লাইফস্টাইল
সর্বশেষ আপডেট
অনেকে পড়ছেন
রাস্তার খাবার থেকে সতর্ক

করোনার নতুন ঢেউ আসার পর এই রাজ্যে লকডাউন হবে কিনা জানা নেই কিন্তু কড়াকড়ি হবেই দৈনন্দিন জীবন যাত্রায়। যে বিষয়ে সতর্ক হওয়া দরকার তা হল রাস্তার খাবার সম্পর্কে। বিশ্বের শহরের  স্ট্রিট ফুডের মধ্যে কলকাতা সর্বদা বিখ্যাত। কলকাতা সহ ছোট বড় শহরে রাস্তার খাবার খাননি এমন মানুষ কেউ আছেন নাকি ? কি না পাওয়া যায় ফুটপাথের খাবার দোকানগুলিতে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ঠান্ডা খাবার মোটেই খাওয়া যাবে না। গরম খাবার মানে উনুন ব্যবহার করে যারা বিক্রিবাট্টা করেন তাদের রান্না করা খাবার ভালো। আইসক্রিম, ফুচকা, কাটা ফল, সরবত, মিষ্টি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে। ঝাল মুড়ি, ভেলপুরি ইত্যাদি খাবারও খাওয়া যাবে না। এমন কি ফেরিওয়ালার কোনও খাবার খাওয়া চলবে না এই করোনা আহবে।     

....

5 days ago

ভিডিও খবর

Popular TV Programme

রাস্তার খাবার থেকে সতর্ক

করোনার নতুন ঢেউ আসার পর এই রাজ্যে লকডাউন হবে কিনা জানা নেই কিন্তু কড়াকড়ি হবেই দৈনন্দিন জীবন যাত্রায়। যে বিষয়ে সতর্ক হওয়া দরকার তা হল রাস্তার খাবার সম্পর্কে। বিশ্বের শহরের  স্ট্রিট ফুডের মধ্যে কলকাতা সর্বদা বিখ্যাত। কলকাতা সহ ছোট বড় শহরে রাস্তার খাবার খাননি এমন মানুষ কেউ আছেন নাকি ? কি না পাওয়া যায় ফুটপাথের খাবার দোকানগুলিতে। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ঠান্ডা খাবার মোটেই খাওয়া যাবে না। গরম খাবার মানে উনুন ব্যবহার করে যারা বিক্রিবাট্টা করেন তাদের রান্না করা খাবার ভালো। আইসক্রিম, ফুচকা, কাটা ফল, সরবত, মিষ্টি ইত্যাদি থেকে দূরে থাকতে হবে। ঝাল মুড়ি, ভেলপুরি ইত্যাদি খাবারও খাওয়া যাবে না। এমন কি ফেরিওয়ালার কোনও খাবার খাওয়া চলবে না এই করোনা আহবে।     

চোখ রাঙাচ্ছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ, জেনে নিন করোনার নতুন উপসর্গগুলি

দেশজুড়ে যে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়েছে তাতে শঙ্কিত চিকিৎসক মহল। যদিও আশঙ্কার কারণ যথেষ্ট, কারণ এবার করোনার নতুন স্ট্রেন বা প্রজাতিগুলি অনেক বেশি সংক্রমক। তবে ভারতে এই দ্বিতীয়বার বাড়বাড়ন্ত এই ভাইরাসের নয়া স্ট্রেনের জন্যই কিনা সেটা নিয়ে পুরোপুরি নিশ্চিত নয় বিশেষজ্ঞরা। তবে সকলেই একটা বিষয়ে নিশ্চিত, সাধারণ মানুষ সচেতন না হলে আগামীদিনে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাবে। বিগত কয়েকদিনে দেশে দৈনিক সংক্রমণ এক লাখ ছাড়িয়েছে। কিন্তু চিকিৎসকরা বলছেন, করোনার আগের উপসর্গগুলো যেমন আছে, তেমনই কয়েকটি নতুন উপিসর্গ দেখা গেছে করোনার নয়া স্ট্রেনে। নতুন করে যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন তাঁদের আগের মতোই  জ্বর আসছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে আবার স্বাদ-গন্ধ হারিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু কয়েকটি নতুন উপসর্গও দেখা দিচ্ছে অনেক ক্ষেত্রে। এবার সেগুলি জানিয়ে রাখি...

গোলাপি চোখ (Pink Eyes)-  এটা কোভিড সংক্রমণের নতুন উপসর্গ। চিনের এক সমীক্ষায় দেখা গেছে কনজেক্টিভিটিস বা চোখের রঙ গোলাপির মধ্যে লাল ছোপ হয়ে যাচ্ছে। চোখে ফোলা ফোলা ভাব থাকছে। আর বারবার চোখ দিয়ে জল গড়াচ্ছে।


শ্রবণ ক্ষমতা কমে আসা (Hearing loss/Impairment)- করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউয়ে আক্রান্তরা অনেকেই শ্রবণ ক্ষমতা হারাচ্ছেন। সেইসঙ্গে থাকছে সাধারণ উপসর্গগুলো। আবার কথা বলার ক্ষমতাও কমে আসছে অনেকের।


হজমের সমস্যা (Gastrointestinal Symptoms)-  গবেষণায় দেখা গেছে এবার করোনা আক্রান্তের অনেকেই হজমের সমস্যায় পড়েছেন। মূলত মানুষের হজম শক্তির ক্ষতি করে দিচ্ছে করোনা ভাইরাস। বমি বমি ভাব, ডায়রিয়া, পেটের ব্যাথা এবং হজমের সমস্যা দেখা দিলেই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। পারলে করোনা পরীক্ষা করে নিন।


বুকে ব্যাথা ও হাই প্রেসার (Chest pain or Pressure)- এটা আগেও ছিল, তবে এবার এই উপসর্গ বেশি দেখা যাচ্ছে। অনেকেই বুকে অসহ্য ব্যাথা অনুভব করছেন। আবার হাই ব্লাড প্রেসারে ভুগছেন। দেখা যাচ্ছে করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে এই দুটি উপসর্গ বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে।

বিশ্বে ১০ জনের মধ্যে ৬ জনের চাকরি থাকবে, তবে কি টেকনোলজি নয়া পন্থা?

কর্মব্যস্ততায় থাকা একটি মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়লে তবে কি হবে ভেবে দেখেছেন? কর্মের নেশায় মানুষ আজকাল এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে। কিন্তু দিন্দা দিনে মানুষ তার কর্ম হারাচ্ছে। কিছুটা ভুগছে আক্ষেপে। এদিকে দেশে একবছর  আগে করোনা সংক্রমণে  মানুষ তার কর্ম হারিয়েছে। সেই রেশ এখনো চলছে। সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, আগামী চারবছরের মধ্যে বিশ্বজুড়ে  ১০ জনের মধ্যে কমপক্ষে ৬ জন চাকরি হারাবেন। এমনি ব্যাখা দিলেন বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের তরফে। সমিক্ষয় আরো জানা গেছে ,এই করোনায় ডিজিটাল দক্ষতায় বেশি নজর দিয়েছে।কেউ অব ওয়ার্ক ফর্ম হোমে ব্যস্ত। আবার করোনার জেরে লোকডাউন থাকায় মানুষ কিন্তু তাদের জীবিকা ও অনেক বদলেছে। নোতুন কিছু শিখেছে।সেই ভাগটাই বেশি আছে. বর্তমানে মানুষ বেশি টেকনোলজির ওপর নির্ভরশীল।তবে কিছুটা কমলেও।আবার নতুন করে ফিরবে এই ব্যবস্থা। বহু মানুষের নতুন চাকরি হবে. টেকনোলজি দেখাবে নতুন পথের দিশা।

ছোলা মুড়ি থেকে ফ্রুট জুস

নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার সময়ে ততটা গরম ছিল না। কিন্তু যত দিন এগিয়েছে তত গরম বেড়েছে। ভোটের প্রথম দিন বেশ গরম ছিল এবং আবহাওয়ার যা পূর্বাভাস তাতে আরও গরম বাড়বে বলেই জানিয়েছেন আবহবিদরা। শেষ পর্বে গরম হওয়া থাকবে। কিন্তু আম জনতার প্রশ্ন এই গরমে কি কি খাওয়া দাওয়া করেন ভোট প্রার্থীরা? প্রার্থীদের নানান খাওয়ার প্রতি ঝোক থাকলেও প্রচারের গরমে কিন্তু সকলেই বেশ সংযমী। জলের বোতল সঙ্গে থাকেই। সকালে চা বিস্কুট ছাড়া বেশি কিছু খান না প্রায় কেউই। ব্যতিক্রম অবশ্য সিনেমা শিল্পীরা। তাঁরা প্রচুর ফল এবং ফলের জুস খেয়ে বেরোন ভোট প্রচারে।
কিন্তু দেখা গিয়েছে অধিকাংশ প্রার্থী দুপুরে দু-একটি রুটি সবজি খেয়ে থাকেন যদিও সঙ্গে থাকে মুড়ি ও ছোলা ভাজা। ছোলাতে কার্বোহাইড্রেড কম কিন্তু ভিটামিন বেশি। সারা দিন প্রচারের মাঝে চা খাওয়া চলে তবে বেশির ভাগই চিনি ছাড়া লাল চা। রাতে কিন্তু বাড়ি ফিরে বেশির ভাগ প্রার্থী গরম ভাত চান তার সাথে যে কোনও সবজি।