মালদার তরুণী ধর্ষণ ধামাচাপা দিতে চাইছে পুলিশ, তোপ লকেটের

0
519

মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে ধর্ষিতা ৩ বছরের শিশু। যদিও সাতেক আগেই এই শিশুকে ধর্ষণ করেছিল প্রতিবেশী এক যুবক। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ। এরমধ্যেই মালদার ধানতলা এলাকা থেকে উদ্ধার অর্ধনগ্ন তরুণীর দগ্ধ দেহ। এখনও অজানা মালদায় খুন হওয়া তরুণীর পরিচয়, সেইসঙ্গে অধরা অভিযুক্তরা। কিন্তু বিতর্ক শুরু হয়েছে পুলিশের দাবি নিয়ে। গত বৃহস্পতিবার পাওয়া ওই অজ্ঞাতপরিচয় তরুণীর দেহ উদ্ধারের সময় মালদার মহিলা থানার পুলিশ ও ডিএসপি জানান, তরুণীর যৌনাঙ্গে গভীর ক্ষত রয়েছে, মনে করা হচ্ছে তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে। পরিচয় গোপন করতেই উর্ধাঙ্গে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা। কিন্তু ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই ভোলবদল পুলিশের। শনিবার মালদায় যান বিজেপি মহিলা মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি প্রথমে মালদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ধর্ষিতা ৩ বছরের শিশুকে দেখতে যান। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে।

এরপরে তিনি ধানতলায় যান ওই তরুণীর দগ্ধ দেহ যেখানে পাওয়া গিয়েছিল সেখানে। কথা বলেন স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গেও। পরে পুলিশ সুপারের সুপারের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। এরপরই ক্ষোভে ফেটে পড়েন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ধানতলাতে একজন কিশোরীকে আরও নৃশংসভাবে ধর্ষণ করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত কাউকে ধরতে পারেনি পুলিশ। এমনকি পোস্টমর্টেম রিপোর্টে কি আছে তাও পুলিশ সুপার বলতে রাজি হলেন না। পুলিশ প্রকৃত ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইছে বলেই দাবি করেছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, ওই তরুণীর ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে ধর্ষণের প্রমান মেলেনি, শ্বাসরোধ করেই মারা হয়েছিল তাঁকে। তবে কী ঘটনাস্থলে মিথ্যে বলেছিলেন ডিএসপি? প্রশ্ন লকেটের। এই নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদেরও ক্ষোভের জন্ম হচ্ছে। কারণ ঘটনাস্থলে যায়নি ফরেন্সিক দল, নমুনাও সংগ্রহ করা হয়নি। তবে কী সত্যিই প্রকৃত সত্য ধামাচাপা দিতে চাইছে পুলিশ-প্রশাসন? বিজেপি নেত্রীর দাবি, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা, তবুও সুবিচার পায়নি কামদুনির নির্যাতিতা। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের উচিত তোলপাড় করা।