুব বিখ্যাত ছিল। একবার এক ইংরেজ সাহেব দোকান বন্ধ হওয়ার ঠিক আগে ওই দোকানে ঢুকে জানালো যে সে খুব ক্ষুদার্থ, এখনই কিছু খাবার চাই। ফলে মহা বিপাকে পড়লেন দোকানের মালিক। সাহেবরা হাত দিয়ে খায় না অথচ পরোটা কাবাব কাটা চামচ বা ছুরি দিয়ে কেউ খায় না। তবে উপায়?

দোকানী বুদ্ধি করে কাবাব, স্যালাড ওই পরোটার মধ্যে পুরে রোল বানিয়ে কাগজে মুড়ে সাহেবকে খেতে দেন। সাহেব তো খেয়ে খুব আল্হাদিত হলেন। ফের পরদিন বন্ধু বান্ধব নিয়ে সন্ধ্যায় দোকানে এসে হাজির বললেন, রোল লাও। ফের বানিয়ে দেওয়া হলো পরোটার মধ্যে কাবাবের পুর দেওয়া রোল। তারপর থেকে রোল চালু হয়ে গেল শহর কলকাতায়। এই নিজামই রোলের আবির্ভাব ঘটায় যা আজ এলাকায় এলাকায় পাড়ার দোকানে সহজেই পাওয়া যায়।      

বেশি রাতে ডিনার করেন? তবে ভুল করছেন

আমাদের বাঙালিদের একটা অভ্যাস আছে কাজের দিনে বাবু বিবিরা বেশ রাতের দিকে টিভি ইত্যাদি দেখে খেতে বসেন। ফলে খেতে বেশ রাত করেন অনেকেই। তারপর খাওয়ার মাঝেই আড্ডাটিও জমে ওঠে বেশ। কিন্তু বিদেশিরা বিশেষ করে ইউরোপ বা আমেরিকানরা ডিনার বলতেই অফিস থেকে ফিরে রাতের খাওয়া বোঝেন। রাত ৮টার মধ্যেই দ্রুত ডিনার বা রাতের খাওয়া শেষ করেন তাঁরা। ইউরোপীয়ানরা কিন্তু কারুর থেকে কম কিছু খান না। এরা প্রাতঃরাশ যেমন পেট ভরে খান, তেমন রাতের খাবারও বেশ আয়েশ করেই খেয়ে থাকেন। মাঝখানে দুপুরের খাওয়া নামমাত্র।  ভারতীয়দের ক্ষেত্রে ঠিক উল্টোটাই চল। অফিস বাবুরা কোনও মতে নাকে মুখে গুঁজে কাজে বেরিয়ে যান, দুপুরে বেশ পেট ভরে খেয়ে ফের অনেক রাতে আয়েশ করে খান। চিকিৎসকরা বলেন, অফিস থেকে ফিরে নিজের খাওয়াতা স্বপরিবারে খেয়ে নিন। তারপর পড়াশুনা করলেন কিংবা টিভি দেখলেন অথবা আড্ডা মারলেন। বা কিছুটা পায়চারি করলেন। রাতে ফের খিদে পেলে হালকা কিছু খেয়ে নিন। এতে পেটের গন্ডগোল কমবে, সকালে পেটও পরিষ্কার হবে। সবচেয়ে বড় কথা হল খাবার হজম করতে অনেকটা সময় পাবে আমাদের পরিপাক যন্ত্র।          

স্কুলে ফেরার আনন্দে

শুক্রবার রাজ্যে আংশিক ভাবে স্কুলগুলি খুলে গেল। খোলার ঘোষণা আগেই ছিল কিন্তু আচমকা বামেদের বন্ধ ডাকায় চিন্তায় পড়েছিল নবম দশম শ্রেণীর ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু শেষপর্যন্ত স্কুলে যেতে পেরেছে সিংহভাগই। তাদের নেটের মাধ্যমে পড়াশুনা আর ভালো লাগছিল না, কারণ ওইভাবে তারা অভ্যস্ত নয় বলে জানাচ্ছে পড়ুয়ার দল। এবারে স্থির হয়েছে পরীক্ষা পিছোচ্ছে অর্থাৎ উচ্চমাধ্যমিক ও মাধ্যমিক। কাজেই অন্তত বেশ কয়েকদিন সময়ে পাবে ছেলেমেয়েরা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাস করার। স্কুল থেকে বেরিয়ে পড়ুয়ারা জানাচ্ছে, তারা তাদের পরিচিত ক্লাসরুমে যেতে পেরে খুবই আনন্দ পেয়েছে। অনেকদিন বাদে দূরে থাকা বন্ধুদের সাথে দেখাও হয়েছে তবে নিয়ম অনুযায়ী টিফিন ভাগ করে খাওয়া যায়নি এবং জলের বোতল বাড়ি থেকে নিয়ে যেতে হয়েছে। টিফিনের সময়ে অবশ্য ক্লাসরুমের বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হয়েছে। তবুও স্কুলে গিয়ে অনাবিল আনন্দ পেয়েছে ৩৩৩ দিন বাদে।

ফুসফুস সুস্থ রাখতে কী খাবেন

মানবদেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ফুসফুস। কিন্তু বায়ুদূষণে শরীরের অন্যান্য অংশের মতো ফুসফুসেও মারাত্মক সমস্যা দেখা দেয়। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে নিয়মিত কিছু ভেষজ উপাদান ও ফল খাওয়া জরুরি। এতে শ্বাসযন্ত্র সুরক্ষিত থাকে।
হলুদ : রান্নার উপকরণ হিসেবে পরিচিত হলুদ স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শ্বাস-প্রশ্বাসের পথ পরিষ্কার রাখে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে। হলুদ একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ভাইরালও, যা ফুসফুসে প্রভাবিত ভাইরাল সংক্রমণকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
তুলসি : স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অল্প করে তুলসি পাতার রস খেলে শরীরের শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর হয়। তুলসি পাতায় প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় এটি ফুসফুস সুরক্ষায় খুবই কার্যকর। তাই শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর করতে তুলসি পাতার রস কিংবা এই পাতা জলে ফুটিয়ে খেতে পারেন। এতে ফুসফুস ভালো থাকবে।
আপেল : এ সময়ে সহজপ্রাপ্য ফলগুলোর মধ্যে আপেল অন্যতম। সপ্তাহে পাঁচটির বেশি আপেল খেলে ফুসফুসের কার্যকারিতা বাড়ে।
কালো জিরে : ফুসফুস ভালো রাখতে কালো জিরে অনেক ভালো কাজ করে। এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান শ্বাসনালীর প্রদাহ রোধ করতে সাহায্য করে। প্রতিদিন আধ চা চামচ কালোজিরা গুঁড়ো এক চা চামচ মধুর সঙ্গে মিশিয়ে খেলে ফুসফুস ভালো থাকবে।
আমলকি : ভিটামিন 'সি' সমৃদ্ধ খাবারের গুণের শেষ নেই। ফুসফুসের প্রদাহজনিত সমস্যা রোধ করে এই ভিটামিন। আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকায় এটি শ্বাসযন্ত্রে অক্সিজেন সরবরাহ করতে সাহায্য করে এবং শ্বাসনালির জীবাণু ধ্বংস করে। লেবুতেও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি পাওয়া যায়।

কী উপহার দেবেন ভ্যালেন্টাইনস ডে-তে

সামনেই ভ্যালেন্টাইনস ডে। দুনিয়ার প্রেমিক-প্রেমিকারা সারাবছর ধরে এই সময়ের জন্যই অপেক্ষা করে থাকেন। একে অন্যের জন্য বিভিন্ন সারপ্রাইজ পরিকল্পনা করেন, উপহার বিনিময় করেন। সবাই চায় দিনটাকে বিশেষভাবে উদযাপন করতে। তবে সঙ্গীকে কী উপকার দেবেন তাই নিয়ে অনেকেই দ্বিধায় ভোগেন। ভালোবাসা দিবসে সঙ্গীকে দিতে পারেন যেসব উপহার-
অ্যালবাম: আপনাদের একসঙ্গে তোলা প্রত্যেকটা ছবি নিয়ে একটি অ্যালবাম তৈরি করুন। এক একটা ছবির নীচে সেই মূহূর্তের কথা ছোট করে লিখে দিতে পারেন বা ভালোবাসার মেসেজও লিখতে পারেন। এই উপহার পেয়ে আপনার সঙ্গী অবশ্যই খুশি হবে।
ঘড়ি : ভ্যালেন্টাইনস ডে উপলক্ষে আপনার সঙ্গীকে সুন্দর ঘড়ি দিতে পারেন। সেক্ষেত্রে সে কেমন ঘড়ি পছন্দ করে তা কোনওভাবে জানার চেষ্টা করুন এবং তার পছন্দমতো উপহার দিন। এতে আপনার সঙ্গী খুব খুশি হবে।
কফি মগ : আপনার সঙ্গী যদি চা বা কফি খেতে পছন্দ করে তবে তাকে সুন্দর কফি মগ উপহার হিসেবে দিতে পারেন। কফি মগে আপনি ভালবাসার মেসেজ লিখে দিতে পারেন বা আপনাদের কোনও সুন্দর ছবি মগের গায়ে ছাপিয়ে নিতে পারেন।
ল্যাপটপ ব্যাগ : ল্যাপটপ রাখার জন্য সুন্দর টেকসই ল্যাপটপ ব্যাগ দিতে পারেন। আজকাল এগুলো অনলাইনেই পাওয়া যায়।
ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন : উপহার হিসেবে ব্লুটুথ ইয়ানফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন দিতে পারেন। এখন এগুলোর জনপ্রিয়তা খুব বেশি। যদি আপনার সঙ্গী গান শুনতে খুব ভালবাসে বা ইলেকট্রনিক্স জিনিস তার খুব পছন্দের হয়, তাহলে তার জন্য ভালো উপহার হল ব্লুটুথ ইয়ারফোন বা ওয়্যারলেস হেডফোন।
ফোনের ব্যাক কভার  : মোবাইল ফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু অনেক সময় তাড়াহুড়োয় হাত থেকে ফোন পড়ে গিয়ে ভেঙে যায়। তাই এই ঝামেলা এড়াতে সঙ্গীকে একটি টেকসই ডিজাইন করা ব্যাক কভার কিনে দিতে পারেন।
স্টোরি বুক : আপনার সঙ্গী যদি বইপ্রেমী হয়, তবে তাকে ভালো উপন্যাস বা গল্পের বই উপহার দিতে পারেন। সে যে ধরনের বই পড়তে পছন্দ করে সেই অনুযায়ী উপহার দিন।

মাস্কে ঢাকা ২১-ও

সংক্রমণ কমেছে, কমেছে মৃত্যুর হার কিন্তু করোনা বিদায় নেয়নি, বরং ব্রিটেনে নব্য করোনায় ফের আতঙ্কিত ইউরোপসহ বিশ্ব। অবশ্য নতুন করে ভয়াবহ অবস্থার খবর এখনও ভারতে নেই, পাশাপাশি শুরু হয়েছে টিকাকরণ। আজকের ভারতে অনেকটাই স্বস্তিতে মানুষ। ট্রামে বাসে ট্রেনে অনেককেই সামাজিক দূরত্বকে বুড়ো আঙ্গুল দেখতে দেখা যাচ্ছে। অনেকেই মাস্ক ছাড়া ঘোরাঘুরি করছে, অনেকেই লোক দেখানোর জন্য নাকটি খোলা রেখে মুখটি ঢেকে রেখেছে। এই দৃশ্য আকছার দেখা যাচ্ছে এ বাংলাতেও। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা বা হু পরিষ্কার বার্তা দিয়েছে, ২০২১ সালেও করোনা আতঙ্ক চলে যাচ্ছে না। তারা কড়া বার্তা দিয়েছে এই বছরে "মাস্ক মাস্ট" অর্থাৎ টিকা নিন বা একবার করোনা আক্রান্ত হলেও সারাবছর মাস্ক পরে থাকতে হবে। হাত পা পরিষ্কার করতে হবে বারবার। খাওয়াদাওয়ার বিষয়ে যা নির্দেশনামা ছিল তাই চলবে বছরভর।

বিষয়ভিত্তিক ও কারিগরি শিক্ষার চাহিদা বাড়বে

আমেরিকা, জার্মানি, ব্রিটেন বা প্রথম বিশ্বের দেশগুলির মতো আগামী দিনে এদেশে প্রশাসন ও অর্থদপ্তর  ছাড়া বাকি সবকিছুই হয় পিপিপি মডেল অথবা বেসরকারি হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনাই দেখছে বিশেষজ্ঞ মহল। সেক্ষেত্রে বিষয়ভিত্তিক বা কারিগরি শিক্ষায় দীক্ষিত ছাত্রছাত্রীরাই কাজের বাজারে চাকরি পাবে। অবশ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা চিরকালই বিষয়ভিত্তিক শিক্ষা দিয়ে থাকেন।
এবারে একদিকে যে কোনও সংস্থায় হিসাব বিভাগে যেমন আকাউন্টেন্সি সম্বন্ধীয় শিক্ষার চাহিদা বাড়বে, তেমনই বাড়বে ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিভিন্ন বিষয়ের ম্যানেজমেন্ট পাশ করা ছাত্রছাত্রীর চাহিদা। কাজেই আগামীতে পড়ুয়াদের মাধ্যমিক পাশের পরই বেছে নিতে হবে বিষয়ভিত্তিক কোর্স।

কঠিন রোগ প্রতিরোধের খাদ্য

করোনা আবহে মানুষ ভিটামিন, মিনারেল বা পুষ্টিকর খাদ্যের ব্যবহার শিখে গিয়েছে। কিন্তু তবুও ক্যান্সার বা ওই গোত্রীয় কঠিন রোগ প্রতিরোধের সবজি খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আয়ুর্বেদের ডাক্তারবাবুরা। তাঁদের মত, আম বা লিচু বাদে বাকি অধিকাংশ ফলই সব মানুষ খেতে পারেন। তাঁরা জানিয়েছেন শীতের সবজির কোনও তুলনা নেই। রোগ প্রতিরোধ করার জন্য ডাক্তাদের উপদেশ, রোজ প্রচুর পরিমাণে খান - ১) টমেটো, ২) ব্রকোলি, ৩) বাঁধাকপি, ৪) গাজর, ৫) পালং শাক, ৬) সজনে শাক। তবে যে সবজির তালিকা বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন তা বোধকরি সবাই খেয়ে থাকেন কিন্তু নিয়মিতভাবে নয়। ডাক্তারদের পরামর্শ এই সবজিগুলি একসাথে করে সুপ বানিয়ে রাতে খাওয়া যেতেই পারে, তবে সবজি ছেঁকে নয়। একটি বড়ো পাত্রে সবজি সমেত সুপ বানিয়ে এটার রুটি বা ব্রাউন ব্রেড দিয়ে খাওয়া যেতে পারে।|

শীতে সুস্থ থাকতে কী খাবেন

জেঁকে বসেছে শীত। এ সময় সুস্থ থাকাটা খুবই জরুরি। তাই খাবার তালিকায় রাখতে হবে এমন কিছু খাবার যা আপনাকে সুস্থ রাখবে। 

আসুন জেনে নিই কী  খাবেন-

১. রসুন, পেঁয়াজ, মুলো, গাজর, আলু—এসব সবজি খেতে পারেন।  এসব খাবার হজমে সাহায্য করে, শরীরে তাপ সৃষ্টি করে ও শরীর গরম রাখে। 

২. এ সময় নিয়মিত খেতে পারেন মধু। সকালে গরম জলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেতে পারেন। অথবা অন্য খাবার বা স্যালাডের ড্রেসিংয়েও মধু যোগ করতে পারেন। মধুতে প্রচুর পুষ্টিগুণ আছে। এছাড়া এটি আমাদের শরীর অনেকক্ষণ গরম রাখে।

৩.  আদা, লবঙ্গ, দারচিনি, এলাচ খাবারের সঙ্গে যোগ করুন। এতে শরীর গরম থাকবে। এসব মশলা দিয়ে চা বানিয়েও খেতে পারেন।

৪. খেতে পারেন শুকনো ফল। শুকনো ফলে প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকে, যা শরীরে শক্তি জোগাবে প্রচুর। তাই খেজুর ও এ জাতীয় শুকনো ফল খেতে পারেন। 

৫. ঘি দিয়ে তৈরি খাবার খেতে পারেন। রান্নার তেলের বদলে ঘি ব্যবহার করতে পারেন। ঘিয়ে যে আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে তা শরীর গরম রাখে প্রাকৃতিকভাবে। ঘি আয়ুর্বেদিক শাস্ত্রমতেও একটি উপকারী খাবার। তবে উচ্চ রক্তচাপের রোগী বা যাদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তারা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাবেন ঘি। 

৬. শীতে পর্যাপ্ত প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। মুরগি, চর্বি ছাড়া মাংস, মাছ, ডিম এসব খাবার তালিকায় রাখুন সব সময়। এসব খাবার শীতের প্রকোপ থেকে বাঁচতে ও শরীর সুস্থ রাখতে খুব সহায়ক।

৭. রাতে ঘুমানোর আগে গরম দুধ খেতে পারেন। দুধ আপনার প্রোটিনের  চাহিদা পূরণ করবে ও শরীরে শক্তি যোগাবে।